রুবাই ৪৮১-৪৮৫ (Rubai Ramit 481-485)

রুবাই ৪৮১-৪৮৫
——————————— রমিত আজাদ

৪৮১।
কপোলে মিষ্টি হাসির রঙ লেগেছে আহারে,
আঁখিটায় দুষ্টুমিটার রঙ জমেছে বাহারে!
সে যে ঐ হাতছানি দেয় মন নীলিমার পাহাড়ে।
আমি আজ হৃদয় ভরে করবো সোহাগ তাহারে!

৪৮২।
গাঁয়ের পথে মেঘবালিকা দাঁড়িয়ে আছে আনমনা,
মেঘলা কেশে মেঘ ছুঁয়েছে, চন্দ্রিমা তা দেখলোনা।
সূয্যিমামা দেখলো সবই, ছড়িয়ে আলোর আল্পনা,
স্নিগ্ধ আঁখির চাঁদনী রূপে, রূপকথা এক কল্পনা।

৪৮৩।
গাছের গায়ে হেলান দিয়ে মেঘবালিকা ভাবছে কি?
পায়ের পাতা মাটির পরে, মাটির পুতুল বলছে কি?
বন দোলানো, মন ভোলানো, উষ্ণ সমীর বইছে ঐ,
মেঘবালিকার ফুল্লরথে মেঘের ভেলা ভাসলো কৈ?

———————– রমিত আজাদ
২৯শে আগস্ট, ২০২১ সাল

৪৮৪।
শ্রাবণ মেঘের জল ফুরিয়ে নামলো শরৎ শুভ্রতায়,
কাশের ফুলে বন ছেয়েছে, মেঘ পালালো উষ্ণতায়!
সাদা মেঘের নিচেই সাদা ফুলের রাশি উড়ছে বায়,
বনের পথে মন হারিয়ে, নারী পুরুষ কোথায় ধায়?

৪৮৫।
সাতটি সাগর তেরো নদী, তার পরে যে দেশ আছে,
সেই সুদূরের ঐ পারেতে অভিমানির ঘর আছে।
সাগর তীরের সাগরিকা, নয়ন জলেও মিলবে না;

যতই থাকো অভিমানে, আমি তোমায় ভুলবোনা!

রচনাতারিখ: ৩১শে আগস্ট, ২০২১ সাল
রচনাসময়: সন্ধ্যা ০৮টা ০২ মিনিট

Rubai 481-485
—————– Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.