Categories
অনলাইন প্রকাশনা

রুবাই ৮৬, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯০

রুবাই ৮৬, ৮৭, ৮৮, ৮৯, ৯০
—————————- রমিত আজাদ

৮৬।
আপন জনার বুকে আঁকো যন্ত্রণারই চিত্রলেখা!
যেই বুকে ঠাঁই নিয়েছিলে, ভুলতে গিয়ে স্বীয় ব্যাথা।
একবারও কি দেখলে ভেবে, করলে কাকে হঠাৎ খুন?
কার বিরহে নিভবে জীবন, নিজ পাঁজরে দাও আগুন!

৮৭।
জ্ঞানীর হাতে দাও তুলে দাও, তোমার গাঁয়ের মোড়লী,
গ্রাম হবে যে সোনার বরন, রোশনাই তায় উজালী!
মুর্খ থেকে তফাৎ থেকো, নাই দাও তায় সরদারি,
মধু বলে বিষ দেবে সে, বুঝ-জ্ঞান না ধারধারি।

৮৮।
এক জোৎস্নায় হয়না গো স্নান, জোৎস্না যাচি আরো,
পূর্ণিমা চাঁদ উৎস আলোর, বক্ষ মেলে ধরো।
চলে গেলেও তবু আমি, রেখে যাবো শোভন ছাপ,
পাপ হবে না হৃদয় তাপে, সাথ দেবে না অভিশাপ।

৮৯।
মিষ্টিমধুর রঙের ছোঁয়া গোলাপ কলির ঠোঁটে,
রঙের ছটায় হৃদয় মাঝে জোয়ার জেগে ওঠে।
জোয়ার বলে ছোটরে ছোট্, মন ছুঁতে চায় কলির ঠোঁট,
কলির আঁখি ছলছল, অশ্রুবারি টলমল!

৯০।
দোলন চাঁপা দোলে রে, তৃণ তরুর কোলে রে,
রক্ত জবায় রূপের ছটা, নয়নতারায় ঘনঘটা।
ঝলকে ওঠে করবী, বৃক্ষ শাঁখে সুরভী।
রঙ্গনে ফুল রঙের বাহার, কৃষ্ণচূড়া ফুলের পাহাড়।

—————————————————
রচনাতারিখ: ২৭শে আগষ্ট, ২০১৯
সময়: দুপুর ২টা ১০ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.