Categories
অনলাইন প্রকাশনা

শিক্ষালয়ের পথ

শিক্ষালয়ের পথ
——————————- রমিত আজাদ

এখানে কেটেছে ধুসর সন্ধ্যা, হেটেছি বিকেল বেলা।
ভোরের আকাশে দেখেছি এ পথে, মোহিনী আলোর মেলা।
দুপুরের রোদে উর্দি চাপিয়ে এই পথে ছিলো চলা,
অভিসারী মনে স্বপ্নিল স্মৃতি, যাবেনা কখনো ভোলা!

এই ছিলো মোর দ্বিতীয় পল্লী, শিক্ষালয়ের পথ,
এরই বুকেতে চলেছে নিয়ত প্রদীপ্ত জ্ঞান-রথ।
পথের দুপাশে ফুল্ল-মলয় সুবাস ছড়াতো বায়,
নিঁখুত সাজের অট্টালিকাও মায়ায় জড়াতো তায়।

কুচকাওয়াজের শব্দ নিনাদে সিংহনাদের গর্জন,
এ পথেই তার ব্যঘ্রশাবকেরা করেছিলো কিছু অর্জন।
কেমন শীতল ছায়ায় ঢাকিত বীথিকার তরুগুলি।
পথটি মোদের চলতে শিখালো আগুয়ান দিনগুলি।

কোমল কিশোর ছয়টি বছর এই পথে হেটে শেষে,
পেয়েছে জওয়ানী, আত্মবিশ্বাসে ভরেছিলো বুক হেসে।
সৈন্যদলের ফৌজি বলের বলে হয়ে বলীয়ান,

পৃথিবীর পথে ছড়িয়ে পড়ে সে, হতে চায় মহীয়ান!

রচনাতারিখ: ০৪ঠা মে, ২০২১ সাল
রচনাসময়: রাত ০১টা ১৮ মিনিট

The Path of My School
——————————Ramit Azad

May be an image of grass and tree

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.