Categories
অনলাইন প্রকাশনা

শৈত্য প্রবাহে স্পন্দন

শৈত্য প্রবাহে স্পন্দন
—————————- রমিত আজাদ

তোমায় নিয়ে সব কবিতাই হয়ে গেছে লেখা,
সব আবেগই প্রকাশ হলো, থেকে প্রথম দেখা।
প্রথম দেখা, প্রথম হাসি, ভালো লাগার দীপ্তি রাশি,
অল্প কিছু গল্প করে, সেই যে বাজলো মনের বাঁশি!

রূপের মোহে কাল কাটিয়ে প্রেমের রসে প্রথম মজা!
হাতের পাতায় হাত বুলিয়ে, মনের কথা চোখে খোঁজা।
প্রথম কথার অনুরণে, কর্ণে কেমন সুরের হাওয়া!
প্রথম ছোঁয়ার শিহরণে শুভ্র তনু রঙিন হওয়া।

পার্কে বসে চায়ের কাপে তপ্ত জলে অধর মাখা,
দৃষ্টি বাণে পরস্পরের অভিসারের পঠন শেখা।
ছবির হলে আঁধার ঘরে প্রথম ছায়ার-ছবি দেখা,
আলতো কিছু আলিঙ্গনে কাঁধের পরে মাথা রাখা।

প্রথম লোভে প্রথম আরজ, প্রথম কিছু দ্বন্দ্ব-দ্বিধা,
প্রথম ভাবা, প্রথম মনন, প্রথম কিছু কল্প-সুধা!
প্রথম তনুর নিরাভরণ, প্রথম রতির সুখ নিবেদন।
প্রাণের ছোঁয়ায় উৎকলিকায় প্রথম মথন, প্রথম রমণ!

যদিও জানি তোমার ভাষা, তাও বুঝিনা তোমার কথা!
মনের কথা জমে হিম আজ, প্রাণের শ্রুতি হারায় কোথা।
শেষ দেখা আর প্রথম ব্যাথা, প্রথম কিছু বিভেদ গাঁথা!
কপোত-কপোতী নীরবতা, মৌন গগনে স্মৃতির রেখা।

আজ তবে আর কি নিয়ে লিখবো, তোমার আমার শ্লোক?
কি লিখে ফোটাবো কুঞ্জ মধুর, কষ্টবিধূর সাজাবো কল্পলোক?
আবার যদি হয়গো দেখা, জলস্রোতে ফল্গুরেখা, নবপ্রেমলোক!
নব্য একটি পদ্য হবে, জলতরঙ্গে রঙ ছড়াবে, নবীন স্বর্গলোক!
———————————————————————————–

রচনাতারিখ: ২২শে ডিসেম্বর, ২০১৯ সাল
সময়: রাত ১২টা ৪৩ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.