সাহস, মনোবল ও বুদ্ধিমত্তাই বড়কথা:
গতকাল একটা অসম লড়াই দেখলাম। একটা কুকুর একটা বিড়ালের মুখোমুখী হলো। বিড়ালটি সাইজে যথারীতি কুকুরটির চাইতে কয়েকগুন ছোট। বিড়ালটি কিছুটা ভয় পেলেও ছাড় না দিয়ে এ্যাটাকিং পজিশনে চলে গেলো। উভয়েই মুখোমুখী ও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে একে অপরের দিকে তাকিয়ে আছে। কুকুরটি একটি এগুতেই বিড়ালটি লাফ দিয়ে একটা ছোট প্লাটফর্মের উপর উঠে গেলো, এবং সুযোগ বুঝে কুকুরটির মুখে একটা খামচি দিয়ে দিলো। তারপরপরই বিড়ালটি লাফ দিয়ে পাশের একটা গ্রীল গলে একটা দালানের ভিতর ঢুকে গেলো। অত সরু গ্রীল গলে ভিতরে ঢোকা আর বিশালদেহী কুকুরটির পক্ষে সম্ভব ছিলো না। মনে মনে বিড়ালটির তারিফ না করে পারলাম না, সাইজে কয়েকগুন ছোট হওয়ার পরেও সে গুটিয়ে না গিয়ে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতেই পজিশন নিয়েছিলো, এটা সাহস; তারপর সে একটু উপরে উঠে গেলো – এটা নিজেকে একটা সুবিধাজনক পজিশনে নিয়ে আসা, ফলে সে কুকুরটির মুখের নাগাল পেলো; তারপর না পালিয়ে সে কুকুরটির আগেই তাকে আঘাত করে বসলো, এতে কুকুরটিকে ঘাবড়ে দেয়া গেলো – এটা কুকুরটির মনোবল ভেঙে দেয়া; আঘাত করার পরপরই নিজে আর আহত না হয়ে চট করে পালিয়ে নিরাপদ জায়গায় চলে গেলো, এ্তে কুকুরটির আফসোস করা ছাড়া আর কোন পথ খোলা রইলো না – এটা কৌশল।
বিড়ালটির কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।
(দেশের স্বার্থ বিকানো কোন অসম চুক্তি চাইনা। চাই সাহস, মনোবল ও বুদ্ধিমত্তা)
Categories