Categories
অনলাইন প্রকাশনা

সোমেশ্বরীর বিশুদ্ধ প্রশান্তি

সোমেশ্বরীর বিশুদ্ধ প্রশান্তি
————— রমিত আজাদ

তোমাকে নিয়ে আর কেউ
কবিতা লিখেছে কিনা জানিনা,
তবে কাউকে নিয়ে
আমার লেখা এটাই প্রথম কবিতা।

যখন ছুঁয়েছি তোমার নির্মল হাত,
তুমি চট করে সরিয়ে নিলে নার্ভাস হয়ে।
তারপর নিজেই হয়তো ভেবেছ,
‘কেন এমনটি করলাম!
সরিয়ে না নিলে তো
আরো কিছুক্ষণ পেতাম তার ছোঁয়া!’
তোমাকে বিশ্বাস করতেই হবে,
আমার মধ্যে কোন পংকিলতাই ছিলো না।
আমি চেয়েছি কেবল
সোমেশ্বরীর বিশুদ্ধ প্রশান্তি।

তারপর একটুকু আকাশ
নির্মলতায় ছুঁয়ে দেয় মন,
বিহঙ্গরা অঙ্গ মেলে রঙ্গন পূর্ণিমায়,
দক্ষিণা সমীরণ ছায় মহুয়া মাদকতায়,
তব ঘনশ্বাস মম বুকে !
ক্লান্ত ধরণী এলিয়ে পড়ছে সুখে।

যদিও অসম প্রেম
তবুও বিকশিত হোক
উর্ধ্বগামী মাধবীলতায়।
স্বপ্ন এগিয়ে যাক,
বৃত্তবন্দী অনুশাসন ভেঙে।
উদ্বেগী আবেগ সঞ্চারিত হোক
সান্ধ্য মায়ার ধুপ তরঙ্গে।
নাগকেশরের দিনে দূর দূর অম্বুদ
ভেসে যাক সোহাগী নীলিমায়।

মম হৃদয়ের বাসনা বিলাস,
মন ভরে দেখবো তোমাকে,
স্মৃতির পাতায় কেটে দেবো
কতগুলো বেপরোয়া আঁচড়,
এমন করে যেনো,
সে দাগ মোছা যায়না কোনদিনও,
তুমি এসো কিন্তু!

—————————————-
তারিখ: ১লা অক্টোবর, ২০১৮
সময়: রাত ১২টা ৫৫ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.