Categories
অনলাইন প্রকাশনা

স্বার্থপরের আলিঙ্গন

স্বার্থপরের আলিঙ্গন
——————- রমিত আজাদ

ভালোবেসেই ডাকলে তুমি, তোমার দ্বার ও আঙিনায়,
বেওফা আমি গেলাম তথায় লুদ্ধ রিপু তাড়নায়।
প্রেমের মূল্য দেবার মতন মন তো আমার ছিলো না,
আঁখি দুটির গতি বোঝার দিল তো কভু দিলো না।

তুমি দিলে ভালোবাসা, গোলনিয়ারা জিয়ারা,
বিনিময়ে দিলাম আমি অবহেলার মনমরা!
চাইলে দিতে বক্ষসুধা ভর পিয়ালা উষ্ণতা,
আমি নিলাম জিগর ভরে বহ্নিসুখের তপ্ততা!

হাতছানি তার পদাবলীর আকুলপারা চিত্রিতা,
সপ্রতিভ মুঠোফোনে পাগলপারা বক্তৃতা,
তড়িৎ-শিখায় শাখাচূড়া নীড় অভিসার তহুরা,
উপেক্ষিলাম হর অবসর কওসর মোর পিয়ারা।

নিশ্বাসে তার বিশ্বাসী ঘ্রাণ তাপ ছড়াতো কন্ধরে,
তাও কম্পন অঙ্গরে তার মাপিনি সেই রিখটারে!
স্বার্থপরের আলিঙ্গনে রিপু থাকে প্রণয় না,
দৃষ্টিহীনের অন্ধআঁখি গোলনিয়ারা চেনেনা!
———————————————————–

রচনাতারিখ: ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯
সময়: রাত ৩টা ০১ মিনিট

মন্তব্য করুন..

By ডঃ রমিত আজাদ

মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসম সাহসিকতা নিয়ে দেশমাতৃকাকে রক্ষা করেছিল!
ব্যাটা নিয়াজী বলেছিলো, “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমত আহাম্মক বনে যায়।
সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল আবার ফিরে আসুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.