হ্যাপী নিউ ইয়ার ২০২২ (পর্ব – ৫)

হ্যাপী নিউ ইয়ার ২০২২ (পর্ব – ৫)
——————————————- রমিত আজাদ

তুষার-কন্যার স্ট্রীপটিজ:
‘স্ট্রীপটিজ’ শব্দটির সাথে প্রথম পরিচিত হই এদেশে আসার পরেই। যদিও একসময় (তথাকথিত সমাজতন্ত্র থাকাকালীন) এদেশে ওপেন বা বৈধ নাইটক্লাব ছিলো না, তাই ‘স্ট্রীপটিজ’-ও ছিলো না। তবে গোপনে গোপনে বহু কিছুই ছিলো বলে শোনা যায়। গ্লাস্তনস্ত (উন্মুক্ততা)-এর যুগে এই নিয়ে একাধিক চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। পয়সাপাতিওয়ালা লোকগুলো মনোরঞ্জনের জন্য রাতের আঁধারে যায় একধরনের ক্লাবে নাম তার ‘নাইটক্লাব’। সেখানে তাদের মনোরঞ্জনের জন্য যে সকল উপকরণ থাকে তার মধ্যে সর্বচ্চো হলো এই ‘স্ট্রীপটিজ’। এটা এক ধরনের নাচ যেখানে রূপসী তরুণীরা নাচতে নাচতে তার পরনের সব বসন-ই খুলে ফেলে। পরিশেষে নাইটক্লাবের ডান্স ফ্লোরে দাঁড়িয়ে থাকে বস্ত্রহীন এক রূপসী নগ্নিকা! কখনো কখনো এদের সংখ্যা একাধিকও হয়!

ইদানিং নাইটক্লাবগুলোতে ‘নিউ ইয়ার’ প্রোগ্রামের অন্যতম আকর্ষণ হলো, ‘তুষার-কন্যা’-র স্ট্রীপটিজ! এখানে সদ্য ফোটা পহেলা জানুয়ারী রাতে সান্টা ক্লাউস-এর পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কুমারী রূপসী তুষার কন্যা দর্শকের মনোরঞ্জন করার জন্য নাচতে নাচতে তার পরনের সব বসন-ই খুলে ফেলে! বছরের শুরুতেই ফার্স্ট জানুয়ারী রাতে তাদের চোখের সামনে দাঁড়িয়ে থাকে নগ্নিকা এক তুষার-কন্যা!

নিউ ইয়ার কার্নিভাল:
স্টুডেন্টস ডরমিটরিতে ওসব স্ট্রীপ ডান্স করা আপাতত সম্ভব না। এখানে যা আছে তা হলো কার্নিভাল। তা সেই কার্নিভালে আমি একজনকে দেখেছিলাম শাড়ী পরিহিতা উপমহাদেশীয় রমণী সাজতে। সিঁড়ি বেয়ে উঠে করিডোর ধরে ডান্স ফ্লোরের সামনে দিয়ে নিজের রূমে যাওয়ার সময় শাড়ী পরিহিতার চেহারা দেখতে পারিনি। কেবল বোঝার চেষ্টা করেছিলাম, কে ওটা?

আমি নিজের রুমে গিয়ে কড়া এককাপ কফি খেলাম। লোকে বলে কফি খেলে ঘুম আসে না। আমার ওসবের বালাই নাই, কড়া কফি খেয়েও আমি ডাটের ঘুম ঘুমাতে পারি। আমি কফি খাই মনের তৃপ্তির জন্যে। রুমের দরজার বাইরে উচ্চস্বরে মিউজিক বাজছে, তার তালে তালে তরুণ-তরুণীরা নাচছে। আবার জানালার বাইরে থেকে থেকে গুরুম গুরুম শব্দ হচ্ছে আতশ-বাজি পোড়ানোর। মাঝে মাঝে তাদের ঝলকানিও দেখা যাচ্ছে জানালা গলে!

আমি দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকালাম। বারোটা বাজতে আর মাত্র এক মিনিট বাকি! ছেলেমানুষের মত আমি ঘড়ির বড় কাটাটির গতির টিকটিক গুনতে শুরু করলাম। ভাবলাম, ‘বাতাসে গুনগুন করছে মহাকাল!’ দরজার বাইরে ডান্স ফ্লোরের সাউন্ডবক্সে কেউ একজন ঘোষণা দিলো, “আর মাত্র এক মিনিট পরেই আসবে নতুন বছর। বিদায় পুরাতন বছর, বিদায়।” সাউন্ডবক্সেও বাজলো টিক টিক টিক!

সামনে টেলিভিশনটা অন করা ছিলো। কিছুক্ষণ আগে সেখানে দেখেছিলাম রুশ চ্যানেল ওয়ানের লিডিং শিল্পী বা পর্দার নায়ক-নায়িকারা (যাদেরকে এ যুগের কালচারাল হিরো বলা হয়) তারা মদের গ্লাস হাতে অপেক্ষা করছে, নতুন বছরের ঘন্টা পড়ার সাথে সাথেই গ্লাসে গ্লাসে বাড়ি দিয়ে টোস্ট জানাবেন; নতুন বছরে সবার শুভ কামনা করবেন। টিভি পর্দায় দেখানো হচ্ছে মস্কোর ক্রেমলিন টাওয়ারের সেই ঐতিহাসিক ঘন্টা! যদিও ইউক্রেইন এখন স্বাধীন, মস্কোর কোন অধীনতা এখন আর নেই, তারপরেও কালচারালি মস্কোর সাথে হৃদয়ের একটা বন্ধন রয়েই গিয়েছে। উপরন্তু, খারকোভ রুশ শহর। তাই এখনো লোকে টেলিভিশন সেটে ‘রুশ চ্যানেল ওয়ান’ দেখে। রাশিয়ার সংবাদ দেখে। মস্কোর রাজনীতি ফলো করে সেই নিয়ে আলাপ-আলোচনা করে!

আরো ইন্টারেস্টিং হলো যে, স্বাধীনতার পরে ইউক্রেইণের রাজধানী কিয়েভের নিউ ইয়ারের রাত বারোটা, আর মস্কোর রাত বারোটা এক নয়। সময়ের পার্থক্য পাক্কা একঘন্টা। যাহোক একঘন্টা আগেই মস্কোতে নতুন বছর এসে গেছে। কিয়েভে নতুন বছর এই আসলো বলে।

রাত বারোটা বাজার সাথে সাথেই চতুর্দিকে গগনবিদারী শব্দ শুনতে পেলাম! আকাশে যেন দামামা বেজে উঠলো লক্ষ তারার আতশবাজির আর বোমা ফাটার তীব্র আওয়াজে। আমার রুমের দরজার ওপাশে তখন যুদ্ধ নেমে এসেছে! সাউন্ডবক্সে উচ্চশব্দে ‘হ্যাপী নিউ ইয়ার’, ‘হ্যাপী নিউ ইয়ার’ গান বেজে উঠলো! তরুণ-তরুণীরা চিৎকার চেচামেচিতে অস্থির করে তুললো পুরো ডরমিটরি, ‘স্নোভিম গোদোম’, ‘স্নোভিম গোদোম’! মদিরা ভর্তি কাঁচের গ্লাসে গ্লাসে বাড়ি লাগার টুংটাং, ঠিংঠাং আওয়াজও শোনা যাচ্ছিলো। আমি ভাবলাম আপাতত রুমেই থাকি। সবাই একটু ঠান্ডা হোক, তারপর বের হবো!

টক টক টক, দরজায় কড়া নাড়ার আওয়াজ পেলাম। ভাবলাম, কে আবার এলো এত রাতে? বেরসিক কেউ হবে! ঠিক এই সময়ে ডান্সফ্লোর ছেড়ে আমার কাছে কোন রসিকের আসার কথা নয়। তাছাড়া আমার কোন গার্লফ্রেন্ড-ও নাই যে কিনা, পহেলা জানুয়ারীর রাত বারোটা এক সেকেন্ডের আবেগ নিয়ে আমার কাছে বুলেট ট্রেনের মত ছুটে আসবে! মাতাল-ফাতাল নয়তো আবার! আমি সাবধানে দরজাটা খুললাম।

দরজা খুলে দেখি হিমেল ভাই আর মনির ভাই দাঁড়িয়ে আছেন। একেবারেই আনএক্সপেকটেড! উনাদের দুজনকেই খুব পছন্দ করি আমি। উনারা কেউই ছাত্র নন। এই দেশে এসেছেন নেহাত ভাগ্যের অন্বেষণে। বাজারে বা কোথাও কাজকাম করে অর্থ উপার্জন করেন। তবে উনারা আর দশজন শ্রমিকের মতন নন। বাংলাদেশে উনারা ভদ্রঘরের সন্তান! দুজনাই খুব সম্ভবত বাংলাদেশের কোন কলেজ থেকে বিএ পাশ। পারিবারিক পরিচয় ও লেখাপড়া জানা বলে উনাদের আচার-আচরণও ভালো। আমাকে দেখে উনারা একগাল হাসলেন! আমি ভেবেছিলাম আজ রাতটা একটু শান্তিতে একা একা কাটাবো, তা বোধহয় আর হলো না। কিন্তু এমন দুজন মানুষ এলেন, যাদের প্রতি আমি কোন রাগও দেখাতে পারবো। উনাদের দেখে আমি আসলে খুশীই হলাম।

আমি: আরে আপনারা?
হিমেল ভাই: চলে এলাম।
মনির ভাই: বুঝলেন না, আমরা যেখানে থাকি ওখানে কোন মজা নাই। তাই চলে এলাম আপনার এখানে। ছাত্রছাত্রীদের নিউইয়ারের মজাই আলাদা!
আমি: ভালো হয়েছে। বসেন খাওয়া-দাওয়া করেন।
মনির ভাই: আপনার রুমের উল্টা দিকেই দেখি নাচানাচি চলতেছে। সুন্দরী সুন্দরী মেয়েরা নাচতেছে!
আমি: ওদের সাথে নাচতে ইচ্ছা করে? ঠিকআছে। খান আগে, তারপর আপনাদেরকে ওখানে নিয়ে যাবো।

উনারা দুজন খেতে বসলেন।
হিমেল ভাই: পুডিংটা তো দারুণ টেস্টি হয়েছে!
মনির ভাই: রাশিয়ান সালাদ-টাও সুপার হইছে! কি জানি নাম এই সালাদ-টার?
আমি: অলিভিয়া সালাদ।
হিমেল ভাই: জ্বী, নাম শুনছি এই সালাদের, খুউব স্বাদ!

টক টক টক! আবারো দরজায় নক করার শব্দ। ‘আবার কে আসলো?’ আমি ভাবলাম।
দরজা খুলে দেখি ‘সবুজ’ দাঁড়িয়ে আছে। আমার ফ্যাকাল্টিতেই পড়ে, একবছর জুনিয়র আমার। এই ডরমিটরিতেই থাকে।

আমি: আরে সবুজ যে! আসো আসো।
সবুজ: বাইরে এত মজা, আপনি রুমে কি করেন?
আমি: এই যে উনারা এসেছেন।
উনাদের দেখে সবুজ একটু ভ্রু কুঁচকালো! এখানে যে সকল বাঙালী-রা পড়ালেখা করে না, কাজকর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করে, তাদেরকে অনেক ছাত্ররাই পছন্দ করে না। বাঙালী ছাত্র-অছাত্রদের বেশ কয়েকটা কনফ্লিক্ট-এর ঘটনা থেকেই এই মনোভাব তৈরী হয়েছে। আমি যদিও এটা ব্যালেন্স করার চেষ্টা করেছি নানাভাবে, কিন্তু সব সময় এটা কাজ করে না!

সবুজ: দেন তাড়াতাড়ি কি খেতে দেবেন। খেয়ে নাচতে যাই।
আমি: বসো দিচ্ছি। কফি খাবে, নাকি চা?
সবুজ: কফি খেলে তো রাতে ঘুম হবে না। আজতো আর ঘুমানোর রাত না। দেন কফিই খাই। এগুলো কি? পুডিং? অলিভিয়া সালাদ? কাবাব? বাহ বেশ! পুরা ঈদের দিন বানাইয়া ফালাইছেন!
আমি: খাও পেট ভরে। আজ ঈদের দিন না, ঈদের রাত!
সবুজ: নিচ্ছি প্লেটে। খাওয়ার পর আপনেও আসেন বাইরে। এত এত মন মাতানো নাতাশা-বাতাশা অপেক্ষা করছে বাইরে, এইসব রাইখা আপনি রুমের ভিতরে বইসা থাকবেন কেন?

সবুজ এতক্ষণ শুধু আমার সাথেই কথা বলছিলো। হিমেল ভাই বা মনির ভাইকে কোন পাত্তাই দিচ্ছিলো না! উনারা মনে হয় মনে কষ্ট পেলেন!

সবুজ খাওয়া দাওয়া শেষ করে বললো, “আমি গেলাম ডান্স ফ্লোরে। নাতাশা-বাতাশাদের সাথে আকাশে উড়বো আজ সারারাত। আপনি আসনে তাড়াতাড়ি।”
সবুজ চলে যাওয়ার পর, হিমেল ভাই ও মনির ভাই বললো, “আমরাও যাই তাইলে আজ রাতে।”
আমি: সেকি! আপনারা এত তাড়াতাড়ি যাবেন কেন? নাচটাচ হোক আরো কিছুক্ষণ কাটান এখানে।
মনির ভাই: না ভাই। দেখাতো হলো, কথাও হলো, খাওয়াও হলো, নিউ ইয়ারের শুভেচ্ছা বিনিময় হলো! আমরা এখন দশ নাম্বার ডরমিটরিটাতে একটু যাবো, ওখানকার বাঙালী ভাইদের সাথে দেখা করে আসি।

আমি বুঝলাম যে, সবুজের আচরণে উনারা মনে কষ্ট পেয়েছেন। তাই আর থাকতে চাচ্ছেন না। নইলে হয়তো আরো কিছু সময় এখানে কাটাতেন।

উনারা চলে যাওয়ার পর আরো ঘন্টাখানেক আমি রুমে একা সময় কাটালাম। টেলিভিশনের পর্দায় তখন নিউ ইয়ার নিয়ে একটি কালজয়ী রুশ সিনেমা চলছে, যার নাম, ‘The Irony of Fate, or Enjoy Your Bath! (ভাগ্যের পরিহাস, নাকি আপনার স্নান উপভোগ করুন!)’ তথাকথিত সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েতে শহরগুলোর সবকটিতেই একটি করে লেনিন এ্যাভিনিউ থাকা, একই নকশার সব রেসিডেন্শিয়াল এরিয়া হওয়া, একই স্থাপত্যের সব বহুতল বসত-ভবন থাকা ইত্যাদির বিড়ম্বনার উপরে নির্মিত একটি রোমান্টিক কমেডি কাম ট্রাজেডি ফিল্ম! ফিল্মের প্লট বর্ণনা করতে গেলে এখন অনেক সময় লাগবে। পাঠকদের মধ্যে যাদের আগ্রহ আছে, তারা ইন্টারনেটে ম্যুভিটা দেখে নিতে পারেন।

টক টক টক। আবারো দরজায় আওয়াজ। আমি দরজা খুলতে দেখি, আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে দীর্ঘদেহী রুপসী ওলগা। তার সোনালী চুলগুলো ঈষৎ এলোমেলো। ওর আঁখিতে লালির ছোঁয়া দেখে, ওকে কিছুটা মত্ত মনে হলো। ওর পড়নে ছিলো ট্রান্সপারেন্ট একটা নীল রঙের টাইট টপস, যার স্ট্রাইপ ভেদ করে সাদা রঙের ব্রা উঁকি দিচ্ছিলো! আর হাটু পর্যন্ত লম্বা পিংক কালারের একটা সেমি-ট্রান্সপারেন্ট পাতলা স্কার্ট। তার নীচে হাটু পর্যন্ত উঁচু লম্বা কালো রঙের বুটজুতা পড়া। সবমিলিয়ে বেশ আকর্ষণীয়া লাগছিলো। যে কোন পুরুষের চোখে রঙ ধরানোর জন্য যথেষ্ট!

আমি: আসো ভিতরে আসো।
রুমের ভিতরে ঢুকে ওলগা ধপ করে ডিভানে বসে পড়ে বললো।
ওলগা: দেখো তো অবস্থা!
আমি: কি অবস্থা?
ওলগা: আমরা সবাই জড়ো হয়েছি ৪৭৭ নাম্বার রুমে। ঐ যে ‘খোলিয়াপকো ইভান’-এর রুমে। তা আমাকে এসে জড়িয়ে ধরলো তৈমুর। বলে কি, “ওলগা, আমি তোমাকে ভালোবাসি। এতদিন লজ্জ্বায় বলতে পারি নাই। আজ পেটে কিছু শুরা পড়েছে, তুমিও আমার সামনে, তাই আর সহ্য করতে পারলাম না। বলেই ফেললাম।” তা আমি কি বললাম জানো?
আমি ওলগার কথা শুনে মজা পাচ্ছিলাম। আমাদের ক্লাসে ওলগা সুপরিচিত বিদেশীপ্রীতির জন্য। ওর ধ্যানজ্ঞান-ই হলো কোন একজন বিদেশীকে বিয়ে করে ঐ দেশে চলে গিয়ে ওখানে সেটেলড হওয়া। এই অভাগা ইউক্রেইণে সে আর কিছুতেই থাকবে না। এদিকে তৈমুর খুবই ভদ্রসভ্য একটি ছেলে। ও-যে এমন আচরণ করতে পারে, তা আমার ভাবনাতেই নেই! নাকি লালপানির গুনে তৈমুর আজ এমন করছে? আবার ভাবলাম, এমনও তো হতে পারে যে তৈমুর সত্যি সত্যিই ওলগা-কে ভালোবাসে। আজ সামলাতে না পেরে সরাসরি বলে বসেছে।

আমি: তা ওলগা, তুমি তৈমুরকে কি বললে?
ওলগা: বললাম, খবরদার। আমার গায়ে হাত দেবে না। চুমু খাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। আমি তোমাকে মোটেও ভালোবাসি না। দূরে থাকো।
আমি: তারপর তৈমুর কি বললো?
ওলগা: কিছু বললো না। আমার সোনালী চুলে চুমু খেতে লাগলো!
আমি হেসে ফেললাম। বললাম, “তাই?”
ওলগা: হ্যাঁ, তাই-ই। তা আমি ভাবলাম, ঠিকআছে, চুল তো আর শরীর না। চুলে যত খুশী চুমু খাক!
আমি: তা চুলে চুমু খাওয়া কি শেষ?
ওলগা: জানি না। আমি ওখান থেকে চলে এসেছি।
আমি: নাও খাও।
ওলগা: এটা কি?
আমি: পুডিং।
ওলগা: ও পুডিই-ই-ইং! বাহ বেশ! খাবো।

স্বর্ণকেশী ওলগাকে দেখলাম বেশ আয়েশে আমার ডিভানে গা এলিয়ে দিয়ে বসে পড়লো। আমি একটু ঘাবড়ালাম, ভাবলাম এখন না ওলগা আবার আমার রুমে রাতে ঘুমাতে চায়!

(চলবে)

(এই গল্পের চরিত্রগুলো কাল্পনিক)

রচনাতারিখ: ০৯ই জানুয়ারী, ২০২২ সাল
রচনাসময়: রাত ০১টা ২৯ মিনিট

Happy New Year 2022 (5)
————— Ramit Azad

মন্তব্য করুন..

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.