Categories
অনলাইন প্রকাশনা কৌতুক বিনোদন ব্যঙ্গকৌতুক ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

১০১-২০০ হাসির কৌতুক (প্রাপ্তবয়স্ক ছাড়া পড়বেন না ১৮+)

১০১)

প্রথম দিন ডেট সেরে বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, ‘সোনা, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।’

“না না না! কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে?”

“আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।”

“না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।”

“আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?”

“না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।”

“আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো — খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!”

এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয় তুমি চুমো খাও, নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে — কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে কলিংবেল থেকে হাতটা সরায়।’

 

১০২)

মার্কেটে গিয়ে আরাম খান তার বউকে হারিয়ে ফেললো। হন্তদন্ত হয়ে হাঁঠতে গিয়ে ধাক্কা খেলো আরেক জনের সাথে।

আরাম খান বললো, আমি দু:খিত, আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর চিন্তায় কোথায় যাচ্ছি খেয়াল করতে পারিনি।

দ্বিতীয় জন বললো, আমিও তো আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি।

আরাম খান বললো, তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন? তাহলে হয়তো আমি খুঁজতে সাহায্য করতে পারবো।

দ্বিতীয় জন বললো, আমার স্ত্রী লাল চুলের, সবুজ চোখ, লম্বা সুগঠিত পা আর শর্ট স্কার্ট পরে আছে। তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন?

আরাম খান বললো, আমারটার কথা বাদ দাও। চলো তোমার স্ত্রীকে খুঁজি।

 

১০৩)

মানসিক রোগীর রোরশাখ ইঙ্কব্লট টেস্ট নিচ্ছেন মনোচিকিৎসক। হিজিবিজি কিছু কালির ছোপ রোগীকে দেখানো হয় এ টেস্টে।

প্রথম কার্ডটা এগিয়ে দিলেন তিনি। ‘বলুন তো এটা কিসের ছবি?’

‘একটা ছেলে একটা মেয়েকে জাপটে ধরে চুমু খাচ্ছে।’

দ্বিতীয় ছবিটা এগিয়ে দিলেন ডাক্তার। ‘এটা কিসের ছবি বলুন তো?’

‘ঐ ছেলেটা এবার মেয়েটার জামাকাপড় খুলে ফেলছে, আর মেয়েটা চেঁচাচ্ছে হাঁ করে।’

আরেকটা ছবি এগিয়ে দিলেন ডাক্তার। ‘এটা কিসের ছবি বলুন তো?’

‘ছেলেটা মেয়েটার চুল টেনে ধরে ঘাড়ে কামড় দিচ্ছে, আর মেয়েটা খিখি করে হাসছে।’

ডাক্তার আর পারলেন না। ‘দেখুন, দবির সাহেব আপনার রোগ খুব জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আপনার মনটা খুবই নোঙরা, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি।’

দবির সাহেব চটে আগুন। ‘নিজে যত রাজ্যের নোঙরা ছবি এগিয়ে দিচ্ছেন আমাকে, আর বলছেন আমার মন নোঙরা?’

 

১০৪)

এক লিফটম্যান ছিল চাকুরিতে একেবারে নতুন। কখনো ভাল ভাবে লিফট চালাতে শেখে নি। ১৭ তলায় এক লোক লিফট এ চড়ে তাকে বললো এক তলায় নিয়ে যেতে। লিফটম্যানটি এক তলায় এসে ভূলবশত প্রচন্ডভাবে ব্রেক কষলো। হটাৎ থেমে যাওয়ার কারনে সমস্ত লিফট ভয়ানক ঝাকি খেয়ে উঠলো। লিফটম্যানটি দুঃক্ষিত গলায় বললো, “আমি দুঃক্ষিত স্যার, আমি কি খুব জোরে লিফট থামিয়েছি?”

লোকটি রাগতস্বরে বললো, “না না তা কেন? আমি সব সময় আমার প্যান্ট খুলে গোড়ালীর কাছে ফেলে রাখি।”

 

১০৫)

জরিনার বাবা জরিনার জন্য পাত্র ঠিক করেছে। এদিকে জরিনার সাথে পাভেলের ৫ বছরের অফেয়ার। এটা বাবাকে জানাতেই জরিনার সুইট বাবা নিমিষেই টিপিক্যালি #বাবা কেন ভিলেন?# টাইপ আচরণ শুরু করল। এটা নিয়ে বাবা মেয়েতে তুমুল ঝগড়া। খাওয়া বন্ধ, মুখ দেখাদেখি বন্ধ ইত্যাদি মোটামুটি শেষ হবার পর অবশেষে তারা একটা ঐক্যমতে পৌছাল। ঠিক হল নদীর অপরপাড় থেকে পাভেল ও বাবার ঠিক করা পাত্র দুজনেই সাঁতার কেটে এপারে আসবে। যে আগে আসতে পারবে জরিনা তারই হবে।

যথাসময়ে প্রতিযোগিতা শুরু হল। শুরুতে দেখা গেল বাবার ঠিক করা পাত্রটি এগিয়ে গেছে। জরিনা তো ভয়ে আধমরা কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে পাভেল তাকে ধরে ফেলল। জরিনা খুশিতে হাততালি দিচ্ছে আর চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছে পাভেলকে। একপর্যায়ে প্রেমিকের শক্তি আরো বাড়ানো এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য একপর্যায়ে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে তার সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলল।এরপর হঠাৎ করে পাভেলের সাঁতারের গতি বেড়ে গেলেও তা আস্তে আস্তে কমে পাড়ের কাছাকাছি এসে একেবারেই থেমে গেল।বাবার ঠিক করা পাত্রটি জিতে গেল প্রতিযোগিতায়। পরে আনেক কষ্টে পাভেল পাড়ে ওঠার পর জরিনা রেগেমেগে বলল, তোমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এতকিছু করলাম তাও জিততে পারলে না। ছিঃ, কাপুরুষ কোথাকার।

পাভের ও সমান তেজে জবাব দিল সব দোষ তোমার, কে বলেছিল তোমাকে কাপড় খুলতে ? তুমি কাপড় খোলার পরপরইতো আমার প্রাইভেট পার্ট নদীর তলদেশের লতাগুল্মের সাথে আটকে যেতে লাগল।

 

১০৬)

এক লোক নতুন বিয়ে করছে তাই বিয়ের পরদিন বৌকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি গেছে । কিন্তু বৌ হল মা মরা মেয়ে, তাই শ্বশুরের মাত্র একটি ঘর এবং একটি খাট। তাই তিনজনে মিলে এক বিছানায় ঘুমাল। প্রথমে মেয়ে তারপর মেয়ে জামাই এবং সবশেষে শ্বশুর ঘুমাল। মাঝরাতে জামাই মেয়েকে বলছেঃ বৌ লোকালে দিব না ডাইরেকে দিব। ( পাঠক এখানে লোকালে =আস্তে এবং ডাইরেকে= জোরে)। মেয়ে বললঃ বাবা পাশে, লোকালেই দাও।

জামাই লোকালে দিতে লাগল। কিন্তু লোকালে সুখ আসার পর আর সামলাতে না পেরে  ডাইরেকে দিতে লাগল। তাই খাট নড়তে লাগল। একটু পরে হাই স্পীডে করার কারনে খাট নড়তে নড়তে শ্বশুর মাটিতে পরে গেল। এখন শ্বশুর বলছেঃ বাবা গাড়ি চালাবা গাড়ি চালাও, লোকালে চালাও বা ডাইরেকে চালাও, কিন্তু পেছেঞ্জার পরবো কেন ?

 

১০৭)

এক চার্চে পাদ্রি নির্বাচন করা হচ্ছে । মিস্টার জন নির্বাচক , তিনি ঠিক করলেন যে সবচেয়ে পার্থিব ভোগের উর্ধে তাকেই নেয়া হবে । ৩জন পার্থি আবেদন করল । এখন ৩ জনেরই বিশেষ অঙ্গে ঘন্টা লাগানো হল যাতে ওই জিনিস দাড়ালে ঘন্টা বেজে উঠে । এইবার তিনজনের সামনে এক সুন্দরীকে এনে প্রথমে বুকের কাপড় খুলে ফেলা হল , একজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং সে বাদ পড়ল , এইবার সুন্দরীর নিচের কাপড় খুলে ফেলা হল । আরেকজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং বাদ পড়ল , রইল বাকী এক , নির্বাচক মিস্টার জন বললেন তার মানে আমরা আমাদের পাদ্রি পেয়ে গেছি , তুমি সমস্ত ভোগ-কাম-লালসা এর উর্ধে …… এইসব বলতে বলতে তাকে জড়িয়ে ধরলেন , সাথে সাথে ঘন্টা বেজে উঠল ।

 

১০৮)

দ্বিতীয বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কতৃপক্ষ নিয়ম করে দেয় প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। জর্জ কোন ভাবেই যুদ্ধে যাবে না। মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল তখন সে তার গার্লফ্রেন্ড এর ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়বেটিস । ডায়বেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।

পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল।

কংগ্রেচুলেশ! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।

 

১০৯)

আরাম খান আর তার স্ত্রী গেছেন চিড়িয়াখানায়, ঘুরতে ঘুরতে তারা গিয়ে দাঁড়ালেন এক গরিলার খাচার সামনে, চারিদিকে নির্জনতা দেখে কি মনে করে যেন আরাম খান তার স্ত্রীকে বললেন, তুমি আমাকে যেভাবে উত্তেজিত কর, গরিলাটাকে ওভাবে করো না।

আরাম খান এর স্ত্রী আস্তে আস্তে তার টপস খুলে ফেললেন। গরিলা উত্তেজিত হয়ে পড়লো।

আরাম খান বললেন, আরও উত্তেজিত কর তারপর দেখো কি হয়। স্ত্রী এবার নিচেরটাও খুলে ফেললেন। গরিলা এবার উত্তেজিত হয়ে কাপতে লাগলো।

আরাম খান জানতেন যে খাচার দরজায় তালা ছিল না। আরাম খান দরজা খুলে তার স্ত্রীকে খাচার ভিতরে ঢুকিয়ে দিলেন আর স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বললেনঃ “এবার গরিলাটাকে বল যে তোমার মাথা ব্যথা করছে। তোমার এখন মুড নাই” !!!

 

১১০)

আরাম খানের ছোটবেলার কাহিনী। পোলাডা একদিন দেখে এক বড় ভাই একটা মেয়েরে চুমু দিচ্ছে। বাসায় এসে আরাম খান মারে কয়, “আম্মা! চুমা দিলে কি হয়?”

ওর মা ত খুব কড়া। সে চায় পোলা ভালা থাকুক। এইসব পাপ যাতে না করে তাই ডর দেখানের লাইগ্যা আরাম খানরে কইল, “ চুমা দেয়ার পর পোলাগুলার শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায়, পরে মাটিত পইরা মইরা যায়।”

আরাম খান কয়, “সত্যি?”

“হ”

আরাম খান আস্তে আস্তে বড় হয়। যুবক হইলে একদিন এক মাইয়ার সাথে কথা হয়। কথায় কথায় সম্পর্ক হয়। মেয়েটা একদিন আরাম খানরে চুমা দিতে চায়। আরাম মানা করে, “আমার আম্মা কইছে মেয়েদের চুমা দিলে আমি মারা যামু।”

“বোকা! আসো।” বলে মেয়েটা এগিয়ে একটা চুমা দিল। চুমা শেষ না করতেই করতেই আরাম খান, “আম্মা ঠিকই কইছিল” বলে মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি দেয়া শুরু করছে।

“কি হইছে?”

“আল্লাহ রে। আমি পাত্থর হইয়া মইরা যামু। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে!”

 

১১১)

এক দম্পতি এসেছে ডাক্তারের কাছে। স্বামীটা বেশ বয়স্ক কিন্তু স্ত্রী তরুনী। তাদের সমস্যা হলো বাচ্চা হচ্ছে না। ডাক্তার স্ত্রীর কিছু পরীক্ষা করলেন। স্বামীটিকে বললেন আপনার স্পার্ম টেস্ট করতে হবে। তাকে একটা specimen cup দেয়া হলো। বলা হলো কাপটাতে স্পার্ম নিয়ে আসবেন।

পরদিন লোকটা খালি কাপ নিয়ে এসেছে।

ডাক্তার বলল, কাপ খালি কেনো?

-বাসায় গিয়ে বাম হাতে অনেক চেষ্টা করলাম। পারলাম না। পরে মনে হলো ডান হাতে চেষ্টা করি। সেই হাতেও হলো না।

-এটা হতে পারে…আপনার বয়স ত আর কম হয় নাই। তা সাহায্য করার জন্য বউকে ডাকতে পারতেন।

-বউকে ডাকছি ত। সে হাত দিয়ে চেষ্টা করল …হলো না…মুখ দিয়ে চেষ্টা করল …হলো না…

– হয়। মাঝে মাঝে এমন হয়। তা অন্য কাউকে ডাকতে পারতেন।

-ডাকছি ত। বউয়ের বান্ধবীকে ডাকছি।

-বউয়ের বান্ধবী????

-সেও চেষ্টা করে পারল না।

-পারল না?? ডাক্তারের ভ্রু কুচকে গেছে।

-এরপর বউয়ের বন্ধু এলো। সেও চেষ্টা করল… পারল না।

ডাক্তার অবাক- বলেন কি? আপনার বউয়ের দোস্ত??একটা ছেলে??

-তবে আর বলছি কি?যাক, সারা রাতে পারলাম না। সকালে হাসপাতালে এলাম। হাসপাতালে এসে নার্সকে বললাম সাহায্য করতে।

– আমার নার্সকে?

-হ্যা। সেও চেষ্টা করল। পারে নাই।

-আপনি ত দেখি সবাইকে দিয়ে চেষ্টা করছেন।

-তা করছি। তবে আপনি বাকি আছেন।

-আআআআমি??? ডাক্তার তোতলাচ্ছে…

-হ্যা। দেখেন ত চেষ্টা করে কাপটার ঢাকনাটা খুলতে পারেন কিনা?

 

১১২)

এক বৃদ্ধ লোকের একটি বড় ফার্মহাউজ ছিলো। ফার্মহাউজের পেছনে একটা বড় পুকুর ছিলো। সে সেটাকে কেটে গভীর করলো, কিছু পিকনিক টেবিল বসালো এবং কিছু গাছপালা লাগালো যাতে এটাকে একটা পিকনিক স্পট বানানো যায়।

একদিন বিকালে লোকটি পুকুরের অবস্থা দেখার জন্য চললো। তার হাতে ছিলো একটা বালতি।

পুকুরের কাছে আসতেই তার নজরে পড়লো কিছু নারীকণ্ঠ। আরেকটু এগোতেই সে দেখলো স্বল্প বসনা কিছু মেয়ে পুকুরের পাশে হাসি-আনন্দ করছে। বৃদ্ধ ভাবলো, হয়তো তারা পাশের কোন বাড়ি থেকে এসেছে। নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য সে গলা খাঁকারি দিলো। তার আওয়াজ শুনে মেয়েরা সবাই গলা পানিতে নেমে গেলো। একজন বললো, চাচা, আপনি এখান থেকে না গেলে আমরা উঠবো না।

বৃদ্ধ বললো, আমি তোমাদের শরীর দেখার জন্য এখানে আসিনি। আমি পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি।

 

১১৩)

১ম বন্ধু: কিরে তোর মুখে ব্যান্ডেজ বাধা কেন? তোর ডান চোখটাতো অল্পের জন্য বেঁচে গেছে। কে তোর এই দশা করল?

২য় বন্ধু: আর বলিস না সকাল বেলায় অফিসে বেরোবার আগে প্যান্টের সামনের একাট বোতাম ছিড়ে গেল। আমি ব্যাচেলর মানুষ। তাই পাশের অ্যাপার্টমেন্টের মিসেস ললার সাহায্য চাইলাম।

১ম বন্ধু: বুঝতে পারছি। প্যান্টের ঐ জায়গায় বোতাম লাগাতে বলায় ভদ্রমহিলা নিশ্চয়ই ভাবলেন তুই কোন অসভ্য ইঙ্গিত করছিস। তারপর তোকে জুতা পেটা করলেন।

২য় বন্ধু: না না, তা নয়। মিসেস লরা একজন সমাজ সেবিকা। তিনি আমার সমস্যা বুঝতে পারলেন। দ্রুত সুঁই-সুতা নিয়ে আমার প্যান্টের বোতাম লাগিয়ে দিলেন।

১ম বন্ধু: তাহলে সমস্যাটা কি?

২য় বন্ধু: বোতামটা লাগানো শেষ করে মিসেস লরা যখন মাথা নিচু করে দাঁত দিয়ে সুতোটা কেটে দিচ্ছিলেন তখনই‌ উনার হাজব্যান্ড এসে উপস্থিত। তারপরতো বুঝতেই পারছিস।

 

১১৪)

এক ভদ্রলোক বীয়ার ছাড়া কিছু বোঝেন না। সন্ধ্যা হলেই তার বীয়ার চাই। তার মাসের অর্ধেক বেতন চলে যায় পাবে বীয়ারের পেছনে। তার স্ত্রী বেচারা সন্ধ্যায় একা একা থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে যান, তাই তিনি প্রার্থনা করলেন তার স্বামীকে তার কাছে ফিরিয়ে দিতে। ঈশ্বর প্রার্থনা শুনলেন, তাই একদিন স্বামীর কাছে দেবদূত এল। তাকে বললেন, তোমার একটি ইচ্ছা আমি পূরণ করব। অনেক চিন্তা ভাবনার পর, লোকটি বলল, আমার খালি বীয়ার খাওয়ার শখ, মাসের বেতনের অনেকটাই চলে যায় বীয়ারের পেছনে। এ থেকে আমি বাঁচতে চাই, তাই আমার এমন ব্যবস্থা করে দিন যাতে আমার মূত্রই যেন খুব ভাল বীয়ার হয়ে বের হয়! দেবদূত তার ইচ্ছা মঞ্জুর করলেন। লোকটি সাথে সাথে একটা গ্লাস এনে পরীক্ষা করে দেখলেন। সন্তুষ্ট হয়ে খুশিতে সে সন্ধায় আগে আগে ঘরে ফিরে গেল। স্ত্রী খুবই আনন্দিত হয়ে স্বামীকে সঙ্গ দিতে চাইলেন। স্বামীতো আরও খুশি, তিনি স্ত্রীকে একটা বীয়ারের গ্লাস নিয়ে আসতে বললেন। স্ত্রী দৌড়ে গ্লাস এনে দেখেন স্বামী নগ্ন হয়ে বসে আছেন। স্ত্রী বুঝলেন আজ কিছু একটা হবে, তাই স্বামীকে আরো উত্তেজিত করার জন্য বললেন, তিনিও আজ বীয়ার খেতে চান, আরেকটা গ্লাস নিয়ে আসছেন। স্বামী বললেন, অসুবিধা নেই, ডারলিং, গ্লাস আনতে হবেনা! আজ তুমি সরাসরি ট্যাপ থেকে খাবে!

 

১১৫)

ইদানিং জনের মধ্যে সেই নার্ভাস ভাবটা নেই। মেয়েদের সাথে সাচ্ছ্যন্দে কথা বলতে পারে।তাই রাস্তায় একদিন একটা অপরুপ পরীকে দেখে এগিয়ে গেলো কথা বলতে।

“এক্সকিউজ মি, আপনাকে যদি আমি এক মিলিওন ডলার দেই, তো আপনি কি আমার সাথে শোবেন?” স্ট্রেইটকাট কথাবার্তা জনের।

অলমাইটি ডলারস! তো এখানেও মেয়েটি একটু ভেবে রাজী হয়ে গ্যালো।

“হ্যাঁ, শোব”

“আর যদি দশ ডলার দেই?”

“হোয়াট! কি বলছেন আপনি! আমাকে আপনি কি ধরণের মেয়ে মনে করেন??” পরী পুরো ক্ষেপে গ্যাছে।

“কি ধরনের মেয়ে, সেটাতো আগেই বুঝেছি। এখন একটু দরাদরি করছি আর কি!” মিটমিটিয়ে হেসে বলল জন।

 

১১৬)

পার্কে একটা বিরাট কুকুর নিয়ে বসে আছে বাবু। এক তরুণী যাচ্ছিলো পাশ দিয়ে, দাঁড়িয়ে বললো, ‘বাহ, বেশ তো কুকুরটা!’

বাবু হাসলো। ‘হ্যাঁ। খুব রোমান্টিক ও। আর মেয়েরা তো ওকে খুব পছন্দ করে, দারুণ আদর করতে পারে কি না।”

তরুণীর চোখে আগ্রহ ফুটলো। ‘তাই?’ ফিসফিস করে জানতে চাইলো সে। বাবু বললো, ‘হ্যাঁ, দেখতে চান? চলুন আমার বাসায়।’

বাড়ি ফিরে মেয়েটাকে সাথে নিয়ে নিজের ঘরে এলো সে। মেয়েটাকে জামাকাপড় খুলতে বলে সে কুকুরটার দিকে ফিরলো, ‘কালু, এই আপুটাকে আদর করো তো!’

কালুর কোন ভাবান্তর হলো না। বাবু আবার হুকুম দিলো, তবুও সে গ্যাঁট হয়ে বসে রইলো।

এবার বাবু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্যান্ট খুলতে খুলতে বললো, ‘ঠিক আছে, কালু, তোমাকে দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে কী করতে হবে, কিন্তু এ-ই শেষবার, বলে দিচ্ছি!’

 

১১৭)

কোনো এক পশ্চিমী দেশে এক ভদ্রমহিলার তিন-তিনটি অবিবাহিতা মেয়ে। অনেকদিন চেষ্টা করেও কিছু না হওয়ার পরে হঠাৎ করেই তিন মেয়ের খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের ঠিক হয়ে গেলো। ভদ্রমহিলা মেয়েদের দাম্পত্যজীবন (?) নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলেন। তো তিনি মেয়েদের বললেন যে প্রত্যেকে যেনো হানিমুন থেকে অল্প কথায় কিছু লিখে তাকে পোস্টকার্ড পাঠায়। যাতে তিনি বুঝতে পারেন যে মেয়েদের হানিমুন কেমন চলছে।

বিয়ের দু’দিন পরে প্রথম মেয়ে হাওয়াই থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে শুধু লেখা – “Nescafe”!!!!

প্রথমে বেশ অবাক হলেও, কিছুক্ষন বাদে তিনি কিচেনে গিয়ে Nescafe – এর জার বের করলেন। দেখলেন তার গায়ে লেখা – “Good till the last drop”….

তিনি একটু লজ্জা পেলেও, মেয়ের খবরে আনন্দ পেলেন।

বিয়ের এক হপ্তা পরে পরের মেয়েটি ভারমন্ট থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে লেখা – “Rothmans”!!!! এবার তিনি আর ঘাবড়ালেন না। একটা Rothmans এর প্যাকেট নিয়ে দেখলেন তাতে লেখা – “Extra Long. King Size”….। আবার তিনি একটু লজ্জা পেলেও, আনন্দিত হলেন।

সবচেয়ে ছোটো মেয়েটি গেছিল কেপ-টাউন। তার চিঠি কিছুতেই আসে না। এক মাসের শেষে তার চিঠি এল। তাতে খুব কাঁপা-কাঁপা হাতে লেখা – “South African Airways”!!!!

ভদ্রমহিলা জল্দী লেটেস্ট একটা ম্যাগাজিন বের করে South African Airways -এর এডটা দেখলেন। দেখামাত্র তিনি সেন্সলেস হয়ে পড়লেন।

এডটার নিচে লেখা – “Ten times a day, seven days a week, both ways”!!!!!!!!

 

১১৮)

ছুটির একদিনে আরাম খান ও তার বউ জন্মদিনের ড্রেসে বাথটাবে জলকেলী করতেছে। গায়ে ফেনা লাগায়া আবার ধোয়াধুয়িও চলতেছে। এমন সময় বাসার কলিং বেল বাইজা উঠলো। আরাম খান আইলসামি কইরা কইলো “জান, তোয়ালে প্যাচাইয়া যাওনা, দেখো কে আইসে?”

আরাম খান এর বউ তাই করে। একটা তোয়ালেতে শরীর ঢাইকা দরজা খুইলা দেখে পাশের বাড়ীর আনিস ভাই। জিগাইলো কি দরকার, আরাম গোছলে আছে। আনিস একটু ভাইবা কইলো “আইছিলাম এমনিতেই, থাক পরেই আমু আবার। তয় আপনে চাইলে একটা ব্যবসা করতে পারেন। ইন্সট্যান্ট এখানেই।”

আরাম খান এর বউ উৎসাহী হয়, কয় “কিরাম ব্যবসা?”

আনিস ব্যবসার প্রস্তাব দিলো তখন, “যদি আপনে তোয়ালের উপরের অংশ খুইলা দেখান, তাইলে আমি আপনেরে ৫০০০ টাকা দিমু।”। আরাম খান এর বউ ভাবলো, শুধু তো দেখবো, ৫০০০ টাকা তো কম না। সে খুইলা দেখাইলো। আনিস চোখ ভইরা দেখলো আর দিলো ৫০০০ টাকা।

নেশা চাপসে দুইজনেরই। আনিস এইবার কইলো “যদি পুরাটাই খুইলা ফেলেন তাইলে দিমু আরো ৫০০০।”

আরাম খান এর বউ ভাবলো একি কথা, দেখবোই তো। দিলো খুইলা। আনিস দেইখা আরো ৫০০০ দিয়া গেলো গা।

আরাম খান এর বউ খুব খুশী, ১০০০০ টাকা এত সহজে ইনকাম হইলো, খুশীতে গেলো স্বামীরে জানাইতে। স্বামী রে কইলো “পাশের বাসার আনিস ভাই আইছিলো..।”

আরাম খান কথা কাইরা নিয়া কয় ” আনিসে টাকা দিছে নি, ১০০০০ টাকা পাইতাম, ধার নিছিলো।

 

১১৯)

একদিন হঠাৎ এক স্পার্ম ব্যাংকে মুখোশ দিয়ে মুখ ঢাকা এক লোক উদ্দোত পিস্তল হাতে প্রবেশ করল। কাউন্টারে এক মহিলা ছিল, তাকে পিস্তল দেখিয়ে ভয় দেখিয়ে দাঁড়া করাল। মহিলা বলল ‘এটা ব্যাংক না, এটা একটা স্পার্ম ব্যাংক, এখানে কোন টাকা-পয়সা নেই, থাকেনা’

লোকটা বলল, ‘একটা বোতল নাও, এখনই! নাও, বোতলের ছিপি খুলে সবটা এখনই খেয়ে নাও!’

মহিলা পিস্তলের মুখে সবটা খেয়ে নিল তারপর লোকটা মুখোশ খুলে ফেলল, দেখা গেল সে ঐ মহিলারই হাসবেন্ড! লোকটা তখন তার বউকে বলল,

‘দেখেছ বেবি? এটা খাওয়া মোটেই কোন কঠিন কাজ না!

 

১২০)

ডিক একটি বারে ঢুকলো ড্রিংস্ করার জন্য। একটি মার্টিনি অর্ডার করলো সে। এবং বারটেন্ডারের কাছে তার দামও জানতে চাইলো। বারটেন্ডার বললো এর দাম ২ ডলার। এটা শুনে ডিক চমকে উঠলো। কারণ অন্যবারে এর দাম কমপক্ষে ২০ ডলার হবে। খুশি মনে সে মার্টিনি শেষ করে রেড ওয়াইনের দাম জানতে চাইলো। এক বোতল রেড ওয়াইন অন্য জায়গায় ৫০ ডলারের কমে পাওয়া যায় না। কিন্তু বারটেন্ডার জানালো এক বোতল রেড ওয়াইনের দাম এখানে ৫ ডলার!

শুনে ডিক বলে উঠলো, “বলো কি! এত্ত কমে? বারের মালিক কোথায়?”

বারটেন্ডার: “সে উপরের তলায় আমার বৌ এর সাথে আছে।”

ডিক: “বারের মালিক তোমার বৌ এর সাথে কি করে?”

বারটেন্ডার: “আমি ওর ব্যাবসার সাথে যা করতেছি, তাই করে!”

 

১২১)

মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল স্ত্রীর। চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে দেখলেন, স্বামী বিছানায় নেই। বিছানা থেকে নেমে গায়ে গাউন চাপালেন তিনি। তারপর স্বামীকে খুঁজতে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলেন। বেশি খুঁজতে হলো না। রান্নাঘরের টেবিলেই বসে থাকতে দেখা গেল স্বামীপ্রবরকে। হাতে গরম এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, গভীর কোনো চিন্তায় মগ্ন। মাঝেমধ্যে অবশ্য হাতের রুমাল দিয়ে চোখ থেকে পানি মুছে নিচ্ছেন, তারপর কফি খাচ্ছেন।

‘কী হয়েছে তোমার?’ রান্নাঘরে ঢুকতে ঢুকতে চিন্তিতভাবে বললেন স্ত্রী। ‘এত রাতে রান্নাঘরে কেন?’

স্বামী তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকালেন। তারপর গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘হঠাৎ ২০ বছর আগের কথা মনে পড়ল। খেয়াল আছে তোমার, যেদিন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল। আর তার পর থেকেই তো আমরা ডেট করতে শুরু করেছিলাম। তোমার বয়স ছিল ষোলো। তোমার কি মনে পড়ে সেসব?’

স্ত্রী তাঁর স্বামীর চোখের পানি মুছে দিতে দিতে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই মনে আছে।’

স্বামী একটু থেমে বললেন, ‘তোমার কি মনে আছে, পার্কে তোমার বাবা আমাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন?’

‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে।’ একটা চেয়ার নিয়ে স্বামীর কাছে বসতে বসতে বললেন স্ত্রী।

স্বামী আবার বললেন, ‘মনে আছে, তোমার বাবা তখন রেগে গিয়ে আমার মুখে শটগান ধরে বলেছিলেন, ‘এক্ষুনি আমার মেয়েকে বিয়ে করো, নয়তো তোমাকে ২০ বছর জেল খাটাব আমি।’

স্ত্রী নরম সুরে বললেন, ‘আমার সবই মনে আছে।’

স্বামী আবার তাঁর গাল থেকে চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন, ‘আজকে আমি জেল থেকে ছাড়া পেতাম।’

 

১২২)

মিস্টার অন্ড মিসেস রবিনসন ক্রুসো জাহাজডুবি হয়ে কয়েক বছর ধরে একটা দ্বীপে আটকা পড়ে আছে। একদিন ভোরে তারা দেখতে পেলো, সৈকতে এক সুদর্শন যুবক অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে, গায়ে নাবিকের পোশাক। সুস্থ হয়ে উঠে যুবক জানালো, তারও জাহাজডুবি হয়েছে। ওদিকে মিসেস ক্রুসো প্রথম দর্শনেই এই যুবকের প্রেমে পড়ে গেছে। কয়েকদিন পর সুযোগ বুঝে ঐ যুবককে প্রেম নিবেদন করলো সে। কিন্তু রবিনসন আশেপাশে যতক্ষণ আছে, কোন কিছু করবার সুযোগ তাদের নেই।

এর কিছুদিন পর নাবিক যুবক রবিনসনকে পরামর্শ দিলো, সৈকতে একটা ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হোক। সে আর ক্রুসো ওতে চড়ে পাহারা দেবে, জাহাজ দেখতে পেলে পতাকা দিয়ে সংকেত দেবে। ক্রুসোর বেশ মনে ধরলো বুদ্ধিটা। বাঁশ দিয়ে একটা উঁচু ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করলো তারা।

পরদিন প্রথমে পাহারা দেয়ার পালা নাবিকের। সে টাওয়ারে চড়লো, নিচে ক্রুসো আর তার বউ গেরস্থালি কাজ করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পরই যুবক চেঁচিয়ে উঠলো, ‘ছি, ক্রুসো ভাই! দিনে দুপুরেই ভাবীর ওপর এভাবে চড়াও হয়েছেন। ছি ছি ছি।’ ক্রুসো নারকেল কুড়োচ্ছিলো, সে বিব্রত হয়ে ওপরে তাকিয়ে বললো, ‘কী যে বলো, আমি কোথায়, আর ও কোথায়!’

যুবক চোখ কচলে বললো, ‘ওহহো, দুঃখিত, আমার যেন মনে হলো … সরি ভাই।’ কিন্তু ঘন্টাখানেক পর আবার চেঁচিয়ে উঠলো সে, ‘না, এবার আর কোন ভুল নেই। কী ভাই, একটু অন্ধকার হতে দিন না! এভাবে জঙলিদের মতো সক্কলের সামনে … ছি ছি ছি।’

ক্রুসো আগুন ধরাচ্ছিলো, সে চটেমটে বললো, ‘চোখের মাথা খেয়েছো নাকি ছোকরা, কী দেখতে কী দেখছো!’

যুবক খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে মাথা নেড়ে লজ্জিতভাবে হাসলো। ‘ইয়ে, দুঃখিত, কিন্তু মনে হলো পষ্ট দেখলাম …।’

কিছুক্ষণ বাদে যুবকের পাহারা দেয়ার পালা শেষ হলো, এবার ক্রুসো চড়লো টাওয়ারে। কিছুক্ষণ টাওয়ারে পায়চারি করে ক্রুসোর চোখ পড়লো নিচে। সে খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে আপনমনে বললো, ‘আরে, কী তামশা, ওপর থেকে দেখলে তো মনে হয়, সত্যি সত্যি নিচে ওরা ওসব কিছু করছে!’

 

১২৩)

মেয়দের ব্রেস্ট স্ট্রোক সাতার প্রতিযোগিতা চলছে। সেখানে বিশাল বক্ষা এক তরুনী অংশ নিচ্ছে। হুইসেল দেয়ার পর সবাই ঝাপিয়ে পড়েছে পানিতে।

সুইমিং পুলের এক মাথা থেকে আরেক মাথায় গিয়ে সবাই চলে এসেছে। শুধু বিশাল বক্ষা তরুনী ডুবে আর ভেসে ভেসে অনেক কষ্টে সাতরিয়ে যাচ্ছে। সে আগাচ্ছে একটু একটু করে। বাকি প্রতিযোগিরা সাতার শেষ করে তোয়ালে দিয়ে পানি শুকিয়ে নিচ্ছে। আর তরুনীটি সাতরিয়েই যাচ্ছে। বলা বাহুল্য টিভি ক্যামেরা নিয়ে সাংবাদিকরা চলে এসেছে। এরা চায় ত ফানি জিনিস। আর এই মেয়ে মাত্র (!) আধাঘন্টা দেরি করে ফেলছে সাতার শেষ করতে।

যাই হোক এক সময় সে সাতার শেষ করে। সাংবাদিক খুব আগ্রহ নিয়ে তার দিকে মাইক্রোফোন বাড়িয়ে দিয়ে প্রশ্ন করে- মিস। ব্রেস্ট স্ট্রোক সাতারের এই আইটেমে প্রথম প্রতিযোগি তিনমিনিটে সাতার শেষ করেছেন। আপনার পয়ত্রিশ মিনিট লাগার কারণ কি?

তরুনী হাপাতে হাপাতে উত্তর দিল, আমি সেই রকম মানুষ না যারা হেরে গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে চিটিং এর অভিযোগ আনে। কিন্তু আমি শিওর , আমি বাদে বাকি সবাই সাতারের সময় হাত ব্যবহার করেছে।

 

১২৪)

একদিন এক বাসার গৃহকর্তা আর তার বৌ গলা ফাটিয়ে চেঁচিয়ে ঝগড়া করছে। একপর্যায়ে লোকটা তার বউকে বলল Whore আর শুনে মহিলা লোকটাকে বলল Pimp।

তাদের ছোট ছেলে ছিল একটা, সে শুনে বাপ মাকে বলল, ‘Whore আর Pimp মানে কি?’ বাবা মা বলল, ‘এটা কিছু না ভদ্রমহোদয় আর ভদ্রমহোদয়া, আইমিন লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান’

২দিন পরে এক রাতে ভালবাসার একপর্যায়ে মহিলা লোকটাকে বলে বসল ‘ফিল মাই বুবস’ আর লোকটা ৫ মিট পরে বলল ‘ফিল মাই ডিকি’ ছেলেটা এবারও ঘন্টা খানেক পরে বাবা মাকে জিজ্ঞেস করল ‘বুবস আর ডিকি মানে কি?’ উত্তর এল ‘হ্যাট আর কোট!’

তার পরেরদিন লোকটা শেভ করতে যেয়ে গাল কেটে ফেলে বলে বসল ‘শিট’! ছেলে জানতে চাইল মানে কি, বাবা বলল ‘এটা শেভিং ক্রিমের ব্যান্ড নেম!’ আরেকদিন ছেলের মা টার্কি রেডি করতে যেয়ে কি একটা ভুল করে ফেলে বলল ‘Fuck!’ ছেলে জানতে চাইলে বলল ‘এটার মানে টার্কি রেডি করা!’

বাচ্চাদের সাথে মিথ্যা বলার সমস্যাটা টের পাওয়া গেল মাসখানেক পরে। একদিন বাসায় এক মহিলা তার হাসবেন্ডকে নিয়ে যখন এসে ছেলেটার কাছে জানতে চাইল তার বাবা মা কোথায়, ছেলেটা উত্তর দিল, “ডিয়ার Whore আর Pimp, আপনারা প্লিজ আপনাদের বুবস আর ডিকি এই হ্যাঙ্গারে রাখুন। আমার বাবা মুখ থেকে শিট ধুয়ে ধুয়ে পরিস্কার করছে আর মা উপরতলায় একটা টার্কি-কে খুবই দ্রুততার সাথে Fuck করছে!”

 

১২৫)

অরিত্র বাবু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গেছেন প্রাকৃতিক অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে। সমুদ্রের কাছে গিয়ে নামতে ইচ্ছে হলো পানিতে। ড্রেস শর্ট করে সমুদ্রে নামতে যাবেন, কাছেই ২/৩ জন ষোড়শীর শর্ট ড্রেস দেখে অরিত্র বাবুর শরীরে ঘাম দেখা দিলো। তিনি একটু বেশিই সেনসেটিভ। দৃশগুলো সইতে পারেন না। আর তাই শর্টপ্যান্টের সামন দিক উঁচু হতে থাকলো। ভয়, লজ্জা আর হীনমন্যতা নিয়ে এদিক সেদিক তাকালেন  কেউ দেখছে না তো? সামনে পেছনে ডানে বামে দেখতে গিয়ে ডানে দেখলেন এক পিচ্চি মেয়ে চোখ বড় বড় করে অরিত্র বাবুর দেহের বিশেষ দিকে তাকিয়ে আছে। পুচকা মেয়েটি হয়তো বুঝতে পারছে না কেন ওখানটা উঠানামা করছে।

মহা ফ্যাসাদে অরিত্র বাবু।

তিনি স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলেন একটু কুঁজো হয়ে দাঁড়িয়ে।সেয়ানা পিচ্চিটি অরিত্র বাবুর আর একটু সামনে এগিয়ে এলো।

আংকেল, এটা কী?

পাখি… যাও যাও ডিস্টার্ব করোনা!

পিচ্চিটি গেলো না। তবে অরিত্র বাবুর তাড়া খেয়ে অদূরে দাঁড়িয়ে রইলো। অরিত্র বাবুর মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেলো। তিনি পানিতে দ্রুত ঝাপিয়ে পড়লেন। ঝাপাঝাপি করে এসে সৈকতে শুয়ে পড়লেন। বিকালের সোনালী রোদ গায়ে লেগে একটা আরাম আরাম ভাব চলে এলো। কখন যে অরিত্র বাবু ঘুমিয়ে পড়েছেন, খেয়ালই করেন নি।

ঘুম ভেঙে দেখেন তিনি হাসপাতালে।

ঘটনা কী?

অন্য সবাইও জানতে চাইলেন ঘটনা কী?

অরিত্র বাবু ফ্যাল ফ্যাল করে এদিক ওদিক তাকাতে গিয়ে হঠাৎ অনুভব করলেন উনার বিষেশ অঙ্গে ব্যান্ডেজ।

খাইছে!

ডাক্তারের প্রশ্নে অরিত্র বাবু জানালেন, কিছুই জানি না। তবে শেষ মনে পরে সৈকতে একটা পিচ্চি মেয়ে আমার চারপাশে ঘুর ঘুর করছিলো। ডাক্তার লোক পাঠালেন পিচ্চিকে ধরে আনার জন্য। পিচ্চি এসে বলে, আংকেল ঘুমিয়ে যাবার পর আমি আংকেলের পাখি আর পাখির দুইটা ডিম নিয়া খেলতে ছিলাম। হঠাৎ দেখি পাখি রাগে ফুইসা উঠছে। তাই আমি ধাক্কা দিছি। অমনি পাখি আমারে থুতু দিছে, আর তাই আমিও পাখির ডিম ভাঙার জন্য ইটের টুকরা দিয়া মারছি!

 

১২৬)

একজন স্ট্রীট ম্যাজিশিয়ান ম্যাজিক দেখাচ্ছেন কোন এক আবাসিক এলাকার এক রাস্তার উপরে। সবাই সাগ্রহে তাকে ঘিরে আছে। মূল আকর্ষণ হচ্ছে নাকি তার ম্যাজিক স্পেল আউড়ানোর সাথে সাথে কোথাও নাকি কিছু দাঁড়িয়ে যাবে আর সবাই মিলে যদি ফুঁ দেয় তবে তা বসে পড়বে।

প্রথম বারঃ হ্রিঙ্গা ত্রিঙ্গা ছট্টে… সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্চাটির পকেট থেকে পেন্সিলটি উঠে দাঁড়িয়ে গেলো। সবাই মিলে একযোগে ফুঁ… বসে পড়লো পেন্সিলটি তার জায়গায়।

দ্বিতীয় বারঃ ম্যাজিশিয়ানের মন্ত্র… মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ভদ্রমহিলার মাথা থেকে তার হেয়ার পিনটি উঠে দাঁড়ালো। সবাই আবারো ফুঁ… বসে পড়লো হেয়ার পিন।

শেষ বারঃ মন্ত্র পড়া শেষ… সবাই ফুঁ দেবার অপেক্ষায়… কিন্তু কেউ বুঝতে পারছে না কোথায় কি দাঁড়ালো…!! আকস্মিক ভাবেই পাশের এক বাড়ীর দরজা খুলে একজন ৮৫ বছরের বৃদ্ধ বেরিয়ে এসে হাঁক ছাড়লেন, “এই পাঁজির দল, নচ্ছার গুলো, খবর্দার বলে দিচ্ছি, কেউ কিন্তু ফুঁ দিবি না হতচ্ছাড়ারা”…!!

 

১২৭)

মিস মিলি ঠিক করল, ১৯ বছর বয়সেই তাকে কোটিপতি হতে হবে। কাজেই এক কোটিপতি ৯০ বছরের বুড়োকে বিয়ে করে বসলো সে। তার মতলব খুব পরিষ্কার, বুড়োকে এমন প্রেম ভালোবাসা উপহার দেবে সে, যাতে ব্যাটা হার্টফেল করে মরে। তারপর ব্যাটার সব সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে হাতিয়ে নেবে সে। বাসর রাতে বুড়ো এসে হাজির। কিন্তু জামাকাপড় খোলার পর দ্যাখা গেল, বুড়ো হলেও সে যথেষ্ঠ সক্ষম এখনও। বুড়ো বর ড্রয়ার থেকে কন্ডম আর দু’জোড়া ছিপি বার করে এগিয়ে এলো মিলির দিকে। মিলি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, “ওগুলো কিসের জন্য?”

বুড়ো প্যাকেটখানা খুলতে খুলতে বলল, “দ্যাখো এ ব্যাপারে দুটো জিনিস আমার একদম পছন্দ নয়। এক হচ্ছে, মেয়েরা যে চিৎকারটা করে, সেটা।” এই বলে সে একজোড়া ছিপি কানে গুঁজল। তারপর দ্বিতীয় জোড়া ছিপি নাকে গুঁজতে গুঁজতে বলল, “আর দ্বিতীয়ত, কন্ডম পোড়া গন্ধটাও আমার আদৌ পছন্দ নয়।”

 

১২৮)

হলিউডের একজন উঁচুদরের অভিনেতা তার অভিনীত একটা ছবি দেখার জন্য স্ত্রীকে সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখার জন্য বসলেন । সিনেমার মাঝামাঝি জায়গায় নায়ক নায়িকার চুমু খাওয়ার একটা দৃশ্য দেখে অভিনেতার স্ত্রী অভিযোগ করলেন যে, আমি এতদিন তোমার সঙ্গে বিবাহিত জীবন যাপন করছি, অথচ কখনো আমাকে তুমি অমন করে চুমো খাওনি। অভিনেতা বললেন, তুমি যদি জানতে যে এই একটি চুমু খাওয়ার জন্য তারা আমায় কত টাকা পারিশ্রমিক দিয়েছে তাহলে আর অমন অভিযোগ করতে না।

 

১২৯)

এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে।

এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে।

প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো? মুরগি জবাব দিলো, সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।

এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো? গরু জবাব দিলো, সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।

তার দেখা হলো একটা ছাগলের সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো? ছাগল জবাব দিলো, সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।

জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো।

এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো?

ষাঁড় জেব্রাকে আপাদমস্তক দেখে মুচকি হেসে জবাব দিলো, সুপ্রভাত। তুমি তোমার পাজামাটা খোলো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।

 

১৩০)

ফরেনসিক মেডিসিন এর ক্লাসে প্রফেসর নতুন ছাত্রদের ক্লাস নিচ্ছেন।

“ফরেনসিক মেডিসিন পড়তে তোমাদের দুইটা জিনিসের দিকে ভালো খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমত, তোমাদের কারো কোনো রকম শুচিবাই বা ঘৃণা থাকতে পারবেনা …” এই বলে তিনি তার সামনে রাখা মৃতদেহের পাছার ভিতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলেন এবং তা চুষতে লাগলেন। “সুতরাং, তোমরাও তা কর” তিনি সবাইকে নির্দেশ দিলেন ।

পুরো ক্লাসরুম তো থ !!!!!! কি আর করা, সবাই প্রফেসর এর কথামত আঙ্গুল ঢুকিয়ে চুষতে শুরু করলো।

“দ্বিতীয় জিনিসটি হলো, তীক্ষ্ণ নজর থাকতে হবে তোমাদের” বললেন প্রফেসর, “তোমাদের মাঝে কয় জন খেয়াল করেছ যে আমি লাশটির পাছায় তর্জনী ঢুকিয়েছি, কিন্তু চুষেছি আমার মধ্যম আঙ্গুল ???”

 

১৩১)

বাচ্চাদের স্কুলের টিচার মিস তানিয়া একদিন ছুটির পর ছোট্ট বাবুকে দাঁড় করালেন।

‘এক মিনিট দাঁড়াও ছোট্ট বাবু।’ চশমার ওপর দিয়ে চাইলেন তিনি। ‘তোমার হোমওয়র্ক তো খুব খারাপ হচ্ছে ক’দিন ধরে। তোমার কি কোন সমস্যা হচ্ছে?’

ছোট্ট বাবু মাথা ঝোঁকালো। ‘জ্বি টিচার। আমি প্রেমে পড়েছি।’ মিস তানিয়া মিষ্টি হাসলেন। ‘কার প্রেমে পড়েছো?’

‘আপনার, মিস তানিয়া। আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।’

‘কিন্তু ছোট্ট বাবু,’ নরম গলায় বললেন মিস তানিয়া, ‘ভেবে দ্যাখো ব্যাপারটা কেমন বোকাটে হবে? নিশ্চয়ই আমি একদিন কাউকে স্বামী হিসেবে চাইবো … কিন্তু আমি তো কোন বাচ্চা চাই না।’

‘ভয় পাবেন না মিস।’ আশ্বাস দিলো বাবু। ‘সেক্ষেত্রে আমি প্রটেকশন ব্যবহার করবো।’

 

১৩২)

এক ব্যারাকে , এক সৈনিক বাজি ধরার জন্য বিখ্যাত হয়ে গেল রাতারাতি। কারণ তারে কেউ বাজিতে হারাতে পারেনা। তাই দেখে আরেক সৈনিক ব্যরাকের দায়িত্বে থাকা ক্যাপ্টেন কে জানালো ঘটনা।

ক্যাপ্টেন কি করবে না বুঝে জানালো তার বস্‌ মেজর কে। সব শুনে মেজর বললো, আচ্ছা, ডাকো তাকে, দেখায় দেই কেমন করে হারাতে হয় বাজিতে। তো সেই বাজিকর সৈনিকের ডাক পড়লো মেজরের চেম্বারে। বাজিকর সৈনিক মেজরের চেম্বারে ঢুকেই স্যলুট দিয়ে বলে ” স্যার আপনার পাইলস্‌ আছে।”

মেজরঃ কে বললো পাইলস্‌ আছে?

বাজিকর সৈনিকঃ স্যার বাজি ধরেন , না থাকলে।

মেজরঃ ও কে, ৫০০ টাকা বাজি। প্রমাণ করো।

প্রমান করার জন্য মেজর প্যান্ট খুলে তার পশ্চাদ্দেশ দেখালো, বাজিকর সৈনিক পশ্চদ্দেশের ভিতর আঙ্গুল ঢুকিয়ে, তারপর বের করে এনে বললো, না স্যার, পাইলস নাই, আমি হেরে গেলাম”

মেজর কে ৫০০ টাকা দিয়ে সৈনিক বের হয়ে এল চেম্বার থেকে।

মেজর পরে ফোন করে ক্যাপ্টেন কে বলে, “কই, ও তো আমার কাছে বাজি তে ৫০০ টাকা হেরে গেল।”

ক্যাপ্টেনঃ “স্যার, ও যাবার আগে আমার সাথে বাজি ধরে গেছে, আপনার পাছায় আঙ্গুল দিতে পারলে ও ৫০,০০০ টাকা জিতবে। এখন তো আমারে সেই টাকা দেয়া লাগবে”

 

১৩৩)

কিন্ডারগার্টেনে তরুনী টিচার ক্লাসে খেয়াল করলেন যে এক ছাত্র বেশ অমনোযোগী। তাকে দাড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ বলো একটি ডালে তিনটি পাখি বসে আছে। তুমি একটি বন্দুক দিয়ে একটি পাখিকে গুলি করলে সেখানে আর কয়টি পাখি থাকবে?”

ছাত্রঃ একটিও না।

ম্যাডামঃ কেন?

ছাত্রঃ ম্যাডাম আমি যদি বন্দুক দিয়ে গুলি করি তাহলে গুলির শব্দে সবগুলো পাখি উড়ে যাবে।

ম্যাডামঃ তুমি যেভাবে চিন্তা করেছো তা আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু সঠিক উত্তর হবে আর দুইটি পাখি থাকবে।

ছাত্রঃ আচ্ছা ম্যাডাম একটি আইস্ক্রীম পারলার থেকে তিনজন যুবতী হাতে আইস্ক্রীম নিয়ে বের হল। তাদের একজন হাল্কা কামড় দিয়ে দিয়ে আইস্ক্রীম খাচ্ছিল। আর একজন চেটে চেটে খাচ্ছিল। আর শেষজন পুরো আইস্ক্রীম মুখে পুরে চুষছিলো। বলুন দেখি তাদের মধ্যে কে বিবাহিত?

ম্যাডাম কিঞ্চিত বিব্রত হয়ে বললেন, যে পুরো আইস্ক্রীম মুখে পুরে চুষছিলো সেই বিবাহিত।

ছাত্রঃ আপনি যেভাবে চিন্তা করেছেন তা আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু সঠিক উত্তর হবে যার হাতে ওয়েডিং রিং ছিল সেই বিবাহিত।

 

১৩৪)

মুখোশ পার্টিতে যাবে রোমেল আর তার বউ। রোমেলের বউ শেষ মিনিটে বললো, সে যাবে না, তার মাথা ধরেছে। রোমেল একটা স্পাইডারম্যানের মুখোশ পরে বেরিয়ে গেলো একাই। ঘন্টাখানেক পর রোমেলের বউ যাওয়ার মত পাল্টে একটা মুখোশ পরে নিয়ে পার্টিতে গেলো, একা একা রোমেল কী করে বেড়ায় দেখতে।

পার্টিতে গিয়ে সে দেখলো স্পাইডারম্যানের মুখোশের চারপাশে অনেক মহিলা, জমিয়ে আড্ডা মারছে রোমেল। চটে মটে রোমেলের বউও সেই ভিড়ে গিয়ে জুটলো, তারপর এক এক করে মহিলাকে হটিয়ে দিয়ে রোমেলকে দখল করলো সে। নির্জনে রোমেল তার কানে কানে কুপ্রস্তাব দিলো। মনে মনে চটে গিয়ে রাজি হলো রোমেলের বউ। ঘন্টাখানেক আদরসোহাগের পর রোমেলকে পার্টিতে রেখেই বাড়িতে ফিরে এলো সে। গভীর রাতে ক্লান্ত রোমেল বাড়িতে ফিরলো। তার বউ চিবিয়ে চিবিয়ে জানতে চাইলো, পার্টি কেমন হয়েছে। রোমেল বললো, ‘আরে ধ্যুৎ, খুব বোরিং। আমি আর আমার কয়েকজন বন্ধু কোণার ঘরে বসে তাস খেলেছি।’

‘তাই? কোন মজা হয়নি পার্টিতে?’

‘একদম না। তবে যে ব্যাটাকে আমার মুখোশটা ধার দিয়েছিলাম, ঐ শালা খুব মজা লুটেছে।’

 

১৩৫)

আরব মুল্লুকে বেড়াতে গেছে তিন ট্যুরিস্ট।

মরুভূমিতে পথ হারিয়ে দিন তিনেক ঘোরাঘুরি পর একদিন এক মরূদ্যানের সামনে হাজির হলো তারা। সেখানে শুধু মেয়ে আর মেয়ে, সবাই স্বল্পবসনা এবং সুন্দরী। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই গোবদাগাবদা চেহারার কয়েকজন মহিলা এসে তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেলো আলিশান এক প্রাসাদের ভেতর। সেখানে জোব্বাপরা এক আরব শেখ বসে গড়গড়ায় তামাক খাচ্ছে, তাকে ঘিরে আছে অপরূপ সুন্দরী কিছু যুবতী।

গড়গড়া নামিয়ে শেখ বললো, ‘আমি শেখ অমুক। এটা আমার মুল্লুক, এখানে যারা ভুল করে ঢুকে পড়ে, তাদের আমি কঠিন শাস্তি দিই।’ প্রথমজনকে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘বলো, কী করো তুমি?’

প্রথম ট্যুরিস্ট জবাব দিলো, ‘আমি একজন পুলিশ।’

শেখ হাততালি দিলো। দুই রূপসী সামনে এসে দাঁড়ালো। শেখ হুকুম করলো, ‘যাও, এর যন্ত্রটাকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দাও।’ তারপর দ্বিতীয়জনকে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘বলো, তুমি কী করো?’

দ্বিতীয় ট্যুরিস্ট জবাব দিলো, ‘আমি একজন দমকলকর্মী।’

শেখ হাততালি দিলো। আরো দুই রূপসী সামনে এসে দাঁড়ালো। শেখ হুকুম করলো, ‘যাও, এর যন্ত্রটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দাও।’ তারপর শেষজনকে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘বলো, কী করো তুমি?’

শেষ ট্যুরিস্ট দাঁত বের করে জবাব দিলো, ‘আমি একজন ললিপপ বিক্রেতা।

 

১৩৬)

আরাম সাহেবের বউ খুব গোপনে হাসপাতালের ইমারজেন্সীতে গাইনোকোলজিস্টের সাথে দেখা করতে চাইলেন। গাইনোকোলজিস্ট এসে জিজ্ঞেস করতেই, তিনি খুব লজ্জিতভাবে বললেন, তার ভাইব্রেটরটা গোপনাঙ্গের ভেতরে পুরোপুরি ঢুকে আটকে গেছে। ডাক্তার সব দেখে বললেন, এটা বের করতে খুব লম্বা এবং বিপদজনক অপারেশন করতে হবে। অপারেশনের টাকা তিনি দিতে পারবেন কিনা। মিসেস আরাম আরও লজ্জিতভাবে বললেন, হ্যাঁ পারবেন। কিন্তু তিনি সেই অপারেশন আপাতত করতে চাননা। বরঞ্চ ডাক্তার সাহেব যদি কষ্ট করে, ব্যাটারীটা একটু পালটে দিতেন…

 

১৩৭)

দবির আর সাবেত অনেক দিন থেকেই এক সাঠে গলফ খেলে, অনেক দিন পরে দবিরের মনে হইল সাবেত আসলে কি কাম করে?

দবিরঃ কাজ কাম কি করেন ভাই?

সাবেতঃ আমি আসলে একজন হিটম্যান, ভাড়ায় কাম করি, প্রতি হিট ১০,০০০ টাকা। মানে প্রতি বুলেট ১০,০০০ টাকা আর আমার বুলেট মিস হয় না।

দবির মনে মনে ভাবে আরে শালা! আমি তো এমনই একজন লোক খুজতাছি! এইবার বিবির জান শেষ!

দবিরঃ দোস্ত আমার একটা কাম কইরা দিবা? না না দুইটা!!?

সাবেতঃ আরে তুমি মাল দিবা আর আমি কাম করুম না! দুইটার জন্য ২০,০০০ টাকা লাগবো।

দবিরঃ ঠিক আছে তুমি আমার বিবির মুখের মধ্যে একটা গুলি করবা, শালী খালি আমার লগে চিল্লায়, খালি প্যান প্যান করে।

আর এক কুত্তার বাচ্চা আছে ওর বয় ফ্রেন্ড, ওর অই জায়গাতে একটা গুলি করে ঐটা উরায় দিবা, ঐযে মাঠের পাশেই আমার বাসা।

সাবেত তার গলফ ব্যাগ থাইকা টেলিস্কোপিক রেমিংটন পয়েন্ট ২২ রাইফেলটা বাইর কইরা অনেকক্ষন লাগাইয়া দেইখা কইল “আমি তোমার পয়সা বাঁচায়া দেই। গূল্লি একটা লাগবো”

 

১৩৮)

একটি লোকের স্ত্রী অন্তসত্তা। হাজবেন্ড ওয়াইফ দু‘জন মিলে সিদ্ধান্ত নিতে পারছেনা যে তাদের সন্তানের নাম কি হবে। এটা সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। অনেক তর্ক বিতের্কর পর স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, “তুমি বাবার কাছে যাও। তাকে জিজ্ঞেস করে আসো যে বাচ্চাদের নাম কি করে রাখতে হয়”। স্বামীটি তৎক্ষনাৎ তার বাবা কাছে গেলে এবং বাচ্চাদের নাম কি করে রাখতে হয় তা জিজ্ঞেস করলো। বাবা মুচকী হেসে একটু নস্টালজিক হয়ে গেলেন। আনমনা ভাবে মৃত স্ত্রীর ছবির দিকে তাকিয়ে বললেন, তোর বড় ভাইয়া যখন তোর মার পেটে এলো তখন আমার পোস্টিং হিলে, চারদিকে পাহাড় আর পাহাড়। পাহাড়ের বুকে জন্মালো তাই ওর নাম রাখলাম “হিমালয়”। তোর মেঝো আপা যখন হলো তখন আমরা নৌ-বিহারে ছিলাম তাই ওর নাম রেখেছিলাম “নদী”। এসব জেনে তুই কি করবি “ফুটো কন্ডোম”

 

১৩৯)

জর্জ আর জেনী খুব ভাল বন্ধু। এরা দুই জন দুই শহরে কাজ করে। একজনের ছুটি শনিবার আরেকজনের রবিবার। ফলে দুই জনের এক সাথে দেখা হওয়া খুব দুস্কর। এবার পহেলা মে তে দুই জনের এক সাথে ছুটি। জর্জ তার গাড়ী নিয়ে জেনীকে আনতে চলে গেল। গাড়ীতে দুইজনের মনে ভালবাসার উদয় হল। যেহেতু মাত্র একদিনের ছুটি তাই তারা ঠিক করল এক মুহূর্তও নষ্ট করা ঠিক হবে না। কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটানো যাক। কিন্তু গাড়ীটা ছিল খুবই ছোট। দুই জনে মিলে ঠিক করল গাড়ীর নীচের ফাঁকা জায়গায় ঢুকে পড়া যাক। নীচে বেশ জায়গা আছে আর কেউ বিরক্ত ও করবে না।

অনেকক্ষণ পর জর্জের খেয়াল হল কে যেন তাকে ডাকছে। লোকটি ছিল ট্রাফিক সার্জেন্ট।

লোকটি বলছে- ভাই আপনি কি করছেন।

জর্জ তার দিকে না তাকিয়েই উত্তর দেয়-গাড়ী ঠিক করছি।

সার্জেন্ট কিছুক্ষণ কি যেন চিন্তা করেন। তারপর গম্ভীর মুখে বলে উঠেন-দুই টা কারণে আমি আপনার কথা বিশ্বাস করতে পারছি না। প্রথমত গাড়ী ঠিক করতে হলে আপনাকে চিৎ হযে থাকতে হবে। কিন্তু আপনি উপুর হয়ে আছেন।

দ্বিতীয়ত আমি এখানে কোন গাড়ী দেখতে পাচ্ছি না। খুব সম্ভবত আপনাদের গাড়ীটি চুরি হয়ে গেছে।

 

১৪০)

স্বামী বেশ কয়দিন ধরে কোমায়। বউ বেচারা সারাক্ষণ স্বামীর বিছানার পাশে আহার-নিদ্রাহীন জীবনযাপন করছেন। হঠাৎ স্বামী কোমা থেকে ফিরে আসলেন। ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বউকে স্বামীর কাছে যেতে দিলেন। স্বামী পরম আবেগে সজল চক্ষে স্ত্রীর হাত ধরে বললেনঃ ওগো, আমি আজ বুঝতে পেরেছি আমার কেন এই অবস্থা! তুমি সারাটা জীবন আমার দুঃখের সময়ে পাশে থেকেছ। যখন আমার চাকরী চলে গেল, তুমি পাশে ছিলে। আমার যখন ব্যবসায় বিশাল লোকসান হল, তুমি পাশে ছিলে। যখন আমাদের বাড়িটাও ব্যাংক নিলামে উঠাল, সেখানেও তুমি ছিলে আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য। যখন ডাকাতরা আমায় গুলি করল, তুমি ছিলে আমার সেবা করার জন্য। আমার এমন কোন দুঃসময় নেই যখন তুমি আমার সাথে ছিলেনা।

স্বামীর এমন আবেগী কথায় স্ত্রীর চোখ বেয়ে জলের ধারা নামে। স্ত্রী বলেঃ ওগো এমন করে বলোনা, আমিতো তোমার পাশেই থাকব…তুমি ছাড়া আমার আর কে আছে!

স্বামীঃ হুমম! সেজন্যেই বুঝেছি…তুমিই আমার ব্যাড লাক!

 

১৪১)

ডেন্টিস্টের সাথে ইলিয়াস সাহেবের বউয়ের ভীষণ মাখামাখি চলছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই মিসেস ইলিয়াস ডেন্টিস্টের চেম্বারে গিয়ে শারীরিক চাহিদা মিটিয়ে আসেন। একপর্যায়ে মিসেস ইলিয়াস আবগের আতিশয্যে বললেন, ওগো আমার প্রেমিক, আমি প্রতিদিনই তোমার কাছে আসতে চাই। ডাক্তার বললেন, হ্যাঁগো আমিও তোমায় চাই। কিন্তু তুমি যদি আর এখানে আস ইলিয়াস তো বুঝে ফেলবে।

মিসেস ইলিয়াস বললেন, আরে না…ব্যাটা গর্দভ একটা। এইযে দেখ এতবার তোমার কাছে এলাম, কিছুই বোঝেনি। ডাক্তার বললেন, কিন্তু হানি, তুমি আর আসবে কিভাবে, প্রতিদিন তোমার একটা করে দাঁত তুলতে তুলতে আজকে শেষ দাঁতটাও তুলে ফেললাম!

 

১৪২)

মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দুরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল। মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল।

তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলছে- ‘সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুঁয়ে নিও’।

মিলিটারিটি বলল – ‘তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুঁতে হবে।

 

১৪৩)

হাসপাতালে এক মেয়ের বাচ্চা হয়েছে। বাচ্চাকে মা থেকে পৃথক রুমে রেখে নার্স তাকে খবর দিলো, “আপনার ছেলে হয়েছে। আপনার স্বামীকে দেখছিনা যে?”

মেয়ে, “ইয়ে মানে, আমার বিয়ে হয় নি।”

নার্স, “তাহলে আপনার বয়ফেন্ড/পার্টনার কোথায়?”

মেয়ে, “আমি একা।”

নার্স, “ও আচ্ছা। আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য দুঃখিত। কিন্তু আপনার জানা জরুরী যে আপনার ছেলেটি কিন্তু কালো হয়েছে!”

মেয়ে, “আসলে হয়েছে কি জানেন, গত বছর আমি খুব টাকার অভাবে ছিলাম। টিউশন ফি দিতে পরছিলাম না। তাই বাধ্য হয়ে একটি পর্ন মুভিতে কাজ করতে হয়েছিলো! আর ওখানে এক নিগ্রো ছিল!”

নার্স, “আমি আসলেই দুঃখিতো। আপনার মতো অবস্থায় পড়লে যে কেউ এই কাজ করতো। আরেকটি কথা হলো আপনার ছেলেটি ব্লন্ড চুল পেয়েছে!”

মেয়ে, “না মানে ঐ মুভিতে এক সুইডিস লোকও ছিলো!”

নার্স, “ও! আমি দুঃখিত যে আমার জন্য আপনাকে ঐ সব স্মৃতি মনে করতে হচ্ছে। তবে আপনার ছেলের চোখ কিন্তু খুব ছোট ছোট!”

মেয়ে, “ইয়ে মানে ওখানে একজন জাপানি লোকও ছিলো! আপনার কি আরো কিছু বলার আছে?”

নার্স, “না না আর কিছু না!”

মেয়ে, “আমি কি আমার ছেলেকে দেখতে পারি?”

নার্স, “জি অবশ্যই পারেন। আমি নিয়ে আসছি।”

নার্স ছেলেটিকে এনে মেয়েটির কোলে দিলো। মেয়েটি বাচ্চা টিকে কোলে নিয়েই গালে জোরে একটা চড় বসিয়ে দিলো এবং বাচ্চাটি চড় খেয়ে জোরে কেঁদে উঠলো!

নার্স হতবম্ভ হয়ে ছেলেটিকে মেয়ের কাছ থেকে নিয়ে নিলো এবং বললো, “এ আপনি কি করছেন?”

মেয়েটি তখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, “উফফ! বাঁচা গেলো! আমি তো ভেবেছিলাম কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে উঠবে!!”

 

১৪৪)

অনেক আগে একবার পোপ হুকুম দিলেন, ইহুদিদের রোম ছেড়ে চলে যেতে হবে। ইহুদিরা আদেশ শুনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ল। অবস্থা যখন খারাপের দিকে, তখন পোপ বললেন, ‘ঠিক আছে, ওদের একটা সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। আমার সঙ্গে তাদের কোনও প্রতিনিধি ধর্ম নিয়ে বিতর্ক করুক। যদি আমি হেরে যাই, ইহুদিরা থাকতে পারবে। আর যদি আমি জিতে যাই, ব্যাটাদের পেঁদিয়ে বিদায় করা হবে।’

ইহুদিরা এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে তাদের এক প্রবীণ র‌্যাবাই, মি. মোশেকে নির্বাচন করল বিতার্কিক হিশেবে। কিন্তু ঝামেলা হল, মোশে ল্যাটিন জানেন না, আর পোপ ইড্ডিশ বলতে পারেন না। কাজেই নির্বাক বিতর্ক করাই স্থির হল।নির্দিষ্ট দিনে দুজন মুখোমুখি বসলেন।

পোপ প্রথমে স্থির দৃষ্টিতে মোশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ তিনটি আঙুল তুলে দেখালেন। জবাবে মোশে খানিক ভেবে মধ্যমা তুলে পোপকে দেখালেন।

পোপ থতমত খেয়ে খানিক চিন্তা করে আঙুল তুলে মাথার চারপাশে ঘোরালেন। জবাবে মোশে একটা আঙুল তুলে দুজনের মাঝখানে মাটির দিকে ইঙ্গিত করলেন।

পোপ বিব্রত হয়ে এবার পবিত্র রুটি আর মদের বোতল বের করলেন। জবাবে মোশে হাসিমুখে বের করলেন একটি আপেল।

পোপ উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আমি হার স্বীকার করছি।’

সবাই পোপকে ঘিরে ধরল, ‘কী হল, মহামান্য পোপ? আমরা তো কিছুই বুঝতে পারলাম না!’

পোপ বললেন, ‘আমি প্রথমে পবিত্র ত্রিত্বর প্রতীক হিশেবে তিনটি আঙুল তুলে দেখালাম। তখন এই র‌্যাবাই একটি আঙুল তুলে দেখাতে চাইল যে অন্তত একক ঈশ্বরের প্রশ্নে খ্রিস্টান-ইহুদি একমত। তারপর আমি একটা আঙুল মাথার চারপাশে ঘুরিয়ে বলতে চাইলাম যে ঈশ্বর সর্বময়। জবাবে ইহুদি ব্যাটা আমাদের মাঝে আঙুল দেখিয়ে বলল, তিনি এই বিতর্কের স্থানেও আছেন। আমি তখন এই পবিত্র রুটি আর মদ বের করে বলতে চাইলাম যে ঈশ্বর আমাদের পাপ স্খালনের সুযোগ দেন। তখন ব্যাটা ফাজিল আপেল বের মনে করিয়ে দিল, আদমের সেই আদিম পাপের কথা। … তোমরাই বল, এর সঙ্গে তর্ক চালিয়ে যাওয়া যায়? সবকিছুর জন্যেই ওর কাছে জবাব আছে, তাই আরও নাকাল হওয়ার আগেই হার স্বীকার করে নিলাম।’

ওদিকে উল্লসিত ইহুদিরা ধরল মোশেকে। ‘কী হল? আমরা তো কিছুই বুঝলাম না … !’

মোশে বলল, ‘আমিও না। … প্রথমে ব্যাটা কিছুক্ষণ জুলজুল করে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে ফট করে তিনটা আঙুল তুলে দেখাল, মানে হচ্ছে ইহুদিদের চলে যাওয়ার জন্যে তিনদিন সময় দিচ্ছে সে। আমার মেজাজ গেল খারাপ হয়ে, একটা আঙুল তুলে দেখালাম, যে তিনদিন সময় তোমার ইয়ে দিয়ে প্রবেশ করানো হবে। এরপর ব্যাটা আবার মাথার ওপর আঙুল তুলে ঘুরিয়ে বলতে চাইল, এই শহরের সব ইহুদিকে চলে যেতে হবে। তখন আমি মাটি দেখিয়ে বললাম, এইখানে, জনাব পোপ, আমরা এইখানে থাকব!’

‘তারপর?’

‘তারপর কী হল বুঝলাম না, ব্যাটা দুপুরের খাওয়ার বিরতি প্রস্তাব দিল!’

 

১৪৫)

এক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানী ঘুরতে বের হয়েছে আমাজনে।এরা ধরা পড়েছে জংলীদের হাতে। জংলীরা তিনজনকে একটা কুড়েঘরে আটকিয়ে রেখেছে। খুব চমৎকার একটা ফল খেতে দিচ্ছে তাদের। এই ফল খেয়ে তাদের চামড়া খুব মসৃন হয়ে যাচ্ছে। যেন তাদের যৌবন ফিরে আসছে। এরা তিনজনেই খুশী। এই সুখ অবশ্য বেশীদিন সইল না। একদিন সকালে জংলী সর্দার এল। এসে প্রথম ধরেছে পাকি-টাকে।

-তুমি কিভাবে মরতে চাও?

পাকিটা বলল তোমারা যে ফলটা খেতে দাও, সেই রকম মিষ্টি কোন ফল নিয়ে আস যেটা বিষাক্ত। ওটা খেয়েই আমি মরব। তার ইচ্ছা অনুযায়ী লাল একটা ফল নিয়ে আসা হল। পাকিটা “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” বলে ফলটা খেয়ে ফেলল। তার এসে গেলো গভীর ঘুম যা আর ভাঙ্গে না। বাংগালী আর ভারতীয় দুইজন এরপর দেখল ভয়াবহ ব্যাপারগুলা।

জংলীরা পাকিটার মাথা আলাদা করে সেটাকে মমি করে রাখল । বাকি শরীরের চামড়া ছাড়াল। এরপর সেটা দিয়ে বানাল ছোট একটা ক্যানু(canoe)। এইসব দেখে ভারতীয় আর বাঙ্গালীর অবস্থা খারাপ। পনের দিন পর জংলী সর্দার আবার এল। এইবার ভারতীয়টার পালা। ভারতীয়টাও “জয় হিন্দ” বলে ফল খেয়ে মারা গেল। তার মাথার মমি করা হল, চামড়াটা দিয়ে বানানো হলো ক্যানু। কিছুদিন পরে বাঙ্গালীর পালা।

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কিভাবে মরবে? সে চাইলো একটা কাটা চামচ। এরপর কাটা চামচটা দিয়ে নিজের শরীরের নানা জায়গায় আঘাত করতে করতে বলল,”হারামজাদা! পারলে এইবার নৌকা বানা”

 

১৪৬)

একদা এক বিবাহিত রমনী হাটতে হাটতে ফাঁদে আটকানো এক ব্যাঙ কে দেখে উদ্ধার করল।ব্যাঙ খুশী হয়ে রমনীকে তিনটা ইচ্ছা প্রকাশ করতে বলল,যা সে পূরন করবে কিন্তু শর্ত হলো রমনীর পুরনকৃত ইচ্ছার চেয়ে ৫ গুন স্বামীকে প্রদান করবে।

রমনী খুশী হয়ে ১ম ইচ্ছা বলল,” আমি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হতে চাই”

ব্যাঙ,” চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন সুন্দর হবে”

রমনী,” সে আমার স্বামী,আমি তাকে সুন্দর দেখতে চাই”

ব্যাঙ রমনীর স্বামীর প্রতি প্রেম দেখে খুশী হয়ে ১ম ইচ্ছা পূরন করলো।

রমনী এবার তার ২য় ইচ্ছা বলল,” আমি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা হতে চাই”

ব্যাঙ,” চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন ধনী হবে”

রমনী,” সে আমার স্বামী,তার সম্পদ আমার,আমার সম্পদ তার”

ব্যাঙ খুশী হয়ে ২য় ইচ্ছা পূরন করলো।

রমনী এবার ভেবে-চিন্তে তার ৩য় ইচ্ছা বলল,” আমি চাই আমার মাঝারী ধরনের হার্ট এটাক হোক”

ব্যাঙ অবাক আর কষ্ট পেয়ে বলল,” চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু মারা যাবে”

রমনী,”তা নিয়ে চিন্তা নাই, আরেকটা পাবো”

 

১৪৭)

এক ব্যাংকার ভদ্রলোকের এক হেবি সুন্দরী মাইয়া আছিল। ব্যাংকার ভাবল, মাইয়াডারে যদি কোন রাজার সাথে বিয়া দিয়া যাইতো, তাইলে টাকার চিন্তা আর থাকতো না।

কিছুদিন পরেই আফ্রিকান নিগরো এক রাজা আইল ব্যাংকারের কাছে, একাউন্ট খোলার জন্য। ব্যাংকার মাইয়ারে ডাইকা রাজার সাথে বেড়াতে পাঠাল, আর মাইয়ারে কইয়া দিল, যেকোন কায়দায় জামাই বানাইতে। মেয়ে তো মোটেই রাজি না, কিন্তু কি আর করা, বাপরে তো অসন্তুস্ট করা যায় না।

বেড়াইতে যাইয়া মাইয়া রাজারে কইল, আমি যার সাথে বিয়া করবো, তারে আমার তিনডা ইচ্ছা পুরোন করা লাগবো।

সাগ্রহে রাজা কইল কি?

নং ১ – ১২৪ ক্যারেট হিরা দিয়া আমারে আংটি দিতে হবে।

এইডা কোন ব্যাপার না, আমার আছে আমি দিব।

নং ২ – আমেরিকায় আমারে ১০০ কামরার একখান বাড়ী বানাইয়া দিতে হবে।

ঐডাও পারুম। আনন্দের সাথে কইয়া ফালাইল, রাজা।

চিন্তায় পড়ে গেল মাইয়া, তাইলে কি করা যায়, এই ব্যাডারেই কি বিয়া করতে হবে?

অনেক ভাইবা চিন্তা মেয়ে বলল, পুরা ১৪ ইঞ্চি থাকন লাগব।

শুনে রাজা রাজা কাঁদতে শুরু করল, অনেক্ষণ পরে কইল, কেটে ১৪ ইঞ্ঝি করতে যদিও কষ্টে বুকটা ফাইটা যাবে, তবুও আমি রাজি!

 

১৪৮)

– ডাক্তার, আমার ছেলের মনে হয় গনোরিয়া হয়েছে। ফোনে এক রোগী তার ডাক্তারকে ফোন করলো। বাড়ির কাজের মেয়ের সাথেই সে একমাত্র আকামটি করেছে।

– ঠিক আছে, ও তো একটা বাচ্চা। ওর সাথে খারাপ আচরণ কোরো না। ডাক্তার বললো। ওকে চেম্বারে নিয়ে এসো। সব ঠিক হয়ে যাবে।

– কিন্তু ডাক্তার। আমিও তো ওই কাজের মেয়ের সাথে উল্টাপাল্টা করেছি। আমারও মনে হয় গনোরিয়া হয়েছে।

– তাহলে তুমিও চলে এসো। দু’জনের চিকিৎসা এক সাথে করে দেই।

– ডাক্তার, আমার স্ত্রীর-ও যে গনোরিয়া আছে।

– শয়তানের বাচ্চা। আগে বলবি না। ডাক্তার চেঁচিয়ে উঠলো। তার মানে আমারও গনোরিয়া হয়েছে।

 

১৪৯)

সি. আই. এ অফিসে নতুন এজেন্ট দরকার। প্রার্থী দুইজন পুরুষ, একজন মহিলা।

এদের নার্ভ কেমন শক্ত তা পরীক্ষা করতে কর্তৃপক্ষ তাদের প্রত্যেককে একটি করে পিস্তল দিল। এদের কাজ হবে পাশের রুমে এদের একজন প্রিয় মানুষ আছে। তাকে গুলি করতে হবে। তবে এদের জানানো হয়নি পিস্তলে আসলে কোন গুলি নেই।

প্রথম প্রাথী রুমে প্রবেশ করে দেখল একটি চেয়ারে হাত মুখ বাধা অবস্থায় তার স্ত্রী। প্রিয় জনকে দেখে তার চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করে। গুলি করার বদলে ছুটে গিয়ে সে তার স্ত্রীকে মুক্ত করল । ফলে এই পরীক্ষায় সে ফেল মারল।

দ্বিতীয় প্রার্থীর বেলায়ও একই ব্যাপার ঘটল।

তৃতীয় মহিলা প্রার্থী ভেতরে প্রবেশ করে তার স্বামীকে হাত বাধা অবস্থায় পেল। অনেকক্ষণ পর সেই মেয়ে হাপাতে হাপাতে বেরিয়ে আসল। রেগে মেগে বলতে লাগল আপনারা কি পিস্তল দিয়েছেন গুলিই বের হয় না। শেষ পর্যন্ত পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে আমার স্বামীকে মারতে হয়েছে।

 

১৫০)

রমিজের মেজাজ খুব খারাপ আজকাল। ডান হাতের ব্যথা আর সারেই না। রমিজের বন্ধু জমির বলল, “ডাক্তার দেখায়া কি করবি, অনেক তো দেখাইলি, হুদাই টাকা নষ্ট। সামনের একটা মার্কেট এ ১০ টাকা দিয়া একটা কম্পিউটারে পেশাব সেম্পল দিলে এক্কেবারে ঠিক ডায়াগনোসিস আর ঠিক ওষুধ দিয়া দেয়। আমার লগে ল।”

রমিজ ভাবলো, “ঠিক ই তো!” গেল ওই কম্পিউটারের কাছে। গিয়ে তার পেশাবের সেম্পল দিল। ৫ মিনিট পরে স্লিপ বের হয়ে এলো, যাতে লিখা আছে, “তোমার টেনিস এলবো হয়েছে , প্রতিদিন ডান হাতে গরম সেঁক দিলে ১০ দিনে ঠিক হয়ে যাবে।”

রমিজ তো তাজ্জব! যাই হোক, বাসায় গিয়ে ওই অনুযায়ী সেঁক দিয়ে দেখলো, ব্যথা কমছে।

হঠাৎ রমিজ ভাবল , কম্পিউটাররে তো বোকা বানানো যায়। তাই সে করলো কি, তার বীর্য, কুকুরের মল, তার স্ত্রীর আর তার মেয়ের পেশাব টয়লেটে গিয়ে কালেক্ট করে একটা মিক্সচার বানিয়ে ওই কম্পিউটারে জমা দিল আর অপেক্ষা করতে থাকলো রেসাল্টের জন্য। ৫ মিনিট পর স্লিপ আসল, তাতে লিখা আছে , “তোমার কুকুরের উকুন হয়েছে, এন্টি ফাঙ্গাল ওষুধ খাওয়াও; তোমার মেয়ে আবার প্রেগন্যান্ট, তোমার দারোয়ানকে বের করে দাও;  তোমার বউ গতকাল এবরশন করিয়েছে , বাচ্চাটা তোমার ছিলনা। আর তুমি যদি তোমার ডান হাতে হাত মারা বন্ধ না কর, তবে তোমার টেনিস এলবো কখনই ভালো হবেনা।” ধন্যবাদ।”

 

১৫১)
মানসিক রোগীদের হাসপাতাল।

জুমনের ঘরে ঢুকলো নার্স। জুমন খাটের ওপর শুয়ে হাত দুটো সামনে বাড়িয়ে গুনগুন শব্দ করছে।

“জুমন, কী হচ্ছে এসব?”

জুমন বললো, “আমি গাড়ি চালাচ্ছি, চট্টগ্রাম যাবো।”

পরদিন রাতে নার্স দেখলো, জুমন বসে বসে ঝিমোচ্ছে। “জুমন, কী হচ্ছে এসব?”

“মাত্র পৌঁছালাম চট্টগ্রামে, বিরক্ত কোরো না।” হেঁকে বললো জুমন।

এবার পাশের ঘরে সুমনের ঘরে গেলো নার্স। দেখলো, সেখানে সুমন বিছানায় শুয়ে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করছে।

“সুমন, কী হচ্ছে এসব?” প্রশ্ন করলো নার্স।

“আহ! জ্বালাতন কোরো না। দেখতে পাও না, জুমনের বউয়ের সাথে প্রেম করছি? ঐ শালা তো গেছে চট্টগ্রাম!”

 

১৫২)

ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি-তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে। কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই। চোর-বাটপার সব কয়টা। প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা। ” ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য? ” একজন কাচুমাচুভাবে বলল ” আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি। এইখানে কোনো মেয়ে নাই। সৈনিকরা মাঝে মাঝে খুব একা বোধ করলে এই উট ব্যাবহার করে। ” সেনাপতি ত bloody indian দের কথা শুনে থ। শুয়োরের বাচ্চারা উটকে “কামে” লাগায়…ছি ছি ছি। সে কড়া নির্দেশ দিলো যে এরপর কোনো নেটিভ হারামজাদা উট ব্যাবহার করলে তাকে ঝুলিয়ে পিটানো হবে। যাই হোক তার কড়া শাসনে দুর্গে নিয়ম-শৃংখলা ফিরে আসলো। সবাই সোজা। সব কিছু ঠিকমত চলছে। মাসের পর মাস যাচ্ছে।

এক সময় সেনাপতির একা একা লাগা শুরু করল। শালার একটা মাইয়া দেখি নাই গত চার মাস। আরো এক মাস গেলো। একদিন সকালে সে হুকুম দিলো, শুয়োরের বাচ্চারা, উটটা নিয়ে আয় আমার তাবুতে। কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হল। উটের চিৎকার শুনা গেল। এরপর সেনাপতি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বের হয়ে আসল। বড় বড় চোখ করে bloody indian গুলো তাকিয়ে আছে। এদের দিকে তাকিয়ে সেনাপতি বলল, খারাপ না, তোরাও কি এইভাবেই ব্যাবহার করিস?

– না হুজুর। আমরা এইটাতে চড়ে মাইলদুয়েক দূরের একটা শহরে যাই।

 

১৫৩)

বব আর লিসার বিয়ের ত্রিশতম বার্ষিকী। দুইজনেরই বয়স হয়েছে। দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে নানা ঝামেলা এসেছে, সেই ঝামেলা পাড়িও দিয়েছে। আজ তারা চারটি ছেলে সন্তানের বাবা-মা। সুখের জীবন।

অনুষ্টান শেষে, রাতের বেলা লিসা ববকে বলল, আজকে রাতে তুমি আমাকে একটা সত্য কথা বলবে?

বলব।

তুমি বিবাহিত জীবনে আমি ছাড়া আর কয়টা মেয়ের সাথে শুয়েছো?

বব উত্তর দিতে একটু দেরি করছে। লিসা তাই বলল, দেখো, আমরা এমন বয়সে চলে এসেছি যে একজনকে ছাড়া আরেকজন চলতে পারব না। সুতরাং সত্যি কথা বললেও সমস্যা হবে না।

বব মাথা ঝাকিয়ে বলল, শুয়েছি তিনজনের সাথে…

দুইজনেও চুপ-চাপ। গলা খাকাড়ি দিয়ে বব বলল, আমারো একটা প্রশ্ন ছিল।

কি?

দেখো, আমি আমার সবকয়টা ছেলেকেই সমান চোখে দেখেছি। কোনদিন অবিচার করিনি। আজকে তোমাকে বলি , আমার ভিতর সন্দেহ ছিল জনিকে নিয়ে। সে তার বড় তিনভাইয়ের মত না। তার শারীরিক গঠনও আলাদা। সে চিকন এবং বাকি ভাইদের তুলনায় অনেক বেশি মেধাবি। যে কেউ মাথা খাটালেই বুঝবে, জনির বাপ আর বাকিদের বাপ এক পুরুষ না। আমার খুব সন্দেহ তাকে নিয়ে। তুমি সত্যি করে বলো ত, জনির বাপ আর অন্যদের বাপ কি আলাদা ব্যক্তি?

হ্যাঁ।

জনির বাপ কে?

লিসা কিছুক্ষন মাথা নিচু করে থাকে, এরপর লাজুক মুখে বলে, তুমি।

 

১৫৪)

পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যবসায়ী, সুন্দরী এক কল গার্লের সেবা গ্রহণ করলেন এবং তাকে নগদ টাকা না দিয়ে তার অফিসে একটি বিল পাঠাতে বললেন। বিলতো আর গৃহিত সেবার নামে করা যাবে না তাই ব্যবসায়ী গার্লকে পরামর্শ দিলেন তুমি এমন একটা বিল আমার অফিসে পাঠাবে যেন আমি তোমার কাছ থেকে একটি এপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়েছিলাম। যথারীতি গার্ল পরের সপ্তাহে ব্যবসায়ীর অফিসে একটি বিল পাঠালেন – এপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ৫০০০ টাকা ।

ব্যবসায়ী স্বভাব সুলভ কারনে সেই বিলও কাটলেন। ২৫০০ টাকা কেটে বাকী আড়াই হাজার টাকা পাঠালেন গার্ল এর কাছে। বিল কাটার কারণ হিসেবে তিনি লিখলেন :

১) আমি ভেবেছিলাম এপার্টমেন্টটি (?) একদম নতুন আগে কেউ ব্যবহার করেনি, কিন্তু ভাড়া নেয়ার পর দেখলাম এটি আগেও ভাড়া হয়েছে।

২) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এপার্টমেন্টটি (?) অনেক ছোট এবং সুন্দর, কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম অনেকে এই এপার্টমেন্ট ব্যবহার করায় এর আকার অনেক বড়। এত বড় এপার্টমেন্ট আমার পছন্দ নয়।

৩) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এপার্টমেন্টটি (?) অনেক গরম হবে, কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম এটি একেবারেই ঠান্ডা।

কলগার্ল ব্যবসায়ীর এই কারণ সহ অর্ধেক পেমেন্ট পেয়ে রেগে গেলেন এবং আড়াই হাজার টাকা ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে পুরো ৫০০০ টাকা দেবার অনুরোধ করলেন এবং ব্যবসায়ীর কারণ গুলোর বিপরীতে লিখলেন:

১) তুমি কি করে ভাবলে এত সুন্দর এপার্টমেন্টটি (?) ভাড়া না হয়ে এতদিন পরে থাকবে?

২) এপার্টমেন্টটি (?) আসলে সুন্দর এবং ছোটই ছিল, কিন্তু তোমার যদি এই এপার্টমেন্টটি ভর্তি করার মত ফার্নিচার (??) না থাকে তাহলে আমার কি করার আছে?

৩) এপার্টমেন্টটিতে (??) আসলে অনেক গরমই ছিল কিন্তু তুমিতো জানই না এটা কি ভাবে অন করতে হয়।

তাই আমার পুরো পাওনা ৫০০০ টাকাই দিতে হবে।

 

১৫৫)

আরাম খান ফাদারের কাছে গিয়ে বলল, “ফাদার , আমার দুইটা মেয়ে তোতা আছে,কিন্তু ওরা একটা কথা ছাড়া আর কিছুই বলেনা।”

ফাদার বললেন, “কি বলে ওরা?”

আরাম খান বললেন, “ওরা খালি বলে, হেই, আমরা দুই নষ্টা, আসো, স্ফূর্তি করি।”

ফাদার বললেন, “খুব খারাপ কথা ….. তবে আমার আরো দুইটা পুরুষ তোতা আছে, ওরা সারাদিন প্রভুর নাম জপ করে … ওদের সাথে রাখলে তোমার মেয়ে তোতাগুলো আর খারাপ কথা বলবেনা, ভালো হয়ে যাবে।” এই বলে ফাদার ওই মেয়ে তোতা দুইটা কে পুরুষ তোতা দুইটার খাচায় ঢুকিয়ে দিলেন। তখনও পুরুষ তোতা দুইটা চোখ বন্ধ করে অন্যদিনের মতই জপ করছিল। ঢুকিয়ে দেওয়ার পরপরই অন্যদিনের মতই মেয়ে তোতা দুইটা পুরুষ তোতা দুইটার দিকে চোখ মেরে বলল, “হেই, আমরা দুই নষ্টা, আস স্ফূর্তি করি!”

সাথে সাথে একটা পুরুষ তোতা তার চোখ খুলে অন্য তোতা কে বলল, “দোস্ত , এইবার জপ করা বন্ধ করতে পারস , আমাগো দীর্ঘদিনের আশা পূর্ণ হইসে।”

 

১৫৬)

এক ভদ্রমহিলা প্রচণ্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো, ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন?

-কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে।

-যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচেগেছে!

– ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম!

 

১৫৭)

এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। কিন্তু একমাত্র বাচ্চা কার কাছে থাকবে এটা নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হলো তার।বিচারক প্রথমে মহিলাকে বলল, ” বাচ্চা আপনার কাছে রাখার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিন।”

স্ত্রী, “আমি ১০ মাস পেটে ধারণ করেছি এবং জন্ম দেবার সময় কষ্ট ভোগ করেছি, অতএব আমার সন্তান আমার প্রাপ্য!”

বিচারক এবার স্বামীর কাছে শুনতে চাইলেন তার যুক্তি।

স্বামী, “হুজুর আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। একটি কয়েন, কফি মেশিনে ফেলার পরে কফি বের হয়ে আসলো, এই কফির মালিক কে আমি না কফি মেশিন?”

 

১৫৮)

রাতে ঘুমানোর সময় বয়ফ্রেন্ড মেয়ের ঘাড়ে টোকা দিলো, মেয়ে বিরক্ত হয়ে বললো আজ না, কাল আমার গাইনোকলজিস্টের সাথে অপোইন্টমেন্ট আছে এবং আই ওয়ান্ট টু স্মেল নাইস অন্ড ফ্রেশ দেয়্যর। বয়ফ্রেন্ড মনঃক্ষুন্ন হয়ে ঘুড়ে শুলো। একটু পর আবার টোকা, এবার গার্লফ্রেন্ড বল, “বুঝেছি, কিন্তু আমার ডায়রিয়া!” মনক্ষুণ্ণ হয় বয়ফ্রেন্ড।

কিছুক্ষণ বয়ফ্রেন্ড বললো, “বাই দ্য ওয়ে, আশা করি কাল তোমার ডেন্টিস্টের সাথে অপোইন্টমেন্ট নেই, না কি?”

 

১৫৯)

বিয়ের পর মেয়ের হাত ছেলের হাতে দেওয়া হয় কারন ছেলেটি তার হাত ব্যবহার করতে করতে ক্লান্ত…

 

১৬০)

কোন এক সিনেমা হলের টিকেট চেকারের একটা মেয়ে টিয়া পাখি ছিল। টিয়াটা কথা বলতে পারতো। মুলত: চেকারকে সাহায্য করার জন্য টিয়াটি কথা বলতো। হলের প্রতিটি শো এর আগে দর্শকরা টিকেট কেটে যখন হলে ঢুকতো তখন টিয়াটি বলত –” একে একে আয়! লাইন ধরে আয়!”

তো একদিন হঠাৎ করে টিয়াটি হারিয়ে গেল। বেচারা টিকিট চেকার অনেক খুজেও টিয়ার সন্ধান না পেয়ে আশা ছেড়ে দিল।

একদিন সকাল বেলা হাসপাতাল থেকে টিয়ার খবর এলো। চেকার হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে গেলেন এবং টিয়াকে জিজ্ঞাস করলেন এতদিন তুই কোথায় ছিলি?? টিয়া বলল, আর বলিস না। তোর এখান থেকে গিয়েছিলাম জঙ্গলে। অনেক ছেলে টিয়া দেখে অভ্যাসবসত ওখানেও বলে ফেললাম “একে একে আয়! লাইন ধরে আয়”, তারপর আমি এখানে!!

 

১৬১)

এক পুলিশ হাইয়েতে যাচ্ছে। পথের মধ্যে দেখে এক লোককে ন্যাংটা করে কেউ গাছে সাথে বেধে রেখেছে। লোকটা কাদছে। পুলিশ গাড়ি থামাল। লোকটার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনার কি হইছে?

আজকে আমার দিনটাই খারাপ।

সকালে বউয়ের সাথে ঝগড়া হল।

গাড়ি নিয়ে বের হলাম,ওভার স্পীডের জন্য জরিমানা দিলাম।

পথের মাঝে একলোককে লিফট দিলাম। অই ব্যাটা গাড়িতে উঠে আমার আমার বুকে বন্দুক ধরল। সে আমার সব টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। আমার জামা কাপড় নিয়ে গেছে। আমার গাড়িটাও নিয়ে গিয়ে আমাকে গাছের সাথে বেধে রেখে গেছে।

পুলিস সব শুনে একটু চিন্তা করল। এরপর নিজের প্যান্ট খুলা শুরু করল। লোকটা বলল, কি করছেন আপনি?

পুলিশ মুচকি হেসে বলল, “ হ! আজকে আপনার দিনটাই খারাপ”

 

১৬২)

সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে। একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ।

যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, “ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!”

যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …!”

যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অ্যায়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!”

 

১৬৩)

এক লোক ডাক্তার দেখাতে গেছে কারণ তার ইয়ে দাঁড়ায় না। ডাক্তার শুনে বললেন, বিয়ে করছেন?

: না।

: প্রেমিকা আছে ?

: না।

: পরকীয়া করেন ?

: না…

: টানবাজার যান ?

: না।

: মাস্টারবেট করেন?

: না।

ডাক্তার ক্ষেপে বললেন, “ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেন্ডার টাঙ্গাইবেন!!!”

 

১৬৪)

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘চল্লিশ।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আপুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আঠারো।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?’

টিচার হেসে বললেন, ‘তোমার বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আট।’

টিচার বললেন, ‘না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।’

এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, ‘শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই।’

 

১৬৫)

চার তরুণী নান এক কনভেন্টে যোগ দিতে চাইছে।

মাদার সুপিরিয়র বললেন, ‘তার আগে তোমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সবাই এক লাইনে দাঁড়াও।’

সবাই লাইনে দাঁড়ানোর পর তিনি প্রথম নানকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘বাছা, তুমি কি কখনও কোনও পুরুষের সেই প্রত্যঙ্গ স্পর্শ করেছ? করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে প্রথম নান বলল, ‘আঙুল দিয়ে, মাদার।’

মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির একটি বাটি এগিয়ে দিলেন। ‘তোমার আঙুল এ পানিতে ডোবাও, সব পাপ ধুয়ে ফেল, পবিত্র হয়ে এসো আমাদের কনভেন্টে।’

প্রথম নান আঙুল পানিতে ডুবিয়ে কনভেন্টে ঢুকে গেল।

এবার মাদার সুপিরিয়র দ্বিতীয় নানকে বললেন, ‘কি বাছা, তুমিও স্পর্শ করেছ নাকি? স্পর্শ করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে দ্বিতীয় নান বললো, ‘হাত দিয়ে, মাদার।’

যথারীতি মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির বাটি এগিয়ে দিলেন, হাত ধুয়ে পাপমুক্ত হয়ে দ্বিতীয় নান কনভেন্টে প্রবেশ করল।

এমন সময় চতুর্থ নান তৃতীয় নানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে সামনে এগিয়ে এল। মাদার অবাক হয়ে বললেন, ‘ও কি, বাছা, ঈশ্বরের পথে অত তাড়া কিসের?’

চতুর্থ নান বলল, ‘উঁহু, মাদার, ও এই পানিতে বসে পড়ার আগেই আমি কুলি করতে চাই।’

 

১৬৬)

আবুল: মফিজ, তোর জীবনটা খুব একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে সেটা কখন টের পাবি, বলতো?

মফিজ: কখন?

আবুল: যখন তুই তোর লিঙ্গের সাইজ মাপতে যাবি। আর এই একঘেয়েমির সাথে প্রতিবার নতুন একটা উপসর্গ যোগ হবে।

মফিজ: সেটা কী?

আবুল: হতাশা!

 

১৬৭)

আবুল: কাল রাতে ঘরে চোর এসেছিল।

মফিজ: বলিস কী!

আবুল: ঘুম ভেঙে গেলে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সে কী করছে? বলল, টাকা-পয়সা খুঁজছে।

মফিজ: তুই চোরটাকে ধরে পুলিশে দিস নাই?

আবুল: না…

মফিজ: তবে?

আবুল: আমিও তার সাথে টাকা-পয়সা খুঁজতে শুরু করছিলাম।

 

১৬৮)

মেয়েরা যখন বলে, সব পুরুষরাই সমান, তখন বুঝতে হবে মেয়েটির স্বামী বা বয়ফ্রেণ্ড চাইনীজ এবং চায়নাতে বেড়াতে যাওয়ার পর মেয়েটি তার স্বামী বা বয়ফ্রেণ্ডকে হারিয়ে ফেলে রাস্তায় রাস্তায় খুঁজে বেড়াচ্ছে।

 

১৬৯)

গ্রামে চাচার খামারে বেড়াতে গেছে ছোট্ট বাবু। কয়েকজন অতিথির সাথে চাচা গল্প করছে, এমন সময় সে ছুটতে ছুটতে এলো।

‘চাচা, চাচা, জলদি দেখে যাও! তোমার ষাঁড় একটা গরুকে লাগাচ্ছে !’

বিড়ম্বিত চাচা অতিথিদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ছোট্ট বাবুকে কানে ধরে বাইরে নিয়ে এলেন। ‘শোন, এখন থেকে বলবে, “ষাঁড়টা গরুটাকে চমকে দিয়েছে”, বুঝলে? ‘

পরদিন আরো কয়েকজন অতিথির উপস্থিতিতে ছোট্ট বাবু ছুটতে ছুটতে এলো। ‘চাচা, চাচা, জলদি দেখে যাও! তোমার ষাঁড় গরুগুলোকে চমকে দিয়েছে!’

অতিথিরা সমঝদারের মতো মুচকি হাসলেন। চাচা বললেন, ‘ঠিক আছে, ছোট্ট বাবু। কিন্তু তুমি নিশ্চয়ই বলতে চাইছো যে ষাঁড়টা একটা গরুকে চমকে দিয়েছে, গরুগুলোকে নয়?’

ছোট্ট বাবু বললো, ‘না, সব গরুকেই ব্যাটা চমকে দিয়েছে, কারণ সে এখন মাদী ঘোড়াটাকে লাগাচ্ছে!’

 

১৭০)

ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে ।  সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি ।  যে জিতবে লিন্ডা তার হবে ।  বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল ।  পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে ।  বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল ।  ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে ।  সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই ।

 

১৭১)

গলফ খেলতে গেছে টিনা। সাঁই করে ব্যাট চালালো সে। তারপর দেখতে পেলো, তার টার্গেটের কিছুটা দূরে এক লোক হঠাৎ কোমরের নিচটা চেপে ধরে শুয়ে পড়লো।

‘নিশ্চয়ই আমার বলটা ওর ওখানটায় গিয়ে লেগেছে!’ আঁতকে উঠলো সে। তারপর ছুটে গেলো সেখানে। দেখা গেলো, লোকটা কোঁকাচ্ছে সমানে, কোমরের নিচটায় হাত চেপে রেখেছে সে। টিনা বললো, ‘ভয় পাবেন না, আমি জানি কী করতে হবে। খুব ব্যথা করছে?’

লোকটা কোনমতে বললো, ‘হ্যাঁ।’

টিনা তখন এগিয়ে গিয়ে, বেচারার প্যান্ট খুলে, মিনিট দশেক ম্যাসেজ করে দিলো। তারপর বললো, ‘এখন কেমন বোধ করছেন?’

লোকটা বললো, ‘দারুণ, কিন্তু বুড়ো আঙুলটায় এসে বল লেগেছে তো, সাংঘাতিক ব্যথা করছে।’

 

১৭২)

এক লোক বাজারে গেছে মুরগী কিনতে। সে মুরগিওয়ালাকে বলল একটা রাজশাহীর মুরগী দেও। মুরগিওয়ালা একটা মুরগি দিয়া বলল এই নেন রাজশাহীর মুরগি। লোকটা মুরগীর পাছা দেখে কইলো। অই মিয়া এইডা তো রাজশাহীর মুরগী না। এটা যশোর এর মুরগী।

মুরগিওয়ালা অনেক খুজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন রাজশাহীর মুরগি। লোকটা আবার মুরগীর পাছা দেখে কইলো, ধুর মিয়া এইডাও তো রাজশাহীর মুরগি না। এটা ফরিদপুরের এর মুরগী।

মুরগিওয়ালা এবার অনেকক্ষণ খুঁজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন এইটাতো রাজশাহীর মুরগি হইবোই।

লোকটা এবার রাইগা কইলো। কি মিয়া? কি ব্যবসা কর একটা মুরগিও চিনো না। তোমার বাড়ি কই?

এইবার মুরগিওয়ালা পিছন ফিরে লুঙ্গি উপরে তুইলা কইলো আপনেই দেইখা কয়া দেন আমার বাড়ী কই?

 

১৭৩)

পরীক্ষার আগে রাজিব ভাইয়ের পাশের বাড়ির মেয়ে সকিনা আইসা রাজিন ভাইকে বই থেকে কিছু প্রশ্ন করছে।

রাজিব ভাই মুখস্ত বিদ্ধ্যা তো, ফটা ফট উত্তর দিয়া দিছেন।

সকিনা বলছেঃ ওম্মা! তোমার তো দেখছি মাথায় মেলা জ্ঞান আছে। আমাকে একটু দিবে?

রাজিব ভাইঃ ঠিক আছে, ঠিক আছে! আমার পাশে এসে বসো।

মেয়ে পাশে এসে বসলো।

রাজিব ভাইঃ এতো দূরে কেন? আরো কাছে আসো।

মেয়ে আরেকটু কাছে আসলো।

রাজিব ভাইঃ আরে, আরো কাছে আসতে হবে।

মেয়েঃ না বাবা না! আমি আর কাছে আসতে পারব না।

রাজিব ভাইঃ ওম্মা তোমারও তো দেখছি ব্যাপক জ্ঞান আছে।

 

১৭৪)

এক হাসপাতালের করিডরে এক মহিলা আর এক পুরুষ দানকেন্দ্রের সামনে বসে অপেক্ষা করছিল। পুরুষটি মহিলা কে জিজ্ঞেস করলো, “আপনি কী দান করতে এসেছেন?”

মহিলা বলল, “আমি রক্ত দান করতে এসেছি, এর জন্য আমি ৫ ডলার পাব”

পুরুষটি বলল, “ওহ … আমি স্পার্ম দান করতে এসেছি, এর জন্য তারা আমাকে ২৫ ডলার দেবে”

মহিলাটিকে কিছুক্ষণের জন্য চিন্তিত মনে হলো, তারপর তারা খানিকক্ষণ গল্প করে নিজ নিজ বাসায় চলে গেল।

কয়েকমাস পর তাদের আবার ওই হাসপাতালের করিডরে দানকেন্দ্রের সামনে দেখা হলো। পুরুষটি মহিলাকে বলল, “এবার আমি রক্ত দিতে এসেছি, আপনি?”

মহিলাটির মুখ বন্ধ থাকায় কোনো মতে সে মাথা ঝাকিয়ে উত্তর দিল, “উমমমম মমম…”

 

১৭৫)

এক গৃহকর্মী তার মালিক গৃহকত্রীর কাছে বায়না ধরেছে তার বেতন বাড়াতে হবে।

গৃহকত্রীঃ তোমার বেতন বাড়ানো হয়েছে ছয় মাসও হয় নি। এখনি আবার বেতন বাড়ানোর আবদার কেন?

গৃহকর্মীঃ এই সময়ের মধ্যে আমি তিনটি সার্টিফিকেট পেয়েছি…। তাই বেতন বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি।

গৃহকত্রীঃ কি কি সার্টিফিকেট?

গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল কাপড় আয়রন করতে পারি।

গৃহকত্রীঃ কে দিয়েছে এই সার্টিফিকেট?

গৃহকর্মীঃ জ্বী, স্যার মানে… আপনার স্বামী……

গৃহকর্মীঃ হুম, আর কি সার্টিফিকেট পেয়েছো……

গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল রান্না করতে পারি…

গৃহকত্রীঃ কে বলেছে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর? (বেশ রাগত স্বরে…)

গৃহকর্মীঃ জ্বী, আপনার স্বামী বলেছেন…

গৃহকত্রীঃ আচ্ছা ঠিক আছে, হতে পারে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর……আমি কি চাকরানী নাকি যে ভাল রান্না জানতে হবে? বলো আরেকটি কি সার্টিফিকেট পেয়েছ?

গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে বিছানায় ভাল পারফর্ম করতে পারি।

কত্রী তো এবার রেগে আগুন। আমার স্বামী বলেছে এই কথা?? ওর সাথে তোমার তাহলে এইসবও হয়??

গৃহকর্মীঃ জ্বী না, আপনার স্বামী বলেনি……বলেছে আপনার গাড়ির ড্রাইভার!

গৃহকত্রীঃ (কত্রী এবার চুপ…) ঠিক আছে তোমার বেতন বাড়ায়ে দেয়া হবে…এসব নিয়ে কথা বলার দরকার নাই।

 

১৭৬)

এক তরুণী মেয়ে আর এক বুড়ো দাদু গিয়েছে ওজন মাপতে। প্রথমে মেয়েটা ওজন মাপাবার যন্ত্রে উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বেরিয়ে এল, ওজন ৬৪কেজি।

এবার মেয়েটা নামলো, কাধ থেকে ব্যাগটা নামাল, আবার যন্ত্রের উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বের হয়ে এল, ওজন ৬৩কেজি।

আবার মেয়েটা নামলো, জ্যাকেটটাকে খুলল, যন্ত্রের উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বের হয়ে এল, ওজন ৬২কেজি।

আবার মেয়েটা নামলো, ট্রাউজার খুলল, যন্ত্রের উপরে উঠলো, কয়েন শেষ।

এতক্ষণ ধরে বুড়ো দাদু সবকিছু দেখছিল। এবার সে কেশে বলল, “খুকী, চালিয়ে যাও। কয়েন লাগলে আমি দেব।”

 

১৭৭)

শফিকের খুব মাথাব্যথা থাকে আজকাল। এর জন্য অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে … কিন্তু  কিছুই হয়নি। এর মাঝে কিছুদিন আগেই সে নতুন বিয়ে করেছে। কিন্তু ওই হারামজাদা মাথা ব্যথার জন্য সে ঠিক মত বাসরটাও উপভোগ করতে পারেনি। তাই সে এবার শেষ চিকিত্সা মনে করে এক কবিরাজের কাছে গেল।

কবিরাজ তাকে বলল, “বাবা, তোমার এই মাথা ব্যথার কারনটা আমি বের করতে পেরেছি … এটা খুব খারাপ কিন্তু বিরল একটা রোগ … … তোমার অন্ডকোষটা বড় হয়ে তোমার স্পাইনাল কর্ডের নিচে চাপ দিচ্ছে … তারই ফলস্বরূপ তোমার খুব খারাপ মাথাব্যথা হয় … যার জন্য তুমি অনেক সময় চোখে দেখতেও পাওনা!

শফিক দেখল, “তাই তো! ওই রকমই মাথাব্যথা হয় সে কবিরাজকে জিজ্ঞেস করলো, “আমার চিকিত্সা কি?”

কবিরাজ বলল, “এর একটাই চিকিত্সা … তোমার অন্ডকোষটা ফেলে দিতে হবে!”

শফিক ভাবলো, “শালার দুনিয়া, কিছুদিন আগেই বিয়া করলাম; এখন যদি অন্ডকোষ ফালায়া দিতে হয় …! হায়রে কপাল!!”

কিন্তু পরক্ষণে সে ঠিক করলো, “নাহ … এই মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি চাই।”

অন্ডকোষটা ফেলে দেওয়ার পর শফিকের মনে হতে লাগলো, সে একটা নতুন মানুষ … তার মাথাব্যথাটাও আসলেই একবারেই নাই!! তাই সে একটা কাপড়ের দোকানে ঢুকলো … একটা শার্ট বানাবে। দোকানে ঢুকে শার্টের কথা বলতেই দর্জি তাকে বলল, “দেখি, … হুমমমম … কলার সাইজ ১৬”। দেখে বলে দিল দর্জি। তারপর একটা শার্ট পরালো শফিক কে। শফিক দেখল খুব সুন্দর ফিট হয়েছে। তাই সে দর্জিকে বলল, “কিভাবে নিখুঁতভাবে বললেন?” দর্জি বলল, “বাবা … ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা … এখন একটা প্যান্টও বানাবে?”

শফিক বলল “ঠিকাছে”

দর্জি বলল “হুমমম … তোমার কোমর হবে ৩২, লম্বায় হবে ৪০”

তারপর একটা প্যান্ট পড়তে দিল। শফিক দেখল, খুব সুন্দর ফিট করেছে। সে বলল, “কিভাবে নিখুঁতভাবে বললেন?”

দর্জি বলল, “বাবা, ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা! তো, এখন একটা জাঙ্গিয়া নিবে না?”

শফিক বলল, “আপনি বলেন, কী সাইজ হবে?”

দর্জি বলল, “হুমমমম … সাইজ হবে ৩৪”

শফিক হাসতে হাসতে বলল, “নাহ, এবার হয়নাই … আমি ১৮ বছর বয়স থেকে ২৮ সাইজ পরি … ঐটাই আমার নিখুঁত ফিট হয়।”

দর্জি বলল, “অসম্ভব, ২৮ সাইজের জাঙ্গিয়া পড়লে তোমার অন্ডকোষটা তোমার স্পাইনাল কর্ডের নিচে চাপ দিবে, তখন তোমার খুব মাথাব্যথা হবে, যার জন্য তুমি অনেক সময় চোখে দেখতেও পাবেনা।”

 

১৭৮)

১ম বন্ধু: আরে দোস্ত, আমার বউ একদম আমার কথা শুনেনা। খালি উল্টা-পাল্টা করে। কি করা যায়?

২য় বন্ধু: এইরকম মেয়ে লোকের জন্য আমার কাছে একটা ফাস্টক্লাস তরিকা আছে।

১ম বন্ধু: কি সেইটা?

২য় বন্ধু: যেইদিন তোর কথা শুনবেনা সেইদিন সামনে থেকে দুইবার, পিছন থেকে দুইবার, দাড়িয়ে দুইবার লাগাবি দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।

১ম বন্ধু: এইটা কি আমার বউকে শাস্তি দেয়া না আমাকে শাস্তি দেয়া?

২য় বন্ধু: আরে না তুই এতবার করার পর এতো টায়ার্ড হয়ে যাবি যে বউয়ে উল্টা-পাল্টা করলে আর নজরে পরবেনা।

 

১৭৯)

দুই বন্ধু জমির আর নানক গলফ খেলছে। হঠাৎ নানকের একটা ফোন করার দরকার পড়ল, “কিরে জমির, তর কাছে ফোনে আছে? একটা ফোন করতাম।”

জমির বলল, “ঠিকাছে, এই নে ফোন” এই বলে সে ১২ ইঞ্চি লম্বা একটা ফোন বের করলো। ফোন দেখে তো নানক ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলো। জমিরকে জিজ্ঞেস করলো, “কিরে, এই ফোন তুই পাইলি কই?”

জমির বলল, “আমার একটা দৈত্য আছে, ইচ্ছাপূরণকারী দৈত্য, ওই বেটা এই ফোন দিছে।”

নানক বলল, “দেখি তো তোর দৈত্যটা।” জমির গলফ ব্যাগ থেকে দৈত্যটা কে বের করলো। দৈত্যকে দেখেই নানক বলল, “তুমি তো ইচ্ছাপূরণকারী দৈত্য, আমি তোমার মনিবের বন্ধু, তো আমার একটা ইচ্ছা পূরণ কর।” দৈত্য বলল ,” হুকুম করেন জাহাপনা ”

নানক বলল, “আমাকে গাড়ি, বাড়ি আর নারী দাও।”

দৈত্য বলল, “জো হুকুম!” এই বলে সে ভ্যানিস হয়ে গেল। নানক তো অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে, কখন তার বাড়ি, গাড়ি আর নারী আসে। অপেক্ষা করতে করতে সে যখন মেজাজ খারাপের চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখন হঠাৎ করে আকাশ থেকে একটা চুড়ি, একটা হাঁড়ি আর একটা শাড়ি পড়ল! নানকের মেজাজ তো খুব খারাপ, বলল, “কিরে ব্যাটা! চাইলাম নারী গাড়ি বাড়ি … আর ও দিল কিনা চুড়ি হাড়ি আর শাড়ি !!!”

জমির নির্লিপ্ত কন্ঠে বলল, “দোস্ত, বলতে ভুইলা গেছিলাম … আমার দৈত্যটা কানে কম শুনে … … তোর কি মনে হয়, আমি কি ১২ ইঞ্চি লম্বা ফোন চাইছিলাম?”

 

১৮০)

এক ছেলে বাবাকে এসে বলছে, “আমি পাশের বাড়ির আলোর সাথে প্রেম করতে পারি?”

বাবাঃ “বাবা একটা গোপন কথা বলি, আলো আমার মেয়ে, সে তোমার বোন হয়, তুমি অন্য মেয়ে দেখ”

কয়েকদিন পর ছেলে আবার এসে বলল “আমি কি ওই পাড়ার আঁখির সাথে প্রেম করতে পারি?”

বাবা “সেও তোমার বোন, সুতরাং অসম্ভব”

এর কয়েকদিন পর ছেলে এসে আবার বলল, “তোমার বন্ধুর মেয়ে রাখীর সাথে প্রেম করলে কোন সমস্যা?”

বাবাঃ “দুঃখজনক হলেও সেও তোমার বোন হয়”

এরপর ছেলে রেগে গিয়ে মায়ের কাছে গিয়ে বলল, “আমি যে মেয়ের সাথে প্রেম করতে চাই, সেই নাকি আমার বোন হয়। আমি কী করবো?”

মা হেসে বলল, “বাবা, তুমি যে কারো সাথে প্রেম করতে পার, কারন উনি তোমার বাবা না”

 

১৮১)

এক জাপানি ভদ্রলোক এসেছেন বাংলাদেশ ভ্রমনে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে সামনে অপেক্ষারত একটা ট্যাক্সিতে চড়ে বসলেন হোটেলে যাওয়ার জন্য। একটু পরে একটা মোটরবাইক পাশ কাটাতেই জাপানিটা সোল্লাসে বলে উঠল, হোন্ডা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ড্রাইভার কিছু বলল না।

একটু পরে ওভারটেক করল একটা কার, আবার জাপানির চিৎকার, টয়োটা, হাহা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ট্যাক্সি ড্রাইভার চুপচাপ শুনল, কিছু বলল না।

এরপর একটার পর একটা গাড়ি পেছন থেকে উঠে যাচ্ছে আর জাপানি লোকটার উৎসাহ বেড়ে যাচ্ছে, কখনও মিৎসুবিশি, কখনও হোন্ডা, কখনও টয়োটা বলে লাফাচ্ছে আর মনের আনন্দে গুনকীর্তন করছে, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ভেরী ফাস্ট!!

অবশেষে, হোটেলে পৌছল তারা। ক্যাব থেকে নেমে ভাড়া দিতে গিয়ে টাসকি, এইট হান্ড্রেড টাকা? হাউ কাম?

এতক্ষণ চুপ থাকার পর কথা বলার চান্স পেয়েছে ট্যাক্সি ড্রাইভার, হাহা, ইয়ে মিটার, মেড ইন বাংলাদেশ, ভেরী ফাস্ট! ভেরী ফাস্ট!!

 

১৮২)

বাবা: আমি চাই তুমি আমার পছন্দ মত মাইয়ারে বিয়া করবা!

পোলা: নাহ, আমি নিজে পছন্দ কইরা বিয়া করুম!

বাবা: মাইয়া কিন্তুক বিল গেটসের কন্যা, খিয়াল কইরা!

পোলা: তাইলে আমি রাজি!

পরের ঘটনা, বাবা বিল গেট্সরে প্রস্তাব করতেছে~

বাবা: আমি তোমার মাইয়ার লাইগা একটা ভালা রর খুইজা বাইর করছি!

বিল গেটস: কিন্তুক আমার মাইয়াত অনেক ছুড! বিয়ার বয়স হয় নাই!

বাবা: বুঝলাম, তয় এই যুবকে কিন্তুক ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট!

বিল গেটস: আহ! আগে কয়বা ত, তাইলে আমি রাজি!

শেষে বাবা গেল ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে।

বাবা: আমি একটা পুলারে রিকমেন্ড করতাসি হেরে তুমি তোমার ভাইস প্রেসিডেন্ট কইরা নাও!

প্রেসিডেন্ট: কিন্তুক আমার প্রয়োজনের থেইকা বেশী ভাইস প্রেসিডেন্ট আসে! আর লাগব না!

বাবা: বুজলাম! কিন্তুক এই পুলাডা বিল গেট্সের মাইয়ার বাগদত্তা!

প্রেসিডেন্ট: আহ! আগে কই বা তো, তাইলে আমি রাজি!

 

১৮৩)

আমেরিকায় তখন ভয়ানক মন্দা চলছে। একদিন এক বারে এক লোক ঢুকে বারটেন্ডারকে বললো, ‘আজকে এই বারের সবাইকে আমার তরফ থেকে এক পেগ।’

বারটেন্ডার বললো, ‘তা ঠিক আছে। কিন্তু এই মন্দার সময় তোমার কাছে এতো টাকা আছে তো…?’

লোকটি একতাড়া ডলার বের করে দেখালো। বারটেন্ডার অবাক হয়ে গেলো, ‘তুমি এতো টাকা কোথায় পেলে?’

লোকটি উত্তর দিলো, ‘বাজি ধরা আমার পেশা।’

বারটেন্ডার বললো, ‘ কিন্তু বাজি মানেই তো ৫০:৫০ চান্স। তাহলে?’

লোকটি বললো, ‘ঠিক আছে, চলো ৫০ ডলার বাজি ধরি, আমি আমার ডান চোখে কামড় দিবো।’

বারটেন্ডার রাজি হলো। বাজিকর তখন তার নকল ডান চোখ খুলো কামড়ে দিলো।

বারটেন্ডার বাজিতে হেরে ৫০ ডলার দিয়ে দিলো।

বাজিকর বললো, ‘হেরে তোমার মন খুব খারাপ হয়েছে বুঝতে পারছি। চলো তোমাকে আরেকটা চান্স দেই টাকা ফেরত নেবার। এসো বাজি ধরি, আমি আমার বাম চোখে কামড় দিবো।’

বারটেন্ডার খুশি হয়ে উঠলো, ‘তোমার ডান চোখ নকল, আবার বারে তুমি দেখে দেখেই ঢুকেছো, তোমার বাম চোখটা তাহলে নকল না। আমি বাজিতে রাজি।’

বাজিকর তখন তার নকল দাঁত খোলে বাম চোখে কামড় দিলো।

‘ধুত’ – বারটেন্ডার বিরক্ত হয়ে বললো।

‘দেখলে, এভাবেই আমি আমার বাজিগুলো জিতি। এবারের ৫০ ডলার আমি তোমার কাছ থেকে নিলাম না। তার বদলে এক বোতল হুইস্কি দাও।’

এক বোতল হুইস্কি নিয়ে বাজিকর চলে গেলো জুয়ার রুমে। প্রায় সারারাত ধরে সে জুয়া খেললো আর হুইস্কির বোতলটা প্রায় খালি করে ফেললো। ভোরের দিকে সে বারটেন্ডারের কাছে এগিয়ে এলো। সে নেশার কারণে ঠিকমতো পা ফেলতে পারছিলো না।

কোনমতে বারের উপর ভর রেখে বাজিকর জড়ানো কণ্ঠে বললো, ‘আমি তোমার সাথে শেষ বাজি ধরতে এসেছি। আমি তোমার এই টেবিলের উপর দাঁড়িয়ে তোমার পেছনের একটা খালি হুইস্কির বোতলে প্রস্রাব করে দেখাবো। বাজি ১,০০০ ডলার।’

বারটেন্ডার বাজিকরকে সারারাতই হুইস্কি খেতে দেখেছে। সে নিশ্চিত সে কোনভাবেই এই বাজিতে জিততে পারবে না। তাই সে খুশি মনে রাজি হয়ে গেলো।

বাজিকর টেবিলের উপর উঠে পেছনের একটা হুইস্কির খালি বোতলে পেশাব ফেলার অনেক চেষ্টা করলো কিন্তু সে এমনভাবে কাঁপছিলো যে সে বোতল বাদে আর সব জায়গাতেই পেশাব দিয়ে ভরিয়ে দিলো।

শেষমেষ লজ্জিত কণ্ঠে বললো, ‘বারটেন্ডার, আমি পারলাম না।’

বারটেন্ডার খুশিতে লাফ দিয়ে বললে, ‘ইয়েস, আমি ১,০০০ ডলার জিতেছি।’

বাজিকর খুশিমনে তাকে ১,০০০ ডলার দিয়ে দিলো। বারটেন্ডার অবাক হয়ে বললো, ‘কি ব্যাপার! তুমি এতো সহজে হার স্বীকার করে নিলে?’

বাজিকর বললো, ‘জুয়ার রুমের লোকগুলোর সাথে আমার বাজি রয়েছে যে আমি তোমার পুরো বারে প্রস্রাব করবো কিন্তু তুমি হাসবে আর আমাকে মারবে না। ওদের সাথে আমি ৫,০০০ ডলার জিতেছি।’

 

১৮৪)

এক লোক একটা লেডিস কাপড়ের দোকান দিলো। একদিন এক সুন্দরী আসলো। দেখে লোকটার খুশী যেনো আর ধরেনা। চিন্তা করলো যে ভাবে হোক মেয়েকে পটাতে হবে। সুন্দরী দুইটা কাপড় নিলো।

লোকটাকে বললো: আচ্ছা এই কামিজের দাম কতো।

লোকটা বিগলিত হাসি দিয়ে বলে: আপনার জন্য মাত্র ১০টা কিস। মানে আমাকে দশটা কিস দিলেই হবে।

সুন্দরী: তাহলে এই জিনসের দাম কতো?

লোকটা: এইটা? আমাকে জড়ায়ে ধরে একটু আদর কইরা দিলেই হবে।

সুন্দরী বলে: ঠিক আছে। এই দুইটা আমি নিলাম। গাড়িতে আমার কাজের বুয়া আছে, সে এসে দাম দিয়ে যাবে।

 

১৮৫)

দুই চাপাবাজ, একজন ঢাকাইয়া আরেকজন কোলকাতাইয়া। দীর্ঘদিন বাদে দেখা। ঢাকাইয়া জিজ্ঞেস করলো, কি দোস্ত কেমুন আছো?

কোলকাতাইয়া: আর দাদা বোলো না। আছি বেশ। দু’আঙুলে কোলকাতাকে নাচাচ্ছি।

ঢাকাইয়া: কউ কি দোস্ত! খাড়াও তোমার এউগা পরীক্ষা লই। পাশ করলে বুঝমু কেমুন তুমি শেঠ।

কোলকাতাইয়া: ঠিক আছে, হয়ে যাক। বলো কি করতে হবে?

ঢাকাইয়া দোস্ত: ওই যে দেখবার লাগছো কাউয়্যাঠুটির গাছ, এউগা কাউয়ার বাসা ভি দেহা যাইতাছে। ওইহানে এউগা কাউয়া বয়া রইছে, ওর পেটের নিচে আন্ডা ভি আছে। এউগা আন্ডা গাছে উইঠা লয়া আইবা মাগার কাউয়া উড়বো না, পারবা?

কোলকাতাইয়া দোস্ত তর তর করে গাছে উঠে গেলো এবং কাকের পেটের তলা থেকে কাকের ডিমও নিয়ে এলো অথচ কাক টেরও পেলো না।

নেমে তৃপ্তির স্বরে সে বললো: এই নাও বন্ধু, কাকের পেটের তলা থেকে ডিম নিয়ে এলুম অথচ কাক ঠিকই বসে আছে (বাহাদুরি দেখিয়ে)।

ঢাকাইয়া: হ, তুমি কোলকাতারে দুই আঙুলে ঘুরাও ঠিকই। গাছে উইঠা কাউয়া না উড়ায়া কাউয়ার পেটের তলা থেইকা আন্ডা ভি লিয়া আইছো ঠিকই। মগর উঠোনের টাইমে যে দুই আঙুলে তোর ধুতি আমি খুইলা রাইখা দিছি দাদা, তুমি হালায় টেরই পাইলা না। নিচে চায়া দেহো পুরা কোলকাতা দেহা যাইবার লাগছে।

 

১৮৬)

একগ্রামে বন্য হাতি ঢুকে সব লন্ড ভন্ড করে ঘর বাড়ি ভেঙ্গে তছনছ করে কলাগাছ সব খাওয়া শুরু করলো । গ্রামের সবাই হাতি তাড়াতে ব্যস্ত এই ফাকে এক কিশোরি বালিকা দৌড়ে চেয়ারম্যানের কাছে খবর দিতে গেল । কিন্তু বিপদের কথা হলো এই কিশোরী আগে কখনো হাতি দেখে নাই । সে গিয়ে চেয়ারম্যান কে উত্তেজিত গলায় বলছে –  চেয়ারম্যান সাব , সর্বনাশ হইছে !! বন থেকে এক অদ্ভুত ইয়া বড় জন্তু গ্রামে ঢুকে গেছে ।

– তাই নাকি !! কিরকম দেখতে জন্তুটা ?/

– ইয়া উঁচা … আর একটা ইয়া মোটা লেজ সেই লেজ দিয়ে সে সব কলা গাছ উপড়ে ফেলছে…

– তারপর !!!

কিশোরি এবার মুখ কান লাল করে লাজুক ভঙ্গিতে বললো –  যাহ !.. তারপর সেই কলাগাছ দিয়ে কি করছে সেটা বলতে আমার লজ্জা করছে !

 

১৮৭)

এক প্রচুর ধনী মহিলা সিদ্ধান্ত নিলেন যে বিয়ে করবেন। ভাল পাত্রের জন্য প্রত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেন এবং তিনটি শর্ত জুড়ে দিলেনঃ

১. মহিলার গায়ে হাত তোলা যাবে না।

২. মহিলাকে ফেলে কোথাও যেতে পারবে না।

৩. মহিলাকে বিছানায় সন্তুষ্ট রাখতে হবে।

নির্ধারিত দিনে অনেকেই ভাইভা দিতে আসলো। কেউ প্রথম দুটি শর্ত পূরন করতে পারে তো ৩য় টা পারে না, কেউ ৩য় টা পূরনে সক্ষম তো ২য় টি পূরনে সক্ষম নয়। এভাবে সারা দিন চলে গেল কিন্তু কেউ ই মহিলার মন মতো হল না। মহিলা হতাশ হয়ে বসে রইলেন। তার বুঝি আর বিয়ে করা হয় না। এমন সময় সন্ধ্যার দিকে হটাৎ কলিং বেল বেজে উঠলো। মহিলা নিজেই গিয়ে দরজা খুলে দিলেন। দরজা খুলে দেখেন হাত পা নেই এমন এক ভিক্ষুক দরজার সামনে শুয়ে আছে।

মহিলাঃ তুমি কি চাও?

ভিক্ষুকঃ আমি ভাইভা দিতে আইছি।

মহিলাঃ কিন্তু সেটা কি করে সম্ভব? তুমি কি পারবে আমার তিনটা শর্ত পূরণ করতে?

ভিক্ষুকঃ জে পারমু। দেখেন আমার একটাও হাত নাই, তাই আমি আপনার গায়ে হাত তুলতে পারুম না। আমার একটাও পা নাই। আমি আপনারে রাইখা কুথাও যাইতে পারুম না।

মহিলাঃ আচ্ছা বুঝলাম, কিন্তু তিন নম্বর শর্ত টা? সেটা কি ভাবে পূরণ করবে?

ভিক্ষুকঃ ক্যান? আপনে কি আমার দেয়া কলিং বেল এর আওয়াজ শুনেন নাই?

 

১৮৮)

মেয়েদের একজন পুরুষ সঙ্গীর যে সব গুন থাকা প্রয়োজন:

১. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে বাড়ির কাজে সাহায্য করে এবং কোন একটা জব করে।

২. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে হাসাতে পারে।

৩. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি নির্ভরযোগ্য এবং তোমাকে মিথ্যা বলে না।

৪. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে ভালোবাসে এবং তোমাকে আদর করে।

৫. সবচেয়ে জরুরি হলো, এই চারজন ব্যক্তি যেন একজন আরেকজনকে না চেনে।

 

১৮৯)

এক অন্ধ লোক টেক্সাসে বেড়াতে গেছে। ট্রেনে সিটটাকে অনুভব করে পাশের যাত্রীকে সে বললো, ট্রেনের সিটটা তো নরমাল ট্রেনের চেয়ে বড়!

পাশেরজন জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়।

হোটেলে ওঠার পর লোকটি বারে গেলো কিছু পান করতে। অনুভব করে বুঝলো গ্লাসটা অনেক বড়। সে বললো, গ্লাস তো আসলেই বড়!

বারটেন্ডার জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়।

একটু পর লোকটির বাথরুমে যাবার প্রয়োজন হলো। বারটেন্ডারকে জিজ্ঞেস করতেই সে টয়লেটে যাবার দিকনির্দেশনা দিয়ে দিলো।

অন্ধ লোকটি কিছুদূর ঠিকমতো গিয়ে এক জায়গায় ভুল মোড় নিয়ে নিলো আর সোজা গিয়ে পড়লো হোটেলের সুইমিং পুলে। ভয়ে আতঙ্কে চেঁচিয়ে উঠলো সে, ‘কেউ ফ্লাশ কোরো না, ফ্লাশ কোরো না।’

 

১৯০)

এক ভদ্রলোকের স্ত্রী মারা গেলো। ভদ্রলোক খুব কাঁদছে। পাশের বাড়ির এক ভাবি এসে সান্ত্বনা দিচ্ছে – কাঁদবেন না ভাই। কেঁদে আর কী হবে। মানুষতো আর চিরদিন বেঁচে থাকে না।

ভদ্রলোক বললো: ভাবি, যখন আমার মা মারা গেলো, তখন আশেপাশের বয়স্ক মহিলা প্রতিবেশীরা এসে বললো, কেঁদো না, তোমার মা নেই তো কি হয়েছে আজ থেকে আমরাই তোমার মা।

যখন আমার বোন মারা গেলো, তখন আশেপাশের মধ্যবয়স্ক মহিলারা এসে সান্ত্বনা দিয়ে বললো, কেঁদো না, তোমার বোন নেই তো কি হয়েছে, আজ থেকে আমরা তোমার বোন।

কিন্তু আমার বৌ মারা যাবার পর কেউ তো ওরকম সান্ত্বনা দিতে এলো না।

 

১৯১)

ক্লাস সিক্সে অল্পবয়স্ক এক ম্যাডাম এসাইনমেন্ট দিচ্ছিলেন। এসাইনমেন্টের টাইটেলটা অনেক বড় হওয়ায় তিনি বোর্ডের অনেক উপর থেকে লেখা শুরু করলেন। এমন সময় পেছন থেকে এক ছেলের খিখি হাসি শোনা গেল। ফিরে তিনি দেখলেন রকিব হাসছে।

– তুমি কেন হাসলে?

– ম্যাডাম, আপনার অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছিলো তাই।

– ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ দিন আমার সামনে আসবে না।

রকিব বেরিয়ে গেলো মাথা নিচু করে।

ম্যাডাম আবার লেখা শুরু করলেন। এবার কালাম এর কণ্ঠে আরো জোরে হাসি শোনা গেলো। ম্যাডাম রেগেমেগে জানতে চাইলেন, কেন হাসলে?

– ম্যাডাম আপনার অন্তর্বাস পুরোটাই দেখা যাচ্ছিলো তাই।

– ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ সপ্তাহ আমার সামনে আসবে না।

কালাম মাথা নিচু করে ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলো।

ম্যাডাম এবার লিখতে গিয়ে হাত থেকে মার্কার পড়ে গেলো। সেটা তুলতেই এক ছাত্রের হাসি শুনতে পেলেন। ফিরে তিনি দেখলেন বল্টু মিয়া ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

– তুমি কোথাও যাচ্ছো?

– ম্যাডাম, আমি যা দেখেছি তা যদি বলি তাহলে বাকি জীবন আমার আর ক্লাস করা হবে বলে মনে হয় না।

 

১৯২)

এক সিলেটি ভদ্রলোকের সাথে আরেক সিলেটি ভদ্রলোকের দেখা।

১ম জন: এবা গতবছর যে মারা গেছিলাইন, আফনে না আফনের বাই?

২য় জন: আমার বাই।

১ম জন: ইয়ার লেগাইতো খই। তেনারে দেখি, আফনারে দেখিনা খ্যান? ক্যামবাই মারা গেছিলাইন?

২য় জন: সাফে খামরাইছে।

১ম জন: খোনো?

২য় জন: খফালে।

১ম জন : আল্লায় ভাচাইছে। চক্ষু দুইটা ভাইচা গেছে। খনোৎ কবর দিছাইন?

২য় জন: ভাড়ির পেছন, ফুকুর ফাড়ে, গাছতলায়।

১ম জন: বালা খরচাইন, ছায়া ফাইবো, টান্ডা লাগবো। আল্লায় তেনারে বাঁচায়া রাখুক।

 

১৯৩)

এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি হাওড়া ষ্টেশান থেকে দক্ষিনভারতগামী একটি ট্রেনে উঠেছে। উদ্দেশ্য মধুচন্দ্রিমা। দুজনের চোখে-মুখেই খুশীর ঝিলিক। ট্রেন চলতে শুরু করলো। এমনিতেই এ সি টু টায়ার্স কামরা, তার উপর প্যাসেঞ্জার্সও অনেক কম। স্বামী-স্ত্রী দুজনে সন্ধ্যে নাগাদ রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।

স্বামী: জান্, কালকে বাজারের ব্যাগটা …রাখতে গিয়ে হাতের কব্জীটায় একটা জোর মচকা লেগেছে, খুব ব্যাথা করছে!

স্ত্রী পাশেই বসা ছিল, স্বামীর হাতটা দু-হাতে আদর করে নিজের মুখের কাছে নিয়ে এসে চকাস করে একটা চুমু খেয়ে বললো এই নাও পেইন কীলার!

মেঘ না চাইতে জল পেয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে পড়লো। মনে মনে একটা ফন্দি এঁটে বললো না না! ব্যাথাটা তো এখন আর কব্জীতে হচ্ছে না। এ কাঁধে হচ্ছে।

যেমনটা হবার ছিল তেমনই হল স্ত্রী স্বামীর আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে কাঁধে একটা চকাস, চুমু জি, এই নিন আপনার পেইন কীলার।

এরপর স্বামী নিজের ঠোঁট-এর দিকে ইঙ্গিত করতেই স্ত্রী ব্যাথা কমাতে তৎপর হয়ে উঠলো…..

এখন হয়েছে কি, আপার বার্থ-এ এক দাদু অনেক্ষণ ধরে যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, ঘুমোতে পারছিলো না। নীচে বারবার পেইন কীলার পেইন কীলার বলা হচ্ছে শুনে কাতর হয়ে বললেন মামনি, আমার পাইলস এর যন্ত্রনাটা বেড়েছে, একটা পেইন কীলার পাওয়া যাবে, প্লিজ্?

 

১৯৪)

একটি আন্তর্মহাদেশীয় ট্রেনে এক ব্যক্তি আর এক মহিলা একই কম্পার্টমেন্টে শোওয়ার জায়গা পেয়েছেন। প্রথমে কিছুক্ষণ উসখুস করলেও দুজনেই খুব ক্লান্ত থাকায় অল্পক্ষণের মধ্যেই তারা ঘুমিয়ে পড়লেন। ভদ্রলোক উপরের বার্থে আর ভদ্রমহিলা নীচের বার্থে।

মাঝরাতে হঠাৎ ভদ্রলোকের ঘুম ভাঙল। তিনি একটু ইতস্তত করে ভদ্রমহিলাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললেন দেখুন কিছু মনে করবেন না, “আমার এত ঠান্ডা লাগছে, আপনি কি দয়া করে আমার সুটকেস থেকে একটা কম্বল বার করে আমায় দেবেন?”

ভদ্রমহিলা উত্তরে বললেন “আমার আরো একটা ভালো আইডিয়া আছে। আজকের রাতের জন্য মনে করি না আমরা স্বামী আর স্ত্রী?”

ভদ্রলোক খুব অবাক আর মনে মনে খুব খুশি হয়ে বললেন “ওয়াও!!! দারুণ আইডিয়া!! তাহলে এখন আমার কি করা উচিত?”

“উঠে নিজের কম্বল নিজে নিয়া নাও, আর প্যানপ্যান কইরা আমার মাথা খারাপ কইর না তো!”

 

১৯৫)

টম আর জন, ২ বন্ধুর দেখা। ২ জনেই মোটা।

টমঃ কিরে দোস্ত ১ দিনেই তুই অমন স্লিম হলি কি করে?

জনঃ একটা স্লিমিং সেনটারে গিয়েছিলাম, তারা বলল, ১ ঘণ্টায় আমরা আপনার ৩ কে জি ওজন কমিয়ে দেব। তার জন্য আপনাকে পে করতে হবে ১০০ ডলার।

তো আমি পে করার পর তারা আমাকে উচু প্রাচির ঘেরা এক বাগানের মধ্যের এক ঘরে নিয়ে গেল। ঘরের দরজা খুলে ভিতরে গিয়ে দেখি অপূর্ব এক সুন্দরী খাটে বসে আছে । সুন্দরী আমাকে বলল ,তুমি যদি আমাকে দৌড়িয়ে ধরতে পার তাহলে আজ রাতের জন্য আমি তোমার। এই বলেই দিল দৌড়।

আমিও ছুটলাম তার পিছু পিছু। দৌড়াতে, দৌড়াতে ‌দৌড়াতে, কিছুতেই ধরতে পারলাম না।

একজন এসে বলল আপনার ১ ঘণ্টা সময় শেষ। আসুন ওয়েট মাপি।

দেখা গেল সত্যি আমার ওজন ৩ কে জি কমে গেছে ।

তবে আপসোস, মেয়েটাকে ধরতে পারলাম না।

জনের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে পরের দিন ওই স্লিমিং সেন্টারে টম গিয়ে হাজির। এবং, ১০০ ডলারের প্যাকেজটি নিতে চাইলো ।

ম্যানেজার টমকে বলল, দেখুন আমাদের নতুন ১ টা প্যাকেজ এসেছে, ১ ঘণ্টায় ওজন কমবে ৬ কেজি। তার জন্য আপনাকে পে করতে হবে ২০০ ডলার।

টম ভাবল এই প্যাকেজ এর মেয়েটা নিশ্চয় আরও সুন্দরী হবে, সে ২০০ ডলার পে করল।

তাকে নিয়ে গাইড বাগানের দিকে রওয়ানা হল। টম ভাবছিল যেভাবেই হোক মেয়েটাকে আমি ধরে ফেলবোই।

নির্দিষ্ট ঘর দেখিয়ে গাইড চলে গেল।

টম দরজা ঠেলে দেখে সুন্দরী মেয়ের পরিবর্তে খাটে বসে আছে এক বিকট দর্শন নিগ্রো।

নিগ্রো বলল, যদি আমি তোমাকে দৌড়িয়ে ধরতে পারি তা হলে তোমাকে আমার সাথে আজকের রাত কাটাতে হবে এই ঘরে আর আমাকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

 

১৯৬)

ছোট্ট জনি আর জেনি দু’জনের বয়সই ১০ বছর, কিন্তু তারা জানে তারা একে অপরকে ভালোবাসে। একদিন তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলো। জনি জেনির বাবার কাছে গেলো বিয়ের কথা বলতে।

সাহসের সাথে জনি জেনির বাবার কাছে গিয়ে বললো, মি. স্মিথ, আমি আর জেনি পরস্পরকে ভালোবাসি। এজন্য আপনার কাছে জেনিকে বিয়ে করার অনুমতি চাইতে এসেছি।

মি. স্মিথ বাচ্চার মুখে এমন কথা শুনে মজা পেলেন। বললেন, জনি, তোমার বয়স তো মাত্র ১০ বছর। তোমরা দু’জন কোথায় থাকবে?

জনি কোন রকম চিন্তা না করেই বললো, জেনির রুমে থাকবো। আমার রুমের চেয়ে ওরটা বড়। দু’জনের বেশ জায়গা হয়ে যাবে।

মি. স্মিথ তার কথায় আরো মজা পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তো অনেক ছোট। কোন কাজই তো করতে পারবে না। তাহলে জেনিকে খাওয়াবে কি?

জনি কোনরকম দ্বিধা না করে উত্তর দিলো, আমি প্রতি সপ্তাহে ১০ ডলার হাতখরচ পাই, জেনিও ৫ ডলার পায়। মাসে ৬০ ডলারে দু’জনের বেশ ভালোভাবেই চলে যাবে।

এবার মি. স্মিথ একটু অবাক হলেন। কারণ জনি সব উত্তর আগে থেকেই ভেবে রেখেছে। তাই তিনি এবার এমন প্রশ্ন করলেন যেটার উত্তর তৈরি করে রাখা জনির পক্ষে সম্ভব না।

মি. স্মিথ জানতে চাইলেন, তুমি তো সব বিষয়েই চিন্তা করে রেখেছো। আরেকটা উত্তর দাও তো। যদি তোমাদের ঘরে কোন বাচ্চা জন্ম নেয়, তোমরা তখন কি করবে?

জনি বললো, এখন পর্যন্ত আমরা ভাগ্যবান যে এমন কিছুই হয়নি…

 

১৯৭)

ছোট্ট বল্টু যোগ করতে শিখেছে। একদিন তার ছোট চাচু তাদের বাসায় বেড়াতে এলে বল্টু তার চাচুকে বলে, চাচু আমি না যোগ অংক করতে পারি। তুমি আমাকে ধরো তো?

: তাই নাকি ! বেশ ভাল। বলো তো দুই আর তিনে কত হয়?

বল্টু দুই হাতের আঙ্গুল গুনে বলল পাঁচ।

: আরে তুমি তো সত্যিই যোগ করতে শিখে গেছ। ভেরি গুড। কিন্তু চাচ্চু ওভাবে হাত বের করে গুনলে তো তোমার টিচার তোমাকে বকা দেবেন। এক কাজ কর তুমি তোমার দুই হাত প্যান্টের পকেটে ঢুকাও। তারপর বলো, চারে আর চারে কত হয়?

এবার বল্টু পকেটে দুই হাত নেড়েচেড়ে বলল, “নয়”।

 

১৯৮)

এক মহিলা তার ডাক্তার বন্ধুর সাথে প্রেম চালাচ্ছিল, কিন্তু বেশিদিন হওয়ার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে গেল । তো, নয় মাসের সময় ডেলিভারির জন্য সে যখন হাসপাতালে ভর্তি হল অপারেশনের জন্য , তখনি এক পাদ্রিও তার প্রস্টেট (Prostate) অপারেশনের জন্য ভর্তি হলো। ডাক্তার তখন তার বান্ধবীকে বলল , ”আমরা পাদ্রীর অপারেশনের পর বলব যে এই বাচ্চাটা আপনার !! ‘

বান্ধবী বলল , ”কি বল এইসব , সে কি বিশ্বাস করবে ?? ”

ডাক্তার বলল , ”করতেই হবে, কারণ তাকে বলব , এটা একটা মিরাকল”

তো, নির্দিষ্ট দিনে পাদ্রীর প্রস্টেট অপারেশন হয়ে গেল … তার পরই বান্ধবীর ডেলিভারিও হলো, ডাক্তার বাচ্চাটা পাদ্রীর কাছে নিয়ে গিয়ে বলল , ”ফাদার , এই নিন আপনার বাচ্চা ”

পাদ্রী তো খুব আশ্চর্য হলেন, বললেন ”এ কিভাবে সম্ভব ?? ”

ডাক্তার বলল, ” ফাদার , আশ্চর্য আমরাও হয়েছি , এটা একটা মিরাকল … খুব কমই ঘটে ”

পাদ্রী আর কিছু বললেন না।

প্রায় ১৫ বছর হয়ে গিয়েছে এর মাঝেই , বাচ্চাটাও বড় হয়ে গেছে . একদিন পাদ্রী বাচ্চাটাকে ডাকলেন , বললেন ”তোমাকে কিছু গোপনীয় কথা বলার আছে …আমি আসলে তোমার বাবা নই ” !!

বাচ্চাটা খুব অবাক হয়ে বলল, ”মানে? তুমি আমার বাবা না ??? ”

পাদ্রী গম্ভীর স্বরে বললেন , “না। আমি তোমার মা , আর্চবিশপ তোমার আসল বাবা।

 

১৯৯)

এক দেশ এ এক রাজা ছিল। তার ছিল বিশাল বড় রাজ্য। তার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া, ধন-সম্পদ কোন কিছুরই অভাব ছিল না। কিন্তু এত কিছুর পরেও রাজার মনে শান্তি ছিল না। তার কারন রাজ্যের জনসংখ্যা স্বল্পতা। তো রাজা উজির-নাজির সবাইকে খবর দিলেন জনসংখ্যা স্বল্পতার কারন বের করতে। তারা অনেক বিচার-বিশ্লেষণ করে রাজাকে বললেন এর কারন হচ্ছে রাজ্যের লোকেরা সেক্সের নিয়ম-কানুন জানে না এবং এটাতে তাদের প্রচন্ড অনিহা। রাজা পড়লেন আরেক দুঃশ্চিন্তায়, এখন রাজ্যের লোকদের তো আর ঢাক-ডোল পিটিয়ে সেক্স শেখানো যায় না। শেষে অনেক ভেবে-চিন্তে একটা উপায় বের করলেন যে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে উলঙ্গ মেয়ের পুতুল বসানো হবে, যা দেখতে আসল মেয়ের মত। তো মেয়ে পুতুলটির সামনে দিয়ে যদি কেউ সেক্স করে পুতুলের পিছন দিয়ে চকলেট বের হবে আর পিছন দিয়ে কেউ সেক্স করলে সামনে দিয়ে আইসক্রীম বের হবে। তো রাজ্যের মানুষ চকলেট আর আইসক্রীমের লোভে পুতুলের সাথে সেক্স করতে করতে নিয়ম শিখে গেল।

কিছুদিন পরে ঘটল সমস্যাটা। লোকে এখন আর পুতুলের সাথে সেক্স করে মজা পায় না। তারা এখন সত্যিকার মেয়ে চায়। সেরকমই দুজন সৈনিক একটা মেয়েকে ধরার জন্য তার পিছন পিছন ছুটতে লাগল। একসময় মেয়েটি উপায় না দেখে জামাকাপড় খুলে মোড়ের মেয়ের পুতুলের পাশে দাড়িয়ে গেল। তো সৈনিক দুজন মেয়েটাকে আশেপাশে খুঁজে না পেয়ে ১ম সৈনিক ২য় সৈনিককে বলে, মেয়েটাকে তো পেলাম না, দৌড়াদৌড়ি করে পিপাসাও লেগেছে, আয় আইসক্রীম খেয়ে চলে যাই। তো তারা গিয়ে ঐ মেয়েটাকেই পুতুল মনে করে পিছন থেকে সেক্স করতে লাগল।

আইসক্রীম এর জন্য অপেক্ষা করতে করতে ২য় সৈনিক ১ম সৈনিককে বলল, কি ব্যপার বলত। সামনে দিয়ে আইসক্রিম বের না হয়ে এসব কি বেড় হচ্ছে?

২য় সৈনিক, গাধা এটাও বুঝস নাই? গরমে আইসক্রীম গলে গেছে।

 

২০০)

একজন ব্যাক্তি সেক্স এ ব্যাস্ত, সাথে পরে আছেন প্রোটেকশন। বহুক্ষণ পরে শুক্রাণুরা হাজির হল। হাজির হয়েই মহা বিরক্ত।

শুক্রাণুদের নেতা বলল, “দেখো বন্ধুরা, আমাদের বস কিভাবে মজা পাচ্ছে, আর আমাদের বেলুনে আটকে রেখেছে, আমাদের ডিম্বানুর সাথে মিলিত হতে দিচ্ছেনা, এইটা কি ঠিক? এসো আমরাও ডিম্বানুর কাছে যাই।”

সব শুক্রাণু চিৎকার করে বলল, “চল যাই, চল যাই!”

তারা সবাই মিলে কন্ডমের গায়ে জোরে ধাক্কা দিতে শুরু করলো, কয়েকবার ধাক্কা দিতেই, ফুটো হয়ে গেলো, নেতা চিৎকার করে বলল, “আগাও! আগাও!”

সবাই হুড়োহুড়ি করে এগুতে লাগল।

হঠাৎ দেখলো, তাদের নেতা উলটো পালাচ্ছে বলছে, “পিছাও, পিছাও!”

সবাই শুধালো, “কেনো, কেনো?”

নেতা বলল, “সামনে হাগু, সামনে হাগু!!!”

০০০০০০০

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ০ থেকে ১০০(১৮+)

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ২০১ থেকে ৩৩০(১৮+)

মন্তব্য করুন..

By orthodox

পশুপাখি সহজেই পশু-পাখি, তরুলতা সহজেই তরুলতা কিন্তু মানুষ শত চেষ্টা আর মানবতায় বিকশিত হয়ে তবে সে মানুষ ।

utpal শীর্ষক প্রকাশনায় মন্তব্য করুন জবাব বাতিল

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.