Categories
অনলাইন প্রকাশনা

বাংলাদেশের কিছু মনোমুগ্ধকর জায়গা । আপনার বিশ্বাসই হবে না যে আমাদের দেশে এমন সুন্দর জায়গা আছে ।

অনেকেই বলেন বাংলাদেশে কোন সুন্দর ঘোরার জায়গা নেই। কিন্তু এটা একটা সম্পূর্ন ভুল ধারনা। বাংলাদেশে এতো অসাধারন সব পর্যটন ক্ষেত্র রয়েছে যেগুলো না দেখলে বিশ্বাস হয়না। এখন আপনাদের দেখাবো এমন কিছু অসাধারন জায়গা। আপনারা অবসরে এগুলো থেকে সহজেই ঘুরে আসতে পারেন।

এই ছবিগুলোর কোনটিই আমাদের নিজেদের তোলা নয়। প্রতিটি ছবির ফটোগ্রাফারের নাম আমরা ছবির নিচে ম্যানশন করে দিয়েছি। যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে এসব ছবি আমাদের সামনে তুলে এনেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ ।

১. সাজেক ভ্যালি, রাঙ্গামাটি

11122916656_77d67925e3_b

maxresdefault

21140373176_1b1223774d_b

hqdefault

Aronnk-Resort-Rangamati

২।  বান্দরবান, নীলগিরি ।

Nilgiri-1

Nilgiri

1280x350_nilgiri_bandarban-750x350

৩। কাপ্তাই লেক, রাঙ্গামাটি ।

11662652

9067973123_e4875603b7_b

 

৪। শুকনাছড়া ফলস, রাঙ্গামাটি।

17316949074_21cd3ae72b_b

Bangladesh waterfall(2)

৫। রাইখং লেক, পুকুয়ারপাড়া, রাঙ্গামাটি

15562329122_c3141d1356_b

Prinjhor para in front of Pukur para Lake

maxresdefault

৬। নীলগিরি রিসোর্ট, বান্দরবান

4839265513_0f63e2c998_b

 

Nilgiri Resort

 

7406564694_a5a6267fc5_b

Nilgiri-Resort-Bandarban-Bangladesh-2

৭। চিম্বুক হিল, বান্দরবন ।

Chimbuk-Hill-Bandarban

৮. সাঙ্গু নদী, বান্দরবান

15780322620_559eb280cb_b

 

৯। জাফলং, সিলেট

4674187230_b4a4f66a4f_b

১০। বিছনাকান্দি, সিলেট

15309262609_4ed1b6f980_b

১১। পানতুমাই, সিলেট

Panatumai3

 

 

 

 

Categories
অনলাইন প্রকাশনা স্বাস্থ্য

কেমিক্যালমুক্ত আম চেনার ১০ টি উপায় ।

আম একটি সুস্বাদু মৌসুমি ফল্ল । বাজারে গেলেই হরেক রকমের আমের গন্ধে মন ভরে উঠে । নামের বাহারের সঙ্গে খেতেও দারুন মজা । আম মুরি, দুধ দিয়ে খাওয়ার স্মৃতি সবারই আছে । কিন্তু বর্তমানে বাজার থেকে আমরা যে আম কিনে খাই তা সাস্থের জন্য কতটা  ক্ষতিকর  তা কি আমরা জানি ? কিছু অসাধু বাবসায়ি আমে ফরমালিন ও বিভিন্ন রাসায়নিক ব্যবহার করায় আম এখন একটি আতঙ্ক নাম । এ সব ফুল খেয়ে মানুষের মৃত্যু হতে পারে । তবে রাসায়নিক/কেমিকাল মুক্ত আম চেনার কিছু টিপস দেয়া হল ঃ
১. প্রথমেই লক্ষ্য করুন, আমের গায়ে মাছি বসছে কি-না। এর কারণ, ফরমালিন যুক্ত আমে মাছি বসে না।

২. আম গাছে থাকা অবস্থায় বা গাছপাকা আম হলে লক্ষ্য করে দেখবেন যে আমের শরীরে এক রকম সাদাটে ভাব থাকে। কিন্তু ফরমালিন বা অন্য রাসায়নিকে চুবানো আম হবে ঝকঝকে সুন্দর।

৩. কারবাইড বা অন্য কিছু দিয়ে পাকানো আমের শরীর হয় মোলায়েম ও দাগহীন। কেননা আমগুলো কাঁচা অবস্থাতেই পেড়ে ফেলে ওষুধ দিয়ে পাকানো হয়। গাছ পাকা আমের ত্বকে দাগ পড়বেই।

৪. গাছপাকা আমের ত্বকের রঙে ভিন্নতা থাকবে। গোঁড়ার দিকে গাঢ় রঙ হবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারবাইড দেওয়া আমের আগাগোড়া হলদেটে হয়ে যায়, কখনো কখনো বেশি দেওয়া হলে সাদাটেও হয়ে যায়।

৫. হিমসাগর ছাড়াও আরও নানান জাতের আম আছে যা পাকলেও সবুজ থাকে, কিন্তু অত্যন্ত মিষ্টি হয়। গাছপাকা হলে এইসব আমের ত্বকে বিচ্ছিরি দাগ পড়ে। ওষুধ দিয়ে পাকানো হলে আমের শরীর হয় মসৃণ ও সুন্দর।

৬. আম নাকের কাছে নিয়ে ভালো করে শুঁকে কিনুন। গাছ পাকা আম হলে অবশ্যই বোটার কাছে ঘ্রাণ থাকবে। ওষুধ দেওয়া আম হলে কোনো গন্ধ থাকবে না, কিংবা বিচ্ছিরি বাজে গন্ধ থাকবে।

৭. আম মুখে দেওয়ার পর যদি দেখেন যে কোনো সৌরভ নেই কিংবা আমে টক বা মিষ্টি কোনো স্বাদ নেই, বুঝবেন সে আমে ওষুধ দেওয়া।কিছু টিপস দেয়া হল ঃ

Categories
অনলাইন প্রকাশনা খাদ্য ও স্বাস্থ্য

জেনে নিন হলুদের আশ্চর্য জনক ৯ টি উপকারিতা ।

১. দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ দূর করে –

কম সময়ের প্রদাহ শরীরের জন্য উপকারী এবং এটি রোগের সঙ্গে লড়াই করে। তবে দীর্ঘ সময়ের প্রদাহ বা ক্রনিক ইনফ্লামেশন জীবননাশের কারণও হয়। হলুদ এই দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে।

২. অ্যান্টি অক্সিডেন্ট

হলুদের রয়েছে কারকিউমিন, এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান। অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেলস দূর করতে সাহায্য করে। ফ্রি রেডিকেলস শরীরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ফ্রি রেডিকেলসের মাত্রা কমা শরীরের জন্য ভালো।

৩. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতাকে ভালো রাখে –

বিডিএনএফ হরমোন অথবা ব্রেন-ডিরাইভড নিউরোট্রোপি মস্তিষ্কে নিউরোনের ভাগ এবং সংখ্যা বৃদ্ধিতে কাজ করে। বয়স বাড়লে মস্তিষ্কের এই কার্যকারিতা কমে যায়।

যদি খাদ্যতালিকায় হলুদ থাকে, এই হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে, স্মৃতিশক্তি এবং বুদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করে।

৪. মস্তিষ্কের রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমায় –

মস্তিষ্কের বিডিএনএফ হরমোনের বৃদ্ধি মস্তিষ্কের রোগের ঝুঁকি কমায়। এটি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। আর আমরা আগেই জেনেছি হলুদ এই হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়।

৫. হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় –

রক্তনালির অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত হয়, এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। খাদ্যতালিকায় হলুদ থাকলে রক্তনালীর কার্যক্রম ভালো থাকে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

৬. স্মৃতিভ্রম রোগ রোধে –

প্রদাহ একটি বড় কারণ বয়স্কদের স্মৃতিভ্রম রোগের। হলুদ প্রদাহ কমিয়ে স্মৃতিভ্রম রোধে সাহায্য করে।

৭. আরথ্রাইটিসের ব্যথা রোধে –

গাঁটের প্রদাহ আরথ্রাইটিসের একটি প্রচলিত কারণ। হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি বা প্রদাহরোধী গুণ। এটি আরথ্রাইটিস রোধে সাহায্য করে। হলুদে উপস্থিত কারকুমিন বিভিন্ন ক্রনিক (যেসব রোগ প্রতিকার করা যায় না) রোগের চিকিৎসায় বেশ কার্যকর। বিভিন্ন ধরনের পেটের সমস্যা রোধে হলুদ কাজ করে।

৮. ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে

ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি এবং ছড়িয়ে পড়া রোধে হলুদ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এটি মুখগহ্ববরের ক্যানসার রোধে কার্যকরী।

৯. বিষণ্ণতা দূর করে

গবেষণায় বলা হয়, কারকুমিন বিভিন্ন ধরনের বিষণ্ণতা দূরকারী ওষুধের মতো সমান কাজ করতে পারে। তাই খাদ্যতালিকায় হলুদ রাখা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো। তবে যেকোনো খাবার নিয়মিত গ্রহণের ক্ষেত্রে আপনার শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।