Categories
অনলাইন প্রকাশনা গল্প সুকুমার রায়

নন্দলালের মন্দ কপাল

— সুকুমার রায়

 

নন্দলালের ভারি রাগ, অঙ্কের পরীক্ষায় মাস্টার তাহাকে গোল্লা দিয়াছেন। সে যে খুব ভালো লিখিয়াছিল তাহা নয়, কিন্তু তা বলিয়া একেবারে গোল্লা দেওয়া কি উচিত ছিল? হাজার হোক সে একখানা পুরা খাতা লিখিয়াছিল তো ! তার পরিশ্রমের কি কোনো মূল্য নাই? ঐ যে ত্রৈরাশিকের অঙ্কটা, সেটা তো তার প্রায় ঠিক‌‌ই হ‌‌ইয়াছিল, কেবল একটুখানি হিসেবের ভুল হওয়াতে উত্তরটা ঠিক মেলে নাই। আর ঐ যে একটা ডেসিমাল অঙ্ক ছিল, সেটাতে গুণ করিতে গিয়া সে ভাগ করিয়া বসিয়াছিল, তাই বলিয়া কি একটা নম্বরও দিতে নাই? আরও অন্যায় এই যে, এই কথাটা মাস্টার মহাশয় ক্লাশের ছেলেদের কাছে ফাঁস করিয়া ফেলিয়াছেন। কেন? আর একবার হরিদাস যখন গোল্লা পা‌‌ইয়াছিল, তখন তো সে কথাটা রাষ্ট্র হয় নাই !

সে যে ইতিহাসের একশোর মধ্যে পঁচিশ পা‌‌ইয়াছে, সেটা বুঝি কিছু নয়? খালি অঙ্ক ভালো পারে নাই বলিয়াই তাহাকে লজ্জিত হ‌‌ইতে হ‌‌ইবে? সব বিষয়ে যে সকলকে ভালো পারিতে হ‌‌ইবে তাহারি বা অর্থ কি? স্বয়ং নেপোলিয়ান যে ছেলেবেলায় ব্যাকরণে একেবারে আনাড়ী ছিলেন, সে বেলা কি? তাহার এই যুক্তিতে ছেলেরা দমিল না, এবং মাস্টারের কাছে এই তর্কটা তোলাতে তাঁহারাও যে যুক্তিটাকে খুব চমৎ‌কার ভাবিলেন, এমন বোধ হ‌‌ইল না। তখন নন্দলাল বলিল, তাহার কপাল‌‌ই মন্দ— সে নাকি বরাবর তাহা দেখিয়া আসিয়াছে।

সেই তো যেবার ছুটির আগে তাহাদের পাড়ায় হাম দেখা দিয়াছিল, তখন বাড়িসুদ্ধো সকলেই হামে ভুগিয়া দিব্যি মজা করিয়া স্কুল কামাই করিল, কেবল বেচারা নন্দলালকেই নিয়মমতো প্রতিদিন স্কুলে হাজিরা দিতে হ‌‌ইয়াছিল। তারপর যেমন ছুটি আরম্ভ হ‌‌ইল, অমনি তাহাকে জ্বরে আর হামে ধরিল— ছুটির অর্ধেকটাই মাটি ! সেই যেবার সে মামার বাড়ি গিয়াছিল, সেবার তাহার মামাতো ভাই‌‌য়েরা কেহ ছিল না- ছিলেন কোথাকার এক বদমেজাজি মেশো, তিনি উঠিতে বসিতে কেবল ধমক আর শাসন ছাড়া আর কিছুই জানিতেন না। তাহার উপর সেবার এমন বৃষ্টি হ‌‌ইয়াছিল, একদিনও ভালো করিয়া খেলা জমিল না, কোথাও বেড়ানো গেল না। এই জন্য পরের বছর যখন আর সকলে মামার বাড়ি গেল তখন সে কিছুতেই যা‌‌ইতে চাহিল না। পরে শুনিল সেবার নাকি সেখানে চমৎ‌কার মেলা বসিয়াছিল, কোন রাজার দলের সঙ্গে পঁচিশটি হাতি আসিয়াছিল, আর বাজি যা পোড়ানো হ‌‌ইয়াছিল সে একেবারে আশ্চর্যরকম ! নন্দলালের ছোট ভাই যখন বার বার উৎ‌সাহ করিয়া তাহার কাছে এই সকলের বর্ণনা করিতে লাগিল, তখন নন্দ তাহাকে এক চড় মাড়িয়া বলিল, “যা যা ! মেলা বক্‌‌বক্‌‌ করিসনে !” তাহার কেবল মনে হ‌‌ইতে লাগিল সেবার সে মামার বাড়ি গিয়াও ঠকিল, এবার না গিয়াও ঠকিল ! তাহার মতো কপাল-মন্দ আর কেহ‌‌ নাই।

স্কুলেও ঠিক তাই। সে অঙ্ক পারে না- অথচ অঙ্কের জন্য দুই-একটা প্রা‌‌ইজ আছে- এদিকে ভুগোল ইতিহাস তাহার কণ্ঠস্থ কিন্তু ঐ দুইটার একটাতেও প্রাইজ নাই। অবশ্য সংস্কৃতেও সে নেহাত কাঁচা নয়, ধাতু প্রত্যয় বিভক্তি সব চট্‌‌পট্‌‌ মুখস্থ করিয়া ফেলে- চেষ্টা করিলে কি পড়ার ব‌‌ই আর অর্থ-পুস্তকটাকেও সড়গড় করিতে পারে না? ক্লাশের মধ্যে ক্ষুদিরাম একটু আধটু সংস্কৃত জানে- কিন্তু তাহা তো বেশি নয়। নন্দলাল ইচ্ছা করিলে কি তাহাকে হারা‌‌ইতে পারে না? নন্দ জেদ করিয়া স্থির করিল, ‘একবার ক্ষুদিরামকে দেখে নেব। ছোকরা এ বছর সংস্কৃতের প্রাইজ পেয়ে ভারি দেমাক করছে— আবার অঙ্কের গোল্লার জন্য আমাকে খোঁটা দিতে এসেছিল। আচ্ছা, এবার দেখা যাবে।’

নন্দলাল কাহাকেও কিছু না জানাইয়া সেইদিন হ‌‌ইতেই বাড়িতে ভয়ানক ভাবে পড়িতে শুরু করিল। ভোরে উঠিয়াই সে ‘হসতি হসত হসন্তি’ শুরু করে, রাত্রেও ‘অস্তি গোদাবরী তীরে বিশাল শল্মলীতরু’ বলিয়া ঢুলিতে থাকে। কিন্তু ক্লাশের ছেলেরা এ কথার বিন্দুবিসর্গও জানে না। পণ্ডিত মহাশয় যখন ক্লাশে প্রশ্ন করেন, তখন মাঝে মাঝে উত্তর জানিয়াও সে চুপ করিয়া মাথা চুলকা‌‌ইতে থাকে, এমন কি কখনো ইচ্ছা করিয়া দুই-একটা ভুল বলে, পাছে ক্ষুদিরাম তাহার পড়ার খবর টের পাইয়া আরও বেশি করিয়া পড়ায় মন দিতে থাকে। তাহার ভুল উত্তর শুনিয়া ক্ষুদিরাম মাঝে মাঝে ঠাট্টা করে, নন্দলাল তাহার কোনো জবাব দেয় না; কেবল ক্ষুদিরাম যখন নিজে যখন এক-একটা ভুল করে, তখন সে মুচকি মুচকি হাসে, আর ভাবে, ‘পরীক্ষার সময় অম্নি ভুল করলেই এবার ওঁকে সংস্কৃতের প্রাইজ আর পেতে হবে না।’

ওদিকে ইতিহাসের ক্লাশে নন্দলালের প্রতিপত্তি কমিতে লাগিল। কারণ, ইতিহাস আর ভুগোল নাকি এক রকম শিখিলেই পাশ করা যায়— তাহার জন্য নন্দর কোনো ভবনা নাই। তাহার সমস্ত মনটা রহিয়াছে ঐ সংস্কৃত পড়ার উপরে— অর্থাৎ‌ সংস্কৃত প্রাইজটার উপরে ! একদিন মাস্টার মহাশয় বলিলেন, “কি হে নন্দলাল, আজকাল বুঝি বাড়িতে কিছু পড়াশুনা কর না? সব বিষয়েই সে তোমার এমন দুর্দশা হচ্ছে তার অর্থ কি?” নন্দ আর একটু হ‌‌ইলেই বলিয়া ফেলিত, “আজ্ঞে সংস্কৃত পড়ি” কিন্তু কথাটাকে হঠাৎ‌ সামলা‌‌ইয়া “আজ্ঞে সংস্কৃত— না সংস্কৃত নয়” বলিয়াই সে থতমত খাইয়া গেল। ক্ষুদিরাম তাড়াতাড়ি বলিয়া উঠিল, “ক‌‌ই সংস্কৃতও তো কিছু পারে না।” শুনিয়া ক্লাশসুদ্ধ ছেলে হাসিতে লাগিল। নন্দ একটু অপ্রস্তুত হ‌‌ইল বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে হাঁপ ছাড়িয়া বাঁচিল— ভাগ্যিস্‌‌ তাহার সংস্কৃত পড়ার কথাটা ফাঁস হ‌‌ইয়া যায় নাই।

দেখিতে দেখিতে বছর কাটিয়া আসিলে, পরীক্ষার সময় প্রায় উপস্থিত। সকলে পড়ার কথা, পরীক্ষার কথা আর প্রাইজের কথা বলাবলি করিতেছে, এমন সময় একজন জিজ্ঞাসা করিল, “কি হে! নন্দ এবার কোন প্রাইজটা নিচ্ছ?” ক্ষুদিরাম নন্দর মতো গলা করিয়া ঘাড় নাড়িয়া বলিল, “আজ্ঞে সংস্কৃত— না সংস্কৃত নয়।” সকলে হাসিল, নন্দও খুব উৎ‌সাহ করিয়া সেই হাসিতে যোগ দিল। মনে ভাবিল, ‘বাছাধন, এ হাসি আর তোমার মুখে বেশিদিন থকছে না।’

যথাসময়ে পরীক্ষা আরম্ভ হ‌‌ইল এবং যথাসময়ে শেষ হ‌‌ইল। পরীক্ষার ফল জানিবার জন্য সকলে আগ্রহ করিয়া আছে, নন্দও রোজ নোটিশবোর্ডে গিয়া দেখে, তাহার নামে সংস্কৃত প্রাইজ পাওয়ার কোনো বিজ্ঞাপন আছে কিনা। তারপর একদিন হেডমাস্টার মহাশয় এক তাড়া কাগজ ল‌‌ইয়া ক্লাশে আসিলেন, আসিয়াই গম্ভীর ভাবে বলিলেন, এবার দুই-একটা নতুন প্রাইজ হয়েছে আর অন্য বিষয়েও কোনো কোনো পরিবর্তন হয়েছে।” এই বলিয়া তিনি পরীক্ষার ফলাফল পড়িতে লাগিলেন। তাহাতে দেখা গেল, ইতিহাসের জন্য কে যেন একটা রূপার মেডেল দিয়াছেন। ক্ষুদিরাম ইতিহাসে প্রথম হ‌‌ইয়াছে, সে-ই ঐ মেডেলটা ল‌‌ইবে। সংস্কৃতে নন্দ প্রথম, ক্ষুদিরাম দ্বিতীয়— কিন্তু এবার সংস্কৃতে কোনো প্রাইজ নাই।

হায় হায় ! নন্দর অবস্থা তখন শোচনীয় ! তাহার ইচ্ছা হ‌‌ইতেছিল সে ছুটিয়া গিয়া ক্ষুদিরামকে কয়েকটা ঘুঁষি লাগাইয়া দেয়। কে জানিত এবার ইতিহাসের জন্য প্রাইজ থাকিবে, আর সংস্কৃতের জন্য থাকিবে না। ইতিহাসের মেডেলটা তো সে অনায়াসেই পাইতে পারিত। কিন্তু তাহার মনের কষ্ট কেহ বুঝিল না— সবাই বলিল, “বেড়ালের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়েছে— কেমন করে ফাঁকি দিয়ে নম্বর পেয়েছে।” দীর্ঘশ্বাস ছাড়িয়া নন্দ বলিল, “কপাল মন্দ!”

Categories
অনলাইন প্রকাশনা কৌতুক

বড়দের ১৩ জোকস। অবশ্যই ২৪+

–শওকত মাসুম

কৌতুক বলার নানা বিপদ আছে। আর সেটা হল কারো না কারো পড়া থাকবেই। কারণ এর কোনো কপিরাইট নাই, সংগ্রহ করাই মূল কাজ। এখানে আনলাকি ১৩টা জোকস দিলাম। অবশ্যই বড়দের। কেবল বড়দের বললে ভুল হবে, কঠোরভাবে বড়দের। সুতরাং যারা বড় হন নাই তার আর পড়বেন না। এখানেই থামেন, অন্য পোস্টে যান।

আবারও বলি এই পোস্ট বড়দের, কোনো ভাবেই ছোটদের না। সবগুলো জোকস সংগ্রহ করা, কেবল একটা খানিকটা মৌলিক বলা যায়। কোনটা?

দেখি কে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন।

ভেবেছিলাম ১০টা দেবো, পরে মনে হল ১৫টা দেই। শেষমেশ ১৩টা দিলাম। আবারো বলি অনেকেরই হয়তো সবগুলো পড়া। তারপরও দিলাম।

১.
মেয়েদের সুখী করার ৭০ টা উপায় আছে। এর মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে শপিং, আর এর পরেই ৬৯

২.
বন্ধুর বউকে বিয়ে করেছে দবির। স্ত্রী পরিত্যক্ত ছবির দুঃখে কষ্টে দবিরকে বললো, শেষ পর্যন্ত সেকেন্ড হ্যান্ড পেলি!
দবির বিজয়ীর হাসি দিয়ে বললো, বউ বলেছে ৪ ইঞ্চির পুর পুরাটাই ব্র্যান্ড নিউ।

৩.
সে বললো চল আবার বেড়াতে যাই।
ওরা দুজন বললো, উহু, তোমার সাথে আর যাবো না। তুমি বেড়াতে যাওয়ার নাম করে একা নিজেই ঢুকে পড়ো, আমাদের দুজনকেই বাইরে রেখে দাও। আমরা আর যাবো না।

৪.
ওল্ডহোমে বুড়ার সঙ্গে বুড়ির দারুণ খাতির। দুজনেরই শারিরীক সামর্থ্য নেই, কিন্তু সখ আছে। বুড়ি প্রতিদিন বুড়ার বিশেষ অঙ্গ হাতের মুঠোয় ধরে রাখে, এইটাই তাদের সুখ। হঠাৎ একদিন বুড়ি দেখে বুড়া আর আসে না, বরং নতুন আসা অন্য এক বুড়ির সাথে বসে থাকে।
বুড়ি গিয়ে ধরলো বুড়াকে, জানতে চাইলো এভাবে তাকে ত্যাগ করার কারণ কী। ঐ বুড়ির মধ্যে এমন কি আছে যা তার নেই?
বুড়া বললো, নতুন আসা বুড়ির পার্কিনসন অসুখটি আছে।

৫.
দারুণ সফল এক যৌনকর্মী গেল ডাক্তারের কাছে। গিয়ে বললো, ডাক্তার আমার শরীরে আরেকটা ফুটো করে দেন?
অবাক হয়ে ডাক্তার জানতে চাইলো, আরেকটা কেন?
মেয়েটা বললো, ব্যবসা খুব ভাল যাচ্ছে, ভাবছি নতুন একটা শাখা খুললে কেমন হয়।

৬.
মেয়েরা হয় চার রকমের
১. শ্বাসের সমস্যা আছে-আহ..আহ…আহহহ…….
২. বাধ্যগত-ইয়েস, ওহ ইয়েস……আহ ইয়েস….
৩. লোভী-মোর..মোর…প্লিজ……মোর
৪. ধার্মিক-ওহ গড..ওহ মাই গড….ওহ মাই গড!!

৭.
সে বিয়ে করলো এক মেয়ে ট্রাফিক সার্জেন্টকে। বাসর রাত শেষে বন্ধুরা জানতে চাইলো কেমন কাটলো বাসর রাত।
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সে বললো-সে ১০০ টাকা জরিমানা করেছে ওভারস্পিডের জন্য, ২০০ টাকা রং সাইড এন্ট্রির জন্য আর ৫০০ টাকা হেলমেট না পরার জন্য।

৮.
মেয়ে-তোমারটা ঠিক যেন মোবাইল ফোন।
ছেলে-কেনো? ভাইব্রেশন বেশি হয়?
মেয়ে-উহু, যখন ট্যানেলে ঢোকে, তখন নেটওয়ার্ক থাকে না, টাওয়ার আর কাজ করে না।

৯.
একসাথে গোসল করছে দুটি মেয়ে।
প্রথমজন: তোমারটা সব সময় এতো ক্লিন থাকে কিভাবে?
দ্বিতীয় জন: আরে বোকা, কখনো ব্যস্ত রাস্তায় ঘাস উঠতে দেখেছিস?

১০.
কেবল চট্টগ্রামের জন্য আগামি বাজেটে নতুন একটা ট্যাক্স আরোপ করা হচ্ছে। আর সেটি হচ্ছে টার্নওভার ট্যাক্স।

১১.
পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক মেয়েরা। যেভাবেই খেলো না কেন, বল কখনোই ভেতরে যায় না।

১২.
এক লোক ডাক্তার দেখাতে গেছে কারন তার … দাড়ায় না। ডাক্তার শুনে বললেন, বিয়ে করছেন? : না।
প্রেমিকা আছে ? : না।
পরকীয়া করেন ? : না।
টানবাজার যান ? : না।
মাস্টারবেট করেন? : না।
ডাক্তার ক্ষেপে বললেন, ” ওই মিয়া, তাহলে দাঁড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেনডার টাঙ্গাইবেন!!!”

১৩.
মাদ্রিদে ষাঁড়ের লড়াই দেখে পাশের রেস্তারাঁয় ঢুকেছে এক ট্যুরিস্ট। স্পেশাল ডিশ অর্ডার দেয়ায় বেয়ারা এক অদ্ভুত জিনিশ এনে হাজির করলো। আলু আর লেটুসের সাথে গোল গোল দুটো মাংসের টুকরোমত।
“কী এটা?” জানতে চাইলো ট্যুরিস্ট।
‘কহোনেস, সেনর। ‘ বুক ফুলিয়ে জবাব দিলো বেয়ারা। ‘আজকে অ্যারেনাতে যে ষাঁড়টা লড়াইয়ে হারলো, তার অন্ডকোষ। ‘
নাক সিঁটকে খাওয়া শুরু করলো ট্যুরিস্ট। কিন্তু মুখে দিয়েই চমকে গেলো সে, না যা ভেবেছিলো তা নয়, বরং বেশ সুস্বাদু জিনিসটা। চেটেপুটে খেয়ে সে ঠিক করলো, আগামীকালও এই কহোনেসই খেতে হবে।
পরদিন আবার একই রেস্তোরাঁয় এসে অর্ডার দিলো সে চটপট। যথারীতি বেয়ারা এনে হাজির করলো খাবার। আলু, লেটুস, কিন্তু আজকের মাংসের টুকুরো দুটো খুবই ছোট। ঘটনাটি কী, জানতে চাইলো ট্যুরিস্ট।
‘আসলে ব্যাপারটা হয়েছে কি …,’ খানিক মাথা চুলকে বললো বেয়ারা, ‘ষাঁড়ের লড়াইতে কিন্তু সবসময় ষাঁড়ই হারে না।’

Categories
অনলাইন প্রকাশনা ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক

বিশ্বের কয়েকটি দেশের অদ্ভুত যৌন আইন

–Ramon

সেক্স অর্থাৎ কামজ বিষয়টি স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বিষয়। যদিও কোনো কোনো দেশে এই জৈবিক চাহিদাকে সহজ ভাবে নেয়া হয়েছে আবার কোনো কোনো দেশে নেয়া হয়েছে ঠিক তার উল্টো। সেক্স নিয়ে যাতে বাড়াবাড়ি না হয় সে জন্য কঠোর আইন প্রনয়নও করা হয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে। তাছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এই জৈবিক চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আলাদা আলাদা বিধি-নিষেধ জারী করা হয়েছে। এরপরও কোনো কোনো দেশের আইন প্রণেতাগণ, ভিনদেশের ধর্মীয় আলেম, চিন্তাবিদগণ কামজ বিষয়টি আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ করার নামে যে সমস্ত উদ্ভট আইন ও বিধি প্রনয়ন করেছে যা রীতিমত হাস্যকর। বিশ্বের এমনি কয়েকটি দেশের আইন প্রনেতা ও ধর্মীয় আলেমদ্বারা সৃষ্টি বিরোধী ও অসঙ্গতিপূর্ণ কামজ আইন নিয়ে আজ সন্মানিত ব্লগারদের সাথে শেয়ার করছি ।

১। যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নয় কিন্তু তার অধীনে, প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্হিত এমন একটি দ্বীপের নাম গুয়াম। এই গুয়াম দ্বীপটিতে আইনবলে কুমারী মেয়েদের বিয়ে নিষিদ্ধ। সেখানে কোনো কুমারী মেয়ে বিয়ের পিড়িতে বসতে চাইলে আইনুযায়ী অবস্যই তাকে কুমারীত্ব বিসর্জন দেয়ার জন্য কোনো পুরুষের কাছে যেতে হয়। এখানে এমন পেশাদার পুরুষ পাওয়া যায় যারা কুমারী মেয়েদের কুমারীত্ব নাশ করার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করে থাকে।
২।যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের আইনে কুমারী মেয়েদের সাথে সহবাস নিষিদ্ধ। এমনকি বিয়ের পর বাসর রাতেও স্বামী তার কুমারী বধুর সাথে সহবাস করতে পারবে না। তবে কুমারী মেয়ে কিভাবে তার কুমারীত্ব বিসর্জন দিবে এ বিষয়ে কোনো আইনী ব্যাখ্যা দেয়া হয় নাই যেমনটি দেয়া হয়েছে গুয়ামের কুমারী মেয়েদের বেলায়।
৩। লেবাননের পুরুষদের গৃহপালিত প্রাণীর সাথে যৌন সর্ম্পক সৃষ্টি করতে আইনগত কোনো বাধা নাই। তবে শর্ত হচ্ছে যে প্রাণীর সাথে যৌন সর্ম্পক সৃষ্টি করবে সেটি অবস্যই মাদী প্রজাতির হতে হবে অন্যথায় আইন ভঙ্গের কারণে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হতে পারে।

৪।মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মেষ বা ভেড়া সাথে যৌন সর্ম্পক স্হাপন করাকে বৈধতা দেয়া আছে। তবে যে ভেড়ার সাথে যৌন সর্ম্পক স্হাপন করা হবে কোনো অবস্হায় তার গোস্ত খাওয়া চলবে না। এই বিষয়ে ফতোয়ায় বলা হয়েছে ” ভেড়ার সাথে যৌন র্চ্চার পর তার গোস্তু ভোজন করা হবে মারাত্মক গুনাহ “।
৫।বাহরাইনের আইনে স্ত্রীরোগ বিষরদগণ স্ত্রীলোকদের যৌনাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবে। কিন্তু উত্তেজনার বশত কোনো দুর্ঘটনা না ঘটতে পারে সে জন্য আইন প্রণেতাগণ ডাক্তাদের সরাসরি যৌনাঙ্গ দেখা নিষিদ্ধ করে দিয়ে সে ক্ষেত্রে আয়না ব্যবহার করে প্রতিবিম্বের মাধ্যমে রুগীর যৌনাঙ্গ দেখা ও পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়।

৬। ইসলাম ধর্মে মৃত ব্যক্তির জননেন্দ্রিয় দেখা নিষেধ। এমনকি যারা মৃত ব্যাক্তির গোসল ও দাফন কার্যে অংশ নিবে তাদের বেলায়ও একই শর্ত থাকবে। আর এই কারণে গোসল দেয়ার সময় লাশের জননেন্দ্রিয় এর উপর ইটের টুকরা কিংবা কাঠের টুকরা রেখে গোসল দেয়া হয়।
৭।কলম্বিয়ার কালী অঞ্চলের আইনে মেয়েদের বিয়ের পর স্বামীর সাথে তার বাসর রাত মায়ের উপস্হিতিতেই যাপন করতে হয়।
৮। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় বৈদুতিক বাতি জ্বালিয়ে সহবাস করা আইনত দন্ডনীয়।
৯। যুক্তরাষ্ট্রের উতাহ রাজ্যে এম্বুলেন্স এর ভিতর মেয়েদের যৌন সম্ভোগ করা নিষিদ্ধ। যদি কোনো মেয়ে এ কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে বা প্রমানিত হয় তাহলে আইনবলে সেই মেয়ের ছবিসহ সকল কুকীর্তি স্হানীয় পত্রিকায়
প্রকাশিত হয় পক্ষান্তরে পুরুষের বেলায় হচ্ছে “সাত খুন মাফ”।
১০। হংকং এ কামজ বিষয়ে ধর্মীয় বিধি-নিষেধ নাই । তবে কোনো স্ত্রী যদি মনে করে তার স্বামী তাকে প্রতারিত করেছে বা সে যদি প্রমান পায় তার স্বামী একজন ব্যভিচারী তখন সে কেবল তার নিজ হস্তে স্বামীকে খুন করতে পারবে পক্ষান্তরে একই অপরাধ যদি স্ত্রী করে থাকে তাহলে যে কোনো উপায়ে স্বামী তাকে খুন করতে পারবে।
১১। বলিভিয়ার সান্তা ক্রুজ এর আইনে একই সময়ে মেয়ে এবং তার মায়ের সাথে পুরুষের যৌন সম্ভোগ অবৈধ করা হয়েছে ।

১২ । কাপড়ের ভেতর দিয়ে লিঙ্গ খাড়া অবস্হায় দৃষ্টিগোচর হয় এ ধরনের পোষাক পরিধান যুক্তরাষ্টের আরিজোনা এবং উইসকনসিন এ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।
১৩। ইন্দোনেশিয়ায় হস্তমৈথুন করা একটি বিশাল অপরাধ এবং এই অপরাধ করার জন্য শাস্তি মৃত্যুদন্ড ।
১৪। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় মাছের সাথে পুরুষের যৌন সম্পর্ক করা অবৈধ ।
১৫। সিঙ্গাপুরে ওরাল সেক্স সম্পূর্ণ অবৈধ যদি পরবর্তিতে সেটি যোনি পথে সঙ্গম না হয় ।

সূত্রঃ ইন্টারনেট

Categories
অনলাইন প্রকাশনা ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক

ছেলে এবং মেয়েদের যৌন অক্ষমতার সমস্যা এবং তার সহজ মেডিকেল সমাধান

বাংলাদেশ একটি কনসারভেটিভ দেশ, তবে বর্তমানে এদেশের সেক্স কালচার অনেক ফাস্ট, অনেক কম বয়স থেকেই ছেলে মেয়েরা সব কিছু জানে, বুঝে এবং করে ( বিশেষ করে শহরে )। কিন্তু সেক্সের এট্রাকটিভ দিক গুলোতেই সবার সাভাবিক ভাবেই আকর্ষন বেশি এবং এসব সমন্ধে জানার আগ্রহ থাকে, বেশি। তবে সেকসু্যাল সমস্যার বেপারে রয়ে গেছে ভয়ানক অগ্যতা, এবং যা জানা থাকে তার বেশিরভাগি ভুল তথ্য। আমি এই পোস্টে এইডস এর বেপারে কোনো আলোচনা করবো না কারন বিদেশি ফান্ডের সুবাদে এই সমন্ধে যথেষ্ঠ প্রচারনা হয়। কিন্তু এইডস হচ্ছে একটি রেয়ার প্রবলেম, এর থেকে কমন কমন সমস্যা সমন্ধে বেশিরভাগ মানুষের কোন আইডিয়া নাই, যেসব সমস্যা ঘরের কাছের সমস্যা। আর কমন সমমস্যার নিয়ে অনেক আরটিকেল পেপার মেগাজিনে পরলেও এর সঠিক মেডিকাল সমাধান খুব কমি পরসি। তাই আমি চেষ্টা করবো কমন লেংগুয়েজে শুধু মাত্র মোস্ট কমন কারোন গুলো উল্যেখ করার এবং সহজ সমাধান গুলো তুলে ধরার চেস্টা করলাম। ছেলেদের কমন সেকসুয়াল সমস্যা এবং তার সমাধান।
মেইল ইমপোটেন্স:
ছেলেরা যেই বেপারে সবচাইতে বেশি চিন্তিত থাকে সেটা হচ্ছে ইরেকশন প্রবলেম। যদিও এই সমস্যা মধ্যবয়সিদের মাঝে বেশি দেখা দেয়, কিন্তু অনেকগুলো কারোনের জন্য দেশের যুবক শ্রেনিদের মাঝেও এখন এই সমস্যা টা একটি বরো সমস্যা।
ধুমপান: ইউথ ইমপোটেন্স বা যুবকদের যৈন অক্ষমতার প্রধান কারন গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ধুমপান, বাংলাদেশের মোটামুটি সবাই ধুমপান করে যা নাকি ওয়ার্ল্ডের ওয়ান অফ দা হাইয়েস্ট। দেশে অনেক আজিরা কথা প্রচলিত আছে যেমন গোল্ড লিফ খেলে সেক্স পাওয়ার কমে যায়, আর বেনসন খেলে তেমন একটা খতি হয় না। ইটস আ বুলশিট। নিকোটিন সব সিগারেটেই আছে কম বেশি আর সিগারেটের অন্যান্য খতিকারক কেমিকাল গুলো সব সিগারেটেই সমপর্যায়ে থাকে। যেসবের কারনে পেনিসের রক্তনালি সংকচিত হতে থাকে।
স্ট্রেস: এটি পশ্চমা দেশ গুলোতে ইমপোটেন্সের প্রধান সমস্যা তবে দেশেও এটি একটি উল্যেখযোগ্য কারন। বিভিন্য কারনে যদি মাথায় বিভিন্য ধরনের টেনশন থাকে তাহলে ব্রেইন সেক্সের দিকে যথেষ্ঠ এটেনশন দিতে পারেন না। আপনার যদি সেক্স করার সময় ( এনাফ ) ইরেকশন না হয়ে থাকে, কিন্তু মর্নিং ইরেকশন ঠিক থাকে তাহলে মনে করবেন আপনার ফিসিকাল পাওয়ার ঠিকি আছে কিন্তু স্ট্রেস বা অন্য কোন মানসিক সমস্যার কারনে মেন্টাল কনসেনট্রেশন টা নেই। ড্রাগস: ড্বাগসের মধ্যে বিশেষ করে হেরোইন এর জন্য ইমপোটেন্স হতে পারে। কোকেইন সেবনে প্রথম দিকে সাময়িক ইরেকশন হলেও পরে সেটা আর হয় না এবং উল্টো খতি করে।
ওভার এক্সপেকটেশন: এটি আসলে কোন সমস্যা না। এটি ভুল বুঝা বা জানার জন্য হয়। সেক্স কালচার বেশি অপেন হওয়াতে পর্ন দেখে বা মৈখিক মিথ্যরচনার কারনে দেশ বিদেশ সব খানেই সেক্স পাওয়ার সমন্ধে ৯০ ভাগ মানুশের একটি ভুল ইমেজ তৈরি হয়েছে। এই বেপারে দেখা যায় যে মানুশ মনে করে তার হয়তো সেক্স পাওয়ার কম, কিন্তু ডাক্তারের কাছে গেলে কোনকিছু ধরা পরে না ( যদিও দেশের ডাক্তাররা অযথা অনেক টেস্ট করাবে)। ডাক্তার জিগ্যেশ করার পর দেখা যায় তার সেক্সয়াল একটিভিটি নর্মালি আছে, কিন্তু পেশেন্ট সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। মানুস মনে করে যে ডেইলি এবং লং এনাফ সেক্স করতে না পারাটাই অক্ষমতার লক্ষন। আবার অনেকে তার পেনিসের লেনথ নিয়ে খুশি নয়। এসব হচ্ছে অযথা টেনশন, পর্ন মুভিতে যা দেখানো হয় সেটা নর্মাল সেকসুয়াল একটিভিটি নয়। আপনার বউ ( সেক্সুয়াল পার্টনার) কে জিগ্গেশ করুন যে সে সেটিসফাইড নাকি, তাহলেই কিস্সা খতম। এক্সেসিভ পর্ন দেখার বদৈলতে আবার নিজের বউ বা সেকসুয়াল পার্টনারের প্রতি এট্রাকশন কমে যায় অনেকের।
জেনে রাখা ভালো, এভারেজ সেক্সয়াল ফ্রিকয়েন্স হলো সপ্তাহে ৩ বার।
ডিইরেশন ১৫ মিন। পেনিস লেনথ রেস অনুযায়ি ভেরি করে। ইউরোপ এমেরিকা: ১৪,৫ সে. মি. চায়না/ জাপান: ১২ সে.মি. সাবকন্টিনেন্ট ( ইন্ডিয়া/ বাংলাদেশ): ১৩ সে.মি. থেরাপি:
সবচে এফেকটিভ থেরাপি হচ্ছে চেন্জ অফ লাইফ স্টাইল
-ধুমপান বন্ধ করুন। বেপারটি খুবি কঠিন, এই বেপারেও আপনি সঠিক মেডিকাল গাইড পেতে পারেন আপনার ডাক্তারের কাছ থেকে।
-যথেষ্ঠ বেয়াম করুন। ফিসিকাল মুগমেন্ট ভায়াগরা বা অন্যান্য অষুধ থেকে অনেক বেশি এফেকটিভ, বিশেষ করে ইয়াং দের জন্য। -সেক্স বেপারটাকে স্পোর্টসের মতন দেখবেন না যে এটা তে আপনাকে ফার্সট প্রাইজ আনতেই হবে। বাট হালকা / রিলেক্স ভাবে নেন দেখবেন ফার্সট প্রাইজ থেকা বেশি এনজয় পাচ্ছেন।
-ভায়াগ্রা থেরাপি ডাক্তারের পরামর্শ ছারা শুরু করবেন না। এতে সাময়িক উপকারিতা পেলেও লং টার্মের জন্য এফেকটিভ থেরাপি নয়। -আল্টারনেটিভ ( ফুটপাথের সপ্নে পাওয়া ) ওৈষধ থেকে ১০০ মাইল দুরে থাকুন )
মেয়েদের কমন যৈন অক্ষমতার সমস্যা:
মেয়েদের যৈন অক্ষমতার বেপারে রয়েছে আরো বেশি নলেজের অভাব। এটা যে হয় সেটাই ৯০ ভাগ মানুশ জানে কিনা সন্দেহ আছে, এমনকি স্বয়ং মেয়েরাও জানে না অনেক সময়। দেশে আমি এই পর্যন্ত কোথাও এই বেপারে কোনো আরটিকেল দেখি নাই।
ভাজাইনাল ড্রাইনেস এবং পেইনফুল ইন্টারকোর্স:
মেয়েদের বেলায় সেক্সুয়াল এরাউসালের ( যৈন উত্যেজনার ) সময় লুব্রিকেশন (যোনিরস) হয় যার ফলে ভাজায়না ভিজে যায় এবং সেক্স করতে ( পেনিস ঢুকতে ) সুবিধা হয়। লুব্রিকেশনের বেশির ভাগ ফ্লুইড (রস) ভাজাইনার দেয়াল থেকে নির্গত হয় তবে ছোট একটি গ্লেন্ড ( থলি )থেকেও কিছু বর হয়। অনেক মেয়েদের সমস্যা দেখা দেয় যে লুব্রিকেশন হয়না বা সময়মত হয়না, যার ফলে সেক্স এনজয়ের বদলে পেইনফুল হয় ( পেইনফুল ইন্টারকোর্স)।বেশিরভাগ মেয়েরা সেটা তার হাসবেন্ড কে জানায় না নিজের অক্ষমতা মনে করে। কিনতু এখানে খোলামেলা কথা না বললে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ভাজাইনাল ড্রাইনেসের সবচে বরো কারনটা আসলে ছেলেদেরই দোষ। ইন্টারকোর্স ( ভাজিনাতে পেনিস প্রবেশে) এর পুর্বে যথেষ্ঠ স্টিমুলেশন ( যৈন উত্যেজনা ) না থাকলে লুব্রিকেশন সময় মতন হয় না। ইন্টারকোর্সের আগে যথেষ্ঠ সময় আর এটেনশন নিয়ে সেক্সয়াল স্টিমুলশন ( কিসিং, সাকিং ) করলেই বেশিরভাগ বেলায় এর সমাধান সম্ভব। ছেলেদের যেমন পেনিসে রক্তনালিতে ফেট ( চর্বি ) জমার কারনে ইমপোটেন্সি হয় তেমনি মেয়েদের বেলাতেও তেমনি ভাজাইনাল ব্লাড ভেসেলের ( রক্তনালিতে ) চর্বি জমলে এই সমস্যা হতে পারে। তাই ব্লাড ভেসেলের চর্বি কমানোর চেস্টা করতে হবে। ফেট কম খাওয়া, বেয়াম করা, সিগারেট না খাওয়া হল এর উপায়।
আর্টফিসিয়াল লুব্রিকেশন: এরপরেয় যদি এনাফ লুব্রিকশন না হয় এবং সেক্স পেইনফুল হয় তাহলে আর্টিসিয়াল লুব্রিকেশন ( নকল যোনিরস) ইউজ করা যায়। দেশের মেয়েরা সাধারনত তেল বা ভেসলিন ইউজ করে থাকে কিন্তু এতে সমস্যা হচছে যে বেশি ইউজ করলে ভাজাইনার নরমাল বেকটেরিয়াল ফ্লোরা ( শরিরের জন্য উপকারি বেকটেরিয়া ) নষ্ট হয় এবং তাতে ঘন ঘন ভাজাইনাল ইনফেকশন হতে পারে। এর জন্য স্শেপয়াল আর্টিফিসিয়াল লুব্রিকেশন পাওয়া যায় যা নাকি ঘন পানির মতন হয়। ( বাংলাদেশে আছে কিনা জানিনা )। যদি তেল বা ভেসেলিন ইউজ করা হয় তাহলে সেটা সেক্সের পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

Categories
অনলাইন প্রকাশনা কৌতুক ব্যঙ্গকৌতুক

কিছু এডাল্ট কৌতুক: কারন, কৌতুক মানে হাসি, হাসি মানে সুস্থতা(১৮+)

১. সেন্স অব হিউমার

রাত্রিবেলা। সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলে স্ত্রী স্বামীর গলা জড়িয়ে ধরে বলল, এই বলনা আমার কোন জিনিসটা তোমার খুব ভালো লাগে? আমার সুন্দর চেহারার মুখটা নাকি আমার সেক্সি বডিটা?
স্বামী কিছুক্ষণ স্ত্রীর মুখ ও শরীরের দিকে চোখ বুলিয়ে তারপর বলল, তোমার সেন্স অব হিউমার!

২. মিথ্যুক বউ

১ম বন্ধুঃ দোস্ত, আমার বউটারে আর বিশ্বাস নাই। খালি মিথ্যা কথা কয়। কী যে করি!
২য় বন্ধুঃ কেন, কী হইছে দোস্ত?
১ম বন্ধুঃ আর কইস না। কাল রাতে আমি বাড়ি ছিলাম না। সকালে আইসা দেখি বউ ঘরে নাই। দুপুরে ফিরতেই জিগাইলাম, কই গেছিলা? কয় তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে গেছিল।
২য় বন্ধুঃ হুম, তয় বিশ্বাস না করার কী হইল?
১ম বন্ধুঃ আরে তার বোনতো রাতে আমার লগে ছিল।

৩. দৌড়ালে না কেন

ঘোড়দৌড়ে হেরে গেছে একটি ঘোড়া। রেগেমেগে জকিকে পাকড়াও করলেন এক ক্ষুব্ধ সমর্থক।
সমর্থক: তুমি কি এর চেয়ে জোরে দৌড়াতে পারতে না?
জকি: পারতাম।
সমর্থক: তাহলে দৌড়ালে না কেন?
জকি: কারণ, আমাকে ঘোড়ার ওপর বসে থাকতে বলা হয়েছে!

৪. ফুটবল কোচ

মনোবিজ্ঞানের ক্লাস চলছে। শিক্ষক বললেন, ‘ধরো, একটা লোক কিছুক্ষণ চুপচাপ চেয়ারে বসে থাকেন। হঠাৎ লাফিয়ে উঠে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন, লাফালাফি করেন, হাত-পা ছোড়াছুড়ি করেন। কিছুক্ষণ পর আবার বসে পড়েন। এই ব্যক্তি সম্পর্কে তোমাদের মন্তব্য কী?’
পেছন থেকে এক ছাত্র বলল, ‘তিনি নিশ্চয়ই একজন ফুটবল কোচ।’

৫. আমিও বোকা হব এবং…

শিক্ষক ক্লাসে বলছেন, ‘আজ রাতে যে ফাইনাল খেলা হবে আমি তাতে “এ” দলকে সমর্থন করছি। তোমাদের মধ্যে যারা “এ” দলকে সমর্থন করছ, তারা হাত তোলো।’
শিক্ষার্থীরা ভাবল, স্যারের বিরুদ্ধে মত দেওয়াটা ঠিক হবে না। সবাই হাত তুলল, শুধু পল্টু ছাড়া।
শিক্ষক: (কিছুটা মনঃক্ষুণ্ন হয়ে) পল্টু, তুমি কেন “এ” দলকে সমর্থন করছ না?
পল্টু: কারণ, আমার বাবা ‘বি’ দলকে সমর্থন করেন, আমার মা-ও ‘বি’ দলকে সমর্থন করেন।
শিক্ষক: হুম। তোমার বাবা যদি বোকা হন, তোমার মা যদি বোকা হন, তাহলে তুমিও কি বোকা হবে?
পল্টু: অবশ্যই আমিও বোকা হব এবং ‘এ’ দলকে সমর্থন করব!

৬.কোচের মাথায়

গলফ খেলছিল রাকিব। এমন সময় সেখানে উপস্থিত বন্ধু সজীব।
সজীব: রাখ তোর খেলা। চল, আমরা রেস্তোরাঁ থেকে খেয়ে আসি।
রাকিব: এখন যেতে পারব না। আমাকে ঠিক জায়গায় বলটা ফেলতে হবে। ওই যে দেখ, আমার কোচ দাঁড়িয়ে আছেন।
সজীব: তোর কোচ তো উল্টো দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি দেখবেন না। চল, আমরা চলে যাই।
রাকিব: দেখবেন না বলেই তো খেলছি। আমি চেষ্টা করছি বলটা কোচের মাথায় ফেলতে!

৭. বিখ্যাত দৌড়বিদ

দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে রুস্তম। বন্ধুদের নিয়ে রেস্তোরাঁয় খেতে গেল সে। এদিকে রেস্তোরাঁর দারোয়ান তাঁদের প্রবেশপথে আটকে দিল। বলল, ‘দুঃখিত স্যার, আপনি হাফপ্যান্ট পরে এসেছেন। হাফপ্যান্ট পরে আমাদের রেস্তোরাঁয় প্রবেশ নিষেধ।’
রুস্তম: ব্যাটা বুদ্ধু, কত বড় সাহস! আমাকে আটকে দিস! তুই জানিস আমি কে? আমি বিখ্যাত দৌড়বিদ রুস্তম।
দারোয়ান: তাহলে তো ভালোই হলো। এক দৌড়ে বাসা থেকে ফুলপ্যান্টটা পরে আসুন!

৮. কোনার দিকের সিট

অফিসের বস সর্দারজিকে বললেন, ‘সর্দারজি, আমাকে একটা সাহায্য করুন। আমি আর আমার বান্ধবী কাল সিনেমা দেখতে যাব। আপনি কি আজ আমাদের জন্য দুটো টিকিট কেটে রাখতে পারবেন?’
সর্দারজি: নিশ্চয়ই স্যার, আপনি টিকিট পেয়ে যাবেন।
বস: ইয়ে মানে… একটু কোনার দিকের সিটের টিকিট কাটবেন।
পরদিন সর্দারজি সিনেমা হলের দুই কোনার দুটো সিটের টিকিট বসের হাতে তুলে দিলেন!

৯. প্রিয় রং হলুদ

সর্দারজির প্রেমিকা: তোমার হাসি আমার খুব প্রিয়।
সর্দারজি: কেন?
সর্দারজির প্রেমিকা: কারণ, হলুদ আমার প্রিয় রং!

১০. প্রমাণিত

সর্দারজি একবার একটা মশার পাখা ছিঁড়ে ফেললেন। তারপর চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘উড়ে যা মশা, উড়ে যা!’
মশাটা তার জায়গায় অনড় পড়ে রইল।
সর্দারজিকে বেশ সন্তুষ্ট দেখাল। একটা খাতায় তিনি লিখলেন, ‘অতএব, পাখা ছিঁড়ে ফেললে মশা কানে শোনে না। প্রমাণিত।’

১১. হেলমেট কোথায়

সর্দারজি ট্রাফিক পুলিশের চাকরি নিয়েছেন। এক চালককে মাঝপথে আটক করলেন তিনি।
সর্দারজি: এই! তোমার হেলমেট কোথায়?
চালক: আরে বেকুব, ভালো করে দেখো।
সর্দারজি: ভালো করে দেখব আবার কী? স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি তুমি হেলমেট পরোনি।
চালক: ওপরে নয়, নিচে দেখো। এটা দুই চাকা নয়, চার চাকার গাড়ি। গর্দভ!

১২. আমার ভয় করে

সর্দারজির স্ত্রী: কী হলো, দরজার সামনে অমন ঠায় দাঁড়িয়ে আছো কেন?
সর্দারজি: বাঘ শিকারে যাব।
সর্দারজির স্ত্রী: তো যাও।
সর্দারজি: কিন্তু দরজার বাইরে একটা কুকুর বসে আছে, আমার ভয় করে!

১৩. এক ঘণ্টা আগে

হাসপাতালের চিকিৎসকের দায়িত্বে আছেন সর্দারজি। হন্তদন্ত হয়ে একদল লোক এল হাসপাতালে। বলল, ‘আমাদের ঝন্টুকে বাঁচান।’ সর্দারজি ঝন্টুকে পরীক্ষা করলেন। বললেন, ‘আমি দুঃখিত। রোগীকে হাসপাতালে আনতে আপনারা বড্ড দেরি করে ফেলেছেন। এক ঘণ্টা আগে নিয়ে আসতে পারলে আমরা একটা কিছু করতে পারতাম।
রোগীর আত্মীয়: আরে বুদ্ধু, ১৫ মিনিট আগে অ্যাকসিডেন্ট হলো, এক ঘণ্টা আগে আনব কী করে?!

১৪. আমাকে স্মরণ করুন

সর্দারজি একটা গাধা বিক্রি করবেন। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিতে গিয়ে ভাবলেন, একেবারে সাদামাটা ভাষায় না লিখে একটু কাব্যিক ভাষায় লেখা যাক!
অতঃপর সর্দারজি লিখলেন, ‘কারও যদি গাধা প্রয়োজন হয়, আমাকে স্মরণ করুন।’

১৫. গ্যালারিতে গিয়ে বসলেন আম্পায়ার

এক আম্পায়ারের কাণ্ড-কীর্তি মোটেই পছন্দ হচ্ছিল না দর্শকদের। পুরো গ্যালারি থেকেই দুয়োধ্বনি ভেসে আসছিল, ‘এই ব্যাটা আম্পায়ার… ভুয়া… বের হ… আহা, নিশ্চিত আউটটা দিল না…।’
একপর্যায়ে মাঠ থেকে বেরিয়ে গ্যালারিতে গিয়ে বসলেন আম্পায়ার। পাশ থেকে এক দর্শক বললেন, ‘কী ব্যাপার, আপনিও দর্শক হয়ে গেলেন নাকি?’
আম্পায়ার: না মানে… আপনাদের চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে মনে হলো, এখান থেকেই বোধ হয় খেলাটা ভালো দেখা যায়!

১৬. মনোযোগ নেই

খেলার মাঝপথে এক ফিল্ডারকে বললেন আম্পায়ার, ‘অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ করছি। এখন আর না বলে পারছি না। তুমি ব্যাটসম্যানকে ভেংচি কেটে বিরক্ত করছ কেন?’
ফিল্ডার: আমিও অনেকক্ষণ ধরে লক্ষ করছি। এখন আর না বলে পারছি না। ক্রিজে কী হচ্ছে, সেদিকে আপনার একেবারেই মনোযোগ নেই!

১৭. আউট হলাম কী করে

ব্যাটসম্যানের কবজির একটু ওপরে বল লেগে ক্যাচ উঠল। ফিল্ডার বল ধরতেই আম্পায়ার এক আঙুল তুলে ঘোষণা দিলেন, আউট!
ব্যাটসম্যান: সে কী! বল তো আমার হাতে লাগেনি! আউট হলাম কী করে?
আম্পায়ার: আগামীকালের খেলার খবর পাতা দেখে নিয়ো!

১৮. বাতাসে উড়ে বেল পড়ে গেছে

বোল্ড!
ব্যাটসম্যান: সে কী! আমি এ আউট মানি না। বল তো উইকেট স্পর্শই করেনি। সম্ভবত বাতাসে উড়ে বেল পড়ে গেছে।
আম্পায়ার: তোমার বাতাসকে বলো, তোমাকেও যেন উড়িয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে ফেলে।

১৯. রাজকার্যে মনোনিবেশ

রাজা নেমেছেন ক্রিকেট খেলতে। অন্য রাজ্যের এক অতিথি হলেন বোলার। বোলার বল ছুড়লেন, বল লাগল রাজার পায়ে। চিৎকার করে উঠলেন বোলার, ‘হাউজ দ্যাট!’
আম্পায়ার: জাহাঁপনা, আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে প্রাসাদের অভ্যন্তরে গিয়ে রাজকার্যে মনোনিবেশ করা আপনার জন্য একান্ত জরুরি।
রাজা: কী বলছ, ঠিক বুঝতে পারছি না। সহজ করে বলো।
আম্পায়ার: জাহাঁপনা আপনি আউট!

২০. হাঁটতে পারবে তো

চিৎকার করে এলবিডব্লিউর আবেদন করল বোলার, ‘হাউজ দ্যাট!’
এদিকে ব্যাটসম্যান তখন পায়ে বল লেগে ব্যথায় কোঁকাচ্ছে। ধীর পায়ে ব্যাটসম্যানের দিকে এগিয়ে গেলেন আম্পায়ার। বললেন, ‘হাঁটতে পারবে তো?’
ব্যাটসম্যান: হুম। রানার লাগবে না। আমি রান করতে পারব।
আম্পায়ার: রান করতে হবে না। হেঁটে হেঁটে প্যাভিলিয়নে ফিরতে পারলেই হবে। তুমি আউট।