Categories
অনলাইন প্রকাশনা কবিতা

সু-সন্তান

সু-সন্তান

–সাকি বিল্লাহ্

 

এমন সন্তান জন্ম দিও-গো মা-জননী,

কাঁপিবে বিশ্ব সত্যসম্ভারে, লুটাবে পায়ে ধরণী ।

অজুত গুনিয়া এমন সন্তান, না হয় ঘরে ঘরে,

তবু দিগ্বীজয়ে শুনি তারই জয় জয়কারে ।

সর্পিল জাত জন্ম দেয় বহু কিংবা কুক্করী,

জন্ম দিয়া সাপের বংশ বিলাপে মর্মবিদারী ।

 

এমন শিশু গড়ে তোলো হে পিতা,

অন্যায় রোধে দৃঢ় চিত্তে, কর্মে সদা সততা ।

দেশ ও দশের সেবায় যেন জীবন করে উৎসর্গ,

অন্যায় রোধিয়া নরককে বানাবে পূণ্য-ভূস্বর্গ ।

কোথায় আছে সে পিতৃকুল এ জগতে,

ছড়াবে আলোর কণা সুসন্তান যার কোলেতে ।

 

হে সন্তান তুমি বড় হও, দীর্ঘ হও, হও মহাশক্তিমান,

দেশ ও জাতির সকল কল্যাণে নিবেদিত করো আত্মপ্রাণ ।

Categories
অনলাইন প্রকাশনা

কবিতা □ মানবিকতা আজ নির্বাসনে

হায়েনার ছোবলে বিবেক কাঁদে
আজ নিশ্চুপ নিরালায়,
পাশবিক নির্যাতনে উল্লাসিত হয়
মানুষরূপী কিছু অমানুষের দল।

অসহায় শিশুর কান্না, বাচাঁর আকুতি
কিছুই পৌঁছায় না নরপশুদের কানে
মানবিকতা আজ চলে গেছে নির্বাসনে
তাই কেউ আজ এগিয়ে আসে না
আশার প্রদীপ হয়ে।

নোটন,রাজন ঝরে যায় অকালে
নির্মম, নিষ্ঠুর অমানবিক বর্ববতায়।

□ 25 july 2015
● উৎসর্গ – রাজন,নোটন

Categories
অনলাইন প্রকাশনা কবিতা

জান্নাতের চাবি

জান্নাতের চাবি
মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম
=====================
জান্নাতের চাবি মাগো, মা তুমি বিধির শ্রেষ্ঠ অনুদান,
তোমার সেবা করে জীবন আমার হয় যেন অবসান।
মা যদি হয় কারো বিজাত অনুসারী,
তবু মায়ের, করতে হবে সেবা তোমারি।
থাকতে মা-ধন, কর যতন, দিয়া তোমার মনপ্রাণ,
জান্নাতের চাবি মাগো, মা তুমি বিধির শ্রেষ্ঠ অনুদান।
এই জগতে কত মূর্খ নেয়না মায়ের খবর,
হারিয়ে মা, জিয়ারত করে মায়ের কবর।
মূর্খমানব, লাভ হবেনা করলে মায়ের কবরের সম্মান,
জান্নাতের চাবি মাগো, মা তুমি বিধির শ্রেষ্ঠ অনুদান।
জন্মদাতা মাতা কারো হয় যদি অসতী,
তবু মায়ের সেবা বিনে নাইরে তোমার গতি।
মায়ের সেবা কর আগে, পাইতে বিধির কৃপা দান,
জান্নাতের চাবি মাগো, মা তুমি বিধির শ্রেষ্ঠ অনুদান।
এই সমাজে দেখি কত মূর্খ অকাতরে,
ধার্মিক সেজে বসে আছে মসজিদে, মন্দিরে।
হায়রে মূর্খ! কে বলেছে মাকে বাদে কর প্রভুর সেবা-দান,
জান্নাতের চাবি মাগো, মা তুমি বিধির শ্রেষ্ঠ অনুদান।
মোহাম্মদ সহিদুল ইসলাম

Categories
কবিতা

কবিতা::::::: নীলাচল

অনেক উপরে আমি, বান্দরবনের
সুউচ্চ নীলাচল টিলায়
নিচে বহমান নদীর মতো
আকাঁবাকা হয়ে নেমে গেছে
সরু র্কাপেটের উচু-নিচু রাস্তা।

শহরের বুকে বড় বড় ইমারত
কিংবা খুঁড়ে ঘরগুলোকে মনে হচ্ছে
তরে তরে সাজানো ঠিক বাচ্চাদের খেলাঘর
সৃষ্টি সেরা মানুষগুলোকে উপর থেকে
দেখায় তখন পিঁপড়ার মতো।

যতদুর চোখ যায়, বিস্থীর্ণ প্রান্তর
জুড়ে সবুজের মিলন মেলা
বাতাশের শীতল ঝাপটা আর মেঘের
আলো-ছায়ার মুগ্ধতায় হৃদয়ের
বদ্ধ বাতায়ন খোলে যায়।

Categories
অনলাইন প্রকাশনা ইপুস্তকসমূহ(eBooks) কবিতা সৃজনশীল প্রকাশনা

মানুষ হয়ে আরেক মানুষ কেমনে করে খুন

ভাবতে আমার অবাক লাগে, শোনরে বলি শোন,
মানুষ হয়ে আরেক মানুষ কেমনে করে খুন ।
দাবী করি মানুষ মোরা, কাজের বেলায় পশু,
পশুর চেয়েও অধম, হতে বাধেনা আর কিছু।
তোমার ওছিলায় যদি কেহ জীবন ফিরে পায়,
দ্বিমত বন্ধু করিও না, তাকে সহায়তায়।
মানুষ তুমি, তোমার উপর আর যে কেহ নাই,
তোমার দ্বারা কষ্ট পাবে, কেন তোমার ভাই।
ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া করে, আছে অনেক ভ্রষ্ট,
রক্তের বাধন ছিন্ন করে চালায় তারা অস্ত্র।
এ দুনিয়ায় আর কত দিন করবা বাহাদুরী,
কখন যেন ঘাটে তুমার ভিড়বে এসে তরী।
শেষ খেয়াতে পার হইতে, আছেনি ভাই ভাড়া ?
নইলে কিন্তু পারঘাটাতেই পরবে তুমি ধরা।
একবারও কি ভাবছ তুমি, দিয়া তোমার মন,
কোথা হতে আসলে তুমি, কোথায় প্রত্যর্পণ।
ভাবতে আমার অবাক লাগে, শোনরে বলি শোন,
মানুষ হয়ে আরেক মানুষ কেমনে করে খুন ।
আর কতকাল খেলবা তুমি ভবের পুতুল খেলা,
পশ্চিমে তাকিয়ে দেখ ডুবছে তোমার বেলা।
তাইতো বলি বন্ধু সকল, করোনা আর অহংকার,
এক দিন তোমার সকল কিছু হবেই চূরমার ।
সময় থাকতে হুঁশিয়ার, কর তোমার মন,
নইলে কিন্তু ছাড়বেনারে  প্রভু চিরন্তন।
ভাবতে আমার অবাক লাগে, শোনরে বলি শোন,
মানুষ হয়ে আরেক মানুষ কেমনে করে খুন।

মোহাম্মাদ সাহিদুল ইসলাম (সিঙ্গাপুর প্রবাসী )
মেইল_ Sahidul_77@yahoo.com
H/P_6584027281