Categories
অনলাইন প্রকাশনা আত্ম উন্নয়ন বিনোদন ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

বাইরের সাহায্য ছাড়া যুবক-যুবতীদের প্রেম নিবেদন

যখন কোনও তরুণী তার হাবভাবে বা ব্যবহারে আর এক যুবকের প্রতি আসক্তি দেখায়, তখন ঐ যুবক আর কোনবও ঘটক বা মধ্যবর্ত্তী দূতের সাহায্য না নিয়ে নিজেই ঐ যুবতীকে লাভ করবার ব্যবস্থা করবে।
পাশা খেলা বা তাস খেলতে খেলতে ছলনা করে যুবক যুবতীর সঙ্গে ঝগড়া আরম্ভ করতে পারে। তখন যুবতী নিশ্চয়ই তার আকারে প্রকারে নানা রকম কামক্রিয়ার সূচনা করতে পারে।
অবসর পেলেই ঐ প্রেমিক যুবক যুবতীকে আল্‌গা আল্‌গা ভাবে অঙ্গ স্পর্শ করবে। তখন সে হয়তো এমন ছবি ঐ নায়িকাকে দেখাতে পারে যাতে দুটি মূর্ত্তি (একটি নারী একটি পুরুষ) পরস্পর আলিঙ্গন অবস্থায় অঙ্কত।
কোন মিলনের ছবি দেখিয়ে নায়িকাকে নায়ক তার মনের ইচ্ছা বোঝাতে পারে। অথবা নদীতে বা দীঘিতে দু’জনে স্নান করার সময় নায়ক একটু তফাতে ডুব মেরে একেবারে নারীর অঙ্গ ঘেঁসে উঠতে পারে। গা ঘেঁসে দূরে যেয়েও উঠতে পারে। এতে প্রেমাকর্ষণ বাড়ে।
বসন্ত উৎসবের সময় কোনও পাতায় তার মনের ইচ্ছার ছবি এঁকে তা ঐ প্রেমিকাকে দেখিয়ে তার মনের কথাটা জানাতে পারে।
ঐ যুবক তার প্রেমিকাকে বলতে পারে যে তাকে না পেলে বড় মন খারাপ হয়ে যায়। ঘুম আসে না, ঘুমোলে সে তাকে স্বপ্ন দেখে।
থিয়েটার বা যাত্রা দেখতে গিয়ে কোনও ছল করে সে ধীরে ধীরে তার অঙ্গ স্পর্শ করবে। খুব আসে- আসে- তার পায়ের বুড়ো আঙ্গুল নিজের আঙ্গুলে দিয়ে চেপে ধরবে। যে কোন নিশানাতেই নিজের মনের ভাব নায়িকাকে জানাবে-আমি তোমাকে ভুলতে পারি না। এসো দু’জনে একসঙ্গে থাকি।
যখন নায়ক বুঝবে-নায়িকা সত্যিই তার প্রতি আসক্ত তখন সে অসুখের ভান করবে। নায়িকাকে ডেকে পাঠাবে-নায়িকা হয়ত এসে মাথায় গায়ে হাত বুলাবে।
তখন নায়ক বলবে-উঃ কি আরাম। এত ওষুধ খাওয়া হলো, তাতে কিছুই হলো না। তোমার সামান্য স্পর্শে আমি খুব আনন্দ পেলাম, আমি অনেক সুস্থ।
তারপর সে নায়িকার অনেক প্রশংসা করবে। এইভাবে ধীরে ধীরে নায়িকা আকৃষ্ট হ’লে দু’জনে কোনও দিন নিভৃতে থাকাকালে নায়ন যৌন কার্যের কথা বলবে। এটি অন্ধকারে করা উচিত-কারণ অন্ধকারে নায়িকাদের প্রেম কামনা বৃদ্ধি পায়।
একান্ত কিছুতেই স্বীকৃতি না পেলে নায়িকার কোন সখী বা সাথীদের সাহায্য নেওয়া উচিত।
যখন কোনও তরুণী সাধারণ কোন জায়গায়, দেব মন্দির কিংবা উৎসবের জায়গায় কোনও তরুণের প্রতি ভালবাসা দেখায় (যমন চাউনি, হাসি খুশি ইত্যাদি) তখন বুঝতে হবে ঐ তরুণ ইচ্ছুক হলেই তরুণীটিকে সে লাভ করতে পারে। শুধু চাই ধৈর্য্য, কৌশল ও অধ্যবসায়।

ইচ্ছুক নারীদের কর্তব্য
যখন কোনও নারী তার মনের মত পুরুষ পেতে ইচ্ছুক হয়, তখন এমনও হতে পারে যে ঐ তরুণীকে সে কিছুতেই যোগাড় করতে পারে না।
এরূপ ঘটনা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে ঘটতে পারে। যথা-
১। কোন সম্ভ্রান্ত কন্যা, সুন্দরী, গুণবতী কিন্তু আর্থিক অভাবগ্রস্ত।
২। নারী গুণবতী, সুন্দরী কিন্তু উচ্চবংশের নয়।
৩। পিতৃমাতৃহীন, মাতুলালয়ে প্রতিপালিত।
৪। স্বামী জোগাড় করে দেবার লোকের অভাব।
৫। বয়সে বিবাহ যোগ্যের হয়ে বেশি।
এইসব ক্ষেত্রে হলে নিজের চেষ্টা করে তার মনোমত প্রতি যোগাড় করে নেবে।
সে তখন একজন পরিশ্রমী, উদ্যমশীল ও সুশ্রী তরুণকে মনে মনে ঠিক করে নেবে।
হয়তো বাল্যকালে যে সব বালকের সঙ্গে সে খেলাধূলা করেছিল, তাদের একজনকে ঠিক করে নিতে পারে। অথবা এমন যুবককে মনে মনে ঠিক করবে-যে তার প্রতি কিছু কিছু ইশারায় আসক্ত হয়েছে।
সেই যুবক এমন চিহ্ন প্রকাশ করেছে যে, নায়িকার মত পেলে সে তাকে বাবা মার মতের বিরুদ্ধেই বিয়ে করতে পারে। তাকে পাবার জন্যে নিজের পৈতৃক ধন্তসম্পত্তিও বিসর্জন দিতে পারে। এমন কি সমাজের নিন্দা বা নিষেধাজ্ঞা সে অগ্রাহ্য করতে পারে।
মনে মনে এমনি পাত্র ঠিক করে সে সেই তরুণের সঙ্গে নিভৃতে দেখা করবে। হাব ভাব ইঙ্গিতে সে তাকে আকর্ষণ করতে চেষ্টা করবে।
সুযোগ পেলে সে গোপনে নায়ককে ফুলের মালা বা গন্ধ দ্রব্য উপহার দিতে পারে।
নায়িকা নিভৃতে নায়ককে মনের ভাব জানাবে-তার কাণের কাছে মুখ নিয়ে ফিস্‌ফিস্‌ করে গল্প করবে, দেখবে, নায়ক তাকে চায় কিনা।
যদি নায়ক তা চায় সে তখন নায়িকার দেহ স্পর্শ বা আলিঙ্গণ করবে।
নায়িকা আগে বুঝবে, নায়ক তাকে গ্রহণ করতে সত্যি রাজী কিনা। যদি দেখে নায়ক তাকে গভীর ভাবে ভালবাসে-তখন সে নায়কের চুম্বন বা আলিঙ্গনের উত্তর দেবে।
নায়ক যদি যৌন মিলনের প্রস্তাব করে নায়িকা তাতেও রাজী হবে।
তারপর দু’জনে চুম্বন, আলিঙ্গন করবে। নায়ক তার দেহ মর্দন করলে সে তা উপভোগ করবে। কিন্তু আগে দেখা উচিত নায়ক যেন বিশ্বাসী হয়-অর্থাৎ উপভোগ করে ত্যাগ করতে না পারে।
মিলনের সময় নায়ক চাইলে, নায়িকা তার বাম হাত দিয়ে নায়কের লিঙ্গ স্থানে চাপ দিতে পারে।
নায়িকার যোনিতে হাত দিয়ে নায়কের লিঙ্গ স্থানে চাপ দিতে পারে।
নায়িকার যোনিতে হাত দিয়ে চাইলে, সে মৃদু আপত্তি করবে, তাতে বাধা দেবে না।
কিন্তু প্রত্যক্ষ যৌন মিলনে রাজী হওয়া উচিত-যতক্ষণ অন্ততঃ গান্ধর্ব বিয়ে অনুষ্ঠিত না হচ্ছে।
এ বিষয়ে পরে বলা হবে।

নারী কিরূপ পুরুষ চায়
১। বলিষ্ঠ, স্বাস্থ্যবান ও যুবক।
২। সুন্দর গাত্রবর্ণ, সুদর্শন ও সুশ্রী।
৩। যার মধ্যে নিজস্ব স্বকীয়তা বা বিশেষ দৃঢ়তা আছে।
৪। যে কিছুটা অহঙ্কারী, গর্ব্বিত।
৫। যার প্রচণ্ড আত্নবিশ্বাস আছে।
৬। যার বিশেষ ব্যক্তিত্ব ও দৃঢ়তা আছে।
৭। যে পুরুষের নিজস্ব উপার্জন যথেষ্ট এবং সে তাকে প্রতিপালন করার যোগ্য।
৮। যে পুরুষের অন্য স্ত্রী নাই-বা অন্য নারীর প্রতি গভীর আসক্তি নাই।
৯। যে নির্ভরযোগ্য ও তাকে সারা জীবন আশ্রয় দিতে পারবে।
১০। নায়ক সুশিক্ষিত, মার্জিত ও রুচি সম্পন্ন হলে খুব ভাল হয়।
১১। খেয়ালী ও কল্পনা প্রবণ পুরুষকেও অনেক নারী পছন্দ করে থাকে।
১২। যে পুরুষের নানা গুণ আছে-যেমন,গান, বাজনা, শিশুসাহিত্য, কাব্য ইত্যাদি। কোনও বিশেষ গুণের অধিকারী যে পুরুষ।
১৩। যে পুরুষ উচ্চ বংশ উদ্ভুত।
১৪। বয়সে নারীর চেয়ে কিছুটা অন্ততঃ পাঁচ-ছয় বছরের বড়।
১৫। যে পুরুষ নারীকে সত্যিই গভীর ভাবে ভালবাসে।
১৬। খুব কামুক বা লম্পট পুরুষকে চায় না।
১৭। বয়স্ক বা অনাসক্ত পুরুষকে চায় না।
১৮। জুয়াড়ি বা বেশ্যাসক্ত পুরুষকে চায় না। এই ধরণের অন্যান্য গুণ থাকলেও তাকে নারী ঘৃনা করে।
১৯। যে পুরুষ হৃদয়হীন বা অত্যাচারী ও স্বেচ্ছাচারী হয় তাকে নারী চায় না।
২০। যে পুরুষ পৌরুষত্বহীন বা দৃঢ়তাহীন তাকেও নারী চায় না।

Categories
অনলাইন প্রকাশনা আত্ম উন্নয়ন ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

দাম্পত্য জীবনে রোমান্স বাড়াতে..

জীবনে আরেকটু রোমান্স চাচ্ছেন ? আরো কিছু সুন্দর মুহূর্ত যোগ করতে চান আপনার রঙ্গিন মাহিন্দ্র ক্ষণে ? তাহলে এই টিপসগুলো শুধুই আপনার জন্য
প্রতিদিনের সেই একই রুটিন ও অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করুন। ঘরের পুরনো কক্ষটি রেখে এবার অন্তত এক রাত্রির জন্য হলেও মনোরম কোন স্থানে ভালো কোন হোটেলের একটি রুম ভাড়া করতে পারেন। তারপর সে কক্ষের লাইটটি বন্ধ রেখে, আপনি জ্বালাতে পারেন একটি মোমবাতি ! এরপর হেটেলের ওয়েটার, অথবা সঙ্গিনীকে বলুন, আলতো করে শরীরে তেল মালিশ করে দিতে।
একটু সচেতন হলেই এভাবে জীবনকে উপভোগ করতে পারেন আপনি। দাম্পত্য জীবনের যৌন সম্পর্কই কেবল আপনার সুখের একমাত্র উপাদান হতে পারে না। সুখ র্খুঁজে নিতে হবে ছোট্ট-ছোট্ট অনুষঙ্গ থেকে।
সুযোগ পেলে প্রশংসা করতে ভুল করবেন না আপনার জীবন সঙ্গি বা সঙ্গিনী। এরা আপনার কাছে কতখানি গুরুত্বপর্ণ, কতটা সুন্দর- এগুলো বলুন না এক সময়। দেখবেন, সময়গুলো কত মধুময় হয়ে উঠছে! চেষ্টা করবেন, সব অবস্থায় জীবনকে উপভোগ করতে।
বেডরুমে নতুন কিছু করার চেষ্টা করতে ভয় পাবেন না। একই খাবার যেহেতু আপনি প্রতিদিন খান না, সুতরাং বেডরুমে সেই পরনো ধারাটাই বা কেন রেখে চলবেন? এ রাজ্য নতুনত্ব চায়। তাই মজাদার নতুন পদ্ধতি গ্রহণ করুন। আর এমন কিছু করুন, যেটি আপনার সঙ্গি বা সঙ্গিনীকে মজা দেবার সাথে সাথে অবাক করে দিতে বাধ্য হয়।
এছাড়া, আপনার বেডরুম শয্যাশায়ী হওয়া ও সময় কাটানোর জন্য আরামদায়ক কিনা, আরেকবার দেখে নিন। মনে রাখবেন, রোমান্টিক পরিবেশই রোমান্স সৃষ্টিতে সহায়তা করে থাকে। তাই ঘরটিকে আরেকটু গুছিয়ে রাখা ভালো।
Categories
অনলাইন প্রকাশনা আত্ম উন্নয়ন ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

দাম্পত্য জীবনে গোপনীয়তা ও বিশ্বস্ততা

সফল, সুখী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ দাম্পত্য জীবনের জন্য অনেক কিছুকেই গুরুত্ব দিতে হয়।
এসবের মধ্যে সততা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। সে জন্যই হয়তো বলা হয়ে থাকে, দাম্পত্য জীবনে গোপনীয়তা ও বিশ্বস্ততা একসঙ্গে চলতে পারে না।
আবার অনেক সময় দেখা যায়, সামান্য একটু বিষয় ফাঁস হয়ে গেলেই দীর্ঘদিনের মধুময় বিবাহিত জীবন মুহূর্তের মধ্যেই বিষিয়ে ওঠে। তাই বিষয়টি নিয়ে সমাজবিজ্ঞানী ও মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণার যেন অন্ত নেই। বিষয়টিকে বিভিন্নজন বিভিন্ন ব্যাখ্যা করেছেন।
লাইট হাউজ এরাবিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোচিকিৎসক সালিহা আফ্রিদি মনে করেন, স্বামী ও স্ত্রী নিজেদের মধ্যে স্বচ্ছতা বিধানের চেষ্টা করলেও কখনও কখনও গোপনীয়তার প্রয়োজন রয়েছে। যেমন কেউ যদি বিশ্বাস করে আপনাকে কোন গোপন কিছু বলে থাকে তাহলে তা আপনার জীবনসঙ্গী অথবা অন্য কাউকেই বলা ঠিক নয়। তেমনি নিজের অতীত সম্পর্কে মিথ্যা বলার চেয়ে সবকিছু শেয়ার না করাই ভাল।
গোপনীয়তার আরেকটি দিক হচ্ছে অর্থনৈতিক বিষয়াদি। স্ত্রী রোজগার করুক আর নাই করুক তার এ বিষয়ে জানার অধিকার রয়েছে।
অন্যদিকে, অনেককেই তাদের জীবনসঙ্গীর কাছে কিছু বিষয় গোপন রাখতে দেখা যায়। কারণ, তারা এসব বিষয় অন্যকে জানাতে লজ্জা পান। যদি তাদের এ গোপনীয়তা দাম্পত্য জীবনকে আঘাত করার মতো না হয় তবে তা দোষের কিছু নয়।
কোন সত্য যদি বিবাহিত জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো হয় তাহলে তা গোপন রাখা উচিত বলে মনে করেন ‘দ্য সিক্রেট লাইফ অব ওয়াইভস’ বইয়ের লেখক আইরিস ক্রাসনো।
তিনি এ বইয়ে দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে প্রায় ২০০ মহিলার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন। এতে তিনি বলেছেন, মিথ্যা এবং গোপনীয়তা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
সবারই কিছু গোপন বিষয় থাকে। আফ্রিদির মতে, কোন বিষয় গোপন করার আগে মানুষকে দাম্পত্য জীবনে ওই বিষয়টির নিরাপত্তাহীনতা অথবা গ্রহণযোগ্যতার অভাব রয়েছে কিনা তা ভেবে দেখতে হবে।
জোসেফ ফ্রিটল ও টাইগার উডসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মানুষকে তার দাম্পত্য জীবনে আমি, তুমি এবং আমরা- এ তিনটিকে সম্পূর্ণ আলাদা অস্তিত্ব হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। এ বিষয়গুলোকে একাকার করে ফেলা উচিত নয় বলে তিনি মত দিয়েছেন।
Categories
অনলাইন প্রকাশনা ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

স্বামী বশীভূতকরণ মন্ত্র

– নিশাত ইয়াসমিন

মানুষের জীবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হচ্ছে বিয়ে। আর বিয়ের পর সুখী দাম্পত্য জীবন কে না চায়? দাম্পত্য জীবনে ছোটখাটো অনেক ভুলভ্রান্তি হয়। ফলে দাম্পত্য জীবনে আসে অশান্তি। সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য এই ভুলগুলোকে আমাদের এড়িয়ে চলা উচিত। সুখী দাম্পত্য জীবন গড়তে মেয়েদের জন্য রইলো কিছু টিপস।

* স্বভাবতই আপনার স্বামী চান যে আপনি তাকে একটু বেশি ভালবাসবেন এবং যত্ন নিবেন। চেষ্টা করুন তাকে তার প্রতিদিনের টুকিটাকি কাজগুলোতে সাহায্য করতে। অফিস যাওয়ার আগে তার কাপড় ইস্ত্রী করে রাখলেন, অফিসে যাবার ব্যাগটা গুছিয়ে দিলেন ইত্যাদি। এতে আপনি ছোট হবেন না বরং আপনি যে তাকে ভালোবাসেন এবং তার প্রতি যত্নবান, সেটা তারই বহিঃপ্রকাশ ।

* স্বামীর চাওয়া পাওয়া বুঝতে চেষ্টা করুন। দেখবেন প্রথম প্রথম যদি বুঝতে কিছুটা সমস্যা হয় তাহলেও কিছু দিন পর পুরোপুরি বুঝে যাবেন তার পছন্দ অপছন্দ। এতে করে তার সাথে সবকিছু মানিয়ে নিতে বেশ সহজ হয়ে যাবে সময়ের ব্যবধানে।

* অনেক মেয়ের মধ্যেই একটি সাধারণ প্রবণতা দেখা যায়। সেটা হলো স্বামীকে আপাদমস্তক পাল্টে ফেলা। প্রথম প্রথম এসবে সে অনেক খুশি হলেও একসময় বিরক্ত হয়ে ওঠে। ফলে হিতে বিপরীত হয় প্রায় সবারই। সুতরাং তার টুকটাক খারাপ অভ্যাস ছাড়াতে চেষ্টা করলেও পুরো নতুন করে গড়বেন এরকম ভাবনা মাথায় না রাখাই ভালো। চেষ্টা করুন টুকটাক সমস্যাগুলো মানিয়ে নিতে।

* কারো প্রশংসা করতে পারা একটি বড়ো গুণ। সবাই সেটা পারে না। ছোটখাটো কাজের জন্যও তাকে ধন্যবাদ দিন। চা বানিয়ে খাওয়ালে, লন্ড্রি থেকে কাপড় নিয়ে আসলে বা রান্নার কাজে সাহায্য করলেও তাকে ধন্যবাদ দিন। দেখবেন তার কাজ করার আগ্রহ বেড়ে গেছে। পাশাপাশি তাকে খুশিও দেখাবে অনেকটা।

* ঘরের গীত বাইরে গাইবেন কেন? আপনাদের দুজনের ব্যাপার বাইরের কেউ জানবে কেন? বাইরে কারো সামনে কখনো স্বামীকে নিয়ে এমন কোন কথা বলবেন না যা শুনলে সে কষ্ট পাবে। অন্যের সামনে স্বামীকে নিয়ে আলোচনা করলেও সবসময় চেষ্টা করবেন তার ভালো দিকগুলো নিয়ে কথা বলার ।

* সুখী বৈবাহিক জীবনের সবচেয়ে বড় ভিত হলো বিশ্বাস। স্বামীকে বিশ্বাস করুন, সম্মান করুন, সহযোগিতা করুন তার কাজে, মন থেকে ভালবাসুন তাকে। দেখবেন বিনিময়ে আপনিও তার কাছ তাই পাচ্ছেন ।

* তিনি যেটা পছন্দ করেন সেটা করার চেষ্টা করুন আর যেটা তিনি অপছন্দ করেন সেটা না করার চেষ্টা করুন। তবে নেহাত তার মতের বিপরীতে যেতেই হলে যুক্তি দিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরুন। দেখবেন তিনিও আপনার মতামতের মূল্য দিচ্ছেন আস্তে আস্তে।

* যোগাযোগ সম্পর্কের অন্যতম মাধ্যম। দুজনের বন্ধুত্ব গাঢ় করুন। একে অন্যের সুখ দু:খের গল্প ভাগাভাগি করে নেবার চেষ্টা করুন। নিজের কথাই শুধু না বলে তার কথাও শুনুন। তাকে গুরুত্ব দিন।

* উপভোগ করতে শিখুন। যে কোনো বিশেষ দিনে তাকে ছোটোখাটো উপহার দিন। আবার তিনি যদি আপনার জন্য কোন বিশেষ উপহার নিয়ে আসেন তাহলে সেটা সাদরে গ্রহণ করুন। পছন্দ না হলেও কখনো সেটা বুঝতে দেয়া মোটেও উচিত নয়। এতে সঙ্গী মনে আঘাত পেতে পারেন।

* মানুষ মাত্রই ভুল করে। তাই আপনার সঙ্গী যদি কোন ভুল করেও বসে তাহলে চিৎকার করে রাজ্য মাথায় করবেন না। প্রথমে তার ভুলটা চিহ্নিত করুন। বুঝতে চেষ্টা করুন,ব্যাপারটিতে তার সম্পৃক্ততা কতটা। তারপর সেটা নিয়ে তার সাথে আলোচনা করুন। তাকে শান্তভাবে বোঝান। রেগে কখনো কোন সঠিক সিদ্ধান্তে আসা যায়না। সূত্র: ইন্টারনেট।

 

Categories
অনলাইন প্রকাশনা বিনোদন ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

ব্যতিক্রমী-নির্লজ্জ উলঙ্গ বিয়ে !

 
“শুভ বিবাহ” শব্দটা শুনলেই যেনো সবার মনটা আনচান করে উঠে। বর-কণে, উৎসব-আনন্দ সহ অনেক কিছুই মিশে রয়েছে বিবাহ শব্দটির মধ্যে। বিয়ে একটি মানবিক বিষয়। মানুষ যখন প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে উঠে তখন সে তার জৈবিক চাহিদা মেটানো ও পারিবারিক কাঠামো তৈরি করার জন্য ধর্মীয় রীতি নীতি অনুযায়ী বিয়ে করে থাকে। মানুষের জন্ম লগ্ন থেকে শুরু করে আজ অবধি বিশ্বে বিয়ে প্রথা প্রচলিত আছে এবং থাকবে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নিয়মে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। বিয়েকে ঘিরে উৎসব আমেজও বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। বিয়েতে সাধারণত বিয়ের দিন বর ও কণে উভয়ই ঐতিহ্যগত ও ধর্মীয়ভাবে ঝলমলে পোশাক পরিধান করে থাকে। বর্তমান আধুনিক সমাজে প্রত্যেকটা বিষয় পরিবর্তন হচ্ছে ঠিক তেমনি বিয়ের উৎসবেও এসেছে অনেক পরিবর্তন ও নতুনত্ব। আধুনিক এই বিশ্বে মানুষ সব কিছুতেই একটু ব্যতিক্রম খোজার চেষ্টা করে। ফলে পৃথিবী আধুনিক হচ্ছে নাকি অসভ্য হচ্ছে সেটাও একটি মূল্যবান প্রশ্ন। আপনারা হয়তো ভাবছেন বিয়ের অনুষ্ঠানে আবার সভ্য-অসভ্যের কথা আসছে কেন? আসছে এই কারণে যে, বিয়েতে ব্যতিক্রম আনার জন্য মানুষ সভ্যতার চূড়ান্ত সীমা লংঘন করে ফেলছে। আপনি কি কল্পনা করতে পারেন যে, একটি বিয়ে অনুষ্ঠান চলছে আর সেখানে বর কণে পুরো উলঙ্গ হয়ে বসে আছে। হয়তো এমন অবস্থা কল্পনাও করতে পারছেন না। কিন্তু এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে জ্যামাইকাতে। আর এই ঘটনাটি বেশ সমালোচনার জন্ম দিয়েছে বিশ্ব ব্যাপী।
২০১২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারী তারিখে জ্যামাইকার সমুদ্র সৈকতে আয়োজন করা হয়েএক নগ্ন বিয়ের উৎসব। যে বিয়ের অনুষ্ঠানে বিয়ে পড়ানো হয় ৯ জোড়া বর কনেকে। যে অনুষ্ঠানটি ছিল খুবই রুচিহীন ও সমালোচনা মুখর। এ দিন বিয়ের অনুষ্ঠানে বর-কণের পায়ে দামি জুতা, হাতে রিস্টব্যান্ড এবং গলায় টাই আর নেকলেস থাকলেও তাদের শরীরে ছিল না কোনও পোশাক। শরীরে কোনও পোশাক না থাকলেও যথারীতি কনেদের অনেকের মাথায়ই ছিল ঘোমটা বা অবগুণ্ঠন! আবার দু-একজন কণে মুকুট বা হ্যাটও পরেছিলেন। উলঙ্গ বর-কনেরা যাতে সহজেই সবার চোখে পড়ে সেজন্য তাদের দেহে বাড়তি সৌন্দর্য ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে তাদের শরীরে ব্যবহার করা হয়েছিল উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করার পেইন্ট! আর কনেদের হাতে লাগানো হয়েছিল লাল, সাদা আর হলুদ রংয়ের বাহারি ফুল।
নয়টি নগ্ন জুটির আলোচিত-সমালোচিত এ গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয় জামাইকার নেগ্রিল সমুদ্র সৈকতে উন্মুক্ত আকাশের নিচে। এমন নির্লজ্জ ও উদ্ভট নগ্ন বিয়ের আয়োজন করেছিল ‘দ্য হেডোনিজম টু রিসোর্ট’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করার পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানটি একই সঙ্গে বহন করেছে এই নয় জুটির নগ্ন হয়ে বিয়ে করার যাবতীয় খরচও।
নগ্ন বিয়ের এই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখে অংশগ্রহণকারীদের বাছাই করার জন্য ‘কেন তোমরা নগ্নতার মধ্য দিয়ে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে চাও?’ এ প্রশ্নটিসহ আরও কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়। এসব প্রশ্নের সঠিক উত্তরদাতার মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয় ১০০ জুটিকে। পরে এদের মধ্য থেকে বাছাই করা হয় ভাগ্যবান সেরা ১০ জুটিকে। যাদের প্রদান করা হয় নগ্ন বিয়ের বিশেষ সুযোগ। আনন্দের বিষয় এই যে, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য মোট ১০টি জুটি নির্বাচন করা হলেও পরে একটি জুটির শুভবুদ্ধির উদয় হলে তারা এই অনুষ্ঠান থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। ফলে অনুষ্ঠানটি নয়টি জুটিকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
নগ্ন বিয়েতে অংশ গ্রহণ করে এই নয় জুটি নিজেদেরকে সৌভাগ্যবান ভেবেছে। অবশ্য বিশ্বের বিবেকবান মানুষরা ভেবেছে তারাই সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট জীব। এই বিয়েকে ঘিরে জ্যামাইকা সহ সমগ্র বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বিবেকবান মানুষেরা আশা করেন আধুনিকতা বা ব্যতিক্রমতার নামে ভবিষ্যতে কেউ যেনো আর কোনও দিন এই ধরনের নির্লজ্জ কাজে অংশ গ্রহণ বা আয়োজন না করে।
– (সুমন)
Categories
অনলাইন প্রকাশনা বিনোদন ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

দাম্পত্য জীবন

– সৈয়দ মুজতবা আলী

কথায় কথায় বিবাহিত জীবন নিয়ে আলোচনা। সায়েব বললে, ‘লন্ডনে একবার স্বামীদের এক আড়াই মাইল লম্বা প্রসেশন হয়েছিল, স্ত্রীদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবার জন্য। প্রসেশনের মাথায় ছিল এক পাঁচ ফুট লম্বা টিঙটিঙে হাড্ডি-সার ছোকরা। হঠাৎ বলা নেই, কওয়া নেই ছ’ফুট লম্বা ইয়া লাশ এক ঔরত্ দুমদুম করে তার দিকে এগিয়ে গিয়ে তার হাত ধরে এক হ্যাঁচকা টান দিয়ে বললে, “তুমি এখানে কেন, তুমি তো আমাকে ডরাও না। চলো বাড়ি।” সুড়সুড় করে ছোকরা চলে গেল সেই খাণ্ডার বউয়ের পিছনে পিছনে।’
আমার চীনা বন্ধুটি আদব-মাফিক মিষ্টি মৌরী হাসি হাসলেন। সায়েব খুশী হয়ে চলে গেল।
গুটিকয়েক শুকনো নিমপাতা টেবিলের ওপর ঝরে পড়ল। বন্ধু তাই দিয়ে টেবিলক্লথের উপর আল্পনা সাজাতে সাজাতে বললেন, ‘কী গল্প! শুনে হাসির চেয়ে কান্না পায় বেশী।’ তারপর চোখ বন্ধ করে বললেন—
‘চীনা গুণী আচার্য সু তাঁর প্রামাণিক শাস্ত্রগ্রন্থে লিখেছেন, একদা চীন দেশের পেপিং শহরে অত্যাচার-জর্জরিত স্বামীরা এক মহতী সভার আহ্বান করেন। সভার উদ্দেশ্য, কি প্রকারে নিপীড়িত স্বামী-কুলকে তাঁদের খাণ্ডার খাণ্ডার গৃহিণীদের হাত থেকে উদ্ধার করা যায়?
‘সভাপতির সম্মানিত আসনে বসানো হল সবচেয়ে জাঁদরেল দাড়িওলা অধ্যাপক মাওলীকে। ঝাড়া ষাটটি বছর তিনি তাঁর দজ্জাল গিন্নীর হাতে অশেষ অত্যাচারে ভুগেছেন সেকথা সকলেরই জানা ছিল।
‘ওজস্বিনী ভাষায় গম্ভীর কণ্ঠে বজ্রনির্ঘোষে বক্তার পর বক্তা ঘণ্টার পর ঘণ্টা আপন আপন অভিজ্ঞতা বলে যেতে লাগলেন। স্ত্রীলোকের অত্যাচারে দেশ গেল, ঐতিহ্য গেল, ধর্ম গেল, সব গেল, চীন দেশ হটেনটটের মুল্লুকে পরিণত হতে চলল, এর একটা প্রতিকার করতেই হবে। ধন-প্রাণ সর্বস্ব দিয়ে এ অত্যাচার ঠেকাতে হবে। এস ভাই, এক জোট হয়ে—
‘এমন সময় বাড়ির দারোয়ান হন্তদন্ত হয়ে ছুটে এসে বলল, “হুজুুররা এবার আসুন। আপনাদের গিন্নীরা কি করে এ সভার খবর পেয়ে ঝাঁটা, ছেঁড়া জুতো, ভাঙা ছাতা ইত্যাদি যাবতীয় মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এদিকে ধাওয়া করে আসছে।”
‘যেই না শোনা, আর যাবে কোথায়? জানলা দিয়ে, পেছনের দরজা দিয়ে, এমন কি ছাত ফুটো করে, দেয়াল কানা করে দে ছুট, দে ছুট! তিন সেকেণ্ডে মিটিঙ সাফ—বিলকুল ঠাণ্ডা!
‘কেবলমাত্র সভাপতি বসে আছেন সেই শান্ত গম্ভীর মুখ নিয়ে—তিনি বিন্দুমাত্র বিচলিত হন নি। দারোয়ান তাঁর কাছে ছুটে গিয়ে বারবার প্রণাম করে বলল, “হুজুর যে সাহস দেখাচ্ছেন তাঁর সামনে চেঙ্গিস খানও তসলীম ঠুকতেন, কিন্তু এ তো সাহস নয়, এ হচ্ছে আত্মহৎযার শামিল। গৃহিণীদের প্রসেশনে সক্কলের পয়লা রয়েছেন আপনারই স্ত্রী। এখনো সময় আছে। আমি আপনাকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাচ্ছি।” সভাপতি তবু চুপ। তখন দারোয়ান তাঁকে তুলে ধরতে গিয়ে দেখে তাঁর সর্বাঙ্গ ঠাণ্ডা। হার্ট ফেল করে মারা গিয়েছেন।’
আচার্য উ থামলেন। আমি উচ্ছ্বসিত হয়ে ‘সাধু সাধু’, ‘শাবাশ’, ‘শাবাশ’ বললুম। করতালি দিয়ে নিবেদন করলুম, ‘এ একটা গল্পের মত গল্প বটে।’ আচার্য উ বললেন, ‘এ বিষয়ে ভারতীয় আপ্তবাক্য কি?’
চোখ বন্ধ করে আল্লা রসুকলকে স্মরণ করলুম, পীর দরবেশ গুরু ধর্ম কেউই বাদ পড়লেন না। শেষটায় মৌলা আলীর দয়া হল।
হাত জোড় করে বরজলালের মত ক্ষীণ কণ্ঠে ইমন কল্যাণ ধরলুম।
শ্রীমন্মহারাজ রাজাধিরাজ দেবেন্দ্রবিজয় মুখ কালি করে একদিন বসে আছেন ঘরের অন্ধকার কোণে। খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী এসে শুধালেন মহারাজের কুশল তো? মহারাজ নড়েন না। মন্ত্রী বিস্তর পীড়াপীড়ি করাতে হঠাৎ খ্যাঁক খ্যাঁক করে উঠলেন, ঐ রাণীটা—ওঃ কি দজ্জাল, কি খাণ্ডার! বাপরে বাপ! দেখলেই আমার বুকের রক্ত হিম হয়ে আসে।’
মন্ত্রীর যেন বুক থেকে হিমালয় নেমে গেল। বললেন, ‘ওঃ! আমি ভাবি আর কিছু। তাতে অতো বিচলিত হচ্ছেন কেন মহারাজ! বউকে তো সবাই ডরায়—আম্মো ডরাই। তাই বলে তো আর কেউ এ রকমধারা গুম হয়ে বসে থাকে না।’
রাজা বললেন, ‘ঐ তুমি ফের আরেকখানা গুল ছাড়লে।’ মন্ত্রী বললেন, ‘আমি প্রমাণ করতে পারি।’ রাজা বললেন, ‘ধর বাজি।’ ‘কত মহারাজ?’ ‘দশ লাখ?’ ‘দশ লাখ।’
পরদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শহরে ঢোল পেটানোর সঙ্গে সঙ্গে হুকুম জারি হল—বিষ্যুত্বার বেলা পাঁচটায় শহরের তাবত বিবাহিত পুরুষ যেন শহরের দেয়ালের বাইরে জমায়েত হয়; মহারাজ তাদের কাছ থেকে একটি বিষয় জানতে চান।
লোকে লোকারণ্য। মধ্যিখানে মাচাঙ—তার উপরে মহারাজ আর মন্ত্রী। মন্ত্রী চেঁচিয়ে বললেন, ‘মহারাজ জানতে চান তোমরা তোমাদের বউকে ডরাও কি না। তাই তাঁর হয়ে আমি হুকুম দিচ্ছি যারা বউকে ডরাও তারা পাহাড়ের দিকে সরে যাও আর যারা ডরাও না তারা যাও নদীর দিকে।’
যেই না বলা অমনি হুড়মুড় করে, বাঘের সামনে পড়লে গোরুর পালের মতো, কালবৈশাখীর সামনে শুকনো পলাশ পাতার মতো সবাই ধাওয়া করলে পাহাড়ের দিকে, একে অন্যকে পিষে, দলে, থেঁতলে—তিন সেকেণ্ডের ভিতর পাহাড়ের গা ভর্তি।
বউকে না-ডরানোর দিক বিলকুল ফর্সা। না, ভুল বললুম। মাত্র একটি রোগা টিঙটিঙে লোক সেই বিরাট মধ্যিখানে লিকলিক করছে।
রাজা তো অবাক। ব্যাপারটা যে এ-রকম দাঁড়াবে তিনি আর কল্পনাও করতে পারেননি। মন্ত্রীকে বললেন, ‘তুমি বাজি জিতলে। এই নাও দশ লখা হার।’ মন্ত্রী বললেন, ‘দাঁড়ান মহারাজ। ওই যে একটা লোক রয়ে গেছে।’ মন্ত্রী তাকে হাতছানি দিয়ে ডাকলেন। কাছে এলে বললেন, ‘তুমি যে বড় ওদিকে দাঁড়িয়ে? বউকে ডরাও না বুঝি?’
লোকটা কাঁপতে কাঁপতে কাঁদো কাঁদো হয়ে বললে, “অতশত বুঝি নে, হুজুর। এখানে আসার সময় বউ আমাকে ধমকে দিয়ে বলেছিল, ‘যেদিকে ভিড় সেখানে যেয়ো না।’ তাই আমি ওদিকে যাই নি।”
আচার্য উ আমাকে আলিঙ্গন করে বললেন, ‘ভারতবর্ষেরই জিৎ। তোমার গল্প যেন বাঘিনী বউ। আমার গল্প ভয়ে পালাল।’
তবু আমার মনে সন্দ রয়ে গিয়েছে। রসিক পাঠক, তুমি বলতে পারো কোন গল্পটাকে শিরোপা দি।

সৈয়দ মুজতবা আলী: আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম রম্যরচয়িতা। তাঁর বিখ্যাত রম্যগ্রন্থ পঞ্চতন্ত্র ও ময়ূরকণ্ঠী। এ ছাড়া দেশে বিদেশে, শবনম, চাচা কাহিনীও পাঠকমহলে ব্যাপক জনপ্রিয়। জন্ম-১৯০৪, মৃত্যু-১৯৭৪।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, মে ০৩, ২০১০

Categories
অনলাইন প্রকাশনা ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক

বিশ্বের কয়েকটি দেশের অদ্ভুত যৌন আইন

–Ramon

সেক্স অর্থাৎ কামজ বিষয়টি স্পর্শকাতর বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি বিষয়। যদিও কোনো কোনো দেশে এই জৈবিক চাহিদাকে সহজ ভাবে নেয়া হয়েছে আবার কোনো কোনো দেশে নেয়া হয়েছে ঠিক তার উল্টো। সেক্স নিয়ে যাতে বাড়াবাড়ি না হয় সে জন্য কঠোর আইন প্রনয়নও করা হয়েছে বেশ কয়েকটি দেশে। তাছাড়া ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও এই জৈবিক চাহিদাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আলাদা আলাদা বিধি-নিষেধ জারী করা হয়েছে। এরপরও কোনো কোনো দেশের আইন প্রণেতাগণ, ভিনদেশের ধর্মীয় আলেম, চিন্তাবিদগণ কামজ বিষয়টি আরো বেশি নিয়ন্ত্রণ করার নামে যে সমস্ত উদ্ভট আইন ও বিধি প্রনয়ন করেছে যা রীতিমত হাস্যকর। বিশ্বের এমনি কয়েকটি দেশের আইন প্রনেতা ও ধর্মীয় আলেমদ্বারা সৃষ্টি বিরোধী ও অসঙ্গতিপূর্ণ কামজ আইন নিয়ে আজ সন্মানিত ব্লগারদের সাথে শেয়ার করছি ।

১। যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য নয় কিন্তু তার অধীনে, প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্হিত এমন একটি দ্বীপের নাম গুয়াম। এই গুয়াম দ্বীপটিতে আইনবলে কুমারী মেয়েদের বিয়ে নিষিদ্ধ। সেখানে কোনো কুমারী মেয়ে বিয়ের পিড়িতে বসতে চাইলে আইনুযায়ী অবস্যই তাকে কুমারীত্ব বিসর্জন দেয়ার জন্য কোনো পুরুষের কাছে যেতে হয়। এখানে এমন পেশাদার পুরুষ পাওয়া যায় যারা কুমারী মেয়েদের কুমারীত্ব নাশ করার বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করে থাকে।
২।যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের আইনে কুমারী মেয়েদের সাথে সহবাস নিষিদ্ধ। এমনকি বিয়ের পর বাসর রাতেও স্বামী তার কুমারী বধুর সাথে সহবাস করতে পারবে না। তবে কুমারী মেয়ে কিভাবে তার কুমারীত্ব বিসর্জন দিবে এ বিষয়ে কোনো আইনী ব্যাখ্যা দেয়া হয় নাই যেমনটি দেয়া হয়েছে গুয়ামের কুমারী মেয়েদের বেলায়।
৩। লেবাননের পুরুষদের গৃহপালিত প্রাণীর সাথে যৌন সর্ম্পক সৃষ্টি করতে আইনগত কোনো বাধা নাই। তবে শর্ত হচ্ছে যে প্রাণীর সাথে যৌন সর্ম্পক সৃষ্টি করবে সেটি অবস্যই মাদী প্রজাতির হতে হবে অন্যথায় আইন ভঙ্গের কারণে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড হতে পারে।

৪।মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মেষ বা ভেড়া সাথে যৌন সর্ম্পক স্হাপন করাকে বৈধতা দেয়া আছে। তবে যে ভেড়ার সাথে যৌন সর্ম্পক স্হাপন করা হবে কোনো অবস্হায় তার গোস্ত খাওয়া চলবে না। এই বিষয়ে ফতোয়ায় বলা হয়েছে ” ভেড়ার সাথে যৌন র্চ্চার পর তার গোস্তু ভোজন করা হবে মারাত্মক গুনাহ “।
৫।বাহরাইনের আইনে স্ত্রীরোগ বিষরদগণ স্ত্রীলোকদের যৌনাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারবে। কিন্তু উত্তেজনার বশত কোনো দুর্ঘটনা না ঘটতে পারে সে জন্য আইন প্রণেতাগণ ডাক্তাদের সরাসরি যৌনাঙ্গ দেখা নিষিদ্ধ করে দিয়ে সে ক্ষেত্রে আয়না ব্যবহার করে প্রতিবিম্বের মাধ্যমে রুগীর যৌনাঙ্গ দেখা ও পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়।

৬। ইসলাম ধর্মে মৃত ব্যক্তির জননেন্দ্রিয় দেখা নিষেধ। এমনকি যারা মৃত ব্যাক্তির গোসল ও দাফন কার্যে অংশ নিবে তাদের বেলায়ও একই শর্ত থাকবে। আর এই কারণে গোসল দেয়ার সময় লাশের জননেন্দ্রিয় এর উপর ইটের টুকরা কিংবা কাঠের টুকরা রেখে গোসল দেয়া হয়।
৭।কলম্বিয়ার কালী অঞ্চলের আইনে মেয়েদের বিয়ের পর স্বামীর সাথে তার বাসর রাত মায়ের উপস্হিতিতেই যাপন করতে হয়।
৮। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় বৈদুতিক বাতি জ্বালিয়ে সহবাস করা আইনত দন্ডনীয়।
৯। যুক্তরাষ্ট্রের উতাহ রাজ্যে এম্বুলেন্স এর ভিতর মেয়েদের যৌন সম্ভোগ করা নিষিদ্ধ। যদি কোনো মেয়ে এ কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে বা প্রমানিত হয় তাহলে আইনবলে সেই মেয়ের ছবিসহ সকল কুকীর্তি স্হানীয় পত্রিকায়
প্রকাশিত হয় পক্ষান্তরে পুরুষের বেলায় হচ্ছে “সাত খুন মাফ”।
১০। হংকং এ কামজ বিষয়ে ধর্মীয় বিধি-নিষেধ নাই । তবে কোনো স্ত্রী যদি মনে করে তার স্বামী তাকে প্রতারিত করেছে বা সে যদি প্রমান পায় তার স্বামী একজন ব্যভিচারী তখন সে কেবল তার নিজ হস্তে স্বামীকে খুন করতে পারবে পক্ষান্তরে একই অপরাধ যদি স্ত্রী করে থাকে তাহলে যে কোনো উপায়ে স্বামী তাকে খুন করতে পারবে।
১১। বলিভিয়ার সান্তা ক্রুজ এর আইনে একই সময়ে মেয়ে এবং তার মায়ের সাথে পুরুষের যৌন সম্ভোগ অবৈধ করা হয়েছে ।

১২ । কাপড়ের ভেতর দিয়ে লিঙ্গ খাড়া অবস্হায় দৃষ্টিগোচর হয় এ ধরনের পোষাক পরিধান যুক্তরাষ্টের আরিজোনা এবং উইসকনসিন এ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।
১৩। ইন্দোনেশিয়ায় হস্তমৈথুন করা একটি বিশাল অপরাধ এবং এই অপরাধ করার জন্য শাস্তি মৃত্যুদন্ড ।
১৪। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় মাছের সাথে পুরুষের যৌন সম্পর্ক করা অবৈধ ।
১৫। সিঙ্গাপুরে ওরাল সেক্স সম্পূর্ণ অবৈধ যদি পরবর্তিতে সেটি যোনি পথে সঙ্গম না হয় ।

সূত্রঃ ইন্টারনেট

Categories
অনলাইন প্রকাশনা চিকিত্সাশাস্ত্র এবং বিজ্ঞান যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক

নিরাপদ যৌনজীবন ও আমরা

ডা. মোঃ জাহিদুল ইসলাম

এই সংসার রঙ্গমঞ্চে আবির্ভূত হয়ে মানুষ রচনা করতে চায় ছোট একটা সুখের নীড়। সুখের নীড় রচনায় যারা সার্থক, জীবনের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছা তাদের জন্য অনেক সহজ, সমান্তরাল এবং ছন্দময়। ছন্দময় জীবনে তাদের চলার পথে ছড়ানো থাকে রাশি রাশি গোলাপ। একই দৃষ্টিভঙ্গিতে যারা ব্যর্থ, তাদের জীবন চলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ভাগ্যের নিষ্ঠুর পরিহাস। নিয়তির এই নিষ্ঠুর পরিহাস দলিতা কালভূজঙ্গিনীর ন্যায় প্রবেশ করে মানুষের আজন্ম বাসনায় সাজানো নন্দন কাননে। এই ব্যর্থ মানুষগুলোর জীবনের পথচলা সংগ্রামী। এরা পরিণতির সমাপ্তে এসে, শোক বৃশ্চিক বিষে জর্জরিত ও ক্ষতবিক্ষত হয়ে দাঁড়ায় মরণ সমুদ্রের বেলাভূমিতে।

জীবনের এই পথচলার ভিন্নতর মূলে অনেক কারণের মধ্যে যৌনতাকে একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে ধরা যায়। এবার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের মাধ্যমে সুখ নীড় রচনার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে নিরাপদ, সার্থক ও সফল যৌন জীবনের গুরুত্ব কতটা সেদিকে দৃষ্টি প্রদান করি। প্রতিটি মানুষকে সৃষ্টিকর্তা প্রদান করেছেন যৌন ক্ষমতা। সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত এই ক্ষমতা সম্পর্কে সচেতনতা, জ্ঞান এবং এর ব্যবহার ও অপব্যবহারের ওপর নির্ভর করছে নিরাপদ, সার্থক ও সফল যৌন জীবন। কিভাবে একটা সুন্দর সাজানো আলোকবর্তিকাময় জীবন নষ্ট হয়, কেন একজন মানুষ সুখের বাসর সাজাতে গিয়ে উপবিষ্ট হয় মরণ সমুদ্রের বেলাভূমিতে, কেন স্বপ্নীল সাজানো জীবন এলোমেলো হয় এসব প্রশ্নের বাস্তবভিত্তিক কিছু যুক্তি এই লেখার মধ্যে খুঁজে পাবেন। ‘নিরাপদ যৌন জীবন ও আমরা’ হেডলাইনে এ লেখার মধ্যে আমরা চেষ্টা করব আপনার বিবেককে নাড়া দিতে এবং সাথে সংকলিত করব আপনার সমস্যার সমাধান দিতে, যে সমাধানের মধ্যে খুঁজে পাবেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিগত নির্দেশনা।

যৌন অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ কৈশোর থেকেই শুরু হয়। কৈশোরের শুরু থেকে যৌবনে পদার্পণের পূর্বক্ষণ পর্যন্ত একটা সীমাহীন দুরন্তপনা ছেলেমেয়েদের হৃদয়কে উদ্বেলিত করে। এ সময় চারদিকে ছড়ানো যৌন অনুভূতিমূলক যা কিছু সামনে উপস্থিত হয়, তা অধীর আগ্রহে গ্রহণ করে ছেলেমেয়েরা। নগ্ন ছবি ও নগ্ন কাহিনীমূলক ম্যাগাজিন, ইন্টারনেটে নগ্ন ছবি উপভোগ করা থেকে শুরু করে বর্তমানে বিজ্ঞাপনগুলো পর্যন্ত যৌন অনুভূতিসম্পন্ন। ফলে কৈশোরের শুরু থেকেই যৌনতার মধ্যে নিজেকে জড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। ‘মৈথুন’ প্রক্রিয়ায় যৌন স্বাদ গ্রহণ শুরু হয় সেই সুদূর কৈশোর থেকে। কেউ ইচড়ে পাকা খারাপ বন্ধুর সহযোগিতায় অন্ধকার গলি পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এভাবে জীবনের পথচলা থেকে কৈশোরের সোনালী সূর্য পশ্চিম দিগন্তে ঢলে পড়ে, পূর্ব দিগন্তে উদিত হয় সম্ভাবনাময় যৌবন। কৈশোরের যৌন অনুভূতি থেকে যারা ভালো কিছু গ্রহণ করেছিল যৌবনে এসে তাদের পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে অনেক কম। প্রতিপক্ষরা যৌবনে পদার্পণের সাথে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। নিরাপদ যৌন জীবনের পথ থেকে তারা নিক্ষিপ্ত হয়ে পৌঁছে যায় সেই অন্ধ গলিতে। আর যারা নিজেকে সংযত রাখতে সক্ষম হয়, তারা অন্তত ওই অন্ধ গলির সঙ্গী হয় না। যারা ওই অন্ধ গলিতে ডুব দেয়, তাদের অনেকেই সিফিলিস ও গনোরিয়ার মতো যৌন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে এবং কোনো এক সময় তারা যৌন অক্ষমতার শিকারও হয়।

যৌবনের প্রারম্ভ থেকে এমনকি কৈশোর থেকেও শুরু হয় কর্মজীবনের। তবে কর্মজীবনের শুরুটা নির্ভর করে পারিবারিক, অর্থনৈতিক সচ্ছলতার ওপর। যৌবনের প্রারম্ভ থেকে এবং কর্মজীবনের ঠিক উর্বর মুহূর্তে বিয়ের ঘণ্টা বেজে ওঠে। পুরুষের জীবনের অর্ধাঙ্গিনী হয়ে আসে এক নারী, আর বিয়ের মাধ্যমেই নারী খুঁজে পায় তার আরাধনার বস্তু, নারী জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পর্কটা। বিয়ের ঠিক পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত নিরাপদ যৌন জীবনভিত্তিক যতটুকু শিক্ষা একটা ছেলে বা মেয়ে গ্রহণ করে থাকে, ওই সময় পর্যন্ত যৌনভিত্তিক মূল্যবোধের অনুভূতি তাদের মধ্যে যেভাবে করায়ত্ত হয় তার বহিঃপ্রকাশ শুরু হয় বিয়ের দিন থেকে।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের যৌন বিজ্ঞানীগণ মানব জীবনের বাসর রাতকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। অনেক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই রাত। বাসর রাত থেকে তার পরবর্তী জীবন কেমন কাটবে, জীবন ধারা কোন গতিতে প্রবাহিত হবে- এ ধরনের অনেক বিষয় এই রাত থেকেই পরিবর্তিত রূপ নেয়। সুখের নীড় রচনার সূচনার রাত, এই বাসর রাত আবার মরণ সমুদ্রের বেলাভূমিতে উপনীত হওয়ার রাতও। তাই বিয়ে এবং বাসর রাত দুটি বিষয়ে প্রয়োজন পূর্ব প্রস্তুতি। নিরাপদ যৌন জীবন গঠনে এ দুটি বিষয়কে কোনোভাবেই ছোট করে দেখা ঠিক নয়। পাত্র-পাত্রী নির্বাচন থেকে বাসর রাত পর্যন্ত নানাবিধ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ অত্যাবশ্যকীয়, যা পরবর্তী জীবনের স্বপ্নীল সম্ভাবনাগুলোর রূপায়নে এক অদৃশ্য শক্তির মতো কাজ করে। পাত্র-পাত্রী নির্বাচন থেকে বাসর রাত পর্যন্ত পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে, তবে নিম্নলিখিত দিকগুলোর প্রতি গুরুত্বারোপে অবশ্যই কিছু সুফল পাওয়া যাবে পাত্র-পাত্রী নির্বাচন থেকে।

বাসর রাত পর্যন্ত করণীয় বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করুন এবং আপনার সমস্যাবলী অনুযায়ী প্রদেয় সমাধান আপনি নিজেই খুঁজে বের করুন এবং সমমুখে শক্তিশালী মানসিকতা এবং সচেতনতার সাথে অগ্রসর হোন।

পাত্র-পাত্রী নির্বাচন বিষয়ক
প্রেমঘটিত সম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে যদি আপনি বিয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে আপনার প্রতি আমাদের অনুরোধ, আপনি আপনার সুদূরপ্রসারী চিন্তা-চেতনা এবং অনুভূতির প্রয়োগ করে, একে অপরকে যাচাই করবেন। যাচাই-বাছাইয়ের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে আপনার হাতে, যেহেতু আপনাদের সম্পর্ক প্রেমঘটিত। যদি আপনার বহুগামিতার অভ্যাস থাকে সেটাকে এক পর্যায়ে পরিহার করবেন। তবে উক্ত বহুগামিতায় অভ্যস্ত থাকাকালীন সময়ে সবচেয়ে পছন্দের অনুভূতিগুলো আপনি আপনার আপনজনের ওপর প্রয়োগ করবেন। ইতিবাচক ফলাফল আপনাকে পেতেই হবে, তাহলে পরবর্তীকাল বা জীবন নিঃসন্দেহে গোলাপ ছড়ানো পথের মতো মনে হবে। ইতিবাচক ফলাফল না পেলে খুব কৌশলে কেটে পড়ুন, প্রেম ভালোবাসার শেষ পর্বটা কিন্তু দৈহিক কামনা-বাসনার পর্ব। তাই সব ভালো তার শেষ ভালো যার। নিরাপদ যৌন জীবন গঠনে মনঃ দৈহিক উভয় বিষয়েই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আপনি যদি বহুগামী হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার ঘুমন্ত অনুভূতিগুলো আপনাকে স্মরণ করাবে সঙ্গী-সঙ্গিনীর সাথে মিল-অমিলের দিকগুলো। অবশেষে সিদ্ধান্ত একান্তই আপনার ব্যক্তিগত। যৌন জীবনে আপনি যদি বাস্তব জ্ঞানহীন কোনো নতুন মানুষ হয়ে থাকেন। যদি আপনি সেই ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী হয়ে থাকেন দুজনাই প্রথম। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার সঙ্গিনীকে কতটুকু তৃপ্তি দিতে সক্ষম হয়েছেন সেটা সঠিকভাবে উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন এবং সঙ্গিনী হিসেবে আপনার দেয়া আদর-সোহাগে আপনার সঙ্গীটি কতটুকু তৃপ্ত তা বিচার-বিশ্লেষণ করুন। একে অপরের এই আন্তরীণ বিশ্লেষণ থেকে আপনারা বুঝতে পারবেন আপনাদের ত্রুটিজনিত দিকগুলো সম্পর্কে এবং পরিশেষে প্রয়োজনে সমস্যার সমাধানমূলক ব্যবস্থাটি বেছে নিন। ধরে নিন আপনাদের বাসর রাতের অভিজ্ঞতার বিচার-বিশ্লেষণে আপনি একজন পুরুষ হিসেবে আপনার একান্ত আপন এবং জীবনের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বস্তুটিকে যতটুকু তৃপ্তি দিয়েছেন, সেটা যথেষ্ট নয়। আপনি বাসর রাতে চরমভাবে পুলকিত করতে ব্যর্থ হয়েছেন, ব্যর্থ হয়েছেন আপনি চরম আনন্দ দিতে। এক্ষেত্রে বাসর রাতের এই তিক্ত অভিজ্ঞতা আপনাকে ভেতরে যন্ত্রণা দেবে। প্লিজ ঘাবড়াবেন না। মনের যন্ত্রণা ঝেড়ে মুছে কয়েকদিন সঙ্গিনীর সাথে আরো নিবিড় হতে চেষ্টা করুন এবং তার সহযোগিতা আরো বেশি প্রার্থনা করুন। আপনার মানসিক শক্তি যদি সবল হয়, সেক্ষেত্রে ক্রমাগত উন্নতি নিজেই উপলব্ধি করবেন। যদি আপনি ভাবাবেগের মানুষ হয়ে থাকেন এবং দুর্বল মানসিকতা আপনাকে যদি বেশি করে ব্যথাতুর করে তোলে তাহলে অবস্থার ক্রম অবনতি দেখবেন। এ অবস্থায় চিকিৎসা শাস্ত্রের দিকে নিজেকে এগিয়ে দিন। আপনি নিঃসন্দেহে ভালো ফল লাভ করবেন।

নিম্নের সমস্যাগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করলেই আপনার জন্য সমাধান গ্রহণ সঠিক হবে
(ক) আপনার লিঙ্গের আকার-আকৃতি নিয়ে বিশেষ ভাবনার কিছু নেই। কারণ আড়াই ইঞ্চির লিঙ্গের একজন পুরুষও ইচ্ছা করলে তার সঙ্গিনীকে চরম তৃপ্তি দিতে পারে।

(খ) আপনার লিঙ্গোত্থান হয় কি-না? যদি লিঙ্গোত্থানে সমস্যা থাকে এবং উত্থিত হলেও আবার লিঙ্গ ঢলে পড়ে এবং আপনার লিঙ্গ যদি মজবুত, শক্তিশালী আকার ধারণ না করে, তাহলে অবশ্যই আপনাকে ইরেকটাইল ডিসফাংশনজনিত চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। এতে আপনার সমস্যা দূর হবে এবং মনোবল সুদৃঢ় হবে। এছাড়া সঙ্গিনীর চরম তৃপ্তি দেয়ার পূর্বেই বীর্যপাত ঘটে যায়, কারো কারো যৌন আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত কম। অর্থাৎ মনের ভেতরে জাগ্রত ইচ্ছাশক্তিই আপনার দৈহিক উত্তেজনার উৎস। দুর্বল মানসিকতা এবং Hormonal insufficiency জনিত কারণে এই ইচ্ছাশক্তির অবনতি ঘটে থাকে। এক্ষেত্রেও যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ অত্যাবশ্যকীয়।

(গ) আপনি এমন একজন যৌন অক্ষম ব্যক্তি হতে পারেন, মূলত আপনার সবই ঠিক আছে কিন্তু কোনো অজানা আশঙ্কা, মানসিক ভীতি আপনার হার্টবিট বাড়িয়ে দেয়। মনস্তাত্ত্বিক এই অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে আপনার লিঙ্গোত্থানে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসা প্রয়োজন।

(ঘ) কৈশোরে এবং যৌবনে হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ এবং বিপথগামিতাজনিত অনুশোচনাবোধও আপনার বর্তমান নিরাপদ যৌন জীবনের অন্তরায় হিসেবে কাজ করতে পারে। এক্ষেত্রে উপদেশ হলো অতীত নিয়ে ভাবা যাবে না, অতীতে এ ধরনের ঘটনা সবার জীবনেই কমবেশি ঘটে থাকে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই মন থেকে এগুলো ঝেড়ে-মুছে পবিত্র মনে নতুন যাত্রা শুরু করুন।

Categories
অনলাইন প্রকাশনা ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক

ছেলে এবং মেয়েদের যৌন অক্ষমতার সমস্যা এবং তার সহজ মেডিকেল সমাধান

বাংলাদেশ একটি কনসারভেটিভ দেশ, তবে বর্তমানে এদেশের সেক্স কালচার অনেক ফাস্ট, অনেক কম বয়স থেকেই ছেলে মেয়েরা সব কিছু জানে, বুঝে এবং করে ( বিশেষ করে শহরে )। কিন্তু সেক্সের এট্রাকটিভ দিক গুলোতেই সবার সাভাবিক ভাবেই আকর্ষন বেশি এবং এসব সমন্ধে জানার আগ্রহ থাকে, বেশি। তবে সেকসু্যাল সমস্যার বেপারে রয়ে গেছে ভয়ানক অগ্যতা, এবং যা জানা থাকে তার বেশিরভাগি ভুল তথ্য। আমি এই পোস্টে এইডস এর বেপারে কোনো আলোচনা করবো না কারন বিদেশি ফান্ডের সুবাদে এই সমন্ধে যথেষ্ঠ প্রচারনা হয়। কিন্তু এইডস হচ্ছে একটি রেয়ার প্রবলেম, এর থেকে কমন কমন সমস্যা সমন্ধে বেশিরভাগ মানুষের কোন আইডিয়া নাই, যেসব সমস্যা ঘরের কাছের সমস্যা। আর কমন সমমস্যার নিয়ে অনেক আরটিকেল পেপার মেগাজিনে পরলেও এর সঠিক মেডিকাল সমাধান খুব কমি পরসি। তাই আমি চেষ্টা করবো কমন লেংগুয়েজে শুধু মাত্র মোস্ট কমন কারোন গুলো উল্যেখ করার এবং সহজ সমাধান গুলো তুলে ধরার চেস্টা করলাম। ছেলেদের কমন সেকসুয়াল সমস্যা এবং তার সমাধান।
মেইল ইমপোটেন্স:
ছেলেরা যেই বেপারে সবচাইতে বেশি চিন্তিত থাকে সেটা হচ্ছে ইরেকশন প্রবলেম। যদিও এই সমস্যা মধ্যবয়সিদের মাঝে বেশি দেখা দেয়, কিন্তু অনেকগুলো কারোনের জন্য দেশের যুবক শ্রেনিদের মাঝেও এখন এই সমস্যা টা একটি বরো সমস্যা।
ধুমপান: ইউথ ইমপোটেন্স বা যুবকদের যৈন অক্ষমতার প্রধান কারন গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ধুমপান, বাংলাদেশের মোটামুটি সবাই ধুমপান করে যা নাকি ওয়ার্ল্ডের ওয়ান অফ দা হাইয়েস্ট। দেশে অনেক আজিরা কথা প্রচলিত আছে যেমন গোল্ড লিফ খেলে সেক্স পাওয়ার কমে যায়, আর বেনসন খেলে তেমন একটা খতি হয় না। ইটস আ বুলশিট। নিকোটিন সব সিগারেটেই আছে কম বেশি আর সিগারেটের অন্যান্য খতিকারক কেমিকাল গুলো সব সিগারেটেই সমপর্যায়ে থাকে। যেসবের কারনে পেনিসের রক্তনালি সংকচিত হতে থাকে।
স্ট্রেস: এটি পশ্চমা দেশ গুলোতে ইমপোটেন্সের প্রধান সমস্যা তবে দেশেও এটি একটি উল্যেখযোগ্য কারন। বিভিন্য কারনে যদি মাথায় বিভিন্য ধরনের টেনশন থাকে তাহলে ব্রেইন সেক্সের দিকে যথেষ্ঠ এটেনশন দিতে পারেন না। আপনার যদি সেক্স করার সময় ( এনাফ ) ইরেকশন না হয়ে থাকে, কিন্তু মর্নিং ইরেকশন ঠিক থাকে তাহলে মনে করবেন আপনার ফিসিকাল পাওয়ার ঠিকি আছে কিন্তু স্ট্রেস বা অন্য কোন মানসিক সমস্যার কারনে মেন্টাল কনসেনট্রেশন টা নেই। ড্রাগস: ড্বাগসের মধ্যে বিশেষ করে হেরোইন এর জন্য ইমপোটেন্স হতে পারে। কোকেইন সেবনে প্রথম দিকে সাময়িক ইরেকশন হলেও পরে সেটা আর হয় না এবং উল্টো খতি করে।
ওভার এক্সপেকটেশন: এটি আসলে কোন সমস্যা না। এটি ভুল বুঝা বা জানার জন্য হয়। সেক্স কালচার বেশি অপেন হওয়াতে পর্ন দেখে বা মৈখিক মিথ্যরচনার কারনে দেশ বিদেশ সব খানেই সেক্স পাওয়ার সমন্ধে ৯০ ভাগ মানুশের একটি ভুল ইমেজ তৈরি হয়েছে। এই বেপারে দেখা যায় যে মানুশ মনে করে তার হয়তো সেক্স পাওয়ার কম, কিন্তু ডাক্তারের কাছে গেলে কোনকিছু ধরা পরে না ( যদিও দেশের ডাক্তাররা অযথা অনেক টেস্ট করাবে)। ডাক্তার জিগ্যেশ করার পর দেখা যায় তার সেক্সয়াল একটিভিটি নর্মালি আছে, কিন্তু পেশেন্ট সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। মানুস মনে করে যে ডেইলি এবং লং এনাফ সেক্স করতে না পারাটাই অক্ষমতার লক্ষন। আবার অনেকে তার পেনিসের লেনথ নিয়ে খুশি নয়। এসব হচ্ছে অযথা টেনশন, পর্ন মুভিতে যা দেখানো হয় সেটা নর্মাল সেকসুয়াল একটিভিটি নয়। আপনার বউ ( সেক্সুয়াল পার্টনার) কে জিগ্গেশ করুন যে সে সেটিসফাইড নাকি, তাহলেই কিস্সা খতম। এক্সেসিভ পর্ন দেখার বদৈলতে আবার নিজের বউ বা সেকসুয়াল পার্টনারের প্রতি এট্রাকশন কমে যায় অনেকের।
জেনে রাখা ভালো, এভারেজ সেক্সয়াল ফ্রিকয়েন্স হলো সপ্তাহে ৩ বার।
ডিইরেশন ১৫ মিন। পেনিস লেনথ রেস অনুযায়ি ভেরি করে। ইউরোপ এমেরিকা: ১৪,৫ সে. মি. চায়না/ জাপান: ১২ সে.মি. সাবকন্টিনেন্ট ( ইন্ডিয়া/ বাংলাদেশ): ১৩ সে.মি. থেরাপি:
সবচে এফেকটিভ থেরাপি হচ্ছে চেন্জ অফ লাইফ স্টাইল
-ধুমপান বন্ধ করুন। বেপারটি খুবি কঠিন, এই বেপারেও আপনি সঠিক মেডিকাল গাইড পেতে পারেন আপনার ডাক্তারের কাছ থেকে।
-যথেষ্ঠ বেয়াম করুন। ফিসিকাল মুগমেন্ট ভায়াগরা বা অন্যান্য অষুধ থেকে অনেক বেশি এফেকটিভ, বিশেষ করে ইয়াং দের জন্য। -সেক্স বেপারটাকে স্পোর্টসের মতন দেখবেন না যে এটা তে আপনাকে ফার্সট প্রাইজ আনতেই হবে। বাট হালকা / রিলেক্স ভাবে নেন দেখবেন ফার্সট প্রাইজ থেকা বেশি এনজয় পাচ্ছেন।
-ভায়াগ্রা থেরাপি ডাক্তারের পরামর্শ ছারা শুরু করবেন না। এতে সাময়িক উপকারিতা পেলেও লং টার্মের জন্য এফেকটিভ থেরাপি নয়। -আল্টারনেটিভ ( ফুটপাথের সপ্নে পাওয়া ) ওৈষধ থেকে ১০০ মাইল দুরে থাকুন )
মেয়েদের কমন যৈন অক্ষমতার সমস্যা:
মেয়েদের যৈন অক্ষমতার বেপারে রয়েছে আরো বেশি নলেজের অভাব। এটা যে হয় সেটাই ৯০ ভাগ মানুশ জানে কিনা সন্দেহ আছে, এমনকি স্বয়ং মেয়েরাও জানে না অনেক সময়। দেশে আমি এই পর্যন্ত কোথাও এই বেপারে কোনো আরটিকেল দেখি নাই।
ভাজাইনাল ড্রাইনেস এবং পেইনফুল ইন্টারকোর্স:
মেয়েদের বেলায় সেক্সুয়াল এরাউসালের ( যৈন উত্যেজনার ) সময় লুব্রিকেশন (যোনিরস) হয় যার ফলে ভাজায়না ভিজে যায় এবং সেক্স করতে ( পেনিস ঢুকতে ) সুবিধা হয়। লুব্রিকেশনের বেশির ভাগ ফ্লুইড (রস) ভাজাইনার দেয়াল থেকে নির্গত হয় তবে ছোট একটি গ্লেন্ড ( থলি )থেকেও কিছু বর হয়। অনেক মেয়েদের সমস্যা দেখা দেয় যে লুব্রিকেশন হয়না বা সময়মত হয়না, যার ফলে সেক্স এনজয়ের বদলে পেইনফুল হয় ( পেইনফুল ইন্টারকোর্স)।বেশিরভাগ মেয়েরা সেটা তার হাসবেন্ড কে জানায় না নিজের অক্ষমতা মনে করে। কিনতু এখানে খোলামেলা কথা না বললে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ভাজাইনাল ড্রাইনেসের সবচে বরো কারনটা আসলে ছেলেদেরই দোষ। ইন্টারকোর্স ( ভাজিনাতে পেনিস প্রবেশে) এর পুর্বে যথেষ্ঠ স্টিমুলেশন ( যৈন উত্যেজনা ) না থাকলে লুব্রিকেশন সময় মতন হয় না। ইন্টারকোর্সের আগে যথেষ্ঠ সময় আর এটেনশন নিয়ে সেক্সয়াল স্টিমুলশন ( কিসিং, সাকিং ) করলেই বেশিরভাগ বেলায় এর সমাধান সম্ভব। ছেলেদের যেমন পেনিসে রক্তনালিতে ফেট ( চর্বি ) জমার কারনে ইমপোটেন্সি হয় তেমনি মেয়েদের বেলাতেও তেমনি ভাজাইনাল ব্লাড ভেসেলের ( রক্তনালিতে ) চর্বি জমলে এই সমস্যা হতে পারে। তাই ব্লাড ভেসেলের চর্বি কমানোর চেস্টা করতে হবে। ফেট কম খাওয়া, বেয়াম করা, সিগারেট না খাওয়া হল এর উপায়।
আর্টফিসিয়াল লুব্রিকেশন: এরপরেয় যদি এনাফ লুব্রিকশন না হয় এবং সেক্স পেইনফুল হয় তাহলে আর্টিসিয়াল লুব্রিকেশন ( নকল যোনিরস) ইউজ করা যায়। দেশের মেয়েরা সাধারনত তেল বা ভেসলিন ইউজ করে থাকে কিন্তু এতে সমস্যা হচছে যে বেশি ইউজ করলে ভাজাইনার নরমাল বেকটেরিয়াল ফ্লোরা ( শরিরের জন্য উপকারি বেকটেরিয়া ) নষ্ট হয় এবং তাতে ঘন ঘন ভাজাইনাল ইনফেকশন হতে পারে। এর জন্য স্শেপয়াল আর্টিফিসিয়াল লুব্রিকেশন পাওয়া যায় যা নাকি ঘন পানির মতন হয়। ( বাংলাদেশে আছে কিনা জানিনা )। যদি তেল বা ভেসেলিন ইউজ করা হয় তাহলে সেটা সেক্সের পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

Categories
অনলাইন প্রকাশনা কৌতুক ব্যঙ্গকৌতুক ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ০ থেকে ১০০(১৮+)

০)

তিন বন্ধু একটি বিল্ডিংয়ের ১০৮ তলায় থাকে। তারা তিনজন প্রতিদিন লিফট দিয়ে বাসায় আসা যাওয়া করে। একদিন লিফট নষ্ট হয়ে যায়। তাই তাদের সিঁড়ি দিয়ে আজ উঠতে হবে। তখন এক বন্ধু বলল, “আমাদের মধ্য হতে দুইজন দুইটা হাসির গল্প বলবে, আর একজন একটা কষ্টের গল্প বলবে। তাহলে আমরা গল্পগুলো এনজয় করতে করতে ১০৮ তলায় পৌছে যাব।  প্রথম জন একটা হাসির গল্প বলল, তারা ৪৫ তলায় পৌছে গেল। আর একজন আরেকটি হাসির গল্প বলল, তারা ৯৯ তলায় পৌছে গেল।

তৃতীয় জন বলল, “কষ্টের গল্প আর কি বলব, আমার তো ফ্ল্যাটের চাবি নিচে গাড়িতে ফেলে এসেছি!!!”

 

১)

শিক্ষক: মশা মাছি অনেক রোগ ছড়ায়, তাদের বংশ বৃদ্ধি রোধ করতে হবে।

ছাত্র: হা হা হা হি হি হি হি হি হি…..

শিক্ষক: হাসির কি হলো?

ছাত্র: স্যার এতো ছোট বেলুন বানাবেন ক্যামনে!!!

 

২)

সেদিন সি এস সি আর হাসপাতালে ডিউটি করার সময়, এক সহকর্মী বড়ভাই জিজ্ঞেস করলেন, “ক’টা বাজে দেখ তো?” উত্তর দেই, “জানি না, ঘড়ি দেয়ালেরটাও নষ্ট, আমার হাতেরটাও।” (উল্লেখ্য, তিনি যেদিকটায় বসেছিলেন, সেখান থেকে দেয়াঘড়িটা দেখা যায় না।) তিনি আমার হাতঘড়ির দিকে ভাল করে খেয়াল করে বলেন, “কই, ঘড়ি তো চলে দেখি …‌”

“শুধু সেকেন্ডের কাঁটা চলে, ঘন্টা-মিনিটের কাঁটা চলে না, নষ্ট।”

“ঘন্টা মিনিটের কাঁটা নষ্ট হইলে, এই ঘড়ি কি জন্য পড়স?” বড়ভাই তাজ্জব।

“রোগীর পাল্‌স দেখি।

 

৩)

এক মেয়ের কাছে একটি অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসল।

মেয়ে : হ্যালো.

ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে??

মেয়ে : হ্যাঁ আছে কিন্তু আপনি কে??

ছেলে : আমি তোর ভাই, দাঁড়া আজকে বাড়িতে আসি তোর খবর আছে!!!

কিছুক্ষণ পর মেয়েটির নিকট আবার অপরিচিত নাম্বার থেকে আরেকটি কল আসল-

মেয়ে : হ্যালো!

ছেলে : তোমার কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে??

মেয়ে : না।

ছেলে : তাহলে আমি কে??

মেয়ে: স্যরি স্যরি জান! আমি মনে করেছি এটা আমার ভাই।

ছেলে : আমি তোর ভাই-ই, আজ তোর একদিন কি আমার একদিন!!!

 

৪)

একদিন জুমার নামায পড়ে, বাসায় ফেরার আগে, একটা চিপাগলির ভেতর আরেকটা অতিচিপাগলির মাথায় দাঁড়িয়ে মার্লবোরো ফুঁকছিলাম, পরিচিত মুরুব্বীদের চোখ বাঁচিয়ে। ওখানে একটা ঘরের ভেতর এক পিচ্চিকে তার মা নামতা পড়াচ্ছিলেন।

মাঃ “দুই একে?”

পিচ্চিঃ (দূর করে, টেনে টেনে) “দুউউইই”

মাঃ “দুই দুগুণে?”

পিচ্চিঃ “চাআআর”

মাঃ “তিন দুগুণে?”

পিচ্চিঃ “ছঅঅয়”

মাঃ “চার দুগুণে?”

পিচ্চিঃ “আঠেরো” (!!!)

মাঃ (শাসনের কড়া সুরে) “কি? চার দুগুণে কত?”

পিচ্চিঃ (আবারো সুর করে) “আঠেরোওও”

মাঃ “ইন কি হদ্দে তুই? আবার হ” [এগুলো তুই কি বলছিস? আবার বল]

পিচ্চিঃ “আবার?”

মাঃ “অ, ফইল্লাত্তুন হ” [হ্যাঁ, প্রথম থেকে বল]

পিচ্চিঃ “দুই একে, দুউউইইই; এঁএঁ(চিন্তিন্বিত) দুই দুগুণে, চাআআর; এঁএঁ, তিন দুগুণে, ছঅঅঅয়; এঁএঁম, চার দুগুণে, আঠেরোওও …”

মাঃ “আই! তিন দুগুণে ছ, ছ আর দুইয়ে হত?”

পিচ্চিঃ (একটু চুপ থেকে) “আঠেরো”

মাঃ “এই, এইবার ফিট্ট্যুম দরি, একত্তুন দশ গুন সাই” [এইবার পিটা দেব, এক থেকে দশ গোন তো]

পিচ্চিঃ “এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাতেরো, আঠেরো …” (!!!)

 

৫)

তখন ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। অ্যানাটমী ক্লাশ। কোন কারণে আমাদের নিয়মিত স্যার তখনও এসে পৌঁছান নি। আমরা হুলুস্থুল আড্ডায় মত্ত। হঠাৎ অন্য সেকশানের ব্যাচ টিচার, ঝর্ণা ম্যাডাম এসে হাজির। আমাদের কতদূর পড়া হয়েছে জেনে নিলেন। তারপর বললেন, ডিসেকশান হলে আস। সবাই গেলাম। ম্যাডাম ক্যাডাভার (মৃতদেহ) থেকে পেটের অংশ (Anterior Abdominal wall) পড়ানো শুরু করলেন। এক পর্যায়ে কোথাও একটু কনফিউশন হওয়াতে বললেন, ‘নীটার অ্যাটলাস’ বইটা আনতে। আমি আর আমার এক বন্ধু বেরুলাম লাইব্রেরীর উদ্দেশ্যে। আমাদের ক্লাশরুমের কাছাকছি আসতেই দেখি আমাদের নিয়মিত স্যার হাজির। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “ক্লাশ খালি কেন? কোথায় সবাই?” বন্ধুটি বলে, “সবাই ডিসেকশান হলে, স্যার।” “কেন? ওখানে কেন?” এবার বন্ধুটির চট জবাব, “ওখানে ঝর্ণা ম্যাডাম বডি দেখাচ্ছেন।” (!!!)

 

৬)

প্রফেসর শেষ ক্লাসে ঘোষণা করলেন, ‘পরশু পরীক্ষা। কেউ কোনও অজুহাত দিয়ে পার পাবেন না। তবে নিকটাত্মীয়ের মৃত্যু কিংবা মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতা হলে ভিন্ন কথা। ‘
পেছন থেকে এক ফাজিল ছোকরা বললো, ‘মাত্রাতিরিক্ত সেক্সজনিত ক্লান্তি হলে কি চলবে স্যার?’
ক্লাসে হাসির হুল্লোড় পড়ে গেলো। শব্দ থামার পর প্রফেসর বললেন, ‘উহুঁ, সেক্ষেত্রে তুমি অন্য হাতে লিখবে।

 

৭)

বাবা আর ছেলে মার্কেটে গেছে। হঠাৎ ছেলে দেখে বাপের প্যান্টের চেইন খোলা!
ছেলেঃ বাবা, বাবা, তোমার প্যান্টের চেন খোলা!
বাবাঃ স্টুপিড, এভাবে বলতে নেই। বলতে হয়, “তোমার মেকআপ বক্স খোলা”
পরের দিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি—–
ছেলেঃ বাবা, তোমার লিপস্টিক বের হয়ে গেছে।

 

৮)

এক ভদ্রলোক একটা মোটর গাড়ী দুঘটনার একেবারে চুরমার হয়ে গেছে । তিনি তার গাড়ী যেখানে বীমা করেছিলেন সেখানে গিয়ে টাকার দাবী করলেন । কোম্পানীর ম্যানেজার বললেন যে আপনাকে তো টাকা দেয়া হবে না । আপনাকে গাড়ীর বদলে একটা নতুন গাড়ী দেয়া হবে । ভদ্রলোক তো আৎকে ঊঠলেন । আরে আমার স্ত্রীর নামে বীমা করা , সে মরে গেলে কি আপনারা একই ব্যবস্থা করবেন ?

 

৯)

জন্ম নিয়ন্ত্রন সম্পর্কে এক অবিবাহিতা তরুনী ডাক্তার গাঁয়ের বিবাহিতা মহিলাদের বোঝাচ্ছিলেন। সব শোনার পর গাঁয়ের মহিলারা বললো,” এসব আপনের দরকার কারণ আপনের বিয়ে হয় নি, কিন্তু আমাগো সোয়ামি আছে “

 

১০)

শিক্ষক : চরিত্র বানাতে চাও তো এখন থেকে সমস্ত মহিলাদের মা বলে ডাকা শুরু কর।

ছাত্র : তাতে আমার চরিত্র তো ঠিক থাকবে, কিন্তু আমার বাবার চরিত্র ?????

 

১১)

সখিনা:তোমার স্বামী প্রতিদিনই দেখি ঠিক ৯টার সময় বাসায় ফেরে, আমার স্বামী তো পারলে বাসায়ই ফেরে না। কিন্তু তোমার স্বামী আসে, রহস্য কি?

জরিনা:আমি বাসায় সাধারণ একটা নিয়ম করে দিয়েছি। তাকে বলেছি যে সেক্স হবে ঠিক রাত ৯টায়, তুমি তখন বাসায় থাকো আর নাই বা থাকো।

 

১২)

ছোট্ট বাবুর ক্লাসে নতুন শিক্ষিকা মিস মিলি এসেছেন। তিনি প্রথমেই সকলের সঙ্গে পরিচিত হবেন। কাজেই বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি করে বললেন, ‘ছোট্ট সুজি, তোমার বাবা মা কী করেন?’

‘আমার বাবা একজন বিজ্ঞানী, আর মা একজন ডাক্তার।’

মিষ্টি হেসে মিস মিলি বললেন, ‘ছোট্ট টুনি, তোমার বাবা মা কী করেন?’

‘আমার বাবা একজন শিক্ষক, আর মা একজন উকিল।’

‘বাহ! ছোট্ট বাবু, তোমার বাবা মা কী করেন?’

বাবু বলল, ‘আমার বাবা মারা গেছেন, আর মা একজন পতিতা।’

মিস মিলি রেগে আগুন হয়ে প্রিন্সিপালের কাছে পাঠালেন বাবুকে। মিনিট পাঁচেক পর ছোট্ট বাবু ফিরে এল।

‘তুমি প্রিন্সিপালকে বলেছ, তুমি আমার সঙ্গে কেমন আচরণ করেছ?’

‘জ্বি মিস।’ বলল বাবু।

‘তিনি কী বললেন?’

‘বললেন, আমাদের সমাজে কোনও কাজই তুচ্ছ নয়। তারপর আমাকে একটা আপেল খেতে দিলেন, আর বাসার ফোন নাম্বার লিখে রাখলেন।’

 

১৩)

এক লোকের বউ প্রেগন্যান্ট।একদিন মহিলার হঠাৎ পেটে ব্যাথা উঠসে পরে ব্যাটা তাড়াতাড়ি নিয়া গেসে ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার টেস্ট করে কয় আরে আপনার বউয়ের তো কিছুই হয় নাই,মনে হয় পেটে গ্যাস হইসে,এইটা তারই পেইন। ঐ লোক তখন ক্ষেপে আগুন হয়ে ডাক্তারকে বলে, “মিয়া আমার লগে ফাইজলামি করেন! আমি কি সি এন জি পাম্প নাকি?”

 

১৪)

ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে প্রেমিক-প্রেমিকা গেল একটা দামি রেস্টুরেন্টে দিনটাকে সেলিব্রেট করতে।

প্রেমিকঃ কী খাবে বলো।

প্রেমিকাঃ তুমিই অর্ডার দাও।

প্রেমিকঃ না আজ তুমি অর্ডার দিবে। তুমি তো জেনেই গেছ আমি আসলে কী খেতে ভালোবাসি।

প্রেমিকাঃ অসম্ভব! এতো লোকের মাঝে সেটা আমি করতে পারব না।

 

১৫)

এক ছেলে এবং তার নতুন বান্ধবী এক সন্ধ্যায় শহর থেকে একটু দূরে গাড়ী নিয়ে বেড়াতে বেড় হলো। গাড়ী কিছু দূর যাওয়ার পর একটা নির্জন জায়গা দেখে মেয়েটি চিৎকার দিয়ে গাড়ী থামাতে বলল। ছেলেটি গাড়ী থামিয়ে মেয়েটির দিকে তাকাল। মেয়েটি বলল-”আসলে তোমাকে বলা হয়নি যে আমি একজন কল গার্ল এবং আমার রেট ২০০০ টাকা।” ছেলেটি অবাক না হয়ে তার দিকে তাকাল এবং তার প্রস্তাবে সম্মতি দিয়ে দুজন মিলন আনন্দে কিছুক্ষণ আদিম খেলায় মত্ত হলো। দৈহিক প্রশান্তির পর বান্ধবীর পেমেন্ট দিয়ে কিছুটা ক্লান্তি নিয়ে ছেলেটা একটা সিগারেট ধরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে কুন্ডলী পাকাতে লাগল। তার নির্লিপ্ততা দেখে বান্ধবী ছেলেটি কে বলল-”আমরা বসে আছি কেন? চলো ফিরে যাই।” ছেলেটি আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল-”ও তোমাকে আগে বলা হয়নি আমি একজন টেক্সী ড্রাইভার, এখান থেকে শহরে ফেরার ভাড়া হচ্ছে ২৫০০টাকা।

 

১৬)

প্রেমিকঃ আমার প্রেমে পড়ার আগে আর কারো সঙ্গে প্রেম হয়েছিল তোমার?

প্রেমিকা চুপ।

প্রেমিকঃ কথা বলছো না যে? রাগ করলে?

প্রেমিকাঃ রাগ করি নি, আমি গুনছি।

 

১৭)

ভ্যালেন্টাইন ডে’তে এক বৃদ্ধ আর বৃদ্ধা কথা বলছে।

বৃদ্ধাঃ জানো আজ ভ্যালেন্টাইন ডে।

বৃদ্ধঃ তাই না-কি?

বৃদ্ধাঃ ওগো মনে আছে। সেই যে ৫০ বছর আগে এক ভ্যালেন্টাইন ডে’তে তোমার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়।

বৃদ্ধঃ হ্যা হ্যা মনে থাকবে না কেন! আমি তখন প্যারিসে ব্যবসা করতাম, সব ছবির মতো মনে পড়ছে।

বৃদ্ধাঃ আর ওটা মনে নেই?

বৃদ্ধঃ কোনটা বলো তো?

বৃদ্ধাঃ আহ্ আর ন্যাকামো করো না তো।

বৃদ্ধঃ ও হ্যা হ্যা মনে পড়েছে, ঐ দিন আমি তোমার গাল কামড়ে দেই।

বৃদ্ধাঃ (দীর্ঘশ্বাস ফেলে) সেই দিন কি আর ফিরে আসবে?

বৃদ্ধঃ কেন আসবে না? দাঁড়াও বাথরুম থেকে নকল দাঁতটা লাগিয়ে আসি।

 

১৮)

একটা ফোন বুথের সাথে এক ছেলে লিখে রাখছে: বিড়াল হইতে সাবধান দুধ খাবে কিন্তু।

এক মেয়ে সেটা দেখে উত্তর লিখছে: বানর হইতে সাবধান, কলা খাবে কিন্তু।

 

১৯)

এক লোক সবসময় ক্রিকেট নিয়ে মেতে থাকে। একদিন তার বৌ গোমড়া মুখে তাকে বলল, তোমার শুধু সবসময় ক্রিকেট আর ক্রিকেট ! তুমি তো বোধহয় আমাদের বিয়ের তারিখটাও বলতে পারবে না!

লোকটি লাফিয়ে উঠে বলল, ছি ছি, তুমি আমাকে কী মনে কর! আমি কি এতই পাগল নাকি? আমার ঠিকই মনে আছে, যেবার শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ইন্ডিয়ার খেলায় টেন্ডুলকর এগার রানের মাথায় মুত্তিয়া মুরলিথরনের বলে আউট হয়ে গেল, সেদিনই তো আমাদের বিয়ে হল!

 

২০)

একলোক এক ট্রাফিক মহিলাকে বিয়ে করল। বাসর রাতের পরদিন ট্রাফিক মহিলা ১০০০ টাকা জরিমানা করল এভাবে

ওভার স্পীড ৩০০

হেলমেট না পরা ৩০০

রং ওয়ে এট্রি ৪০০ !!!

 

২১)

বাবু খুব তোতলায়। এমনটা ছোটবেলায় হতো না, এখন কেন হচ্ছে জানার জন্যে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করলো সে।

ডাক্তার তাকে আপাদমস্তক পরীক্ষা করে কারণটা খুঁজে পেলেন। তিনি জানালেন, ‘দেখুন মিস্টার বাবু, আপনার বিশেষ প্রত্যঙ্গটি অত্যন্ত দীর্ঘ। সেটির ওজনে আপনার ভোকাল কর্ডে টান পড়েছে। প্রত্যঙ্গটি কেটে খানিকটা ছোট করা হলে সম্ভবত আপনার তোতলামি সেরে যাবে। আপনি রাজি হলে আমি এখন যা আছে, তার অর্ধেকে আপনাকে নামিয়ে আনতে পারি। তবে যে অর্ধেক সরিয়ে ফেলা হবে, সেটি কিন্তু আপনাকে হস্তান্তর করা হবে না। আপনি কি রাজি?’

কী আর করা, বাবু রাজি হলো। অপারেশন সফল হওয়ার পর তার তোতলামি সেরে গেলো। কিন্তু বাবুর বান্ধবী টিনা সব জানতে পেরে ভীষণ চটে গেলো। সে হুমকি দিলো, তোতলামি নিয়ে তার কোন আপত্তি নেই, কিন্তু বাবুর অর্ধেক যদি বাবু ফেরত না নিয়ে আসে, এ সম্পর্ক সে রাখবে না। কী আর করা, মাসখানেক টিনাকে বোঝানোর চেষ্টা করে বিফল হয়ে শেষে বাবু আবার গেলো ডাক্তারের কাছে।

‘ডাক্তারসাহেব, আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন।’ আব্দার জানালো বাবু, তারপর বর্তমান পরিস্থিতি ডাক্তারকে বুঝিয়ে বললো।

কিন্তু ডাক্তার কোন জবাব দিলেন না, ভাবুক চোখে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে।

বাবু চটে গেলো। ‘কী হলো, কথা শুনতে পাচ্ছেন না আমার? আমার অর্ধেক আমাকে ফিরিয়ে দিন।’

ডাক্তারও চটে গিয়ে বললেন, ‘প-প-প-পারবো না। যান, ভ-ভ-ভাগেন এখান থেকে।’

 

২২)

: কমিশনার সাহেব বাসায় আছেন ?

: কেন ?

: আমার একটা চারিত্রিক সার্টিফিকেট দরকার ।

: তিন মাস পরে আসেন, উনি নারীঘটিত কেসে ছয় মাসের জন্য জেলে আছেন।

 

২৩)

বিদেশের এক রেস্টুরেন্ট। তিনজন বাবুর্চি সেখানে কাজ করে। একজন চাইনিজ, একজন জাপানিজ আরেকজন বাংলাদেশী। তিনজনের ভিতর খুব রেষারেষি। একদিন একটা মাছি ঢুকছে কিচেনে। সাথে সাথে চাইনিজটা একটা ছুরি নিয়া এগিয়ে গেলো। কিছুক্ষন সাইসাই করে চালালো বাতাসে। মাছিটা পরে গেলো চার টুকরা হয়ে। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবে আমরা আমাদের শত্রুদের চার টুকরা করে ফেলি।”

আরেকদিন মাছি ঢুকতেই জাপানিজটা এগিয়ে গেলো। সাইসাই করে ছুরি চালালো। মাছি আট টুকরা হয়ে গেলো। সে বাকি দুইজনের দিকে তাকিয়ে বলল, ” এইভাবেই আমারা আমাদের শত্রুদের আট টুকরা করে ফেলি”

পরেরদিন মাছি ঢুকছে একটা। বাংলাদেশীটা এগিয়ে গেলো। বেচারা অনেকক্ষন ছুরি চালালো। হাপিয়ে গিয়ে এক সময় চলে এলো। বাকি দুইজন বলল, “কি, তোমরা তোমাদের শত্রুদের কিছুই করো না?”

“হুমমমম…তোরা বুঝোস না কিছুই। এমন কাম করছি যে অই মাছি আর কোনোদিন বাপ হইতে পারবো না!”

 

২৪)

ছোট্র বাবুদের ক্লাসে ঢুকে মিস দেখলেন, বোর্ডে ক্ষুদে হরফে পুরুষদের বিশেষ প্রত্যঙ্গটির কথ্য নামটি লেখা।

ভীষণ চটে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, ‘কে লিখেছে এটা?’

কেউ উত্তর দিলো না। মিস তড়িঘড়ি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরেকটু বড় হরফে লেখা।

আবারও ক্ষেপলেন মিস, ‘কে লিখেছে এটা?’কেউ উত্তর দিলো না। মিস আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।

পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরো একটু বড় হরফে লেখা।

মিস কিছু না বলে শুধু ডাস্টার ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা।তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার গোটা বোর্ড জুড়ে শব্দটি লেখা।

মিস বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন।

তার পরদিন ক্লাসে এসে মিস দেখলেন, বোর্ডে লেখা: যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে।

 

২৫)

এক ভদ্রলোক এতই অলস ছিল যে বিয়ে করে বাসররাতে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে অপেক্ষায় ছিলেন কখন ভূমিকম্প হয়। হানিমুনটা তিনি ট্রেনেই সেরেছেন!!!

 

২৬)

আলাল আর দুলাল ক্রিকেট খেলা দেখছে। যখনই তামিম একটা চার মারলো তখন….

আলাল: ওরে কি গোল মারছেরে।

দুলাল: আরে বেকুব, গোল এখানে না, গোল হয় ক্রিকেট খেলার মধ্যে….

 

২৭)

ব্যাটসম্যান ছক্কা পেটাবার পর বলটা দর্শকদের ভিতরে গিয়ে পড়েছিল। একজন ফিল্ডার আস্তে আস্তে দৌড়ে গেল সেদিকে। বলটা ফেরত চাইল। কিন্তু বলটা কিছুতেই খুঁজে পাওয়া গেল না। দর্শকদের ভেতর বসে ছিল এক কমবয়েসী ছোকরা। সে খুব নিরীহ মুখে জানাল, আমার মনে হয়, বলটা বোধহয় এদিকে পড়ে নি। তবে আমি বাড়ি থেকে একটা বল নিয়ে এসেছি, আপনার খুব প্রয়োজন হলে একশ টাকা দিয়ে সেটা কিনতে পারেন। নেবেন?

 

২৮)

দুই এলিয়েন এসেছে পৃথিবীতে। ধরা যাক তাদের নাম এক্স আর ইয়। দুইজন মরুভূমিতে এসে নেমেছে। চারিদিকে কিছু নাই। দুইজন হাঁটা শুরু করল প্রাণের খোঁজে। অনেকক্ষণ হাঁটার পর তারা একটা পেট্রোল স্টেশনে এসে পৌছল। কোন একটা কারণে সেইদিন স্টেশনে কেউ নাই। নজলসহ পাইপটা মেশিনের গায়ে প্যাচিয়ে রেখে চলে গেছে। খাঁ খাঁ চারিদিক।

এরা দুইজন এগিয়ে এসে, তেল নেয়ার পাম্পটাকে অভিবাদন জানিয়ে বলল, “পৃথিবীবাসীকে স্বাগতম!”

বলাবাহুল্য, পাম্প কোন উত্তর দিলো না। এক্সের মেজাজ খারাপ হওয়া শুরু হল। সে আবার বলল, “পৃথিবীবাসীকে শুভেচ্ছা!” এবারও উত্তর নেই।

“কথা বলিস না ক্যানো?” এই বলে এক্স কোমড়ে রাখা আগ্নেয়াস্ত্র বের করল। ইয় তাড়াতাড়ি এসে এক্সের হাত চেপে ধরে বলল, “দোস্ত! ফায়ার করিস না।”

এক্স কথা শুনবে না। সে ফায়ার করবেই। কিছুক্ষন ধ্বস্তাধ্বস্তির পর এক্স ফায়ার করে দিল।

সাথে সাথে বিরাট বিস্ফোরণ। তারা দুইজন উড়ে গিয়ে পড়েছে দূরে। হাঁচড়ে-পাচড়ে উঠে দাঁড়ায় দুইজনেই। আহত হয়েছে, তবে সিরিয়াস কিছু না।

এক্স হাঁপাতে হাঁপাতে ইয় কে জিজ্ঞেস করে, “দোস্ত, তুই ফায়ার করতে মানা করছিলি, ক্যামনে বুঝলি আগে থেইক্যা?”

ইয় বলে, “গ্যালাক্সি ঘুইরা আমি কিছু শিখি আর না শিখি, একটা জিনিস শিখছি। যে ব্যাটা তার পুরুষাংগ নিজের শরীরে দুইবার পেচাইয়া এরপর সেইটা কানে গুজে রাখতে পারে, ওর লগে পাঙ্গা নিতে নাই।”

 

২৯)

১ম বন্ধুঃ জানিস আমার বউ পানিকে বিশাল ভয় পায়।

২য় বন্ধুঃ কেমনে জানলি?

১ম বন্ধুঃ আজ অফিস থেকে ফিরে দেখি গোসল করার সময়ও সিকিউরিটি গার্ডকে বাথটাবে পাহারায় রেখেছে।

 

৩০)

ক্লাস থ্রী এর দুই পিচ্চি পোলা টয়লেটে পিসাব করছে।

-দোস্ত! তোর জিনিসের ওপর চামড়া নাই ক্যান?

-আমার মুসলমানী হইছে।

– মুসলমানী কি জিনিস?

– মুসলমানীর সময় সামনের চামড়া কেটে ফেলে।

– তোর কবে করছে?

– জন্মের প্রথম সপ্তাহেই করছে।

– ব্যথা পাইছিলি দুস্ত?

– ছুটু ছিলাম ত কইতে পারি না। তবে হেভী ব্যথা পাইছিলাম এইটা শিওর। একবছর আমি হাটতেই পারি নাই!

 

৩১)

বিদেশ থেকে দুবছর পর বাড়ি ফিরে হাসান দেখল তার বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা। হাসান বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?

: কার আবার, আমার।

: কী! বল, তার নাম বল! কে আমার এত সর্বনাশ করেছে!

বউ চুপ।

: বল, কে সে? নিশ্চয়ই শয়তান জামাল!

: না

: তা হলে নিশ্চয়ই শয়তান জাফর!

: না, তাও না।

: তা হলে কে?

: তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ আমার কি কোনো বন্ধু থাকতে পারে না?

 

৩২)

রাতের মাতলামি শেষ করে পরদিন ঘুম থেকে উঠেছে বব। মাথা ব্যাথা করছে তার। গতকাল রাতে কি হইছে , কি করছে কিছুই মনে পড়ছে না।

বিছানা থেকে মাথা তুলেই দেখে পাশে দুইটা এসপিরিন আর এক গ্লাস পানি। বড়ি দুইটা খেয়ে উঠে পড়ল। তার জামা কাপড় ইস্ত্রী করে রাখা। তার পাশে একটা লাল গোলাপ। ঘরের সব কিছু বেশ পরিস্কার-সাধারনত এর পরিস্কার থাকে না। ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় সে আবিষ্কার করে তার চোখের নিচে বড় কালো দাগ। গতকাল কি কেউ ঘুষি মেরেছে? তার কিছুই মনে পড়ে না। অফিস পার্টিতে এত মদ খাওয়া উচিত হয় নাই।

দাত মাজতে বাথরুমে ঢুকে দেখে আয়নায় লিপিস্টিক দিয়ে একটা চুমু আকা।

নিচে নোট

হানি,

তুমি ঘুমাচ্ছো দেখে আর জাগালাম না। নাস্তা রেডি আছে। আমি গ্রোসারি সেরেই আসছি। আজকে রাতে তোমার জন্য স্পেশাল রান্না হবে।

তোমার সোনাবউ

বব ডাইনিং টেবিলে গেল। তার পোলা নাস্তা করছে।

-বাপধন, গত রাইতে কি হইছিলো? আজকে সকালে দেখি সব সাজানো গোছানো, ঘর ত এত ভালা থাকে না।

-তুমার কিছু মনে নাই?

-না!

-তুমি রাইত তিনটার সময় আসছো। ঘরে ঢুকার সময় দরজায় বাড়ি খেয়ে তোমার চোখের নিচে দাগ পড়ল।

-আইচ্ছা। তারপর?

-আছাড় খেয়ে পড়ে তুমি আমাদের কফি টেবিলটা মাঝ বরাবর ভেঙ্গে ফেলছো। এরপর ড্রইং রূমের কার্পেটে একগাদা বমি করলা।

-এরপরও ঘরের সব ঠিক রইলো ক্যামনে?

-যখন তুমারে মায়ে বিছানায় নেয়ার জন্য জড়িয়ে ধরছে, তখন তুমি মায়রে কইছো, মাগী ছাইড়্যা দে আমারে! আমি বিবাহিত।

 

৩৩)

একশহরে দুই জমজ ভাই ছিল। বব আর জন। বব বিয়ে করেছিল লিসা নামের একটা মেয়েকে। কাকতালীয়ভাবে জনের লিসা নামে একটা ফিসিং বোট ছিল। আরো কাকতালীয়ভাবে ববের বউ লিসা যেদিন মারা যায় ঠিক সেইদিন জনের নৌকা লিসাও ডুবে যায়।

কয়েকদিন পর, শহরের এক বৃদ্ধা মহিলা জনের সাথে দেখা হলো। জন তার নৌকা লিসাকে হারিয়ে খুব একটা দুঃখ পায় নাই। এদিকে মহিলা ভেবেছে এইটা বব। ববের বউ মরায় সে নিশ্চয় কষ্টে আছে।

মহিলা বলল “আহা! কিরে পোলা, লিসার জন্য কষ্ট হয় রে?”

জন বলল, তেমন একটা হয় না।

কি বলিস ছোকরা!

আরে বলবেন না, যেদিন থেকে লিসা আমার হলো- সেদিনই আমি টের পেলাম আসলে লিসা বেশ খারাপ মাল। তার নিচটা বেশ ময়লা- পচা মাছের গন্ধ পেতাম। যেদিন আমি প্রথম তার ওপর উঠলাম- সে ছ্যাড়ছ্যাড় করে পানি ছেড়ে দিল। আমার মনের অবস্থাটা বুঝেন! তার পিছন দিকে তাকালে পরিষ্কারভাবেই একটা খাজ দেখা যেত। আর সামনের দিকের ছিদ্রটা যত দিন যেতে লাগল ততই বড় হতে লাগছিল। তবু তাকে দিয়ে আমার কাজ চলে যাচ্ছিল। কিন্তু শহরের চার যুবক এসে তার জীবন শেষ করে দিল। এই চাইর বদমাশ আসছিল একটু ভালো সময় কাটানোর জন্য। শহরে ভালো কিছু না পেয়ে এরা লিসাকেই পছন্দ করে ফেলল।আমি ত লিসাকে ভাড়া দিতে রাজি না। হাজার হোক লিসা আমার। কিন্তু হারামজাদাগুলা লিসার জন্য আমাকে টাকা সাধতে শুরু করল। আমি জানি লিসার ক্ষমতা নাই একসাথে চারজনকে নেয়ার- কিন্তু ওরা টাকা দিয়ে আমাকে রাজি করিয়ে ফেলল।

একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলে জন বলল, ওরা চারজন একসাথে লিসার ওপর চড়ে বসতেই লিসা শেষ বারের মত পানি ছেড়ে দিয়ে …… শেষ হয়ে গেলো।

জনের কথা শেষ হতেই বুড়ি মাথা ঘুরে পড়ে গেলো।

 

৩৪)

স্বামী-স্ত্রী রতিক্রিয়ার সময় –

স্ত্রীঃ আজ তোমার কেমন লাগছে গো?

স্বামীঃ দারুন লাগছে ডার্লিং! ইচ্ছে করছে তোমার ভিতর চিরদিনের জন্য ঢুকে যাই! ।

বারান্দায় কাজের বুয়াঃ ঢুকে যাওয়ার আগে আমার টাকাটা দিয়ে যাবেন।

 

৩৫)

বাজার করে আসার পথে ববের গাড়ি খারাপ হয়ে গেলো। সে গাড়ি থেকে নেমে এল। তার ফার্মটা কাছেই। হেটে যেতে মিনিট দশেক লাগবে। সে আপাতত গাড়িটা ফেলে রেখে চলেই যেতে পারত। পরে মেকানিক নিয়ে এসে ঠিক করা যেত গাড়িটা। কিন্তু সমস্যা হল সাথে কিছু বাজার আছে। একটা বড় হাস, দুইটা মুরগি, একটা বালতি আর চার লিটার রঙের ডিব্বা। এতগুলা জিনিস কিভাবে নেয়া যায় সে বুঝে উঠতে পারছে না।

রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে সে এটা নিয়ে ভাবছে, এমন সময় খুব সুন্দর এবং বছর চব্বিশের এক মেয়ে তাকে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা, ৭৭ নম্বর ফার্মটা কোনদিকে?

-৭৭? আমার বাসার পাশেই। হেটে যেতে বড়জোর দশমিনিট লাগবে। আমিই আপনাকে সাথে নিয়ে যেতাম কিন্তু একটা হাস, দুইটা মুরগি, বালতি আর রঙের কৌটা নিয়ে হাটতে পারছি না।

-এক কাজ করেন। রঙের কৌটাটা নেন বালতির ভিতর। মুরগি দুইটা নেন দুই বগলে আর হাসটা নেন আরেক হাতে।

বব তাই করল। চমৎকার কাজ করছে। পথে কথাবার্তায় মেয়ের নাম জানা হল লিসা। সে যাচ্ছে কাজিন জনের বাসায়।

পথের এক জায়গায় বব বলল, এই ওয়ালটার পাশ দিয়ে একটা শর্টকাট – আছে। এখান দিয়ে গেলে তাড়াতাড়ি হবে।

লিসা বলল, কিন্তু খুব নির্জন মনে হচ্ছে পথ।

-তাতে কি?

-আপনি একজন যুবক। আমি একজন তরুনী। ধরেন, আপনি যদি নির্জনে আমার সাথে u know what শুরু করতে চান?

-হা হা হা! আমার একহাতে বালতি, যেটার ভিতর রঙের কৌটা, আরেক হাতে হাস। দুই বগলে দুইটা মুরগি। আমি কিভাবে আপনার সাথে জোর করে কিছু করতে পারি?

-ধরেন, আপনি বালতি থেকে রঙের কৌটাটা বের করে সেটা উল্টিয়ে হাসটা রাখলেন। হাসটা যেন না পালাতে পারে সেজন্য রঙের কৌটাটা বালতির ওপর রাখলেন। তাহলেই হল।

-ভুল করছেন। দুইটা মুরগি আছে যে, সেগুলার কি করব শুনি?

একটু হেসে লিসা বলল, মুরগি দুইটা না হয় আমিই ধরে রাখলাম।

 

৩৬)

খদ্দেরঃ সেক্স করার সময় উভয়ই মজা পাই, তাহলে তুমি আমার কাছ থেকে পয়সা নেবে কেন?

পসারিনীঃ আউটগোয়িং এই চার্জ লাগে, ইনকামিং ফ্রি!

 

৩৭)

তোর স্যুটটা তো বেশ সুন্দর। কোথায় পেলি?

: এটা আমার স্ত্রী আমাকে দিয়েছে একটা সারপ্রাইজ গিফট হিসেবে।

: কেমন সারপ্রাইজ গিফট?

: আমি অফিস থেকে ফিরে দেখি সোফার উপর এই স্যুটটা পড়ে আছে।

 

৩৮)

এক দম্পতির বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেল। তাদের নাবালক মেয়েটিকে জিজ্ঞেস করা হল, তুমি কার সঙ্গে থাকতে চাও, মায়ের সঙ্গে?

মেয়েটি বলল, না, মা বড্ড পেটায়!

তাহলে বাবার সঙ্গে?

না, বাবাও ভীষণ পেটায়!

তাহলে কার সঙ্গে থাকতে চাও?

আমি ক্রিকেটার আশরাফুলের সঙ্গে থাকতে চাই। ও ভারী ভালোমানুষ, চাইলেও পেটাতে পারে না!

 

৩৯)

শহরের পাড় মাতাল, বুড়া বব গেছে চার্চে। সবার সামনে সে প্রশ্ন করল, ফাদার! আর্থেরাইটিস কিভাবে হয়?

ফাদার ববের দিকে তাকালেন। ববের হাত পা কাপছে। যুবক বয়সে ববের অপরিমিত মদ খাবার কাহিনী শহরের সবাই জানে। আরো জানে যৌবনে সে যত্র-তত্র যে কোন মেয়ের সাথে শুয়ে পড়ত। ফাদার ভাবলেন, যুবক সম্প্রদায়কে একটা শিক্ষা দেয়া দরকার। তাই তিনি খুব ভাব নিয়ে বলা শুরু করলেন।

-এটা হয় পাপীদের। যারা খায় মদ। নারী যাদের কাছে বিনোদন মাত্র। যুবকেরা শুনে রাখ, তোমাদের এই যৌবনে তোমরা যে পাপ করবে উদ্দাম সঙ্গমে আর মদে- সেই পাপ তোমাদের ধরবে বার্ধ্যকে এসে।

বব শুনে মাথা নিচু করে রাখল কিছুক্ষন। এরপর বলল, ড্যাম! আজকে পেপারে দেখলাম পোপের আর্থেরাইটিস হইছে।

 

৪০)

ডাক্তার: কনগ্রাচুলেশন! মেয়ে হয়েছে….

শ্বাশুড়ী: এতো দিন পরে হলো তাও আবার মেয়ে?

বউ: তাও তো হয়েছে…. আপনার ছেলের আশায় থাকলে তাও হতো না।

 

৪১)

গ্রীনল্যান্ডে, দুই এস্কিমো খুব সকালে এক চার্চে গিয়ে দরজা ধাক্কাতে লাগলো। এক পাদ্রি এসে দরজা খুলতেই একজন এস্কিমো প্রশ্ন করলো – আচ্ছা ফাদার, আপনাদের এখানে কি কোন বেঁটে নান কাজ করে যে কিনা তিন ফুটের মতো লম্বা?

ফাদার এদিক ওদিক মাথা নেড়ে বললেন – না হে, এরকম কোন নান এখানে কাজ করেন না।

এস্কিমোটা এবার একটু মলিন হয়ে জিজ্ঞেস করলো – আচ্ছা ফাদার, তবে কি এই এলাকার অন্য কোন চার্চে কোন বেঁটে নান কাজ করে?

ফাদার আবারো মাথা নাড়লেন – না এরকম কোন নান এ তল্লাটের কোথাও কাজ করে না।

অন্য এস্কিমোটা এবার হো হো করে হেসে উঠে মাটিতে গড়াগড়ি খেতে লাগলো। আর বলল – বলেছিলাম না ? তুই কোন নান না, রাতের আঁধারে একটা বড় পেঙ্গুইনের সাথে সেক্স করেছিস! হো হো হো হো!!!

 

৪২)

একজন ফাদার চার্চের জন্য কিছু টাকা তুলতে চান। তিনি বিশপকে জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে কিছু টাকা আয় করা যায় বলুন ত! চার্চে কিছু সংস্কার কাজ করা হবে। কিন্তু ফান্ডে যথেষ্ট টাকা নাই। বিশপ বুদ্ধি দিলেন, শহরে ঘোড়ার রেস হয় প্রতি সপ্তাহে। একটা ঘোড়া কিনে সেখানে অংশ নাও। পরের সপ্তাহেই ফাদার গেলেন ঘোড়া কিনতে। কিন্তু ঘোড়ার দাম শুনে তার চক্ষু চড়ক গাছে। বেচারা আর কিছু কিনতে না পেরে একটা গাধা কিনে নিয়ে চলে এলেন। শহরে এসে ভাবলেন, কিনছি যখন গাধা, সেটাকেই রেসে লাগাই। কি আর এমন হবে যদি হেরে যাই।

রেসের ময়দানের সবাইকে অবাক করে দিয়ে গাধাটা ঘোড়ার রেসেই তৃতীয় হয়ে বসল। শহর জুড়ে গাধার প্রশংসা আর তার কীর্তির আলাপ হচ্ছে। পত্রিকাগুলাও পরদিন ফলাও করে খবর ছাপাল, Father’S ASS SHOWS!!!

ফাদার গাধাটাকে খুব ভালো ভালো খাবার দেয়া শুরু করলেন। পরের সপ্তাহেও রেসে অংশ নিলেন গাধা নিয়েই। এইবার তার গাধা রেসের প্রথমেই। পরদিন বিশাল ছবি সহ সংবাদপত্রের শিরোনাম- FATHER’S ASS OUT IN FRONT!!!

ফাদার আগ্রহ নিয়ে বিশপের সাথে দেখা করতে গেলেন। ফান্ডে বেশ ভালো টাকা জমা হচ্ছে গাধাটার কারনে। এদিকে গাধাটা আবার শহরের হিরো হয়ে গেছে। কিন্তু বিশপ পেপারের হেড লাইনগুলো পছন্দই করেন নাই। তিনি ফাদারকে হুকুম দিলেন, বদমাশ গাধাকে আর রেসে দিবেন না। ফাদার তাই করলেন।রেসে কভার করতে আসা সাংবাদিকেরা জিজ্ঞেস করল গাধাটা রেসে নাই কেনো? সহজ-সরল ফাদার বলে দিলেন বিশপের নির্দেশেই এই কাজ করা হয়েছে। রেসিং ডে এর পরের দিন পেপারে আসল- BISHOP SCRATCHES FATHER’S ASS

বিশপ ত এইবার পুরা ক্ষেপা। তার কড়া নির্দেশ এলো ফাদারের কাছে। গাধাকে সরাও। ফাদার আর কি করবেন? এত শখের গাধা তার। কাছের এক সন্ন্যাসী আশ্রমে তার পরিচিত এক নান থাকেন। তিনি গাধাটা নানকে দিয়ে দিলেন। পরের দিনে পেপারে আসল, NUN HAS BEST ASS IN TOWN!!! এইবার পেপারের হেডিং দেখে বিশপ ফিট হয়ে পড়ে গেলেন। জ্ঞান ফিরে আসার পর নানকে খবর পাঠালেন, দয়া করে গাধাটা বিক্রি করে দেন।

নান তাই করলেন। নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিলেন গাধাটা। পেপারে খবর চলে আসল, NUN SELLS ASS FOR 1000 Taka.

বিশপের মাথা এইবার আউলিয়ে গেছে। পেপারগুলা যা শুরু করছে!!!! গাধাটার হাত থেকে যেভাবেই হোক মুক্তি পেতে হবে। তিনি নানকে নির্দেশ দিলেন, আপনি গাধাটা আবার কিনে নেন। এরপর সেটাকে জঙ্গলে ছেড়ে দেন। এরসাথে আমাদের চার্চের যেন কোনরূপ সম্পর্ক না থাকে। নান গাধাটা কিনে ফেরত নিলেন। তারপর বনে নিয়ে ছেড়ে দিলেন। সংবাদ সম্মেলন করে জানালেন, আমার গাধাটার সাথে চার্চের কোনরূপ সম্পর্ক আর নাই। সেটাকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। কেউই আর গাধাটার মালিক নয়। পরেরদিন পেপারের হেডিং- NUN ANNOUNCES HER ASS IS WILD AND FREE.

সেইদিন সকালে হার্ট এটাকে বিশপ মারা গেলেন।

 

৪৩)

সেনাবাহিনীতে নিয়গের জন্য প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরিক্ষা করা হচ্ছে যাকে মেডিকেল চেক-আপ। সেনাবাহিনীর একজন ডাক্তার খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছেন দরকার হলে দিগম্বর করছেন। তো একজনকে দিগম্বর করে বললেন, “এই ছোকরা, তোর পাছা এত কালো কেন? তুই কি বিড়ি, সিগারেট কিছু খাস নাকি?”

ছোকরাও বেশ ত্যাঁদোড়, “কেন স্যার, পাছা দিয়া কি ধোঁয়া বের হচ্ছে?”

 

৪৪)

আবুল মিয়ার সাথা পাশের বাসার মিতা ভাবীর অবৈধ্য সম্পর্ক আছে। আবুল তারে একটা বিদেশী ব্রা গিফট করছে। তার সাতদিন পর:

আবুল: তোমাকে যে বিদেশী ব্রা টা দিছিলাম সেইটা দিয়া কি করছো?

মিতা: সেটা তো রফিক নিয়া গেছে আমার কাছে থাকে।

আ: তার মানে তুমি রফিকের সাথেও xxx কর।

মি: তো তোমার কি ধারনা শুধু তোমার সাথেই।

আ: যাই হোক, রফিক সেটা দিয়া কি করছে।

মি: রফিকের সাথে আবার আইরিনের প্রেম। সে আইরিনকে গিফট করছে।

আ: আইরিন সেটা দিয়া কি করছে?

মি: তা তো জানিনা। কেন, কি দরকার তোমার তা দিয়া?

আ: খুব দরকার। আজ আমার বৌ দেখি সেই ব্রা-টা পইড়া আছে।

 

৪৫)

বুড়ো রিয়াদ সাহেব বিয়ে করেছেন এক কচি মেয়েকে। কিন্তু কয়েক হপ্তা পর দেখা গেলো, বিছানায় যত কায়দা কানুনই তিনি করেন না কেন, বউ বেচারির রাগমোচন হচ্ছে না।

রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তিনি ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।

ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে রায় দিলেন। “এক কাজ করুন। ফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুন। ষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেন। আপনারা যখন ঐসব করবেন, ছোকরা ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে আপনাদের বাতাস করবে।”

ডাক্তারের কথা কী আর ফেলা যায়? রিয়াদ সাহেব এক ষন্ডামতো ছোকরাকে ভাড়া করে বাড়ি নিয়ে গেলেন। ডাক্তারের নির্দেশমতো কাজ করেও কোন ফল পাওয়া গেলো না। চটেমটে রিয়াদ সাহেব আবার ডাক্তারের চেম্বারে হানা দিলেন।

ডাক্তার সব শুনে, সব দেখে আবারও রায় দিলেন। “এক কাজ করুন। এবার উল্টো ফ্যান্টাসি সেক্স চেষ্টা করে দেখুন। ষন্ডা কোন ছোকরাকে ভাড়া করবেন। এবার ছোকরা আপনার স্ত্রীর সাথে যখন ঐসব করবে, আপনি ন্যাংটা হয়ে দাঁড়িয়ে তালপাখা দিয়ে ওদের বাতাস করবেন।”

মরিয়া রিয়াদ সাহেব ঠিক করলেন, তথাস্তু।

এবার একেবারে হাতেনাতে ফল পাওয়া গেলো। রিয়াদ সাহেবের বউ এক উথালপাথাল রাগমোচন লাভ করলেন।

উল্লসিত রিয়াদ সাহেব ষন্ডা ছোকরার কাঁধে টোকা দিয়ে বললেন, “এবার বুঝেছো তো ছোকরা, কিভাবে ঠিকমতো বাতাস করতে হয়?”

 

৪৬)

মহিলা হোষ্টেলে হঠাৎ বিদ্যুৎ নষ্ট হয়ে গেলে,ওয়ার্ডেন বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করলো,”হ্যালো বিদ্যুৎ অফিস? আপনার লোকজন কে শিগ্গির পাঠিয়ে দিন, মেয়েরা সবাই মোমবাতি ব্যবহার করছে!”

 

৪৭)

রোমেল আর তার বউ গলফ খেলা শিখতে গেছে এক পোড়খাওয়া গলফারের কাছে। প্রথমে রোমেলের পালা। কষে বলের ওপর ক্লাব চালালো সে। বল গিয়ে পড়লো ১০০ গজ দূরে।

“উঁহু, এভাবে নয়।” এদিক ওদিক মাথা নাড়লো গলফার। “এমনভাবে ক্লাবটাকে আঁকড়ে ধরুন, যেন স্ত্রীর বুক চেপে ধরেছেন।”

এই পরামর্শ কাজে লাগিয়ে ক্লাব হাঁকালো রোমেল। এবার বল গিয়ে পড়লো ৩০০ গজ দূরে। সন্তুষ্ট হয়ে এবার রোমেলের বউকে শেখাতে বসলেন গলফার।

“কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম, ক্লাবটাকে এমনভাবে পাকড়াও করুন, যেন আপনার স্বামীর ঐ প্রত্যঙ্গটি চেপে ধরেছেন। তারপর কষে হিট করুন।”

রোমেলের বউ হিট করলো, বল গিয়ে পড়লো ১০ গজ দূরে।

গলফার বললেন, “হুম, মন্দ নয়। এবার এক কাজ করুন, ক্লাবটাকে মুখ থেকে নামিয়ে হাত দিয়ে ধরে আবার মারুন তো দেখি!”

 

৪৮)

প্রেম চলাকালীন সময়ে প্রেমিকা প্রেমিককে বলল, এত জোরে না সোনা , প্লিজ। আমার হার্ট দুর্বল।

প্রেমিক আশ্বস্ত করল, ভয় পেও না, এটা অতদূর যাবে না।

 

৪৯)

তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে। সাগরে আমেরিকা আর জাপানের যুদ্ধ জাহাজ যুদ্ধ করতেছে। হঠাত করে জাপানী জাহাজের ক্যাপ্টেন খেয়াল করলো আমেরিকার জাহাজ থেকে পানির নিচ দিয়া বেকায়দা স্টাইলে একটা মিসাইল ছুড়া হইছে। মিসাইল নির্ঘাত জাপানী জাহাজে আইসা লাগবো। মরা ছাড়া জাপানীদের আর কোনো উপায় নাই।

জাপানী ক্যাপ্টেন তার বৃদ্ধ সহকারীকে ডেকে পরিস্থিতি বুঝায় বললো।

ক্যাপ্টেন : আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করবো জাহাজকে মিসাইলের পথ থেকে সরিয়ে নিতে। কিন্তু সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম। তুমি এক কাজ করো। নিচে আমাদের যেসব সৈন্য আছে তাদের কাছে যাও। তাদেরকে মিসাইলের কথা বলো না। বরং আমি চাই এই শেষ বেলায় তুমি তাদেরকে কিছুক্ষনের জন্য হাসাও। দেশপ্রেমিক ক্লান্ত সৈন্যরা যেনো জীবনের শেষ মুহুর্তেও একটু হাসতে হাসতে মরতে পারে।

বৃদ্ধ : স্যার, আপনি কোনো চিন্তা করবেন না। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো তাদের হাসাতে।

বৃদ্ধ সহকারী নিচে নামলো। সৈন্যরা তাকে দেখে উপরের খবর জানতে চাইলো…

বৃদ্ধ : ঊপরের খবর ভালো, নিচের(!!!) খবর আরো ভালো।

সৈন্যরা : নিচের খবর ভালো মানে?

বৃদ্ধ : আমি যদি বলি আমার নিচের “জিনিস”  দিয়ে জাহাজের এই মেঝেতে বাড়ি দিলে জাহাজটা ভেঙ্গে দুই ভাগ হয়ে যাবে, তাহলে কে কে অবিশ্বাস করবে?

সৈন্যরা : হাহাহাহা…বুড়ার খায়েশ দেখো…এই বয়সে কিসব কাপঝাপ কওন লাগছে।

সৈন্যরা হাসতে হাসতে মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়া ধরলো।

বৃদ্ধ : বিশ্বাস হয় না?….দাড়া…দেখ তাহলে মজা….

এই বলে বৃদ্ধ হাটু গেড়ে বসে তার “জিনিস” দিয়ে জাহাজের পটাতনে দিলো এক বাড়ি। ঠিক সেই সময় মিসাইল এসে জাপানী জাহাজে আঘাত করলো। জাহাজ দুই ভাগ হয়ে ডুবতে লাগলো….

সৈন্যরা সবাই মারা গেলো। কাহিনীর প্রয়োজনে বেচে রইলো শুধু ক্যাপ্টেন আর বৃদ্ধ।

ক্যাপ্টেন : তোমাকে যা করতে বলছিলাম তুমি কি তা করছো?

বৃদ্ধ : জ্বি স্যার। আমি তাদেরকে শেষ সময়ে হাসাতে সাহায্য করেছি।

ক্যাপ্টেন : কিভাবে হাসাইছো?

বৃদ্ধ সব খুলে বললো। সব শুনে ক্যাপ্টেন বললো, ভালো কাজ দেখাইছো। আমি অনেক খুশি হইছি যে আমাদের দেশের জন্য যারা যুদ্ধ করছে তাদেরকে তুমি শেষ মুহুর্তের আনন্দটুকু দিতে পারছো। তবে পরেরবার থেকে তোমার “জিনিস” ব্যবহারে সাবধান থাকবে। কারণ মিসাইল আমাদের জাহাজের পাশ কেটে গেছে।

 

৫০)

বাবুর বড় বিপদ, ২৫ ইঞ্চি দীর্ঘ প্রত্যঙ্গ নিয়ে গাড্ডায় পড়েছে সে। কোনও মেয়েকে সে ঠিক খুশি করতে পারে না, আবার এই আকৃতি নিয়ে তার নিজেরও নানা হাঙ্গামা। একদিন জঙ্গলে এক দরবেশ বাবার আস্তানায় ধর্ণা দিলো সে। তার সমস্যার কথা খুলে বলে কাকুতি মিনতি করে জানালো, বাবা যদি কোনোভাবে ২৫ ইঞ্চি থেকে তাকে ১০-এ নামিয়ে আনতে পারেন, সে সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। দরবেশ বাবা মিনিট পাঁচেক চোখ বুঁজে ধ্যান করে বললেন, “এখান থেকে সোজা উত্তর দিকে বনের এভতর পাঁচশ কদম হাঁটলে একটা কুয়ো পাবি। ওখানে বাস করে এক মাদী ব্যাং, কিন্তু মানুষের জবানে কথা বলে। তাকে শুধাবি তোকে সে বিয়ে করতে চায় কি না। যদি উত্তরে না বলে, ৫ ইঞ্চি কমে যাবে। এখন যা বেটা। হক মাওলা!”

বাবু ৫০০ কদম এগিয়ে কুয়ো খুঁজে পেলো। ভেতরে উঁকি দিয়ে দেখলো, বাস্তব, একটা ব্যাং বসে। সে গলা খাঁকরে শুধালো, “ইয়ে ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”

গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”

বাবু টের পেলো, ২০-এ নেমে গেছে সে। কিন্তু এতেও অসুবিধা হবে ভেবে সে আবারো জিজ্ঞেস করলো, “ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”

আবারও গম্ভীর গলায় উত্তর এলো, “না!”

বাবু ১৫-তে নেমে এলো।

উল্লসিত বাবু আবারো জিজ্ঞেস করলো, “বলি ও ব্যাংকুমারী, তুমি আমায় বিয়ে করবে?”

এবার উত্তর এলো, “এক কথা কতবার বলবো তোকে ব্যাটা হারামজাদা? না, না, না!”

 

৫১)

দীপ্ত দশম শ্রেনীতে পড়ুয়া মেধাবী ছাত্র। ভাল ফলাফল প্রত্যাশী দীপ্ত তাই রোজ সন্ধ্যার পর যৈবতী ম্যাডামের বাড়ীতে গিয়ে প্রাইভেট পড়ে। এক বৈশাখের সন্ধ্যায় তেমনি করে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর কাল বৈশাখী শুরু। প্রচন্ড ঝড় আর বৃষ্টি কিছুতেই থামছে না। সন্ধ্যা গড়িয়ে অনেক রাত। ঝড় কমলেও বৃষ্টি থামছে না। অবশেষে বৃষ্টিতে ভিজেই বাড়ী ফিরতে চাইলে যৈবতী ম্যাডাম না করেন। বলেন এত রাতে এইভাবে বৃষ্টি ভিজে বাড়ী ফেরার দরকার নাই। আজ রাত আমার এখানেই ঘুমিয়ে থাকো। সকালে চলে যেও। আমি তোমার মাকে ফোন করে দিচ্ছি।

দীপ্তঃ না ম্যাডাম, আমি আপনার বাসায় রাতে থাকতে পারবনা।

ম্যাডামঃ কেন? কি সমস্যা? আমি বিছানা করে দিচ্ছি তুমি খেয়ে ঘুমিয়ে পড়।

দীপ্তঃ না ম্যাডাম, রাতে অন্যের বাসায় ঘুমাতে আমার সমস্যা আছে।

ম্যাডামঃ কি সমস্যা বল শুনি।

দীপ্তঃ না ম্যাডাম, সেটা বলা যাবে না।

ম্যাডামঃ না বললে তো তোমার সমস্যার সমাধান হবে না। তুমি বল, আমি সমাধান করে দেব।

ম্যাডামের অনেক পীড়াপিড়ির পর

দীপ্তঃ ম্যাডাম, রাতে অন্য কারোর নাভিতে আংগুল না দিয়ে ঘুমালে আমার ঘুম আসেনা।

প্রিয় ছাত্রের এমন অদ্ভুত সমস্যার কথা শুনে ম্যাডাম কিছুটা বিব্রত হলেও বিচলিত না হয়ে বললেন – ঠিক আছে, রাতে তুমি আমার নাভিতে আংগুল দিয়েই ঘুমিও।

এমন আশ্বাসের ভিত্তিতে দীপ্ত সে রাত ম্যাডামের বাসায় থেকে যায়।

পরদিন সকালে গোসল সেরে মাথার চুল ঝাড়তে ঝাড়তে ম্যাডাম লজ্জাবনত মস্তকে দীপ্তকে বলছে- দীপ্ত, কাল রাতে তুমি যেটাকে নাভি মনে করে আংগুল দিয়ে ঘুমিয়েছ সেটা আসলে নাভি ছিলনা।

উত্তরে দীপ্ত বলে- ম্যাডাম, আপনি যেটাকে আংগুল মনে করছেন, সেটাও আসলে আংগুল ছিল না।

 

৫২)

এক ভদ্রলোকের খামারে ব্রিডিং এর দরকার হলো। তিনি বাজারে গিয়ে তরতাজা এক মোরগ পছন্দ করলেন এবং দোকানিকে দাম জানতে চাইলেন। দোকানদার বলল, ২০ ডলার, তবে এর চেয়ে এই শুকনা মোরগটা নিয়ে যান আপনার কাজে লাগবে। ভদ্রলোকের ঠিক পছন্দ না হলেও দোকানদার শুকনা মোরগ এর জন্য ৪০ ডলার চাইল। ভদ্রলোক শুকনা মোরগ টাই নিলেন।

প্রথমদিন মোরগটা খামারির সব মুরগিগুলোকে প্রেগন্যান্ট করল,

দ্বিতীয়দিন সব ছাগলগুলোকে প্রেগন্যান্ট করল,

তৃতীয়দিন সব গরুগুলোকে প্রেগন্যান্ট করল

এবং পরদিন

ভদ্রলোক ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার মোরগ মাঠের মাঝে মৃত পড়ে আছে। ভদ্রলোক হা হা করে কাছে ছুটে যেতেই মোরগ লাফ দিয়ে উঠে বলল, হতচ্ছাড়া তোর জন্য আমার টার্গেট করা কাক গুলো মিস হয়ে গেল।

 

৫৩)

দুই কালসিটে বসা চোখ নিয়ে ফিরলো জুমন। রুমমেট সুমন বললো, ‘কী রে, কী হয়েছে?’

জুমন বললো, ‘আর বলিস না। বাসে বসেছিলাম, এক মহিলা দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলো। তো, হয়েছে কি, মহিলার শাড়িটা পেছনে এমন বিচ্ছিরি ভাবে এঁটেছিলো, ঠিকমতো দাঁড়াতে পারছিলেন না। আমি ভাবলাম, ওজায়গায় শাড়িটা আঙুল দিয়ে এক চিমটি টেনে একটু ঢিলে করে দিই, ওনার সুবিধে হবে। ঐ কাজ করতেই মহিলা পেছন ফিরে এক ঘুঁষি মারলো আমার বাম চোখের ওপর।’

‘আয় হায়। আর ডান চোখে কী হয়েছে?’

‘মার খেয়ে আমি ভাবলাম, যেমন ছিলো তেমনটাই করে দিই। তাই আঙুল দিয়ে খুঁচিয়ে আবার ওটা আগের মতো আঁটো করে দিলাম …।’

 

৫৪)

ব্যাংক এ বেশ বড় একটা লাইন। ডেস্কে বসে যে মেয়েটা টাকা ও চেক জমা নিচ্ছে সে কানে হেডফোন লাগিয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে কথা বলছে। ফাকে ফাকে কাজ করছে। লাইনে যারা দাঁড়িয়ে আছে সবাই বিরক্ত। একজনকে দেখে মনে হল তার বিরক্তির সীমা নাই। একটু পরপর বলছে, আর কত দাঁড়িয়ে থাকব? ভালো লাগেনা।

এক পর্যায়ে তার ধৈর্যচ্যুতি হল। সে লাইন ভেঙ্গে সবার সামনে এসে মেয়েটাকে বলল, তাড়াতাড়ি করেন। আমি সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকতে পারব না।

মেয়েটা হেডফোন সরিয়ে বলল, লাইন ধরেন।

-বালের লাইন ধরব আমি।

-বাজে কথা বলবেন না।

– মাগী তুই আমার চেক নিবি কিনা সেটা বল।

-খবরদার। আপনি বাজে ভাষা ব্যবহার করছেন। আমি ম্যানেজারকে ডাকতে বাধ্য হব।

-কুত্তী! যা তোর ম্যানেজারকে ডাক।

মেয়েটা ম্যানেজারকে ঠিকই ডেকে আনল। ম্যানেজার এসেই বলল, খারাপ ভাষায় কথা বলছেন কেনো? এইখানে সবাই সম্ভ্রান্ত লোক। আজেবাজে লোকদের এই ব্যাংক এ কোন কাজ থাকে না। এখন বলুন আপনার সমস্যা কি?

-আমি দশ কোটি টাকার এই চেকটা জমা দিতে এসে গত দেড় ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি।

ম্যানেজার চেকটা হাতে নিল। টাকার অঙ্ক দেখল। ছোট্ট একটা শিস দিল। এরপর বলল, আপনি চেক নিয়ে এসেছেন, আর এই মাগী আপনার চেক জমা নিচ্ছে না!

 

৫৫)

রেস্টুরেন্ট। চিকেন এর অর্ডার মাত্র এসে টেবিলে পৌছল। বব খাওয়া শুরু করবে এই সময় ওয়েটার এসে বলল, স্যার। থামেন। এই ডিস আপনাকে দেয়া যাচ্ছে না।

কেনো?

জন সাহেব আমাদের নিয়মিত খদ্দের। তিনি এই ডিস খান। আজকে এইটাই শেষ ডিস। সুতরাং দয়া করে এটা নিয়ে যেতে দিন। হাউসের তরফ থেকে আপনাকে আমরা অন্য একটা ডিস ফ্রি দিচ্ছি।

জন হারামজাদা কে? সে চাইলেই আমি ডিস ফেরত দিব ক্যানো? আমি দিব না। এই চিকেন আমি খাব। জন যা পারুক করুক।

ওয়েটার চলে গেলো। একটু পর এক পুলিশ অফিসার আসল। এসেই বলল, কুত্তার বাচ্চা ! আমার চিকেন দে!

বব বুঝল এর নামই জন।

সে বলল, আমার ডিস আমি খাব! কিছুতেই তোকে দিব না।

আইচ্ছা! তোকে সাবধান করে দিচ্ছি। তুই মুরগিটার যা করবি, আমিও তোর তা করমু। তুই যদি মুরগির একটা রান ছিড়স, তোর রানও আমি ছিড়মু। খবরদার! মুরগির গায়ে হাত দিবি না।

আমি মুরগির সাথে যা করমু, তুই আমার সাথে তা করবি? আইচ্ছা! দেখ শালা…এই বলেই বব মুরগির দুই পা ফাক করে, ইয়ের ভিতর দুইটা আঙ্গুল ভরে দিলো। এরপর আবার আঙ্গুল দুইটা বের করে নিজের মুখে চুষে নিল। এরপর উঠে প্যান্ট খুলল। জনের দিকে তাকিয়ে বলল, ওকে শুরু কর দেখি!

 

৫৬)

জন নয়া ফ্লাটে ঊঠছে। ওর বাবা-মা আসছে দেখতে কি অবস্থা। এসে দেখে সে একা থাকে না, তার মেয়ে রুমমেট আছে একজন। লিসা নাম তার। মেয়েটা যাকে বলে সেই রকম সুন্দরী আর রমনীয়।

ওর মার সন্দেহ হলো,

-বাবা! তোমরা দুইজন কি লিভ টুগেদার শুরু করছো?

-না মা। সে আমার রুমমেট। এর বেশি কিছু না।

-সে তোমার সাথে রাতে থাকে না?

-না। ফ্লাটে ত দুইটা বেড। এই দেখ সে এইটাতে থাকে আর আমি থাকি পাশের রূমে।

-হুম! ভালো।

পরের সপ্তাহে লিসা জনকে জানালো তার খুব দামী ঘড়িটা পাওয়া যাচ্ছে না। যেদিন জনের বাবা-মা এসেছে তার পরদিন থেকেই ঘড়িটা গায়েব। জন ভাবল এটা নিয়ে মাকে ফোন করা যায় না। তাই সে একটা চিঠি লিখল।

মা!তুমি যাওয়ার পরদিন থেকে লিসা তার ঘড়িটা খুজে পাচ্ছে না। আমি বলতে চাই না তুমি ঘড়িটা নিয়েছো, আমি এটাও বলতে চাইনা যে ঘড়িটা তুমি নাও নি। কিন্তু কথা হল, তুমি যাওয়ার পরদিন থেকে ঘড়িটা কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না।

জনের মা উত্তর দিল, বাবা।আমি বলতে চাই না লিসা তোমার সাথে রাতে শোয়, আমি এটাও বলতে চাই না, লিসা তোমার সাথে রাতে শোয় না। কিন্তু কথা হল, লিসা যদি নিজের খাটে রাতে শুইত, তবে চাদরের নিচে ঘড়িটা পেয়ে যেত।

 

৫৭)

বই পড়ে হঠাৎই ছোট্ট হৃদয় জানতে পারল যে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্করই অন্তত একটি করে গোপনীয়তা আছে যেটা কোন মূল্যেই প্রকাশ করতে রাজি নয়। সে মনে মনে ভাবল, এটা নিয়ে খানিকটা মজা করা যাক। সে তার মা’র কাছে গিয়ে বলল, মা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। মা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার সোনামানিক, তোমার বাবাকে বলো না!

তারপর সে আরেকদিন তার বাবাকে বলে বসল, বাবা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। বাবা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার জাদুসোনা তোমার মাকে বলো না!

হৃদয় এতে দারুণ মজা পেয়ে গেল। তখনই দেখল তাদের বাড়ির সামনে দুধওয়ালা এসেছে দুধ দিতে। সে তার কাছেও দৌড়ে গিয়ে বলল, চাচা আসল সত্যটা আমি জানি।

দুধওয়ালা সে কথা শুনে দু’হাত বাড়িয়ে ছলছল চোখে বলে উঠল-

তবে আয় বাবা আয়, তোর আসল বাপের কোলে আয়।

 

৫৮)

তিন টিনএজ বান্ধবী এক সাথে এক ফ্ল্যাটে থাকে। একি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। পরের শনিবার থেকে তাদের পরবর্তী সেমিস্টার শুরু হবে। তাই শুক্রবার দিন তিন বান্ধবী একসাথে ডেটিং এ বেড় হলো। সারাদিন ডেটিং করার পর কাকতালীয় ভাবে সন্ধ্যায় এক সাথে তিনজন বাসায় ফিরলো।

প্রথম এক বান্ধবী উৎফুল্ল ভাবে অপর দুইজনকে বলল – রোমাঞ্চকর ডেটিং হচ্ছে বাসায় ফিরে যখন দেখবে তোমার পরিপাটি চুল এবড়ানো থেবড়ানো, নিজেকে আয়নায় দেখলে পাগলীনি মনে হবে সেটা।

দ্বিতীয় বান্ধবী প্রথম বান্ধবীর উপর লাফ দিয়ে পরে বলল – হলো না, সব চেয়ে রোমাঞ্চকর ডেটিং হচ্ছে বাসায় ফিরে যখন দেখবে তোমার সুন্দর ম্যাকাপ নিঃশেষ হয় গেছে, তোমার ঠোঁটে লিপস্টিকের লেশ মাত্র নেই সেটা।

তৃতীয় বান্ধবী চুপ করে বসে বসে তাদের কথা শুনছিলো। কোন কথা বলছিলো না। অনেকক্ষণ চুপ করে থাকার পর নিজের অন্তর্বাস খুলে দেয়ালের দিকে ছুঁড়ে মেরে বলল – “সব চেয়ে রোমাঞ্চকর ডেটিং হচ্ছে এটা হারিয়ে ফেলা।”

 

৫৯)

একদিন এক জেনারেল, এক ক্যাপ্টেন আর এক মেজর বসে বিভিন্ন ধরনের গল্প করছেন। কথায় কথায় সেক্সের কথা উঠে আসলো।

জেনারেল বলল, জান, আমার কাছে সেক্স মানে হচ্ছে ৮০% পরিশ্রম আর ২০% আনন্দ।

তারপর তিনি জিজ্ঞাসা করলেন বাদবাকিদের। জবাবে ক্যাপ্টেন বলল, আমার কাছে সেক্স মানে ৬০% পরিশ্রম আর ৪০% আনন্দ।

এবার মেজরের পালা আসলে মেজর বললেন আমার মতে সেক্স হচ্ছে ৫০% পরিশ্রম আর ৫০% আনন্দ।

ঠিক সেই সময় এক বাটলার ঢুকে পড়লে জেনারেল বলল, এই বল তো, তোর কাছে সেক্স মানে কি?

জবাবে বাটলার বললো, স্যার আমার কাছে সেক্স মানে ১০০% ই আনন্দ এতে কোন পরিশ্রমই নাই।

এর জবাব শুনে সবাই রেগে গিয়ে বলল, এটা তোকে প্রমাণ করতে হবে। না পারলে তোকে পানিশমেন্ট দেওয়া হবে। তখন বাটলার জবাবে বলে, এতো খুবই সহজ স্যার! কারণ সেক্সে যদি কোন পরিশ্রম থাকতো তাহলে তা আপনারা আমাকে দিয়েই করাতেন।

 

৬০)

বাসের সামনের সিটে এক নানের পাশে এসে বসল এক হিপ্পি। নানের চেহারা দেখে সে রীতিমত মুগ্ধ। যেভাবেই হোক এই নানকে শয্যাসঙ্গী করতেই হবে। কিন্তু কীভাবে নানকে মনের কথাটা বলা যায়। অনেক চিন্তা ভাবনার পর শেষপর্যন্ত সরাসরি নানকে সেক্সের প্রস্তাব করে বসল হিপ্পি। হিপ্পির এই প্রস্তাবে নান তো রীতিমত আশ্চর্য! এই পোলায় বলে কী!!

মনে মনে রেগে উঠলেও বিনয়ের সাথে হিপ্পির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন নান। সামনের স্টপেজে নেমে গেলেন নান।

এদিকে হিপ্পি কিছুটা মন খারাপ করে বসে আছে বাসে। বাসের ড্রাইভার এতক্ষণের কথোপকথন সবটাই শুনেছে। ড্রাইভার বলে উঠল, “তুমি চাইলে সুন্দরী নানের সাথে সেক্স করার উপায় বাতলে দিতে পারি।“

“অবশ্যই” , আনন্দে হাতে কিল মেরে বসল হিপ্পি।

“নান প্রতি বৃহস্পতিবার রাতে স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করার জন্য কবরস্থানে যান। সে সময় যদি তুমি হঠাৎ সাদা আলখাল্লা পড়ে অন্ধকার থেকে বের হয়ে এসে তাকে বোঝাতে পার যে তুমি গড, তাহলে নানকে দিয়ে যে কোন কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভব। “

আইডিয়াটা হিপ্পির বেশ পছন্দ হয়েছে। ড্রাইভারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বাস থেকে নেমে পড়ল সে। পরের বৃহস্পতিবারে সন্ধ্যা নামতেই সর্বাঙ্গ সাদা আলখাল্লায় ঢেকে গোরস্থানের এক চিপায় বসে নানের জন্য বসে রইল হিপ্পি। গোরস্থানে জমাট অন্ধকার। সামনে বেশি দূরে দেখা যায় না। ঘণ্টাখানেক পরে কোন একজনকে গেট থেকে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসতে দেখা গেল। পড়নের রোব দেখে হিপ্পি নিশ্চিত হল এটাই নান। কিছুক্ষুণ পর সামনে এক জায়গায় হাঁটু গেড়ে বসে প্রার্থনায় ডুবে গেলেন নান।

“এই সুযোগ”, মনে মনে বলল হিপ্পি।

আলখাল্লাটা ভালো করে গায়ে জড়িয়ে নানের সামনে এসে ভরাট গলায় হিপ্পি বলে উঠল , “আমিই গড! এতক্ষণ ধরে তোমার সব প্রার্থনা আমি শুনেছি। তোমার সকল প্রার্থনা কবুল করা হবে। তবে তার আগে আমার প্রতি তোমার বিশ্বাস যাচাই করার জন্য তোমার পরীক্ষা নেওয়া হবে। তোমাকে আমার সাথে সেক্স করতে হবে।”

স্রষ্টার আদেশ অমান্য করার মত সাহস নানের নেই। তাই তিনি রাজি হয়ে গেলেন। তবে শর্ত অন্যভাবে করতে হবে। নান নিজের ভার্জিনিটি খোয়াতে চান না।

হিপ্পি ভেবে দেখল এই প্রস্তাব খারাপ না। তাই নানের প্রস্তাব অনুমোদন করল হিপ্পি। বেশ কিছুক্ষণ আদর সোহাগ চলল। কর্ম শেষে শ্রান্ত হিপ্পি এবার নানকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য আলখাল্লা খুলে বলল, ” এই দেখুন আমিই সেই হিপ্পি আপনি যার সাথে সেক্স করতে রাজি হন নি”

এবার হাসতে হাসতে নিজের রোব খুলতে খুলতে একটি পুরুষ কণ্ঠ জবাব দিল, “তবে রে! এই দ্যাখ আমিই সেই ড্রাইভার যে তোকে দিয়ে এতকিছু করিয়ে নিল।”

 

৬১)

দুই কুকুর গ্রামে খাবার কমে যাওয়া শহরে আসছে। এসে একজন গেছে উত্তরে একজন দক্ষিনে। একমাস পর দুইজনের দেখা। উত্তরের জন অনেক মোটাতাজা হয়ে গেছে কিন্তু দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। তো উত্তরের জন দক্ষিনের জনকে বলে, তুমি উত্তরে চলে আস, উত্তরে অনেক খাবার, তুমি অনেক মোটা হয়ে যাবে।

:না

:কেন?

:আমি অপেক্ষায় আছি।

:কিসের অপেক্ষা?

:আছে বলা যাবে না।

একমাস পর আবার তাদের দেখা। এইবার দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। কিন্তু তারপরও সে উত্তরে যাবে না। শুধু বলে সে অপেক্ষায় আছে।

আরও একমাস পর তাদের আবারও দেখা। দক্ষিনের জনের অবস্থা এইবার মরমর। তো উত্তরের জন কইছে হয় এইবার তুমি আমার সাথে আসবা না হয় কইবা তুমি কিসের অপেক্ষায় আছো।

: তাইলে শুনো। ঐ যে সাদা বাড়িটা দেখ। ঐখানে একটা নতুন বৌ আসছে। সে রান্না খুব একটা পারে না। একদিন তরকারিতে লবন বেশী দিয়া ফেলছিল। তখন জামাইডা কইছে আর একদিন যদি তরকারিতে লবন বেশী হয় তরে আমি কুত্তা দিয়া চাটামু। আমি অপেক্ষায় আছি আবার কবে তরকারিতে লবণ বেশী হবে।

 

৬২)

জসিমের সেভ করা দরকার হলো ….তাই সে গেল তার পাড়ার নাপিতের কাছে । নাপিত মাত্র জসিমের গালে ফোম লাগিয়েছে , এমন সময় জসিম বলল , “আমার গাল তা একটু ভাঙ্গা , তাই মসৃন সেভ হয়না , দয়া করে খুব সাবধানে মসৃন সেভ করে দাও।”

নাপিত করলো কি, একটা কাঠের ছোট গোল বল জসিমের গালের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল , তারপর সেভ করা শুরু করলো। কিছুক্ষণের মাঝেই জসিম বুঝতে পারল, আসলেই খুব ভালো ও মসৃন সেভ হচ্ছে।

গালের ভিতর বলটি নিয়ে জড়ানো গলায় জসিম বলল, “খুব ভালো …. কিন্তু এখন যদি আমি বল টি গিলে ফেলি , তাহলে কি হবে?”

নাপিত একটুও বিচলিত না হয়ে বলল, “ঐটা কোনো বেপার না , সবাই যেমনে পরের দিন ফিরত দিয়া যায় , আপনেও কাইলকা আইসা ফিরত দিয়া যাইয়েন।”

 

৬৩)

নিজের ইচ্ছেশক্তি পরীক্ষার জন্যে এক ভদ্রলোক ঠিক করলেন, তিনমাস তিনি স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এ ব্যাপারে তাঁর স্ত্রীর তেমন আগ্রহ না থাকলেও ভদ্রলোকের প্রস্তাবে রাজি হলেন তিনি।

প্রথম কয়েক হপ্তা তেমন একটা সমস্যা হয়নি। দ্বিতীয় মাস থেকে শুরু হলো সমস্যা। ভদ্রমহিলা তখন বোরখা পরে আর রসুন চিবিয়ে ঘুমুতে গেলেন। বহুকষ্টে দ্বিতীয় মাস কাটানোর পর তৃতীয় মাস থেকে সত্যিই খুব কষ্ট হতে লাগলো। মহিলা বাধ্য হলেন ভদ্রলোককে ড্রয়িংরূমের সোফায় ঘুমুতে পাঠানোর জন্যে, আর রাতে নিজের ঘরের দরজায় খিল এঁটে রাখতে হলো তাঁকে।

এমনি করে তিনমাস শেষ হলো। একদিন ভোরে শোবার ঘরের দরজায় টোকা পড়লো। ঠক ঠক ঠক।

বলো তো আমি কে? ওপাশ থেকে ভদ্রলোকের গলা ভেসে এলো।

আমি জানি তুমি কে! উৎফুল্ল গলায় বললেন মহিলা।

বলো তো আমি কী চাই?

আমি জানি তুমি কী চাও!

বলো তো আমি কী দিয়ে দরজায় নক করছি?

 

৬৪)

ঈশ্বর তিন দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে জানতে চাইলেন কার কি ইচ্ছা।

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট: স্যার, আমার দেশ কবে এই অর্থনৈতিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারবে। ঈশ্বর বললেন-আরও ১০ বছর লাগবে। ওবামা চোখ মুছতে মুছতে বলতে লাগলেন হায় আমি ক্ষমতায় থাকতে তা আর দেখে যেতে পারব না।

চীনের প্রেসিডেন্ড: স্যার, আমার দেশ কবে অর্থনীতিতে স্বয়ং সমপূর্ণ দেশে পরিণত হবে। ঈশ্বর বললেন- আরও ২০ বছর লাগবে। চীনের প্রেসিডেন্ড চোখ মুছতে মুছতে বলতে লাগলেন হায় আমি বেচে থাকতে তা বুঝি আর দেখে যেতে পারবনা।

বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট: স্যার আমাদের দেশের সব সমস্যা কবে শেষ হবে।

এবার ঈশ্বর হাউ মাউ করে কাঁদতে শুরু করে দিলেন-হায়রে তোদের সমস্যা যে কবে শেষ হবে তা বুঝি আমি আর দেখে যেতে পারলাম না।

 

৬৫)

জন খুব সাদাসিধা নার্ভাস, শীর্ণ সাস্থ্যের একটা ছেলে। মেয়েদের প্রতি প্রবল আকর্ষণ, কিন্তু মেয়েরা তাকে থোড়াই কেয়ার করে। তাই পাশের ফ্ল্যাটে যখন নতুন একজন সুন্দরী, উন্নতবক্ষা বিবাহিতা মহিলা আসল, জনের আফসোস করা ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না হয়তো। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। দিস গার্ল ইস সামথিং এলস। জনের মাথা মোটামুটি খারাপ হয়ে গেল তাকে দেখে। সে সিদ্ধান্ত নিল, আর ব্যাকফুটে নয়, এইবার কিছু করতেই হবে।

তাই একদিন দোয়াদুরুদ পড়ে বুকে ফুঁ দিয়ে হাজির হল সে সেই পরীর ফ্ল্যাটে। কলিংবেল টেপার পর দরজা খুলে দিল মহিলার ষন্ডামার্কা স্বামী। হাই হ্যালো বিনিময়ের পরে জন আসল কথাটা পাড়ল।

“আমি আপনার স্ত্রীর অনাবৃত বুকে চুমু খেতে চাই। এটা করতে দিলে আপনাদের ১ মিলিওন ডলার দেব”

প্রথমে এই ভয়াবহ প্রস্তাব শুনে স্বামী ভদ্রলোকতো জনকে মেরে বসে আর কি! কিন্তু পরক্ষণেই সে ভেবে দেখল “১ মিলিওন ডলার! বাপস্! এটার জন্যে একটু স্যাক্রিফাইস করা যেতেই পারে। কেউ তো আর জানছেনা।”

তো সে তার স্ত্রীর সাথে আলোচনা করে রাজী হয়ে গেল।

জন এখন তার স্বপ্নকন্যার অনাবৃত বুক দলিত মথিত করতে ব্যস্ত। ৫ মিনিট যায়, ১০ মিনিট যায়, কিন্তু জন চুমু আর খায়না, খালি….!!

মহিলা এতক্ষণ ডলারের স্বপ্নে বিভোর থাকার পর এইবার একটু অধৈর্য হয়ে গেলো।

“কি ব্যাপার, আপনি চুমু খাবেন কখন?”

সাথে সাথে জন হাত সরিয়ে নিল ওখান থেকে।

“আমি আসলে চুমু খেতে পারবনা ওখানে, কারণ আমার ঐ পরিমাণ টাকা নেই!”

A deal is a deal!

 

৬৬)

এক লোক অতি বিকট শব্দে বায়ু ত্যাগ করে। তার যেমন বিকট আওয়াজ তেমনি উৎকট গন্ধ।

তার বউ বিরক্ত।

– তুমি কি এটা ইচ্ছা করেই করো নাকি?

-ইচ্ছা করে আবার করা যায়?

-কি জানি। তবে তোমার জ্বালায় ত আর থাকতে পারছি না। দেখো কমাতে পারো কিনা।

এত কথা পুরোটাই নষ্ট হয়েছে।

পরদিন সকালেই আবার বিকট শব্দে কাজ শুরু করেছে।

বউ বিরক্ত হয়ে বলল

-তুমি যেভাবে চালিয়ে যাচ্ছো তাতে কদিন পর কিন্তু বায়ুর সাথে নাড়ি-ভুড়ি বের হয়ে যাবে।

– তুমি কি সব কথা বলো। নাড়ি-ভুড়ি বের হবে কেনো?

-বের হবে …একশবার হবে…তুমি জোর করে এমন বিকট আওয়াজ করো।

একদিন সকালে সে অভ্যাসগত ভাবেই বিকট শব্দে ত্যাগ করছে।

তার বউ আর শুয়ে থাকতে পারল না।

উঠে যেতে যেতে বউয়ের মাথায় এসেছে এক বুদ্ধি।

নীচে নেমে ফ্রিজ থেকে মুরগি বের করল।

এরপর মুরগির নাড়ি-ভুড়ি নিয়ে এসে স্বামীর পাজামার ভিতর দিয়েছে ঢুকিয়ে।

চুপ করে নেমে এলো।

রান্না করতে করতে দুই কান খাড়া করে রাখছে সে। কখন তার স্বামী চিৎকার করে ঊঠবে।

কিছুক্ষন পর যথারীতি এক চিৎকার।

বউয়ের মুখটা আনন্দে ভরে গেছে। এইবার হইছে উচিত শিক্ষা।

আধা ঘন্টা পর নেমে এসেছে জামাই।

এসেই বলে

– ও বউ ,তুমি ঠিকই বলেছিলে। এতো জোরে পাদ দেয়া ঠিক না ।

আজকে সকালেই পাদ দিয়ে ত নাড়ি-ভুড়ি বের হয়ে গিয়েছিল আমার।

– তাই নাকি?

-তবে বলছি কি আর। তবে খোদার রহমতে, একটু চেষ্টা করে সমস্তটা আবার ভিতরে ভরে ফেলতে পারছি।

 

৬৭)

শিকাগোর এক হাসপাতালে এক ভদ্রলোক অনেক্ষণ যাবৎ ছেলেদের টয়লেটে যেতে চাচ্ছিল কিন্তু কেউ না কেউ সবসময় ভেতরে থাকে এজন্য যেতে পারছিল না। একজন নার্স লোকটার দুর্দশা দেখছিল, সে বলল, স্যার, আপনি মেয়েদের টয়লেট ব্যবহার করতে পারেন কিন্তু আপনাকে প্রমিজ করতে হবে যে আপনি টয়লেটের দেয়ালের কোন বাটন ব্যবহার করবেন না।

ভদ্রলোক তাতে রাজী হয়ে টয়লেটে গেল, তারপর যা করার করল, এবং বসে থাকার সময় সে দেয়ালে বাটন গুলো লক্ষ্য করল। প্রত্যেকটা বাটনের গায়ে কিছু অক্ষর বসানো আছে যেমন, ww, wa, pp এবং লাল একটা বাটনে apr।

সে ভাবল বাটন গুলো চেপে দেখলে কে আর দেখবে, কিউরিসিটির জয় হল, সে ww (warm water) বাটন চাপল ইষৎ গরম পানি এসে তার পশ্চাৎদেশে স্প্রে করে দিল। কি মজার অনুভূতি, পুরুষের টয়লেটে এসব নাই কেন?

আরও ভাল কিছু হবে এটা ভেবে সে wa (warm air) বাটন চাপল, গরম পানির বদলে এবার গরম বাতাস এসে তার পশ্চাৎদেশ শুকিয়ে দিল।

যখন ঐটা শেষ হল তখন সে pp (perfume puff)বাটন চাপল এবং খুব সুগন্ধি পাউডারের একটা পাফ এসে তার তলদেশে সুগন্ধে ভরে দিল, তার মনে হল মেয়েদের রেস্টরুম আসলে আনন্দদায়ক!

পাউডারের পাফ দেয়া শেষ হলে সে apr বাটন না চেপে থাকতে পারল না, যেটায় সে ভাবছিল সবচেয়ে বেশি মজা পাওয়া যাবে।

জ্ঞান হওয়ার পরে সে দেখল হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে, এবং নার্স তার দিকে তাকিয়ে আছে। তার বিশেষ অঙ্গের উপর ব্যন্ডেস করা।

কি হয়েছে ! শেষ যেটা মনে পড়ছে আমি apr বাটন চাপছিলাম।

apr বাটন হল অটোম্যাটিক প্যাড রিমুভার, বালিশের নীচে তোমার পেনিস…

 

৬৮)

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এক সৈনিক পালিয়ে চলে আসল। সবাই বলতে লাগল-শেষ পর্যন্ত তুমি তাহলে ভয়ে কাপুরুষের মত পালিয়ে চলে এলে।

সৈনিকের উত্তর: ঠিক তা নয়। আমার যুক্তি শুনলেই তোমরা তা বুঝতে পারবে-

দেয়ার আর টু পসিবিলিটি ইন ফ্রন্ট। যুদ্ধে আমি শত্রুকে মারব, নয়ত শত্রু আমাকে মারবে। আমি শত্রুকে মারলে নো প্রবলেম।

কিন্তু শত্রু আমাকে মারলে এগেন দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় আমি আহত নতুবা নিহত হব। আহত হলে নো প্রবলেম।

কিন্তু নিহত হলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় ওরা আমাকে জ্বালিয়ে দেবে নয়ত কবর দেবে। জ্বালিয়ে দিলে নো প্রবলেম।

কিন্তু কবর দিলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। হয় আমার কবরের উপর বড় বড় গাছ জন্মাবে, নয়তো ঘাস জন্মাবে। ঘাস জন্মালে নো প্রবলেম।

কিন্তু বড় গাছ জন্মালে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। গাছের কাঠ দিয়ে হয় ফার্নিচার তৈরী হবে নতুবা কাগজ তৈরী হবে। ফার্নিচার তৈরী হলে নো প্রবলেম।

কিন্তু কাগজ হলে দেয়ার আর টু পসিবিলিটি। ভাল কাগজ হলে তা দিয়ে সংবাদপত্র ছাপা হবে কিন্তু বাজে কাগজ হলে তা দিয়ে টয়লেট পেপার তৈরী হবে।

লোকজন বাথরুমে তাদের বটম সাফ করার জন্য আমাকে ব্যবহার করবে। যা আমি একজন সৈনিক হয়ে কিছুতেই সহ্য করতে পারবনা। তাই আমি যুদ্ধ করতে আগ্রহী নই। করো পায়ুর জন্য আমি আমার আয়ু বিসর্জন দিতে রাজী নই।

 

৬৯)

এক ছেলের সাথে আর এক মেয়ের প্রেম ছিল। মেয়েটা একদিন ছেলেটাকে দাওয়াত দিল, আর বললঃ  “আজ আসিয়ো আমাদের বাড়িতে, মা-বাবার সাথে তোমার পরিচয় করাইয়া দিবো, তারপরে রাতে আমরা … …

ছেলেতো খুশিতে বাকবাক। তখনি ছুটে গেল ডাক্তারের দোকানে কনডম কিনতে। দোকানদার বেডা ছেলের খুশি দেখে পাম-পট্টি দিয়ে পুরা ফ্যামিলি প্যাক গছায় দিল। লাফাইতে লাফাইতে ছেলে সন্ধ্যায় গিয়ে হাজির হল মেয়ের বাড়িতে।

শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর (হবু) সামনে গিয়ে ছেলে সালাম দিয়ে সেইযে মাথা নিচু করল, মাথা উচুই করেনা, আধাঘন্টা পার হয়ে গেল, মাথা আর উঠেনা। হবুদের উপর সম্মান দেখে মেয়েতো আহলাদে গদগদ। ছেলের কানের কাছে ফিসফিস করে বলল, তুমি আমার বাবা-মারে সম্মান করো জানতাম, কিন্তু এত সম্মান করো তাতো জানতাম না।

ছেলে রেগে মেগে উত্তর দেয়, সেইডা ঠিক আছে, কিন্তু আমিও তো জানতাম না, তোমার বাপে কনডম বেচে।

 

৭০)

৫ বছরের দীর্ঘ ঘটনা বহুল অথচ শারীরিক ক্ষুধা বর্জিত স্বচ্ছ প্রেম জীবন, প্রেমিকার হঠা্ৎ ঠিক হয়ে যাওয়া বিয়ের মাধ্যমে শেষ হয়ে গেল। প্রেমিক বেচারার মনে যত না হতাশা, তার চেয়ে বেশী আফসোস। বেচারা রাতে ঠিকমত ঘুমাতেও পারে না। অবশেষে ১ দিন মনোবল শক্ত করে সোজাসুজি সাবেক প্রেমিকার শ্বশুর বাড়ীতে উপস্থিত হল। এত বড় ছেকা খাওয়ার পর তার কপাল এতটুকু ভালো হলো যে বাড়িতে অন্য কোন মানুষ ছিল না।

প্রেমিকাকে কাছে পেয়ে সরাসরি কাজের কথা বলল, ”আমি তোমাকে ৫ বছর ভালোবেসেছি। কোন দিন অন্যায় ভাবে কিছু চাইনি। আজ আমি একটা কিছু চাইব। আমাকে দিবা কিনা বল?”

মেয়েটি তার কথা বুঝতে পেরে মনে মনে বলে,”সর্বনাশ।” কারণ ৫ টা বছরের প্রেমের সময় ছেলেটি তাকে কখনো অসম্মান করেনি। তাঁর সম্মতি থাকার পরও ছেলেটি তাকে ভোগ করেনি। তার প্রতিদানে এতে তার রাজী হওয়া উচিত। কিন্তু হাজার হলেও সে এখন আর একজনের বউ। সে চালাকিতে উত্তর দেয়, ”কি চাও আগে তুমি বল?”

ছেলেটির প্রশ্ন,”আগে বলো দিবা কিনা?” মেয়েটি আবার একই কথা বলে। কিন্তু ছেলেটিও নাছোড়বান্দা। মেয়েটি শেষমেষ চিন্তা করে যা হবার তাই হবে। একবারই তো, প্রতিদিনই তো আর না?

সে ছেলেটিকে কথা দেয়। সে যা চাইবে তাই সে দিবে।

ছেলেটি মুখখানা গম্ভীর করে বলে,”যা বলব তাড়াতাড়ি করবা। আগে একটা গ্লাস আনো।”

মেয়েটি তাই করল। ”এবার তুমি গ্লাসটি ভর্তি করে তোমার urine দাও।”

মেয়েটি হতভম্ব হলেও তাড়াতাড়ি তাই করে ছেলেটির হাতে তাঁর urine ভর্তি গ্লাসটি ধরিয়ে দেয়।

ছেলেটি গ্লাস নিয়ে নিজের বাড়ির নিজের ঘরে এসে তাঁর “ওইটা” গ্লাসে ডুবিয়ে ধরে বলে,”নে বাবা খা। মাংস তো আর খেতে পারলি না, ঝোলই খা।”

 

৭১)

পুলা বড় হইতাসে তাই বাপ-মা ঠিক করসে এখন থেইক্যা ওই(!) সুময় হইলে তারা কইবো টাইপ রাইটার আনো।

একদিন বাপে পুলারে ডাইক্যা কয়: তুমার মারে কও টাইপ রাইটার আনতে।

কিছুক্ষণ পুলা আইয়্যা কয়: আম্মায় অহন রানতেসে পরে লইয়া আনবো কইসে।

বাপের তো মিজাজ বিলা।

আবার পোলারে কইলো তুমার মারে কও এক্ষন টাইপ রাইটার আনতে। আমার এক্ষন দরকার।

অনেক সময় পরে পুলা আইস্যা কয়: আম্মায় কইসে টাইপ রাইটার রেডী করসে। তুমারে যাইতে কইসে।

বাপে চেইত্যা কয়: হারামজাদা, তুর মারে গিয়া ক’ আমার এহন টাইপ রাইটার লাগবোনা, আমি হাতেই লেইখ্যা ফালাইসি।

 

৭২)

মাইয়া বড় হইসে তাই বাপ-মা ঠিক করসে এখন থেইক্যা ওই(!) সময় হইলে তারা কইবো চলো চিনি খাই। এইভাবেই চলতাসিলো।

কিন্তু একদিন কামের পুলা চিনতাইলো, আরে সাহেব আর বেগম সাব চিনি খাইতে হইলে রান্নাঘরে যাইবো, বেডরুমে দরজা বন্ধ কইরা কি করে।

সে একদিন উঁকি দিয়া সব দেইখ্যা নিলো আর এরপরে সাহেবের মাইয়্যার উপ্রে এপ্লাই কইরা দিসে।

একদিন ধরা খাইসে আর সাহেবের হেভ্ভী ধোলাই শুরু হইলো। মারতে মারতে তারে বাইরে নিয়া গেসে।

পাবলিকে জিগায়, অয় কি করসে এমুন ধুলাই দিতাসেন?

সাহেব তো আর কইতে কিয়ের লাইগ্যা ধোলাই।

কামের পুলা কয়, আমি কিসু করি নাই। খালি চিনি খাইসি।

পাবলিকে কয়, সামান্য চিনি খাওনের লাগি এমুন মারতাসেন?

সাহেব চেইত্যা কয়, ওরে হারামজাদা চিনি খাইবি ভালা কতা তয় পুরান বস্তা রাইখ্যা নতুন বস্তা খুললি ক্যান?

 

৭৩)

রনের সব কিছুই ঠিক ছিল। জুলির সাথে অনেক দিন প্রেম করার পর ও তাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে। জুলির পরিবারও ওকে মেনে নিয়েছে। বিয়ের দিন তারিখও মুটামুটি ঠিক। কিন্তু সমস্যা এক জায়গাতেই। তা হলো জুলির ছোট বোন টিশা। টিশা ভীষণ সুন্দরী আর সেক্সি!

যদিও জুলিও কম সুন্দরী না। কিন্তু টিশা রনকে দেখলেই কেমন যেন করে বলে রনের মনে হয়! যেমন ইচ্ছা করে বুক, পা বের করা, ইংগিত দেয়া এসব আর কি! টিশা কিন্তু আর কারো সামনে এমন করে না। যাই হোক, এটা নিয়ে রন একটু অস্বস্তিতেই ছিল। রনের অস্বস্তি আরো বেড়ে গেলো যখন ও একদিন জুলিদের বাসায় গিয়ে দেখলো যে ওখানে টিশা ছাড়া আর কেউ নেই।

এবার টিশা সরাসরি ওকে বলেই ফেললো, “তোমাকে আমার ভালো লাগে! যেহেতু আপুর সাথে তোমার বিয়ে হতে যাচ্ছে তাই তোমাকে চিরদিনের মতো করে পাবার উপায় নেই। কিন্তু তোমার বিয়ে হবার আগে আমি তোমাকে একবারের জন্য কাছে পেতে চাই। আমি উপরের তলায় অপেক্ষা করছি।”

এই বলে টিশা উপরে চলে গেলো এবং উপর থেকে নিজের প্যান্টি খুলে ছুড়ে ফেললো! রনের মাথা ঘুরতে লাগলো! সে কোন দিকে না তাকিয়ে মূল দরজা খুলে বের হয়ে গাড়ির দিকে হাঁটতে লাগলো। একটু এগোবার পর সে দেখলো তার হবু শ্বশ্বুর ও জুলি দাঁড়িয়ে আছে!

তারা দু জনেই রনকে জড়িয়ে ধরলো! রনের হবু শ্বশ্বুর বলতে লাগলো, “আমি আজ খুব খুশি! তোমার সততা পরীক্ষা করার জন্য আমরা টিশাকে দিয়ে এই নাটকটি করিয়েছিলাম! তুমিই জুলির উপযুক্ত পাত্র!”

রন একটু হতভম্ব হয়ে ভাবতে লাগলো, “যাক আজকের ঘটনা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখলাম। ভুলেও কনডম কখনও মানিব্যাগে রাখা যাবেনা! কনডম রাখার জন্য গাড়ির গ্লভস্ই উপযুক্ত জায়গা!!”

 

৭৪)

বহুদিন আগে একদেশে এক রাজা ছিল। রাজার রানীর ছিল বিশাল বক্ষ।

রাজার মন্ত্রী শ্যামের বহুদিনের স্বপ্ন রানীর বুক চাটার। কোন পথ না বের করতে পেরে সে রাজার প্রাইভেট ডাক্তার রামরে ধরল। দুঃখ খুলে বলল। মাত্র ১০০০ হাজার টাকা দিলে রাম রানীর বুক চাটার ব্যবস্থা করে দেবে। শ্যাম রাজি হলো।

পরের দিন রানী গোসলে গেলে রাম ডাক্তার তার অন্তর্বাসে চুলকানির জীবানু লাগিয়ে দিল। গোসল সেরে অন্তর্বাস পরার সাথে সাথে চুলকানি শুরু হলো। খবর পাইয়া রাজা মশাই ডাক্তার রামরে ঔষধ দিতে বলল। কায়দা করে রাম রাজারে বুঝালো, এই রোগের ঔষধ এক মাত্র মন্ত্রী শ্যামের লালায় আছে। সে যদি ঘন্টাখানেক রানীর বুক চেটে দেয়, তাহলে উপশম হবে।

রানীর দুঃখে রাজার কলজে ফাটে ফাটে অবস্থা।

তবু রাজা রাজি হলেন। এদিকে শ্যাম চাটার আগে ডাক্তার ঔষধ দিয়ে দিলেন।

তারপর ১ ঘন্টা চেটে এসে শ্যাম ভাবল ডাক্তার এই কথা রাজারে বলতে সাহস পাবে না যে, সে নিজেই চুলকানির জীবানু লাগিয়ে দিয়েছে, কাজেই ডাক্তাররে সাফ জানাইয়া দিল টাকা দিতে পারবে না।

মুচকি হাইসা ডাক্তার চলে গেল, আর বলে গেল নেক্স্ট চাটার জন্য প্রস্তুত থাকতে।

পরের দিন সারাদেশে খবর হইয়া গেল, রানীর চুলকানির জীবানু, রাজার পায়ুতে লাগছে,

চাটার লোকতো আছে চিন্তা কি।

 

৭৫)

বাংলাদেশের এক এমপি কে আমেরিকান এক মন্ত্রী তার ফার্ম হাউস এ দাওয়াত করেছেন । বাংলাদেশি এমপি ফার্ম হাউস ঘুরে ঘুরে দেখছিল আর ভাবছিল এত বড় ফার্ম হাউস মন্ত্রী বানাইলো কেমনে ? তিনি মন্ত্রী কে জিজ্ঞাস করলেন । মন্ত্রী তাকে ফার্ম হাউস এর ছাদে নিয়ে গে…লেন । আর একটি ব্রিজ দেখিয়ে বললেন ” এই ব্রিজ এর বাজেট ছিল ১০ কোটি ডলার , আমি ব্রিজ বানাইছি ৫ কোটি দিয়া বাকি টা দিয়া ফার্ম হাউস । ১০ বছর পরের ঘটনা।

এমপি ততদিনে মন্ত্রী হয়েছেন ।তিনি আমেরিকান ঐ মন্ত্রী কে তার বাসায় দাওয়াত দিলেন। আমেরিকান মন্ত্রী দেখলেন বাংলাদেশি মন্ত্রী বাসা বানান নি বানাইছেন রাজ প্রাসাদ ।আমেরিকান মন্ত্রী বাংলাদেশি মন্ত্রী কে রাজ প্রাসাদ এর রহস্য জিজ্ঞেস করলেন ।বাংলাদেশি মন্ত্রী আমেরিকান মন্ত্রী কে ছাদে নিয়ে গেলেন । এবং বললেন ঐ যে দেখছেন একটা নদী,তার উপর যে ব্রিজ টা দেখছেন সেইটার বাজেট ২০ কোটি টাকা। আমেরিকান মন্ত্রী অনেকক্ষণ নদীর দিকে তাকিয়ে থাকলেন। তারপর বললেন “কই ব্রিজ তো দেখছি না”। বাংলাদেশি মন্ত্রী বললেন ” ব্রিজ দেখবেন কেমনে পুরা টাকা দিয়া তো আমি প্রাসাদ বানাইছি” ।

 

৭৬)

একবার এক বনে কারা যেন ভায়াগ্রা ছড়িয়ে গিয়েছিল। সেই ভায়াগ্রা সেবন করে সকল পুরুষ প্রানীর যৌন কামনা ছিল তুঙ্গে। তারা সারাদিন তাদের নারী সঙ্গিনীদের সাথে যৌন খেলায় মত্ত থাকত। এক পর্যায়ে সঙ্গিনীরা বিরক্ত হয়ে বনের রাজা সিংহের কাছে বিচার দেয়। সিংহ মশাই গবেষনা করে দেখেন যে ভায়াগ্রার প্রভাব কমতে আরো এক বছর লাগবে। তাই তিনি সকল প্রানীকে তাদের ওটা কেটে জমা দিতে বলেন এবং একটা করে টোকেন দেন। কথা দেন এক বছর পর টোকেন মিলিয়ে সবার জিনিষ সবাইকে ফেরত দিবেন। অন্য সব প্রানীর মত বানর ও মন খারাপ করে তার ওটা জমা দিয়ে আসে। বাসায় এসে দেখে যে তার স্ত্রী খুশিতে বাগবাকুম।

বানরের স্ত্রীঃ হাহা এখন কি করবা? আগেই বলেছিলাম……

বানরঃ বেশী হাইসো না। এক বছর পর টের পাইবা।

বানরের স্ত্রীঃ কেন?? এক বছর পর কি হবে??

বানরঃ জমা তো দিয়ে আসছি আমার টা টোকেন আনছি ঘোড়ারটা।

 

৭৭)

বব সিগারেটখোর। সারাদিন ফুকে চলছে। ওর বঊ বিরক্ত হয়ে তাকে ধরে নিয়ে গেলো ডাক্তারের কাছে বিড়ি ছাড়ানোর জন্য। ডাক্তার বুদ্ধি দেয়। বব সেইকথা মত চলে। কয়দিন বিড়ি ফুকা বন্ধ থাকে। এইসময় বব রাতে ঘুমাতে পারে না। কয়েকটা রাত নির্ঘুম কাটিয়ে আবার সিগারেট ফুকা শুরু হয়। রাতের ঘুমও ফিরে আসে। এদিকে বার বার ডাক্তারের কাছে আসতে হচ্ছে।

শেষবার ডাক্তার বলল, এইবার আপনাকে আল্টিমেট বুদ্ধি দিচ্ছি। এইটা ফেইল করলে আমিও ফেইল। আপনাকে অন্য ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

বুদ্ধিটা কি?

আপনি যখন এক প্যাক সিগারেট কিনবেন তখন দুইটা সিগারেট প্যাকেট থেকে বের করে, নিজের পাছার ফুটোতে ভরে দিবেন সামান্য সময়ের জন্য। এরপর দুইটাকে বের করে এনে প্যাকেটের অন্য সিগারেটের সাথে মিশিয়ে ফেলবেন। যেহেতু আপনি জানেন না কোন দুইটা ময়লা সিগারেট, আপনি সিগারেট খেতে পারবেন না।

দুই সপ্তাহ পর ববের বউ আসছে। বব আসে নাই।

ডাক্তার জিজ্ঞেস করলেন, কি কাজ হইছে?

বব ত সিগারেট খাওয়া বন্ধ করছে। কিন্তু এখন ত আবার পাছায় দুইটা সিগারেট না ভরা পর্যন্ত সে রাতে ঘুমাতে পারে না।

 

৭৮)

এক লোকের তিনটি বিচি। সে এটা নিয়া খুবই চিন্তিত। লজ্জায় কাউকে বলতে পারছে না। উপায় না দেখে ডাক্তারের কাছে গেল ।

লোক : লজ্জিত হয়ে ডাক্তারকে বলছে, ডাক্তার সাহেব আপনার আর আমার মিলে ৫ টি।

ডাক্তার : কি বলেন বুঝতে পারছি না।

লোক : আরে আপনার আর আমার মিলে ৫ টা।

ডাক্তার : কিছুই বুঝতে পারছি না। পরিস্কার করে বলুন।

লোক : উপায় না দেখে বলল, আপনার আর আমার মিলে ৫ টি বিচি।

ডাক্তার : তাহলে কি আপনার ১ টি ??

 

৭৯)

আগুনের মতো সুন্দরী এক মেয়ে বারটেন্ডারের টেবিলে এসে বসলো এবং আংগুল দিয়ে ইশারায় বারটেন্ডারকে ডাকলো। বারটেন্ডার ঢোক গিলতে গিলতে এগিয়ে গেলো!

মেয়েটি বারটেন্ডারের গালে আদুরে ভংগিতে হাত বুলাতে বুলাতে বললো, “তুমি কি এই বারের ম্যানেজার?”

বারটেন্ডার কোন মতে জবাব দিলো, “না।”

মেয়েটি এবার বারটেন্ডারের কপাল ও চুলে আস্তে আস্তে হাত বুলাতে লাগলো এবং বললো, “ম্যানেজার কি আছে?”

বারটেন্ডার কোন মতে ঢোক গিলে গলা ভিজিয়ে বললো, “ন.. না।”

মেয়েটি এবার আংগুল দুটো ধীরে ধীরে বারটেন্ডারের কপাল নাক ছুইয়ে তার মুখের ভেতর দিয়ে দিলো!

বারটেন্ডার মন্ত্রমুগ্ধের মতো তা ধীরে ধীরে চুষতে থাকলো!

মেয়েটি এবার বারটেন্ডারের কানে ফিসফিস করে বললো, “ম্যানেজার এলে বলো যে লেডিস টয়লেটের টিস্যু শেষ হয়ে গেছে!”

 

৮০)

বব বারে ঢুকে ১২ পেগের অর্ডার দিল। বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করল, আপনার কি হইছে? মন খারাপ?

-হ। আজকে জানলাম আমার বড় পোলা গে।

-থাক মন খারাপ করবেন না। এই রকম ত হয়।

পরের সপ্তাহে বব হাজির। এইবার পনের পেগের অর্ডার দিল।

বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করে, এইবার কি হইছে?

-আজকে জানলাম আমার ছুটু পোলাও গে।

বারটেন্ডার বলে, আফচুস!

এর পরের সপ্তাহেই বব হাজির। বিশ পেগের অর্ডার দিল।

বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করে, আজকে আবার কি হইল???? আপনার ফ্যামিলীতে কি কেউ নাই যে মেয়েদের পছন্দ করে?”

বব বলে, আজকে জানলাম আমার বউই মেয়েদের পছন্দ করে।

 

৮১)

বিয়ের আগে-

মেয়ে: আহ, অবশেষে। আর অপেক্ষা করতে পারছিলাম না।

ছেলে: তুমি কি চাও আমি এখান থেকে চলে যাই?

মেয়ে: একদম না! এমনটা চিন্তাও করো না।

ছেলে: তুমি কি আমাকে ভালোবাসো?

মেয়ে: অবশ্যই! সবসময়।

ছেলে: তুমি কি আমাকে কখনো ধোঁকা দিয়েছো?

মেয়ে: কক্ষনো না! এটা জিজ্ঞেস করছো কেন?

ছেলে: তুমি কি আমাকে কিস দেবে?

মেয়ে: যখনই সুযোগ পাবো।

ছেলে: তুমি কি আমাকে আঘাত করবে?

মেয়ে: তুমি কি পাগল? আমি সেরকম মেয়ে নই।

ছেলে: আমি কি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি?

মেয়ে: হ্যাঁ।

ছেলে: ডার্লিং!

বিয়ের পরে-

উপরের ডায়লগগুলো নিচ থেকে উপরে পড়ুন।

 

৮২)

বাগানে দাদা নাতি খেলছিলো। একটা গর্ত থেকে একটা কেঁচোকে বেরোতে দেখে নাতি বললো, দাদু, আমি এটাকে গর্তে ঢোকাতে পারবো।

দাদা তার সাথে ৫ ডলার বাজি রাখলো যে সে পারবে না কারণ কেঁচোটা খুব পিচ্ছিল আর নরম ছিলো। ধরাই কঠিন তার ওপর আবার অতটুকু গর্তে ঢোকানো!

নাতি বাজি ধরার পর বাড়ির ভিতর গিয়ে একটা স্প্রে নিয়ে এলো। কেঁচোটার সারা গায়ে ছিটিয়ে এক মিনিট অপেক্ষা করলো। ততক্ষণে কেঁচোটা স্প্রের প্রভাবে শক্ত ও সোজা হয়ে গেলো। তখন সে সেটাকে গর্তে ঢুকিয়ে দিলো। দাদা তার কথামতো ৫ ডলার দিয়ে দিলো।

একটু পর দাদা আবার নাতির সাথে দেখা করলো। এবারও তার হাতে একটা পাঁচ ডলারের নোট দিলো।

– দাদু, তুমি তো একবার টাকা দিয়েইছো। আবার কেন? নাতি অবাক!

– এটা তোর দাদির পক্ষ থেকে।

 

৮৩)

দুই সেক্স পাগল তরুন তরুনী সবে বিয়ে করেছে। বাসররাতের পর সকালে ঘুম থেকে উঠে পাশে বৌকে না পেয়ে ছেলেটা নিচে গিয়ে দেখল তার বৌ রান্নাঘরে তার জন্য অপেক্ষা করছে। ‘নাস্তায় কি খাবে গো?’ বৌ জিজ্ঞাসা করল।

‘তোমাকে’ জামাইয়ের জবাব। তাই মেয়েটা ছেলেটাকে বেডরুমে নিয়ে গেল। তারপর জামাই অফিসে চলে গেল। লাঞ্চের জন্য ঘরে আসতে আবার বৌ জিজ্ঞাসা করল, ‘দুপুরে কি খাবে, ডারলিং?’

‘তোমাকে হলেই চলবে’ বলে আবার বউকে জড়িয়ে ধরে বেডরুমে নিয়ে গেল ছেলেটা।

সন্ধ্যা অফিস থেকে ফিরে সে দেখল তার বৌ চুলার উপর বসে আছে।

‘একি করছ গো?’ ছেলেটি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করে।

‘তোমার রাতের খাবার গরম করছি’ বউয়ের উত্তর।

 

৮৪)

স্ত্রীর দেয়া ডিনার পার্টি উপলক্ষে আরাম খান ও তার স্ত্রী খুব ব্যস্ত। সন্ধ্যায় স্ত্রীর খেয়াল হলো পার্টির জন্য চিংড়ি আনা হয়নি। কেউ কেউ চিংড়ি খেতে পছন্দ করে। তাই সে স্বামীকে বললো বাজার থেকে চিংড়ি আনতে।

চিংড়ি আনতে গিয়ে আরাম এক অপূর্ব সুন্দরী মেয়েকে দেখলো এক এপার্টমেন্টের সামনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সে চিংড়ি  আনার কথা ভুলে ভাবছিলো যদি মেয়েটি আমার সাথে এসে কথা বলতো তাহলে কতো ভালো হতো! একটু পর মেয়েটি তার দিকে এগিয়ে এলো। দু’জনে কথাবার্তা বলতে বলতে খুব অন্তরঙ্গ হয়ে গেলো। মেয়েটি তাকে তার এপার্টমেন্টে নিমন্ত্রণ জানালো। দু’জনে রাতটা সেখানেই কাটালো।

সকালে ঘুম ভাঙতেই স্বামীর মনে পড়লো তার স্ত্রীর ডিনার পার্টির কথা। ‘সর্বনাশ!’ বলে সে দ্রুত কাপড় পরে নিলো। তারপর বাজার থেকে চিংড়ি কিনে নিয়ে ছুটলো নিজের বাসার দিকে।

সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে তার হাত থেকে ব্যাগ পড়ে গেলো। চিংড়িগুলো সব সিঁড়িতে ছড়িয়ে পড়লো। তার আওয়াজ পেয়ে স্ত্রী দরজা খুলে রাগের স্বরে জানতে চাইলো সে কোথায় ছিলো গত রাতে।

স্বামী তার কথার উত্তর না দিয়ে চিংড়িগুলো দিকে তাকিয়ে বললো, এই তো, তোমরা তো প্রায় পৌঁছে গেছো। আর কয়েক কদম মাত্র।

 

৮৫)

মারিয়ানা ঠিক করলো এবারের ছুটিটা সে হোটেলের ছাদে সানবাথ করেই কাটাবে। প্রথমদিন সে বিকিনি পরে ছাদে শুয়ে রইলো। সে খেয়াল করলো সারাদিনে কেউ ছাদে এলো না। তাই পরেরদিন সে গায়ে অবশিষ্ট কাপড়টুকুও রাখলো না যাতে পুরো শরীরে সূর্যের তাপ লাগে।

কিছুক্ষণ পর সে ছাদের সিঁড়িতে কারো পায়ের শব্দ শুনে উপুড় হয়ে শুলো আর নিচের দিকে একটা তয়লা টেনে নিলো। একটু পর ম্যানেজারের মুখ দেখা গেলো।

– ম্যাডাম, আপনি সান বাথ করেন আপত্তি নেই, কিন্তু দয়া করে গতকাল যতটুকু কাপড় পরেছিলেন, পরে নিন। ম্যানেজার বললো।

– কেন? ছাদে তো কেউ আসছে না। পাশের বিল্ডিংগুলোও সব নিচু। তাহলে সমস্যা কি?

– আসলে ম্যাডাম, আমাদের এই ছাদটি কাচের তৈরী। আর আপনি ছাদের কাঁচের অংশটুকুতে শুয়ে আছেন।

 

৮৬)

এক লোক বনে পথ হারিয়ে ঘুরতে ঘুরতে এক টিলার উপরে বাড়িতে এসে হাজির হলো। সেখানে থুথ্থুরে বুড়ো এক চাইনিজ বসেছিলো।

-আমাকে রাতটা এখানে থাকতে দিন। আমি পথ হারিয়ে ফেলেছি।

বুড়ো বললো- থাকতে দিতে পারি এক শর্তে। আমার মেয়ের দিকে নজর দিলে তোমাকে তিনটি চাইনিজ শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

লোকটি ভাবলো, লোকটি যেমন বুড়ো তার মেয়েও তেমন বুড়ো হবে। সে রাজি হলো।

ডিনারের সময় দেখা গেলো খুব সুন্দরী এক মেয়ে তাদের সাথে যোগ দিলো। মেয়েটা তার দিকে বারবার ফিরে তাকালো কিন্তু লোকটি শাস্তির ভয়ে সেদিকে ভ্রুক্ষেপ করলো না।

রাতে শোয়ার পর তার বারবার মেয়েটার কথা মনে পড়তে লাগলো যে তার পাশের রুমে শুয়েছিলো। সে ভাবলো, বুড়ো তো ঘুমিয়েই গেছে। এই ভেবে সে পা টিপে টিপে মেয়ের রুমে গিয়ে যা করার করলো।

সকালে তৃপ্ত মনে ঘুম থেকে উঠে সে দেখলো তার বুকের উপর একটা মিডিয়াম সাইজের পাথর। আর একটা কাগজে লেখা, প্রথম চাইনিজ শাস্তি।

সে মনে মনে হেসে বললো এই শাস্তিতে আমার কি হবে। বলে সে পাথরটা জানালা দিয়ে নিচে ছুঁড়ে দিলো। এই সময় তার নজরে পড়লো জানালার পাশে একটা কাগজে লেখা- দ্বিতীয় শাস্তি- তোমার বাম অন্ডকোষের সাথে পাথরটা বাঁধা। ভয়ের সাথে লোকটি খেয়াল করলো পাথরের সাথে বাঁধা বাম অন্ডকোষের দড়িটা টান টান হতে যাচ্ছে। নিচে পাথরে পড়ে নাহয় এক আধটা হাড় ভাঙবে কিন্তু অন্ডকোষ গেলে তো….. এই ভেবে সে জানালা দিয়ে নিচের উপত্যকায় লাফ দিলো।

পাথরের সাথে গড়াতে গড়াতে সে এবার বড় একটা সাইনবোর্ড দেখতে পেলো- তৃতীয় শাস্তি, তোমার ডান অন্ডকোষ বিছানার পায়ার সাথে বাঁধা।

 

৮৭)

বুড়ো লম্পট রিয়াদ সাহেব সত্তর বছর বয়সে কুড়ি বছরে এক সুন্দরী তরুণীকে বিয়ে করলেন।

বছর ঘুরতেই খোকা হলো তাদের।

হাসপাতালের নার্স মুচকি হেসে বললো, ‘বাহ রিয়াদ সাহেব, বেশ ফর্মে আছেন মনে হচ্ছে?’

রিয়াদ সাহেব গর্বিত হাসি দিয়ে বললেন, ‘পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি।’

আরো দুবছর পর আবার খুকি হলো তার।

নার্স আবারো মুচকি হাসলো। ‘হুম, রিয়াদ সাহেব, বেশ ফর্মে আছেন।’

রিয়াদ সাহেব আবারো গর্বিত হাসি দিয়ে বললেন, ‘পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি।’

বছর দুয়েক পর আবার খোকা হলো তাঁর।

নার্স কিছু বলার আগেই রিয়াদ সাহেব বললেন, ‘পুরনো ইঞ্জিনটাকে চালু রাখলাম আর কি।’

নার্স মুচকি হেসে বললো, ‘তাহলে এবার তেল পাল্টে নিন স্যার। আপনার এবারের বাচ্চাটা নিগ্রো!’

 

৮৮)

এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।

ফরাসী বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’

ইতালীয় বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’

বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, ‘তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক’বার আদরসোহাগ করেছো?

বাঙালি বললো, ‘একবার।’

ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, ‘তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?’

‘ওগো, থামো, আর না …।’

 

৮৯)

স্বামীর প্রতিরাতে মাতাল হয়ে ঘরে ফেরায় অতিষ্ট হয়ে স্ত্রী অবশেষে ঠিক করলো তাকে ভয় দেখাবে। দোকান থেকে শয়তানের শিং, লেজ ওয়ালা কস্টিউম নিয়ে এসে সে দাঁড়িয়ে রইলো গেটের ঠিক বাইরে গাছের আড়ালে।

যথারীতি স্বামী মাতাল হয়ে ফিরছে। স্ত্রী শয়তানের বেশে হাউ-মাউ করে তার সামনে গিয়ে পড়লো। স্বামী ভড়কে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, তুমি কে?

স্ত্রী মোটা গলায় উত্তর দিলো: আমি শয়তান।

স্বামী বললো: তাই নাকি। তাহলে বাসায় চলো। তোমার বোনকে তো আমি বিয়ে করেছি।

 

৯০)

ঢাকার এক ভদ্রলোক প্রথম কোলকাতায় গেছেন। নতুন জায়গা জলবায়ু, খাবার দাবারের পরিবর্তন ও উল্টাপাল্টা খাওয়ায় তার লুজ মোশন হয়ে গেলো। ওষুধের দোকানে কেউ ওষুধ দিচ্ছে না প্রেসকিপশন ছাড়া। তার এক সঙ্গী বললো, দোস্ত, এক কাম কর, তুই ভাতটাত আর খাইচ না, চিড়া ভিজায়া, কলা-গুড়-চিনি দিয়া খা। পেটটা ঠাণ্ডা থাবো, ডিসেন্ট্রি বন্ধ অইবো।

বন্ধুর কথামতো ভদ্রলোক হোটেলের কাছাকাছি খোঁজাখুঁজি করে একটা মুদি দোকানে গিয়ে বললো, এই যে ভাই, চিড়া আছে? এক পোয়া চিড়া দেন তো।

দোকানি তার কথা বুঝতে না পেরে বললো, কি বলছেন দাদা?

ভদ্রলোক: চিড়া, চিড়া চাইছি, আছে?

দোকানি একটু অবাক হয়ে: চি-ড়া, চিড়া কি দাদা?

ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে, আরে চিড়া-চিড়া, চিড়া চিনলেন না, আরে ওই যে, ভাত রাইন্দা, চেপ্টা কইরা হুকায়া রাখে যে।

দোকানি একটু ইতস্তত ভঙ্গিতে বললো: ভাত রেঁধে….. চেপ্টা করে…. শুকিয়ে রাখে? এ যে চিড়ে, (চিড়ার বয়াম দেখিয়ে) এই চিড়ে চাচ্ছেন মশাই?

ভদ্রলোক: আরে হ….. এইটাইতো চিড়া।

দোকানি: তা কতটুকু দিবো।

ভদ্রলোক: এক পা দেন।

দোকানি: ও, বুঝেছি, আড়াইশো। আর কি দিবো?

ভদ্রলোক: কেলে আছে, কেলে?

দোকানি: কে-লে! কেলে আবার কি দাদা?

ভদ্রলোক দোকানের ভেতরে ঝুলে থাকা কলার কাঁদির দিকে ইশারা করলেন: ওইযে কেলে।

দোকানি বিস্ময়ের সঙ্গে বললো: ওটা কেলে না মশাই, ওটাকে কলা বলে, কলা।

এবার ঢাকাইয়া ভদ্রলোক বললেন: আরে মশাই, চিড়া যদি চিড়ে অয় তাইলে কলা কেন কেলে অইবো না?

 

৯১)

এক শহরে পরকীয়ার খুব চল। কমবেশী সবাই করছে। এরাই আবার চার্চে গিয়ে ফাদারের কাছে কনফেশন করে তারা কি করেছে। বৃদ্ধ ফাদার এইসব শুনতে শুনতে ক্লান্ত। এক রবিবারে তিনি সবাইকে বললেন আর কেউ যদি আমার কাছে পরকীয়ার কথা স্বীকার করে তবে এই শহর আমি ছাড়ছি। শহরের লোকজন আবার ফাদারকে খুবই পছন্দ করে। এরা ভাবল পরকীয়ার নতুন কোন শব্দ বা কোড ব্যবহার করতে হবে। শহরবাসী এরপর থেকে পরকীয়ার জন্য ব্যবহার করতে লাগল “আছাড়”।

” ফাদার! আমি আছাড় খাইছি এই সপ্তাহে……”

নতুন পদ্ধতি খুব ভালো কাজ করে। ফাদার কিছুই টের পাননা।

একদিন বৃদ্ধ ফাদার মারা যান। তার জায়গায় নতুন আর অল্পবয়স্ক একজন ফাদার আসে। সে ত আছাড় খাওয়ার কথা শুনতে শুনতে অবাক। সে গেলো শহরের মেয়রের কাছে।

” মেয়র! আমাদের শহরের রাস্তাগুলো ঠিক করা দরকার। লোকজন প্রচুর আছাড় খাচ্ছে”

মেয়র বুঝলেন বেচারাকে কেউ আছাড়ের মানে বুঝিয়ে দেয় নাই। আর বেকুব ফাদারটা চলে এসেছে সরাসরি তার কাছে। তার হাসি চলে আসল।

ঠিক এমন সময় ফাদার বললেন, “আমি বুঝি না কেনো আপনি হাসছেন??? আপনার বউই ত এই সপ্তাহে তিনবার আছাড় খাইছে”

 

৯২)

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সুন্দরী শিক্ষিকা চাকুরিতে যোগ দিলেন। পড়াতে গিয়েই টের পেলেন,যুগের ছেলেরা পাল্টেছে, অতি স্মার্ট ডিজুস পোলাপান নিয়ে ম্যাডামের বেকায়দা অবস্থা। প্রথম গ্রেডে সদ্য ভর্তি হওয়া বল্টু তো বলেই বসলো, ম্যাডাম,আমি কোনো অবস্থাতেই প্রথম গ্রেডে পড়বোনা। কারণ,প্রথম গ্রেডের সব পড়ালিখা আমি অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছি। এমনকি আমার বড় বোন যে ৩য় গ্রেডে পড়ে ,আমি ওর চেয়ে ও স্মার্ট।কাজেই মিনিমাম ,আপনি আমাকে ৩য় গ্রেডে পড়ার সুযোগ করে দিন।

ম্যাডাম, বল্টুকে নিয়ে প্রিন্সিপাল স্যারের রুমে গেলেন। সব খুলে বললেন।

প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, ঠিক আছে,আমি তোমাকে দুয়েক টা প্রশ্ন করবো, যদি তুমি ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারো ,তবে তোমাকে উপরের ক্লাশে প্রমোশন দেয়া হবে।

প্রিন্সিপাল স্যার বললেন, আচ্ছা বলতো রাজু, ৩ গুন ৩ = কত?

বল্টুর জটপট জবাব, স্যার , নয়।

আচ্ছা বলতো ৮ গুন ৮ সমান কত?

এবারও বল্টুর জবাব স্যার ৬৪।

প্রিন্সিপাল স্যার ম্যাডামকে বললেন, রাজুকে উপরের ক্লাসে প্রমোশন দেয়া যায়।

রূপবতী ম্যাডাম এবার প্রিন্সিপাল স্যার কে বললেন, স্যার আমারও কিছু প্রশ্ন ছিলো, যদি আপনি অনুমতি দেন,আমিও একটু ওর মেধা যাচাই করি। প্রিন্সিপাল স্যার এবার মাথা নেড়ে সায় দিলেন। ম্যাডাম , বল্টুকে প্রথম প্রশ্ন করলেন-আচ্ছা বল্টু বলতো, গাভীর চারটা আছে,কিন্ত আমার আছে দুটো। সে টা কি?

বল্টু চুপচাপ চিন্তা করছে,আর মিটিমিটি হাসছে।

ম্যাডাম বললেন,লজ্জা পাবার দরকার নেই বল্টু । তুমি সঠিক জবাব দিও।

বল্টু বললো, ম্যাডাম, এটা হলো-আপনার দুই পা।

ম্যাডাম এবার ২য় প্রশ্ন করলেন, আচ্ছা এবার বলতো, তোমার প্যান্টের ও জায়গায় আছে,আর আমার তা নেই সেটা কি?

বল্টু লাজে হাসে।

ম্যাডাম বলেন, লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই বল্টু।

রাজু বলেন, ম্যাডাম এটা হলো, আমার প্যান্টের পকেট।

ম্যাডামের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা, বলতো,এমন একটি শব্দ যা ইংরেজে লেটার C দিয়ে শুর আর T দিয়ে শেষ। জিনিসটা গোলাকার, ডিলিশাস,ভেতরে ভেজা ভেজা, আর নরম,যা পেলে সবাই তৃপ্ত হয়।

প্রশ্ন শুনে প্রিন্সিপাল স্যারের চোখ বড় বড় হয়ে গেলো। কি বলবেন ভেবে পাচ্ছেন না। চেহারা পুরো লাল হয়ে গেছে।

বল্টু বললো, ম্যাডাম এটা হলো Cocunut.

ম্যাডের পরের প্রশ্নঃ আচ্ছা এবার বলোতো, যা খুব শক্ত হয়ে কারো ভিতরে ঢুকে, আর নরম, ভেজা,আঠালো হয়ে বের হয়ে আসে?

বল্টুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো বাবল গাম।

ম্যাডামঃ আচ্ছা এবার বলোতো, কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যে শব্দ শুনলেই শরীরে যথেষ্ট উত্তাপ আর উত্তেজনা শুরু হয়-

এ প্রশ্ন শুনে প্রিন্সপাল স্যারের আবারো, লজ্জাকর অবস্থা ।

কিন্ত বল্টুর উত্তর ,ম্যাডাম এটা হলো Fire Truck.

ম্যাডামঃ বলোতো কোন শব্দ ইংরেজি F দিয়ে শুরু আর K দিয়ে শেষ। যা মানুষ না পেলে হাত ব্যবহার করে।

বল্টুর জবাব-ম্যাডাম এটা হলো-Fork.

ম্যাডামঃ বল্টু বলতো সোনা, এ জিনিসটা কারো লম্বা, আবার কারো ছোট, একেক জনের একেক সাইজের হয়।বিয়ে করার পর জামাই আদর করে বউকে দিয়ে থাকে।

বল্টুর জবাব–ম্যাডাম এটা হলো ডাকনাম।

ম্যাডামঃ বল্টু বলতো এটা পুরুষের শরীরে কোন অংশ যেখানে কোনো হাড় নেই,তবে অনেক শিরা আছে, এক রকমের মাংসপিন্ডের সমষ্টি, উত্তেজনাকর অবস্থায় বেশী অনুভূত হয়। বিশেষ করে যা দিয়ে ভালোবাসা বাসি বুঝা যায়।

বল্টুর জবাব, ম্যাডাম এটা হলো হার্ট বা হৃদয়।

শুনার পর প্রিন্সিপাল স্যার যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন। ম্যাডাম কে বললেন ওকে ৮ গ্রেডেই প্রমোশন দেয়া হোক। কারণ শেষের কয়েকটি প্রশ্নের জবাব আমি নিজেই ভুল করেছি।

 

৯৩)

আরাম খানের পোলা বল্টু। বল্টু একদম নামাজ পড়ে না। আরাম বল্টুকে অনেক বুঝালেন। কিছুতেই কাজ হলোনা। শেষমেষ আরাম বল্টুকে বললেন।

: বল্টু এখন থেকে নামাজ পড়লে তোকে ৫টাকা করে দিব।

বল্টু তো কথা শুনে মহা খুশি। সে খুশিমনে নামাজ পড়তে গেল। নামাজ পড়ে এসে আব্বাকে বললো,

: আব্বা, নামাজ পড়ে এসেছি। এবার টেকা দাও।

: কিসের টাকা? তুই নামাজ পড়ছিস নেকী পাইছিস। তোকে আবার টাকা দেব কেন?

: আব্বা, আমি জানতাম তুমি এইরকম করবা। আমিও কম যাইনা। আমি নামাজ ঠিক-ই পড়ছি। কিন্তু ওজু করি নাই।

 

৯৪)

আরাম খানের ছেলে বল্টু একদিন তার বাবাকে জিজ্ঞাস করছে, “বাবা, মেয়েদের কত রকমের বুক আছে?”

আরাম খান একটু বিব্রত হলেও ছেলেকে শেখানোর স্বার্থে বললো, তিন রকমের বুক আছে।

২০ – ৩০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে লেবুর মতো, গোল আর মজবুত।

৩০ – ৪০ বছর বয়সে তাদের বুক থাকে নাশপাতির মতো, তখনও সুন্দর দেখায় কিন্তু একটু ঝুলে যায়।

৪০ -৫০ বছর বয়সে তাদের বুক হয় পেঁয়াজের মতো।

– পেঁয়াজের মতো? ছেলে অবাক।

– হ্যাঁ, যদি সেগুলো দেখো, তোমার কান্না পাবে।

 

৯৫)

আরাম খান আর তার স্ত্রী গিয়েছেন তাদের হানিমুনে। বউ যখন এলিভেটরের দিকে রওনা হল, খুব সুন্দর একটি মেয়ে আরাম খান কে জিজ্ঞেস করলেন তার কোন স্পেশাল চাহিদা আছে কিনা, কোনরকম দরকার হলে যেন ডেস্কে তিনি জানাতে না ভুলেন। স্ত্রী দূর থেকে মেয়েটিকে দেখে আর তার কথা শুনে খুবই মুগ্ধ হলেন। এলিভেটরে উঠতে উঠতে বললেন, এই বিদেশীদের হোটেল কত ভাল, ব্যবহার কত ভাল…সবার দিকে কী খেয়াল রাখে! আরাম খান বললেন, আরে না…এই মেয়েটি একটি প্রস্টিটিউট।

স্ত্রী কিছুতেই স্বামীর একথা বিশ্বাস করলেন না। রুমে ঢুকে তিনি স্বামীকে, প্রমাণ করতে বললেন। আরাম খান বললেন, আচ্ছা ঠিকাছে। আমি ডেস্কে ফোন করে মেয়েটিকে পাঠাতে বলছি…তুমি লুকিয়ে থাক।

মেয়েটি রুমে এসেই আরাম খানকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কী চান। আরাম খান ঘাঘু লোক…সরাসরি বললেন, তিনি খুব একা বোধ করছেন, তার সঙ্গী চাই। মেয়েটি বলল, আমার একরাতের চার্জ ১৫০ ডলার। আরাম খান বললেন, অনেক বেশি চাইছ। আমি ২৫ ডলার পর্যন্ত দিতে পারি। মেয়েটি অপমানিত বোধ করে চলে গেল।

বউ অবাক হলেন; স্বামীর বুদ্ধিমত্তায় আকৃষ্ট হয়ে তিনি স্বামীকে সোহাগে-আদরে ভরিয়ে দিলেন। কিছুক্ষণ পর, তারা গেলেন হোটেলের নীচতলায় ডিনার করতে। তারা ডিনার করে রুমে ফেরত যাচ্ছেন, এমন সময় আবার সেই মেয়েটির সাথে দেখা। মেয়েটি দেখেই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে আরাম খানকে বললেন, দেখ ২৫ ডলারে তোমার কী জুটেছে!

 

৯৬)

এক লোক বারে গিয়ে বিয়ার খেতে থাকলো। এক সময় তার পাশে খুব সুন্দরী একটা মেয়ে এসে বসলো। তো বারে সুন্দরী মেয়ে দেখে লোকটার খুব ইচ্ছা হলো মেয়েটিকে চেখে দেখার!

প্রথম স্টেপ হিসেবে সে মেয়েটিকে ড্রিংক্স অফার করলো। কিন্তু মেয়েটির প্রতিক্রিয়া হলো দেখার মতো।

মেয়েটি সবার সামনে চিৎকার করে বলে উঠলো, “কি! আপনি আমার সাথে সেক্স করতে চান?! কক্ষনো না!!”

এই কথা বলে মেয়েটি বেরিয়ে গেলো।

লোকটি তো পুরা ভ্যাবাচেগা খেয়ে গেল! বারের সবাই তার দিকে তাকিয়ে ছিল। সে চরম লজ্জিত হলেও কিছুই হয়টি এমন ভাব নিয়ে বসে বসে বিয়ার খেতে লাগলো।

একটু সময় পর সেই মেয়েটি আবার ফিরে এসে তার পাশে বসলো।

মেয়েটি বললো, “একটু আগের ঘটনাটির জন্য দুঃখিত। আসলে আমি সাইকোলজির স্টুডেন্ট। আমি দেখতে চাইছিলাম মানুষ চরম লজ্জাজনক অবস্থায় পড়লে কি করে।”

এবার লোকটি চিৎকার করে বলে উঠলো, “কি!! শুধুমাত্র ১বার ব্লো-জবের জন্য ২০০ ডলার!! মগের মুল্লুক পাইছো??”

 

৯৭)

পিটার তার বন্ধু ববের সাথে নৌকায় ঘুরতে বের হলো। হঠাৎ প্রচন্ড ঝড় উঠলো। তারা কোনরকমে তীরের কাছে একটা ফার্ম হাউজে এসে উঠলো। দরজায় ধাক্কা দিতে একজন সুন্দরী মহিলা দরজা খুললো। দুই বন্ধু রাতে থাকার জন্য তার কাছে আশ্রয় চাইলো।

‘কিছুদিন হলো আমার স্বামী মারা গেছেন।’ মহিলা বললো। ‘আমি তোমাদের বাড়িতে জায়গা দিলে লোকে নানা কথা বলবে।’

‘ঠিক আছে, ম্যাম। আমরা বুঝতে পেরেছি। আমরা আস্তাবলে শুতে পারবো।’ পিটার বললো।

মহিলা তাতে রাজি হলেন। এবং দুই বন্ধু আস্তাবলে শুয়ে পড়লো।

পিটার ঘুমিয়ে পড়লে বব মাঝ রাতে মহিলার রুমে গেল। পরে ভোরে আবার এসে পিটারের কাছে শুয়ে পড়লো। পিটার কিছুই টের পেল না।

নয় মাস পর, পিটার সেই বিধবা মহিলার উকিলের কাছ থেকে একটা চিঠি পেলো। বন্ধু ববের কাছে গিয়ে বললো, ‘মনে আছে, আমরা কয়েক মাস আগে এক ফার্ম হাউজে এক সুন্দরী বিধবার দেখা পেয়েছিলাম?’

‘হ্যাঁ, মনে আছে।’

‘তুই কি ঐ রাতে ঘুম থেকে উঠে মহিলার সাথে কিছু করেছিলি?’

‘হ্যাঁ, স্বীকার করি, করেছিলাম।’

‘তুই কি তখন তাকে নিজের নাম না বলে আমার নাম বলেছিলি?’

‘দোস্ত, মাফ করে দে। আমার ভুল হয়ে গেছে।’ ধরা পড়ে বব বললো।

‘না-রে, বরং তোকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছি।’ পিটার হেসে বললো। ‘ঐ বিধবা কয়েকদিন আগে মারা গেছে আর সব সম্পত্তি আমার নামে করে গেছে।’

 

৯৮)

আরাম খান গিয়েছিল একটা কথা বলা টিয়া পাখি কেনার জন্য। অনেক খুঁজে শেষে পেল একটা টিয়া পাখি, পাখিটা তাকে দেখে বলল “লাল লাল লাল!”

আরাম ভাবল আরে আমি তো লাল আন্ডারওয়ার পরেছি টিয়া টা জানল কি ভাবে।

তাই সে পরের দিন কালো আন্ডারওয়ার পরে আবার পাখিটার সামনে আসলো, এবার পাখিটা তাকে দেখে বলল “কালো কালো কালো!”

সে ভাবল কি করা যায় ।

পরের দিন সে আন্ডারওয়ার ছাড়াই আসল ।

এবার পাখি টা তাকে দেখে বলল, “শামুক! শামুক!”

 

৯৯)

দুই বন্ধুর কথোপকথোন,

১ম বন্ধু: “কিরে কি হয়েছে? এত বিমর্ষ লাগছে কেন?”

২য় বন্ধু: “তোর নিশ্চয়ই স্যালির কথা মনে আছে?”

১ম: “সেই মেয়েটি তো যাকে দেখলেই তোর ঐটা খাড়া হয়ে যায়?!”

২য়: “ফাজলামি করিস না! আমি ওকে খুবই পছন্দ করি!”

১ম: “জানি। কি হয়েছে তাই বল।”

২য়: “না মানে ওকে দেখলেই আমার ওটা দাঁড়িয়ে যায় বলে তো আমি ওর সামনেই যেতে পারতাম না লজ্জায়”

১ম: “হুমম।”

২য়: “তো আমি ওকে ফোন করে বাইরে খেতে যেতে বলি। আশ্চর্য হলো ও সাথে সাথেই রাজি হয়ে যায়!”

১ম: “আমি তো আগেই বলেছিলাম যে ও তোকে পছন্দ করে! বিশ্বাস হলো তো?”

২য়: “যাই হোক, ঐ দাঁড়িয়ে যাওয়া সমস্যার হাত থেকে বাঁচার জন্য আমি ওর বাসায় যাওয়ার আগে আমার ওটাকে ডান পায়ের সাথে টেপ দিয়ে খুব ভাল করে আটকিয়ে নিয়ে যাই!”

১ম: “বলিস কি!! তারপর?”

২য়: “আমি স্যালির বাসায় গিয়ে বেল বাজালাম। স্যালিই দরজা খুলে দিলো!”

১ম: “তারপর?”

২য়: “স্যালি পড়ে ছিল টকটকে লাল রংয়ের শর্টস্কাট!”

১ম: “এরপর কি হলো?”

২য়: “আর কি হবে! আমার পায়ের শক্ত লাথি খেয়ে স্যালি এখন হাসপাতালে! সামনের পাটির ৪টা দাঁত পড়ে গেছে ওর; লাথি খেয়ে! আমার আর প্রেম করা হলো না রে…!”

 

১০০)

এক লোক পার্টি দিয়ে তার বন্ধুদের বললো, আমার সুইমিং পুলটা জাদুর। সুইমিং পুলে নেমে যে তরল আবুলর্থের নাম করবে পুরো পুলের পানি সেই আবুলর্থ হয়ে যাবে।

তার এক বাঙালি বন্ধু পুলে নেমে বললো, কোক। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি কোকে পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে কোক খেয়ে উঠে এলো।

এবার তার এক রাশিয়ান বন্ধু নেমে বললো, ভদকা। সাথে সাথে পুরো পুলের পানি ভদকায় পরিবর্তন হয়ে গেলো। সে প্রাণ ভরে ভদকা খেয়ে উঠে এলো।

এবার তার এক আমেরিকান বন্ধু ঝাঁপ দিতেই বাঙালিটি তাকে মনে করিয়ে দিলো, আরে, তোমার পকেটে তো মোবাইল ফোনটা রয়ে গেছে।

আমেরিকান বললো, শিট!

০০০০০০০

১০১-২০০ হাসির কৌতুক (প্রাপ্তবয়স্ক ছাড়া পড়বেন না ১৮+)

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ২০১ থেকে ৩৩০(১৮+)

Categories
অনলাইন প্রকাশনা কৌতুক বিনোদন ব্যঙ্গকৌতুক ভালবাসা/প্রণয়লীলা যৌন জ্ঞান ও সম্পর্ক সৃজনশীল প্রকাশনা

১০১-২০০ হাসির কৌতুক (প্রাপ্তবয়স্ক ছাড়া পড়বেন না ১৮+)

১০১)

প্রথম দিন ডেট সেরে বান্ধবীকে রাতের বেলা বাড়ি পৌঁছে দিতে এসেছে বাবু। দরজার পাশে দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে বললো সে, ‘সোনা, একটা চুমো খেতে দাও আমাকে।’

“না না না! কী? তুমি পাগল হলে? এখানে দাঁড়িয়ে?”

“আরে কেউ দেখবে না। এসো, একটা চুমো।”

“না না, খুব ঝামেলা হবে কেউ দেখে ফেললে।”

“আরে জলদি করে খাবো, কে দেখবে?”

“না না, কক্ষণো এভাবে আমি চুমো খেতে পারবো না।”

“আরে এসো তো, আমি জানি তুমিও চাইছো — খামোকা এমন করে না লক্ষ্মী!”

এমন সময় দরজা খুলে গেলো, বান্ধবীর ছোট বোন ঘুম ঘুম চোখে দাঁড়িয়ে। চোখ ডলতে ডলতে সে বললো, ‘আপু, বাবা বলেছে, হয় তুমি চুমো খাও, নয়তো আমি চুমো খাই, নয়তো বাবা নিজেই নিচে নেমে এসে লোকটাকে চুমো খাবে — কিন্তু তোমার বন্ধু যাতে আল্লার ওয়াস্তে কলিংবেল থেকে হাতটা সরায়।’

 

১০২)

মার্কেটে গিয়ে আরাম খান তার বউকে হারিয়ে ফেললো। হন্তদন্ত হয়ে হাঁঠতে গিয়ে ধাক্কা খেলো আরেক জনের সাথে।

আরাম খান বললো, আমি দু:খিত, আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর চিন্তায় কোথায় যাচ্ছি খেয়াল করতে পারিনি।

দ্বিতীয় জন বললো, আমিও তো আমার স্ত্রীকে হারিয়ে ফেলেছি।

আরাম খান বললো, তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন? তাহলে হয়তো আমি খুঁজতে সাহায্য করতে পারবো।

দ্বিতীয় জন বললো, আমার স্ত্রী লাল চুলের, সবুজ চোখ, লম্বা সুগঠিত পা আর শর্ট স্কার্ট পরে আছে। তোমার স্ত্রী দেখতে কেমন?

আরাম খান বললো, আমারটার কথা বাদ দাও। চলো তোমার স্ত্রীকে খুঁজি।

 

১০৩)

মানসিক রোগীর রোরশাখ ইঙ্কব্লট টেস্ট নিচ্ছেন মনোচিকিৎসক। হিজিবিজি কিছু কালির ছোপ রোগীকে দেখানো হয় এ টেস্টে।

প্রথম কার্ডটা এগিয়ে দিলেন তিনি। ‘বলুন তো এটা কিসের ছবি?’

‘একটা ছেলে একটা মেয়েকে জাপটে ধরে চুমু খাচ্ছে।’

দ্বিতীয় ছবিটা এগিয়ে দিলেন ডাক্তার। ‘এটা কিসের ছবি বলুন তো?’

‘ঐ ছেলেটা এবার মেয়েটার জামাকাপড় খুলে ফেলছে, আর মেয়েটা চেঁচাচ্ছে হাঁ করে।’

আরেকটা ছবি এগিয়ে দিলেন ডাক্তার। ‘এটা কিসের ছবি বলুন তো?’

‘ছেলেটা মেয়েটার চুল টেনে ধরে ঘাড়ে কামড় দিচ্ছে, আর মেয়েটা খিখি করে হাসছে।’

ডাক্তার আর পারলেন না। ‘দেখুন, দবির সাহেব আপনার রোগ খুব জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আপনার মনটা খুবই নোঙরা, আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি।’

দবির সাহেব চটে আগুন। ‘নিজে যত রাজ্যের নোঙরা ছবি এগিয়ে দিচ্ছেন আমাকে, আর বলছেন আমার মন নোঙরা?’

 

১০৪)

এক লিফটম্যান ছিল চাকুরিতে একেবারে নতুন। কখনো ভাল ভাবে লিফট চালাতে শেখে নি। ১৭ তলায় এক লোক লিফট এ চড়ে তাকে বললো এক তলায় নিয়ে যেতে। লিফটম্যানটি এক তলায় এসে ভূলবশত প্রচন্ডভাবে ব্রেক কষলো। হটাৎ থেমে যাওয়ার কারনে সমস্ত লিফট ভয়ানক ঝাকি খেয়ে উঠলো। লিফটম্যানটি দুঃক্ষিত গলায় বললো, “আমি দুঃক্ষিত স্যার, আমি কি খুব জোরে লিফট থামিয়েছি?”

লোকটি রাগতস্বরে বললো, “না না তা কেন? আমি সব সময় আমার প্যান্ট খুলে গোড়ালীর কাছে ফেলে রাখি।”

 

১০৫)

জরিনার বাবা জরিনার জন্য পাত্র ঠিক করেছে। এদিকে জরিনার সাথে পাভেলের ৫ বছরের অফেয়ার। এটা বাবাকে জানাতেই জরিনার সুইট বাবা নিমিষেই টিপিক্যালি #বাবা কেন ভিলেন?# টাইপ আচরণ শুরু করল। এটা নিয়ে বাবা মেয়েতে তুমুল ঝগড়া। খাওয়া বন্ধ, মুখ দেখাদেখি বন্ধ ইত্যাদি মোটামুটি শেষ হবার পর অবশেষে তারা একটা ঐক্যমতে পৌছাল। ঠিক হল নদীর অপরপাড় থেকে পাভেল ও বাবার ঠিক করা পাত্র দুজনেই সাঁতার কেটে এপারে আসবে। যে আগে আসতে পারবে জরিনা তারই হবে।

যথাসময়ে প্রতিযোগিতা শুরু হল। শুরুতে দেখা গেল বাবার ঠিক করা পাত্রটি এগিয়ে গেছে। জরিনা তো ভয়ে আধমরা কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে পাভেল তাকে ধরে ফেলল। জরিনা খুশিতে হাততালি দিচ্ছে আর চিৎকার করে উৎসাহ দিচ্ছে পাভেলকে। একপর্যায়ে প্রেমিকের শক্তি আরো বাড়ানো এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য একপর্যায়ে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে তার সব কাপড়চোপড় খুলে ফেলল।এরপর হঠাৎ করে পাভেলের সাঁতারের গতি বেড়ে গেলেও তা আস্তে আস্তে কমে পাড়ের কাছাকাছি এসে একেবারেই থেমে গেল।বাবার ঠিক করা পাত্রটি জিতে গেল প্রতিযোগিতায়। পরে আনেক কষ্টে পাভেল পাড়ে ওঠার পর জরিনা রেগেমেগে বলল, তোমাকে উৎসাহ দেওয়ার জন্য এতকিছু করলাম তাও জিততে পারলে না। ছিঃ, কাপুরুষ কোথাকার।

পাভের ও সমান তেজে জবাব দিল সব দোষ তোমার, কে বলেছিল তোমাকে কাপড় খুলতে ? তুমি কাপড় খোলার পরপরইতো আমার প্রাইভেট পার্ট নদীর তলদেশের লতাগুল্মের সাথে আটকে যেতে লাগল।

 

১০৬)

এক লোক নতুন বিয়ে করছে তাই বিয়ের পরদিন বৌকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি গেছে । কিন্তু বৌ হল মা মরা মেয়ে, তাই শ্বশুরের মাত্র একটি ঘর এবং একটি খাট। তাই তিনজনে মিলে এক বিছানায় ঘুমাল। প্রথমে মেয়ে তারপর মেয়ে জামাই এবং সবশেষে শ্বশুর ঘুমাল। মাঝরাতে জামাই মেয়েকে বলছেঃ বৌ লোকালে দিব না ডাইরেকে দিব। ( পাঠক এখানে লোকালে =আস্তে এবং ডাইরেকে= জোরে)। মেয়ে বললঃ বাবা পাশে, লোকালেই দাও।

জামাই লোকালে দিতে লাগল। কিন্তু লোকালে সুখ আসার পর আর সামলাতে না পেরে  ডাইরেকে দিতে লাগল। তাই খাট নড়তে লাগল। একটু পরে হাই স্পীডে করার কারনে খাট নড়তে নড়তে শ্বশুর মাটিতে পরে গেল। এখন শ্বশুর বলছেঃ বাবা গাড়ি চালাবা গাড়ি চালাও, লোকালে চালাও বা ডাইরেকে চালাও, কিন্তু পেছেঞ্জার পরবো কেন ?

 

১০৭)

এক চার্চে পাদ্রি নির্বাচন করা হচ্ছে । মিস্টার জন নির্বাচক , তিনি ঠিক করলেন যে সবচেয়ে পার্থিব ভোগের উর্ধে তাকেই নেয়া হবে । ৩জন পার্থি আবেদন করল । এখন ৩ জনেরই বিশেষ অঙ্গে ঘন্টা লাগানো হল যাতে ওই জিনিস দাড়ালে ঘন্টা বেজে উঠে । এইবার তিনজনের সামনে এক সুন্দরীকে এনে প্রথমে বুকের কাপড় খুলে ফেলা হল , একজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং সে বাদ পড়ল , এইবার সুন্দরীর নিচের কাপড় খুলে ফেলা হল । আরেকজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং বাদ পড়ল , রইল বাকী এক , নির্বাচক মিস্টার জন বললেন তার মানে আমরা আমাদের পাদ্রি পেয়ে গেছি , তুমি সমস্ত ভোগ-কাম-লালসা এর উর্ধে …… এইসব বলতে বলতে তাকে জড়িয়ে ধরলেন , সাথে সাথে ঘন্টা বেজে উঠল ।

 

১০৮)

দ্বিতীয বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈনিক সংকট দেখা দিলে কতৃপক্ষ নিয়ম করে দেয় প্রতি পরিবার থেকে একজন তরুণকে যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। জর্জ কোন ভাবেই যুদ্ধে যাবে না। মেডিকেল ফিটনেস পরীক্ষার জন্য যখন তার ডাক পড়ল তখন সে তার গার্লফ্রেন্ড এর ইউরিন স্যাম্পল নিজের ইউরিন স্যাম্পল বলে আর্মি হাসপাতালে জমা দিয়ে দিল। তার বান্ধবীর ছিল ডায়বেটিস । ডায়বেটিস ধরা পড়লে সে আনফিট ঘোষিত হবে এবং তাকে যুদ্ধে যেতে হবে না।

পরদিনই ঐ তরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে চিঠি পেল।

কংগ্রেচুলেশ! আপনি অবিলম্বে আমাদের গাইনি বিভাগে যোগাযোগ করুন। কারণ আপনি মা হতে যাচ্ছেন।

 

১০৯)

আরাম খান আর তার স্ত্রী গেছেন চিড়িয়াখানায়, ঘুরতে ঘুরতে তারা গিয়ে দাঁড়ালেন এক গরিলার খাচার সামনে, চারিদিকে নির্জনতা দেখে কি মনে করে যেন আরাম খান তার স্ত্রীকে বললেন, তুমি আমাকে যেভাবে উত্তেজিত কর, গরিলাটাকে ওভাবে করো না।

আরাম খান এর স্ত্রী আস্তে আস্তে তার টপস খুলে ফেললেন। গরিলা উত্তেজিত হয়ে পড়লো।

আরাম খান বললেন, আরও উত্তেজিত কর তারপর দেখো কি হয়। স্ত্রী এবার নিচেরটাও খুলে ফেললেন। গরিলা এবার উত্তেজিত হয়ে কাপতে লাগলো।

আরাম খান জানতেন যে খাচার দরজায় তালা ছিল না। আরাম খান দরজা খুলে তার স্ত্রীকে খাচার ভিতরে ঢুকিয়ে দিলেন আর স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বললেনঃ “এবার গরিলাটাকে বল যে তোমার মাথা ব্যথা করছে। তোমার এখন মুড নাই” !!!

 

১১০)

আরাম খানের ছোটবেলার কাহিনী। পোলাডা একদিন দেখে এক বড় ভাই একটা মেয়েরে চুমু দিচ্ছে। বাসায় এসে আরাম খান মারে কয়, “আম্মা! চুমা দিলে কি হয়?”

ওর মা ত খুব কড়া। সে চায় পোলা ভালা থাকুক। এইসব পাপ যাতে না করে তাই ডর দেখানের লাইগ্যা আরাম খানরে কইল, “ চুমা দেয়ার পর পোলাগুলার শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায়, পরে মাটিত পইরা মইরা যায়।”

আরাম খান কয়, “সত্যি?”

“হ”

আরাম খান আস্তে আস্তে বড় হয়। যুবক হইলে একদিন এক মাইয়ার সাথে কথা হয়। কথায় কথায় সম্পর্ক হয়। মেয়েটা একদিন আরাম খানরে চুমা দিতে চায়। আরাম মানা করে, “আমার আম্মা কইছে মেয়েদের চুমা দিলে আমি মারা যামু।”

“বোকা! আসো।” বলে মেয়েটা এগিয়ে একটা চুমা দিল। চুমা শেষ না করতেই করতেই আরাম খান, “আম্মা ঠিকই কইছিল” বলে মাটিতে শুয়ে গড়াগড়ি দেয়া শুরু করছে।

“কি হইছে?”

“আল্লাহ রে। আমি পাত্থর হইয়া মইরা যামু। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে!”

 

১১১)

এক দম্পতি এসেছে ডাক্তারের কাছে। স্বামীটা বেশ বয়স্ক কিন্তু স্ত্রী তরুনী। তাদের সমস্যা হলো বাচ্চা হচ্ছে না। ডাক্তার স্ত্রীর কিছু পরীক্ষা করলেন। স্বামীটিকে বললেন আপনার স্পার্ম টেস্ট করতে হবে। তাকে একটা specimen cup দেয়া হলো। বলা হলো কাপটাতে স্পার্ম নিয়ে আসবেন।

পরদিন লোকটা খালি কাপ নিয়ে এসেছে।

ডাক্তার বলল, কাপ খালি কেনো?

-বাসায় গিয়ে বাম হাতে অনেক চেষ্টা করলাম। পারলাম না। পরে মনে হলো ডান হাতে চেষ্টা করি। সেই হাতেও হলো না।

-এটা হতে পারে…আপনার বয়স ত আর কম হয় নাই। তা সাহায্য করার জন্য বউকে ডাকতে পারতেন।

-বউকে ডাকছি ত। সে হাত দিয়ে চেষ্টা করল …হলো না…মুখ দিয়ে চেষ্টা করল …হলো না…

– হয়। মাঝে মাঝে এমন হয়। তা অন্য কাউকে ডাকতে পারতেন।

-ডাকছি ত। বউয়ের বান্ধবীকে ডাকছি।

-বউয়ের বান্ধবী????

-সেও চেষ্টা করে পারল না।

-পারল না?? ডাক্তারের ভ্রু কুচকে গেছে।

-এরপর বউয়ের বন্ধু এলো। সেও চেষ্টা করল… পারল না।

ডাক্তার অবাক- বলেন কি? আপনার বউয়ের দোস্ত??একটা ছেলে??

-তবে আর বলছি কি?যাক, সারা রাতে পারলাম না। সকালে হাসপাতালে এলাম। হাসপাতালে এসে নার্সকে বললাম সাহায্য করতে।

– আমার নার্সকে?

-হ্যা। সেও চেষ্টা করল। পারে নাই।

-আপনি ত দেখি সবাইকে দিয়ে চেষ্টা করছেন।

-তা করছি। তবে আপনি বাকি আছেন।

-আআআআমি??? ডাক্তার তোতলাচ্ছে…

-হ্যা। দেখেন ত চেষ্টা করে কাপটার ঢাকনাটা খুলতে পারেন কিনা?

 

১১২)

এক বৃদ্ধ লোকের একটি বড় ফার্মহাউজ ছিলো। ফার্মহাউজের পেছনে একটা বড় পুকুর ছিলো। সে সেটাকে কেটে গভীর করলো, কিছু পিকনিক টেবিল বসালো এবং কিছু গাছপালা লাগালো যাতে এটাকে একটা পিকনিক স্পট বানানো যায়।

একদিন বিকালে লোকটি পুকুরের অবস্থা দেখার জন্য চললো। তার হাতে ছিলো একটা বালতি।

পুকুরের কাছে আসতেই তার নজরে পড়লো কিছু নারীকণ্ঠ। আরেকটু এগোতেই সে দেখলো স্বল্প বসনা কিছু মেয়ে পুকুরের পাশে হাসি-আনন্দ করছে। বৃদ্ধ ভাবলো, হয়তো তারা পাশের কোন বাড়ি থেকে এসেছে। নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য সে গলা খাঁকারি দিলো। তার আওয়াজ শুনে মেয়েরা সবাই গলা পানিতে নেমে গেলো। একজন বললো, চাচা, আপনি এখান থেকে না গেলে আমরা উঠবো না।

বৃদ্ধ বললো, আমি তোমাদের শরীর দেখার জন্য এখানে আসিনি। আমি পুকুরের কুমিরগুলোর জন্য খাবার এনেছি।

 

১১৩)

১ম বন্ধু: কিরে তোর মুখে ব্যান্ডেজ বাধা কেন? তোর ডান চোখটাতো অল্পের জন্য বেঁচে গেছে। কে তোর এই দশা করল?

২য় বন্ধু: আর বলিস না সকাল বেলায় অফিসে বেরোবার আগে প্যান্টের সামনের একাট বোতাম ছিড়ে গেল। আমি ব্যাচেলর মানুষ। তাই পাশের অ্যাপার্টমেন্টের মিসেস ললার সাহায্য চাইলাম।

১ম বন্ধু: বুঝতে পারছি। প্যান্টের ঐ জায়গায় বোতাম লাগাতে বলায় ভদ্রমহিলা নিশ্চয়ই ভাবলেন তুই কোন অসভ্য ইঙ্গিত করছিস। তারপর তোকে জুতা পেটা করলেন।

২য় বন্ধু: না না, তা নয়। মিসেস লরা একজন সমাজ সেবিকা। তিনি আমার সমস্যা বুঝতে পারলেন। দ্রুত সুঁই-সুতা নিয়ে আমার প্যান্টের বোতাম লাগিয়ে দিলেন।

১ম বন্ধু: তাহলে সমস্যাটা কি?

২য় বন্ধু: বোতামটা লাগানো শেষ করে মিসেস লরা যখন মাথা নিচু করে দাঁত দিয়ে সুতোটা কেটে দিচ্ছিলেন তখনই‌ উনার হাজব্যান্ড এসে উপস্থিত। তারপরতো বুঝতেই পারছিস।

 

১১৪)

এক ভদ্রলোক বীয়ার ছাড়া কিছু বোঝেন না। সন্ধ্যা হলেই তার বীয়ার চাই। তার মাসের অর্ধেক বেতন চলে যায় পাবে বীয়ারের পেছনে। তার স্ত্রী বেচারা সন্ধ্যায় একা একা থাকতে থাকতে বিরক্ত হয়ে যান, তাই তিনি প্রার্থনা করলেন তার স্বামীকে তার কাছে ফিরিয়ে দিতে। ঈশ্বর প্রার্থনা শুনলেন, তাই একদিন স্বামীর কাছে দেবদূত এল। তাকে বললেন, তোমার একটি ইচ্ছা আমি পূরণ করব। অনেক চিন্তা ভাবনার পর, লোকটি বলল, আমার খালি বীয়ার খাওয়ার শখ, মাসের বেতনের অনেকটাই চলে যায় বীয়ারের পেছনে। এ থেকে আমি বাঁচতে চাই, তাই আমার এমন ব্যবস্থা করে দিন যাতে আমার মূত্রই যেন খুব ভাল বীয়ার হয়ে বের হয়! দেবদূত তার ইচ্ছা মঞ্জুর করলেন। লোকটি সাথে সাথে একটা গ্লাস এনে পরীক্ষা করে দেখলেন। সন্তুষ্ট হয়ে খুশিতে সে সন্ধায় আগে আগে ঘরে ফিরে গেল। স্ত্রী খুবই আনন্দিত হয়ে স্বামীকে সঙ্গ দিতে চাইলেন। স্বামীতো আরও খুশি, তিনি স্ত্রীকে একটা বীয়ারের গ্লাস নিয়ে আসতে বললেন। স্ত্রী দৌড়ে গ্লাস এনে দেখেন স্বামী নগ্ন হয়ে বসে আছেন। স্ত্রী বুঝলেন আজ কিছু একটা হবে, তাই স্বামীকে আরো উত্তেজিত করার জন্য বললেন, তিনিও আজ বীয়ার খেতে চান, আরেকটা গ্লাস নিয়ে আসছেন। স্বামী বললেন, অসুবিধা নেই, ডারলিং, গ্লাস আনতে হবেনা! আজ তুমি সরাসরি ট্যাপ থেকে খাবে!

 

১১৫)

ইদানিং জনের মধ্যে সেই নার্ভাস ভাবটা নেই। মেয়েদের সাথে সাচ্ছ্যন্দে কথা বলতে পারে।তাই রাস্তায় একদিন একটা অপরুপ পরীকে দেখে এগিয়ে গেলো কথা বলতে।

“এক্সকিউজ মি, আপনাকে যদি আমি এক মিলিওন ডলার দেই, তো আপনি কি আমার সাথে শোবেন?” স্ট্রেইটকাট কথাবার্তা জনের।

অলমাইটি ডলারস! তো এখানেও মেয়েটি একটু ভেবে রাজী হয়ে গ্যালো।

“হ্যাঁ, শোব”

“আর যদি দশ ডলার দেই?”

“হোয়াট! কি বলছেন আপনি! আমাকে আপনি কি ধরণের মেয়ে মনে করেন??” পরী পুরো ক্ষেপে গ্যাছে।

“কি ধরনের মেয়ে, সেটাতো আগেই বুঝেছি। এখন একটু দরাদরি করছি আর কি!” মিটমিটিয়ে হেসে বলল জন।

 

১১৬)

পার্কে একটা বিরাট কুকুর নিয়ে বসে আছে বাবু। এক তরুণী যাচ্ছিলো পাশ দিয়ে, দাঁড়িয়ে বললো, ‘বাহ, বেশ তো কুকুরটা!’

বাবু হাসলো। ‘হ্যাঁ। খুব রোমান্টিক ও। আর মেয়েরা তো ওকে খুব পছন্দ করে, দারুণ আদর করতে পারে কি না।”

তরুণীর চোখে আগ্রহ ফুটলো। ‘তাই?’ ফিসফিস করে জানতে চাইলো সে। বাবু বললো, ‘হ্যাঁ, দেখতে চান? চলুন আমার বাসায়।’

বাড়ি ফিরে মেয়েটাকে সাথে নিয়ে নিজের ঘরে এলো সে। মেয়েটাকে জামাকাপড় খুলতে বলে সে কুকুরটার দিকে ফিরলো, ‘কালু, এই আপুটাকে আদর করো তো!’

কালুর কোন ভাবান্তর হলো না। বাবু আবার হুকুম দিলো, তবুও সে গ্যাঁট হয়ে বসে রইলো।

এবার বাবু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্যান্ট খুলতে খুলতে বললো, ‘ঠিক আছে, কালু, তোমাকে দেখিয়ে দিচ্ছি কিভাবে কী করতে হবে, কিন্তু এ-ই শেষবার, বলে দিচ্ছি!’

 

১১৭)

কোনো এক পশ্চিমী দেশে এক ভদ্রমহিলার তিন-তিনটি অবিবাহিতা মেয়ে। অনেকদিন চেষ্টা করেও কিছু না হওয়ার পরে হঠাৎ করেই তিন মেয়ের খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের ঠিক হয়ে গেলো। ভদ্রমহিলা মেয়েদের দাম্পত্যজীবন (?) নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলেন। তো তিনি মেয়েদের বললেন যে প্রত্যেকে যেনো হানিমুন থেকে অল্প কথায় কিছু লিখে তাকে পোস্টকার্ড পাঠায়। যাতে তিনি বুঝতে পারেন যে মেয়েদের হানিমুন কেমন চলছে।

বিয়ের দু’দিন পরে প্রথম মেয়ে হাওয়াই থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে শুধু লেখা – “Nescafe”!!!!

প্রথমে বেশ অবাক হলেও, কিছুক্ষন বাদে তিনি কিচেনে গিয়ে Nescafe – এর জার বের করলেন। দেখলেন তার গায়ে লেখা – “Good till the last drop”….

তিনি একটু লজ্জা পেলেও, মেয়ের খবরে আনন্দ পেলেন।

বিয়ের এক হপ্তা পরে পরের মেয়েটি ভারমন্ট থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে লেখা – “Rothmans”!!!! এবার তিনি আর ঘাবড়ালেন না। একটা Rothmans এর প্যাকেট নিয়ে দেখলেন তাতে লেখা – “Extra Long. King Size”….। আবার তিনি একটু লজ্জা পেলেও, আনন্দিত হলেন।

সবচেয়ে ছোটো মেয়েটি গেছিল কেপ-টাউন। তার চিঠি কিছুতেই আসে না। এক মাসের শেষে তার চিঠি এল। তাতে খুব কাঁপা-কাঁপা হাতে লেখা – “South African Airways”!!!!

ভদ্রমহিলা জল্দী লেটেস্ট একটা ম্যাগাজিন বের করে South African Airways -এর এডটা দেখলেন। দেখামাত্র তিনি সেন্সলেস হয়ে পড়লেন।

এডটার নিচে লেখা – “Ten times a day, seven days a week, both ways”!!!!!!!!

 

১১৮)

ছুটির একদিনে আরাম খান ও তার বউ জন্মদিনের ড্রেসে বাথটাবে জলকেলী করতেছে। গায়ে ফেনা লাগায়া আবার ধোয়াধুয়িও চলতেছে। এমন সময় বাসার কলিং বেল বাইজা উঠলো। আরাম খান আইলসামি কইরা কইলো “জান, তোয়ালে প্যাচাইয়া যাওনা, দেখো কে আইসে?”

আরাম খান এর বউ তাই করে। একটা তোয়ালেতে শরীর ঢাইকা দরজা খুইলা দেখে পাশের বাড়ীর আনিস ভাই। জিগাইলো কি দরকার, আরাম গোছলে আছে। আনিস একটু ভাইবা কইলো “আইছিলাম এমনিতেই, থাক পরেই আমু আবার। তয় আপনে চাইলে একটা ব্যবসা করতে পারেন। ইন্সট্যান্ট এখানেই।”

আরাম খান এর বউ উৎসাহী হয়, কয় “কিরাম ব্যবসা?”

আনিস ব্যবসার প্রস্তাব দিলো তখন, “যদি আপনে তোয়ালের উপরের অংশ খুইলা দেখান, তাইলে আমি আপনেরে ৫০০০ টাকা দিমু।”। আরাম খান এর বউ ভাবলো, শুধু তো দেখবো, ৫০০০ টাকা তো কম না। সে খুইলা দেখাইলো। আনিস চোখ ভইরা দেখলো আর দিলো ৫০০০ টাকা।

নেশা চাপসে দুইজনেরই। আনিস এইবার কইলো “যদি পুরাটাই খুইলা ফেলেন তাইলে দিমু আরো ৫০০০।”

আরাম খান এর বউ ভাবলো একি কথা, দেখবোই তো। দিলো খুইলা। আনিস দেইখা আরো ৫০০০ দিয়া গেলো গা।

আরাম খান এর বউ খুব খুশী, ১০০০০ টাকা এত সহজে ইনকাম হইলো, খুশীতে গেলো স্বামীরে জানাইতে। স্বামী রে কইলো “পাশের বাসার আনিস ভাই আইছিলো..।”

আরাম খান কথা কাইরা নিয়া কয় ” আনিসে টাকা দিছে নি, ১০০০০ টাকা পাইতাম, ধার নিছিলো।

 

১১৯)

একদিন হঠাৎ এক স্পার্ম ব্যাংকে মুখোশ দিয়ে মুখ ঢাকা এক লোক উদ্দোত পিস্তল হাতে প্রবেশ করল। কাউন্টারে এক মহিলা ছিল, তাকে পিস্তল দেখিয়ে ভয় দেখিয়ে দাঁড়া করাল। মহিলা বলল ‘এটা ব্যাংক না, এটা একটা স্পার্ম ব্যাংক, এখানে কোন টাকা-পয়সা নেই, থাকেনা’

লোকটা বলল, ‘একটা বোতল নাও, এখনই! নাও, বোতলের ছিপি খুলে সবটা এখনই খেয়ে নাও!’

মহিলা পিস্তলের মুখে সবটা খেয়ে নিল তারপর লোকটা মুখোশ খুলে ফেলল, দেখা গেল সে ঐ মহিলারই হাসবেন্ড! লোকটা তখন তার বউকে বলল,

‘দেখেছ বেবি? এটা খাওয়া মোটেই কোন কঠিন কাজ না!

 

১২০)

ডিক একটি বারে ঢুকলো ড্রিংস্ করার জন্য। একটি মার্টিনি অর্ডার করলো সে। এবং বারটেন্ডারের কাছে তার দামও জানতে চাইলো। বারটেন্ডার বললো এর দাম ২ ডলার। এটা শুনে ডিক চমকে উঠলো। কারণ অন্যবারে এর দাম কমপক্ষে ২০ ডলার হবে। খুশি মনে সে মার্টিনি শেষ করে রেড ওয়াইনের দাম জানতে চাইলো। এক বোতল রেড ওয়াইন অন্য জায়গায় ৫০ ডলারের কমে পাওয়া যায় না। কিন্তু বারটেন্ডার জানালো এক বোতল রেড ওয়াইনের দাম এখানে ৫ ডলার!

শুনে ডিক বলে উঠলো, “বলো কি! এত্ত কমে? বারের মালিক কোথায়?”

বারটেন্ডার: “সে উপরের তলায় আমার বৌ এর সাথে আছে।”

ডিক: “বারের মালিক তোমার বৌ এর সাথে কি করে?”

বারটেন্ডার: “আমি ওর ব্যাবসার সাথে যা করতেছি, তাই করে!”

 

১২১)

মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল স্ত্রীর। চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে দেখলেন, স্বামী বিছানায় নেই। বিছানা থেকে নেমে গায়ে গাউন চাপালেন তিনি। তারপর স্বামীকে খুঁজতে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলেন। বেশি খুঁজতে হলো না। রান্নাঘরের টেবিলেই বসে থাকতে দেখা গেল স্বামীপ্রবরকে। হাতে গরম এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, গভীর কোনো চিন্তায় মগ্ন। মাঝেমধ্যে অবশ্য হাতের রুমাল দিয়ে চোখ থেকে পানি মুছে নিচ্ছেন, তারপর কফি খাচ্ছেন।

‘কী হয়েছে তোমার?’ রান্নাঘরে ঢুকতে ঢুকতে চিন্তিতভাবে বললেন স্ত্রী। ‘এত রাতে রান্নাঘরে কেন?’

স্বামী তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকালেন। তারপর গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘হঠাৎ ২০ বছর আগের কথা মনে পড়ল। খেয়াল আছে তোমার, যেদিন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল। আর তার পর থেকেই তো আমরা ডেট করতে শুরু করেছিলাম। তোমার বয়স ছিল ষোলো। তোমার কি মনে পড়ে সেসব?’

স্ত্রী তাঁর স্বামীর চোখের পানি মুছে দিতে দিতে জবাব দিলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই মনে আছে।’

স্বামী একটু থেমে বললেন, ‘তোমার কি মনে আছে, পার্কে তোমার বাবা আমাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন?’

‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে।’ একটা চেয়ার নিয়ে স্বামীর কাছে বসতে বসতে বললেন স্ত্রী।

স্বামী আবার বললেন, ‘মনে আছে, তোমার বাবা তখন রেগে গিয়ে আমার মুখে শটগান ধরে বলেছিলেন, ‘এক্ষুনি আমার মেয়েকে বিয়ে করো, নয়তো তোমাকে ২০ বছর জেল খাটাব আমি।’

স্ত্রী নরম সুরে বললেন, ‘আমার সবই মনে আছে।’

স্বামী আবার তাঁর গাল থেকে চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন, ‘আজকে আমি জেল থেকে ছাড়া পেতাম।’

 

১২২)

মিস্টার অন্ড মিসেস রবিনসন ক্রুসো জাহাজডুবি হয়ে কয়েক বছর ধরে একটা দ্বীপে আটকা পড়ে আছে। একদিন ভোরে তারা দেখতে পেলো, সৈকতে এক সুদর্শন যুবক অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে, গায়ে নাবিকের পোশাক। সুস্থ হয়ে উঠে যুবক জানালো, তারও জাহাজডুবি হয়েছে। ওদিকে মিসেস ক্রুসো প্রথম দর্শনেই এই যুবকের প্রেমে পড়ে গেছে। কয়েকদিন পর সুযোগ বুঝে ঐ যুবককে প্রেম নিবেদন করলো সে। কিন্তু রবিনসন আশেপাশে যতক্ষণ আছে, কোন কিছু করবার সুযোগ তাদের নেই।

এর কিছুদিন পর নাবিক যুবক রবিনসনকে পরামর্শ দিলো, সৈকতে একটা ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করা হোক। সে আর ক্রুসো ওতে চড়ে পাহারা দেবে, জাহাজ দেখতে পেলে পতাকা দিয়ে সংকেত দেবে। ক্রুসোর বেশ মনে ধরলো বুদ্ধিটা। বাঁশ দিয়ে একটা উঁচু ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করলো তারা।

পরদিন প্রথমে পাহারা দেয়ার পালা নাবিকের। সে টাওয়ারে চড়লো, নিচে ক্রুসো আর তার বউ গেরস্থালি কাজ করতে লাগলো। কিছুক্ষণ পরই যুবক চেঁচিয়ে উঠলো, ‘ছি, ক্রুসো ভাই! দিনে দুপুরেই ভাবীর ওপর এভাবে চড়াও হয়েছেন। ছি ছি ছি।’ ক্রুসো নারকেল কুড়োচ্ছিলো, সে বিব্রত হয়ে ওপরে তাকিয়ে বললো, ‘কী যে বলো, আমি কোথায়, আর ও কোথায়!’

যুবক চোখ কচলে বললো, ‘ওহহো, দুঃখিত, আমার যেন মনে হলো … সরি ভাই।’ কিন্তু ঘন্টাখানেক পর আবার চেঁচিয়ে উঠলো সে, ‘না, এবার আর কোন ভুল নেই। কী ভাই, একটু অন্ধকার হতে দিন না! এভাবে জঙলিদের মতো সক্কলের সামনে … ছি ছি ছি।’

ক্রুসো আগুন ধরাচ্ছিলো, সে চটেমটে বললো, ‘চোখের মাথা খেয়েছো নাকি ছোকরা, কী দেখতে কী দেখছো!’

যুবক খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে মাথা নেড়ে লজ্জিতভাবে হাসলো। ‘ইয়ে, দুঃখিত, কিন্তু মনে হলো পষ্ট দেখলাম …।’

কিছুক্ষণ বাদে যুবকের পাহারা দেয়ার পালা শেষ হলো, এবার ক্রুসো চড়লো টাওয়ারে। কিছুক্ষণ টাওয়ারে পায়চারি করে ক্রুসোর চোখ পড়লো নিচে। সে খানিকক্ষণ চেয়ে থেকে আপনমনে বললো, ‘আরে, কী তামশা, ওপর থেকে দেখলে তো মনে হয়, সত্যি সত্যি নিচে ওরা ওসব কিছু করছে!’

 

১২৩)

মেয়দের ব্রেস্ট স্ট্রোক সাতার প্রতিযোগিতা চলছে। সেখানে বিশাল বক্ষা এক তরুনী অংশ নিচ্ছে। হুইসেল দেয়ার পর সবাই ঝাপিয়ে পড়েছে পানিতে।

সুইমিং পুলের এক মাথা থেকে আরেক মাথায় গিয়ে সবাই চলে এসেছে। শুধু বিশাল বক্ষা তরুনী ডুবে আর ভেসে ভেসে অনেক কষ্টে সাতরিয়ে যাচ্ছে। সে আগাচ্ছে একটু একটু করে। বাকি প্রতিযোগিরা সাতার শেষ করে তোয়ালে দিয়ে পানি শুকিয়ে নিচ্ছে। আর তরুনীটি সাতরিয়েই যাচ্ছে। বলা বাহুল্য টিভি ক্যামেরা নিয়ে সাংবাদিকরা চলে এসেছে। এরা চায় ত ফানি জিনিস। আর এই মেয়ে মাত্র (!) আধাঘন্টা দেরি করে ফেলছে সাতার শেষ করতে।

যাই হোক এক সময় সে সাতার শেষ করে। সাংবাদিক খুব আগ্রহ নিয়ে তার দিকে মাইক্রোফোন বাড়িয়ে দিয়ে প্রশ্ন করে- মিস। ব্রেস্ট স্ট্রোক সাতারের এই আইটেমে প্রথম প্রতিযোগি তিনমিনিটে সাতার শেষ করেছেন। আপনার পয়ত্রিশ মিনিট লাগার কারণ কি?

তরুনী হাপাতে হাপাতে উত্তর দিল, আমি সেই রকম মানুষ না যারা হেরে গিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে চিটিং এর অভিযোগ আনে। কিন্তু আমি শিওর , আমি বাদে বাকি সবাই সাতারের সময় হাত ব্যবহার করেছে।

 

১২৪)

একদিন এক বাসার গৃহকর্তা আর তার বৌ গলা ফাটিয়ে চেঁচিয়ে ঝগড়া করছে। একপর্যায়ে লোকটা তার বউকে বলল Whore আর শুনে মহিলা লোকটাকে বলল Pimp।

তাদের ছোট ছেলে ছিল একটা, সে শুনে বাপ মাকে বলল, ‘Whore আর Pimp মানে কি?’ বাবা মা বলল, ‘এটা কিছু না ভদ্রমহোদয় আর ভদ্রমহোদয়া, আইমিন লেডিস এন্ড জেন্টেলম্যান’

২দিন পরে এক রাতে ভালবাসার একপর্যায়ে মহিলা লোকটাকে বলে বসল ‘ফিল মাই বুবস’ আর লোকটা ৫ মিট পরে বলল ‘ফিল মাই ডিকি’ ছেলেটা এবারও ঘন্টা খানেক পরে বাবা মাকে জিজ্ঞেস করল ‘বুবস আর ডিকি মানে কি?’ উত্তর এল ‘হ্যাট আর কোট!’

তার পরেরদিন লোকটা শেভ করতে যেয়ে গাল কেটে ফেলে বলে বসল ‘শিট’! ছেলে জানতে চাইল মানে কি, বাবা বলল ‘এটা শেভিং ক্রিমের ব্যান্ড নেম!’ আরেকদিন ছেলের মা টার্কি রেডি করতে যেয়ে কি একটা ভুল করে ফেলে বলল ‘Fuck!’ ছেলে জানতে চাইলে বলল ‘এটার মানে টার্কি রেডি করা!’

বাচ্চাদের সাথে মিথ্যা বলার সমস্যাটা টের পাওয়া গেল মাসখানেক পরে। একদিন বাসায় এক মহিলা তার হাসবেন্ডকে নিয়ে যখন এসে ছেলেটার কাছে জানতে চাইল তার বাবা মা কোথায়, ছেলেটা উত্তর দিল, “ডিয়ার Whore আর Pimp, আপনারা প্লিজ আপনাদের বুবস আর ডিকি এই হ্যাঙ্গারে রাখুন। আমার বাবা মুখ থেকে শিট ধুয়ে ধুয়ে পরিস্কার করছে আর মা উপরতলায় একটা টার্কি-কে খুবই দ্রুততার সাথে Fuck করছে!”

 

১২৫)

অরিত্র বাবু কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গেছেন প্রাকৃতিক অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে। সমুদ্রের কাছে গিয়ে নামতে ইচ্ছে হলো পানিতে। ড্রেস শর্ট করে সমুদ্রে নামতে যাবেন, কাছেই ২/৩ জন ষোড়শীর শর্ট ড্রেস দেখে অরিত্র বাবুর শরীরে ঘাম দেখা দিলো। তিনি একটু বেশিই সেনসেটিভ। দৃশগুলো সইতে পারেন না। আর তাই শর্টপ্যান্টের সামন দিক উঁচু হতে থাকলো। ভয়, লজ্জা আর হীনমন্যতা নিয়ে এদিক সেদিক তাকালেন  কেউ দেখছে না তো? সামনে পেছনে ডানে বামে দেখতে গিয়ে ডানে দেখলেন এক পিচ্চি মেয়ে চোখ বড় বড় করে অরিত্র বাবুর দেহের বিশেষ দিকে তাকিয়ে আছে। পুচকা মেয়েটি হয়তো বুঝতে পারছে না কেন ওখানটা উঠানামা করছে।

মহা ফ্যাসাদে অরিত্র বাবু।

তিনি স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলেন একটু কুঁজো হয়ে দাঁড়িয়ে।সেয়ানা পিচ্চিটি অরিত্র বাবুর আর একটু সামনে এগিয়ে এলো।

আংকেল, এটা কী?

পাখি… যাও যাও ডিস্টার্ব করোনা!

পিচ্চিটি গেলো না। তবে অরিত্র বাবুর তাড়া খেয়ে অদূরে দাঁড়িয়ে রইলো। অরিত্র বাবুর মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেলো। তিনি পানিতে দ্রুত ঝাপিয়ে পড়লেন। ঝাপাঝাপি করে এসে সৈকতে শুয়ে পড়লেন। বিকালের সোনালী রোদ গায়ে লেগে একটা আরাম আরাম ভাব চলে এলো। কখন যে অরিত্র বাবু ঘুমিয়ে পড়েছেন, খেয়ালই করেন নি।

ঘুম ভেঙে দেখেন তিনি হাসপাতালে।

ঘটনা কী?

অন্য সবাইও জানতে চাইলেন ঘটনা কী?

অরিত্র বাবু ফ্যাল ফ্যাল করে এদিক ওদিক তাকাতে গিয়ে হঠাৎ অনুভব করলেন উনার বিষেশ অঙ্গে ব্যান্ডেজ।

খাইছে!

ডাক্তারের প্রশ্নে অরিত্র বাবু জানালেন, কিছুই জানি না। তবে শেষ মনে পরে সৈকতে একটা পিচ্চি মেয়ে আমার চারপাশে ঘুর ঘুর করছিলো। ডাক্তার লোক পাঠালেন পিচ্চিকে ধরে আনার জন্য। পিচ্চি এসে বলে, আংকেল ঘুমিয়ে যাবার পর আমি আংকেলের পাখি আর পাখির দুইটা ডিম নিয়া খেলতে ছিলাম। হঠাৎ দেখি পাখি রাগে ফুইসা উঠছে। তাই আমি ধাক্কা দিছি। অমনি পাখি আমারে থুতু দিছে, আর তাই আমিও পাখির ডিম ভাঙার জন্য ইটের টুকরা দিয়া মারছি!

 

১২৬)

একজন স্ট্রীট ম্যাজিশিয়ান ম্যাজিক দেখাচ্ছেন কোন এক আবাসিক এলাকার এক রাস্তার উপরে। সবাই সাগ্রহে তাকে ঘিরে আছে। মূল আকর্ষণ হচ্ছে নাকি তার ম্যাজিক স্পেল আউড়ানোর সাথে সাথে কোথাও নাকি কিছু দাঁড়িয়ে যাবে আর সবাই মিলে যদি ফুঁ দেয় তবে তা বসে পড়বে।

প্রথম বারঃ হ্রিঙ্গা ত্রিঙ্গা ছট্টে… সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাচ্চাটির পকেট থেকে পেন্সিলটি উঠে দাঁড়িয়ে গেলো। সবাই মিলে একযোগে ফুঁ… বসে পড়লো পেন্সিলটি তার জায়গায়।

দ্বিতীয় বারঃ ম্যাজিশিয়ানের মন্ত্র… মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা একজন ভদ্রমহিলার মাথা থেকে তার হেয়ার পিনটি উঠে দাঁড়ালো। সবাই আবারো ফুঁ… বসে পড়লো হেয়ার পিন।

শেষ বারঃ মন্ত্র পড়া শেষ… সবাই ফুঁ দেবার অপেক্ষায়… কিন্তু কেউ বুঝতে পারছে না কোথায় কি দাঁড়ালো…!! আকস্মিক ভাবেই পাশের এক বাড়ীর দরজা খুলে একজন ৮৫ বছরের বৃদ্ধ বেরিয়ে এসে হাঁক ছাড়লেন, “এই পাঁজির দল, নচ্ছার গুলো, খবর্দার বলে দিচ্ছি, কেউ কিন্তু ফুঁ দিবি না হতচ্ছাড়ারা”…!!

 

১২৭)

মিস মিলি ঠিক করল, ১৯ বছর বয়সেই তাকে কোটিপতি হতে হবে। কাজেই এক কোটিপতি ৯০ বছরের বুড়োকে বিয়ে করে বসলো সে। তার মতলব খুব পরিষ্কার, বুড়োকে এমন প্রেম ভালোবাসা উপহার দেবে সে, যাতে ব্যাটা হার্টফেল করে মরে। তারপর ব্যাটার সব সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে হাতিয়ে নেবে সে। বাসর রাতে বুড়ো এসে হাজির। কিন্তু জামাকাপড় খোলার পর দ্যাখা গেল, বুড়ো হলেও সে যথেষ্ঠ সক্ষম এখনও। বুড়ো বর ড্রয়ার থেকে কন্ডম আর দু’জোড়া ছিপি বার করে এগিয়ে এলো মিলির দিকে। মিলি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, “ওগুলো কিসের জন্য?”

বুড়ো প্যাকেটখানা খুলতে খুলতে বলল, “দ্যাখো এ ব্যাপারে দুটো জিনিস আমার একদম পছন্দ নয়। এক হচ্ছে, মেয়েরা যে চিৎকারটা করে, সেটা।” এই বলে সে একজোড়া ছিপি কানে গুঁজল। তারপর দ্বিতীয় জোড়া ছিপি নাকে গুঁজতে গুঁজতে বলল, “আর দ্বিতীয়ত, কন্ডম পোড়া গন্ধটাও আমার আদৌ পছন্দ নয়।”

 

১২৮)

হলিউডের একজন উঁচুদরের অভিনেতা তার অভিনীত একটা ছবি দেখার জন্য স্ত্রীকে সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখার জন্য বসলেন । সিনেমার মাঝামাঝি জায়গায় নায়ক নায়িকার চুমু খাওয়ার একটা দৃশ্য দেখে অভিনেতার স্ত্রী অভিযোগ করলেন যে, আমি এতদিন তোমার সঙ্গে বিবাহিত জীবন যাপন করছি, অথচ কখনো আমাকে তুমি অমন করে চুমো খাওনি। অভিনেতা বললেন, তুমি যদি জানতে যে এই একটি চুমু খাওয়ার জন্য তারা আমায় কত টাকা পারিশ্রমিক দিয়েছে তাহলে আর অমন অভিযোগ করতে না।

 

১২৯)

এক খামার মালিক শখ করে একটা জেব্রা কিনে এনেছে আফ্রিকা থেকে।

এক ভোরে জেব্রাটা বেরিয়ে এলো তার আস্তাবল থেকে। খামারের ভেতরে ঘুরতে লাগলো সে, আর ভাবতে লাগলো, এখানে তার কাজ কী হতে পারে।

প্রথমে তার দেখা হলো একটা মুরগির সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো? মুরগি জবাব দিলো, সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে ডিম পাড়ি।

এরপর তার দেখা হলো একটা গরুর সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো? গরু জবাব দিলো, সুপ্রভাত। আমি আমাদের মালিকের খাবারের জন্যে দুধ দিই।

তার দেখা হলো একটা ছাগলের সাথে। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো? ছাগল জবাব দিলো, সুপ্রভাত। মালিক আমাকে মেরে আমার মাংস খায়।

জেব্রা কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সামনে এগোলো।

এবার তার দেখা হলো একটা ষাঁড়ের। সুপ্রভাত। বললো জেব্রা। তুমি এখানে কী করো?

ষাঁড় জেব্রাকে আপাদমস্তক দেখে মুচকি হেসে জবাব দিলো, সুপ্রভাত। তুমি তোমার পাজামাটা খোলো, আমি তোমাকে দেখাচ্ছি আমি এখানে কী করি।

 

১৩০)

ফরেনসিক মেডিসিন এর ক্লাসে প্রফেসর নতুন ছাত্রদের ক্লাস নিচ্ছেন।

“ফরেনসিক মেডিসিন পড়তে তোমাদের দুইটা জিনিসের দিকে ভালো খেয়াল রাখতে হবে। প্রথমত, তোমাদের কারো কোনো রকম শুচিবাই বা ঘৃণা থাকতে পারবেনা …” এই বলে তিনি তার সামনে রাখা মৃতদেহের পাছার ভিতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলেন এবং তা চুষতে লাগলেন। “সুতরাং, তোমরাও তা কর” তিনি সবাইকে নির্দেশ দিলেন ।

পুরো ক্লাসরুম তো থ !!!!!! কি আর করা, সবাই প্রফেসর এর কথামত আঙ্গুল ঢুকিয়ে চুষতে শুরু করলো।

“দ্বিতীয় জিনিসটি হলো, তীক্ষ্ণ নজর থাকতে হবে তোমাদের” বললেন প্রফেসর, “তোমাদের মাঝে কয় জন খেয়াল করেছ যে আমি লাশটির পাছায় তর্জনী ঢুকিয়েছি, কিন্তু চুষেছি আমার মধ্যম আঙ্গুল ???”

 

১৩১)

বাচ্চাদের স্কুলের টিচার মিস তানিয়া একদিন ছুটির পর ছোট্ট বাবুকে দাঁড় করালেন।

‘এক মিনিট দাঁড়াও ছোট্ট বাবু।’ চশমার ওপর দিয়ে চাইলেন তিনি। ‘তোমার হোমওয়র্ক তো খুব খারাপ হচ্ছে ক’দিন ধরে। তোমার কি কোন সমস্যা হচ্ছে?’

ছোট্ট বাবু মাথা ঝোঁকালো। ‘জ্বি টিচার। আমি প্রেমে পড়েছি।’ মিস তানিয়া মিষ্টি হাসলেন। ‘কার প্রেমে পড়েছো?’

‘আপনার, মিস তানিয়া। আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।’

‘কিন্তু ছোট্ট বাবু,’ নরম গলায় বললেন মিস তানিয়া, ‘ভেবে দ্যাখো ব্যাপারটা কেমন বোকাটে হবে? নিশ্চয়ই আমি একদিন কাউকে স্বামী হিসেবে চাইবো … কিন্তু আমি তো কোন বাচ্চা চাই না।’

‘ভয় পাবেন না মিস।’ আশ্বাস দিলো বাবু। ‘সেক্ষেত্রে আমি প্রটেকশন ব্যবহার করবো।’

 

১৩২)

এক ব্যারাকে , এক সৈনিক বাজি ধরার জন্য বিখ্যাত হয়ে গেল রাতারাতি। কারণ তারে কেউ বাজিতে হারাতে পারেনা। তাই দেখে আরেক সৈনিক ব্যরাকের দায়িত্বে থাকা ক্যাপ্টেন কে জানালো ঘটনা।

ক্যাপ্টেন কি করবে না বুঝে জানালো তার বস্‌ মেজর কে। সব শুনে মেজর বললো, আচ্ছা, ডাকো তাকে, দেখায় দেই কেমন করে হারাতে হয় বাজিতে। তো সেই বাজিকর সৈনিকের ডাক পড়লো মেজরের চেম্বারে। বাজিকর সৈনিক মেজরের চেম্বারে ঢুকেই স্যলুট দিয়ে বলে ” স্যার আপনার পাইলস্‌ আছে।”

মেজরঃ কে বললো পাইলস্‌ আছে?

বাজিকর সৈনিকঃ স্যার বাজি ধরেন , না থাকলে।

মেজরঃ ও কে, ৫০০ টাকা বাজি। প্রমাণ করো।

প্রমান করার জন্য মেজর প্যান্ট খুলে তার পশ্চাদ্দেশ দেখালো, বাজিকর সৈনিক পশ্চদ্দেশের ভিতর আঙ্গুল ঢুকিয়ে, তারপর বের করে এনে বললো, না স্যার, পাইলস নাই, আমি হেরে গেলাম”

মেজর কে ৫০০ টাকা দিয়ে সৈনিক বের হয়ে এল চেম্বার থেকে।

মেজর পরে ফোন করে ক্যাপ্টেন কে বলে, “কই, ও তো আমার কাছে বাজি তে ৫০০ টাকা হেরে গেল।”

ক্যাপ্টেনঃ “স্যার, ও যাবার আগে আমার সাথে বাজি ধরে গেছে, আপনার পাছায় আঙ্গুল দিতে পারলে ও ৫০,০০০ টাকা জিতবে। এখন তো আমারে সেই টাকা দেয়া লাগবে”

 

১৩৩)

কিন্ডারগার্টেনে তরুনী টিচার ক্লাসে খেয়াল করলেন যে এক ছাত্র বেশ অমনোযোগী। তাকে দাড় করিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “ বলো একটি ডালে তিনটি পাখি বসে আছে। তুমি একটি বন্দুক দিয়ে একটি পাখিকে গুলি করলে সেখানে আর কয়টি পাখি থাকবে?”

ছাত্রঃ একটিও না।

ম্যাডামঃ কেন?

ছাত্রঃ ম্যাডাম আমি যদি বন্দুক দিয়ে গুলি করি তাহলে গুলির শব্দে সবগুলো পাখি উড়ে যাবে।

ম্যাডামঃ তুমি যেভাবে চিন্তা করেছো তা আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু সঠিক উত্তর হবে আর দুইটি পাখি থাকবে।

ছাত্রঃ আচ্ছা ম্যাডাম একটি আইস্ক্রীম পারলার থেকে তিনজন যুবতী হাতে আইস্ক্রীম নিয়ে বের হল। তাদের একজন হাল্কা কামড় দিয়ে দিয়ে আইস্ক্রীম খাচ্ছিল। আর একজন চেটে চেটে খাচ্ছিল। আর শেষজন পুরো আইস্ক্রীম মুখে পুরে চুষছিলো। বলুন দেখি তাদের মধ্যে কে বিবাহিত?

ম্যাডাম কিঞ্চিত বিব্রত হয়ে বললেন, যে পুরো আইস্ক্রীম মুখে পুরে চুষছিলো সেই বিবাহিত।

ছাত্রঃ আপনি যেভাবে চিন্তা করেছেন তা আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু সঠিক উত্তর হবে যার হাতে ওয়েডিং রিং ছিল সেই বিবাহিত।

 

১৩৪)

মুখোশ পার্টিতে যাবে রোমেল আর তার বউ। রোমেলের বউ শেষ মিনিটে বললো, সে যাবে না, তার মাথা ধরেছে। রোমেল একটা স্পাইডারম্যানের মুখোশ পরে বেরিয়ে গেলো একাই। ঘন্টাখানেক পর রোমেলের বউ যাওয়ার মত পাল্টে একটা মুখোশ পরে নিয়ে পার্টিতে গেলো, একা একা রোমেল কী করে বেড়ায় দেখতে।

পার্টিতে গিয়ে সে দেখলো স্পাইডারম্যানের মুখোশের চারপাশে অনেক মহিলা, জমিয়ে আড্ডা মারছে রোমেল। চটে মটে রোমেলের বউও সেই ভিড়ে গিয়ে জুটলো, তারপর এক এক করে মহিলাকে হটিয়ে দিয়ে রোমেলকে দখল করলো সে। নির্জনে রোমেল তার কানে কানে কুপ্রস্তাব দিলো। মনে মনে চটে গিয়ে রাজি হলো রোমেলের বউ। ঘন্টাখানেক আদরসোহাগের পর রোমেলকে পার্টিতে রেখেই বাড়িতে ফিরে এলো সে। গভীর রাতে ক্লান্ত রোমেল বাড়িতে ফিরলো। তার বউ চিবিয়ে চিবিয়ে জানতে চাইলো, পার্টি কেমন হয়েছে। রোমেল বললো, ‘আরে ধ্যুৎ, খুব বোরিং। আমি আর আমার কয়েকজন বন্ধু কোণার ঘরে বসে তাস খেলেছি।’

‘তাই? কোন মজা হয়নি পার্টিতে?’

‘একদম না। তবে যে ব্যাটাকে আমার মুখোশটা ধার দিয়েছিলাম, ঐ শালা খুব মজা লুটেছে।’

 

১৩৫)

আরব মুল্লুকে বেড়াতে গেছে তিন ট্যুরিস্ট।

মরুভূমিতে পথ হারিয়ে দিন তিনেক ঘোরাঘুরি পর একদিন এক মরূদ্যানের সামনে হাজির হলো তারা। সেখানে শুধু মেয়ে আর মেয়ে, সবাই স্বল্পবসনা এবং সুন্দরী। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই গোবদাগাবদা চেহারার কয়েকজন মহিলা এসে তাদের গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেলো আলিশান এক প্রাসাদের ভেতর। সেখানে জোব্বাপরা এক আরব শেখ বসে গড়গড়ায় তামাক খাচ্ছে, তাকে ঘিরে আছে অপরূপ সুন্দরী কিছু যুবতী।

গড়গড়া নামিয়ে শেখ বললো, ‘আমি শেখ অমুক। এটা আমার মুল্লুক, এখানে যারা ভুল করে ঢুকে পড়ে, তাদের আমি কঠিন শাস্তি দিই।’ প্রথমজনকে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘বলো, কী করো তুমি?’

প্রথম ট্যুরিস্ট জবাব দিলো, ‘আমি একজন পুলিশ।’

শেখ হাততালি দিলো। দুই রূপসী সামনে এসে দাঁড়ালো। শেখ হুকুম করলো, ‘যাও, এর যন্ত্রটাকে গুলি করে ঝাঁঝরা করে দাও।’ তারপর দ্বিতীয়জনকে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘বলো, তুমি কী করো?’

দ্বিতীয় ট্যুরিস্ট জবাব দিলো, ‘আমি একজন দমকলকর্মী।’

শেখ হাততালি দিলো। আরো দুই রূপসী সামনে এসে দাঁড়ালো। শেখ হুকুম করলো, ‘যাও, এর যন্ত্রটাকে পুড়িয়ে ছাই করে দাও।’ তারপর শেষজনকে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘বলো, কী করো তুমি?’

শেষ ট্যুরিস্ট দাঁত বের করে জবাব দিলো, ‘আমি একজন ললিপপ বিক্রেতা।

 

১৩৬)

আরাম সাহেবের বউ খুব গোপনে হাসপাতালের ইমারজেন্সীতে গাইনোকোলজিস্টের সাথে দেখা করতে চাইলেন। গাইনোকোলজিস্ট এসে জিজ্ঞেস করতেই, তিনি খুব লজ্জিতভাবে বললেন, তার ভাইব্রেটরটা গোপনাঙ্গের ভেতরে পুরোপুরি ঢুকে আটকে গেছে। ডাক্তার সব দেখে বললেন, এটা বের করতে খুব লম্বা এবং বিপদজনক অপারেশন করতে হবে। অপারেশনের টাকা তিনি দিতে পারবেন কিনা। মিসেস আরাম আরও লজ্জিতভাবে বললেন, হ্যাঁ পারবেন। কিন্তু তিনি সেই অপারেশন আপাতত করতে চাননা। বরঞ্চ ডাক্তার সাহেব যদি কষ্ট করে, ব্যাটারীটা একটু পালটে দিতেন…

 

১৩৭)

দবির আর সাবেত অনেক দিন থেকেই এক সাঠে গলফ খেলে, অনেক দিন পরে দবিরের মনে হইল সাবেত আসলে কি কাম করে?

দবিরঃ কাজ কাম কি করেন ভাই?

সাবেতঃ আমি আসলে একজন হিটম্যান, ভাড়ায় কাম করি, প্রতি হিট ১০,০০০ টাকা। মানে প্রতি বুলেট ১০,০০০ টাকা আর আমার বুলেট মিস হয় না।

দবির মনে মনে ভাবে আরে শালা! আমি তো এমনই একজন লোক খুজতাছি! এইবার বিবির জান শেষ!

দবিরঃ দোস্ত আমার একটা কাম কইরা দিবা? না না দুইটা!!?

সাবেতঃ আরে তুমি মাল দিবা আর আমি কাম করুম না! দুইটার জন্য ২০,০০০ টাকা লাগবো।

দবিরঃ ঠিক আছে তুমি আমার বিবির মুখের মধ্যে একটা গুলি করবা, শালী খালি আমার লগে চিল্লায়, খালি প্যান প্যান করে।

আর এক কুত্তার বাচ্চা আছে ওর বয় ফ্রেন্ড, ওর অই জায়গাতে একটা গুলি করে ঐটা উরায় দিবা, ঐযে মাঠের পাশেই আমার বাসা।

সাবেত তার গলফ ব্যাগ থাইকা টেলিস্কোপিক রেমিংটন পয়েন্ট ২২ রাইফেলটা বাইর কইরা অনেকক্ষন লাগাইয়া দেইখা কইল “আমি তোমার পয়সা বাঁচায়া দেই। গূল্লি একটা লাগবো”

 

১৩৮)

একটি লোকের স্ত্রী অন্তসত্তা। হাজবেন্ড ওয়াইফ দু‘জন মিলে সিদ্ধান্ত নিতে পারছেনা যে তাদের সন্তানের নাম কি হবে। এটা সবার ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। অনেক তর্ক বিতের্কর পর স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, “তুমি বাবার কাছে যাও। তাকে জিজ্ঞেস করে আসো যে বাচ্চাদের নাম কি করে রাখতে হয়”। স্বামীটি তৎক্ষনাৎ তার বাবা কাছে গেলে এবং বাচ্চাদের নাম কি করে রাখতে হয় তা জিজ্ঞেস করলো। বাবা মুচকী হেসে একটু নস্টালজিক হয়ে গেলেন। আনমনা ভাবে মৃত স্ত্রীর ছবির দিকে তাকিয়ে বললেন, তোর বড় ভাইয়া যখন তোর মার পেটে এলো তখন আমার পোস্টিং হিলে, চারদিকে পাহাড় আর পাহাড়। পাহাড়ের বুকে জন্মালো তাই ওর নাম রাখলাম “হিমালয়”। তোর মেঝো আপা যখন হলো তখন আমরা নৌ-বিহারে ছিলাম তাই ওর নাম রেখেছিলাম “নদী”। এসব জেনে তুই কি করবি “ফুটো কন্ডোম”

 

১৩৯)

জর্জ আর জেনী খুব ভাল বন্ধু। এরা দুই জন দুই শহরে কাজ করে। একজনের ছুটি শনিবার আরেকজনের রবিবার। ফলে দুই জনের এক সাথে দেখা হওয়া খুব দুস্কর। এবার পহেলা মে তে দুই জনের এক সাথে ছুটি। জর্জ তার গাড়ী নিয়ে জেনীকে আনতে চলে গেল। গাড়ীতে দুইজনের মনে ভালবাসার উদয় হল। যেহেতু মাত্র একদিনের ছুটি তাই তারা ঠিক করল এক মুহূর্তও নষ্ট করা ঠিক হবে না। কিছু অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটানো যাক। কিন্তু গাড়ীটা ছিল খুবই ছোট। দুই জনে মিলে ঠিক করল গাড়ীর নীচের ফাঁকা জায়গায় ঢুকে পড়া যাক। নীচে বেশ জায়গা আছে আর কেউ বিরক্ত ও করবে না।

অনেকক্ষণ পর জর্জের খেয়াল হল কে যেন তাকে ডাকছে। লোকটি ছিল ট্রাফিক সার্জেন্ট।

লোকটি বলছে- ভাই আপনি কি করছেন।

জর্জ তার দিকে না তাকিয়েই উত্তর দেয়-গাড়ী ঠিক করছি।

সার্জেন্ট কিছুক্ষণ কি যেন চিন্তা করেন। তারপর গম্ভীর মুখে বলে উঠেন-দুই টা কারণে আমি আপনার কথা বিশ্বাস করতে পারছি না। প্রথমত গাড়ী ঠিক করতে হলে আপনাকে চিৎ হযে থাকতে হবে। কিন্তু আপনি উপুর হয়ে আছেন।

দ্বিতীয়ত আমি এখানে কোন গাড়ী দেখতে পাচ্ছি না। খুব সম্ভবত আপনাদের গাড়ীটি চুরি হয়ে গেছে।

 

১৪০)

স্বামী বেশ কয়দিন ধরে কোমায়। বউ বেচারা সারাক্ষণ স্বামীর বিছানার পাশে আহার-নিদ্রাহীন জীবনযাপন করছেন। হঠাৎ স্বামী কোমা থেকে ফিরে আসলেন। ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বউকে স্বামীর কাছে যেতে দিলেন। স্বামী পরম আবেগে সজল চক্ষে স্ত্রীর হাত ধরে বললেনঃ ওগো, আমি আজ বুঝতে পেরেছি আমার কেন এই অবস্থা! তুমি সারাটা জীবন আমার দুঃখের সময়ে পাশে থেকেছ। যখন আমার চাকরী চলে গেল, তুমি পাশে ছিলে। আমার যখন ব্যবসায় বিশাল লোকসান হল, তুমি পাশে ছিলে। যখন আমাদের বাড়িটাও ব্যাংক নিলামে উঠাল, সেখানেও তুমি ছিলে আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য। যখন ডাকাতরা আমায় গুলি করল, তুমি ছিলে আমার সেবা করার জন্য। আমার এমন কোন দুঃসময় নেই যখন তুমি আমার সাথে ছিলেনা।

স্বামীর এমন আবেগী কথায় স্ত্রীর চোখ বেয়ে জলের ধারা নামে। স্ত্রী বলেঃ ওগো এমন করে বলোনা, আমিতো তোমার পাশেই থাকব…তুমি ছাড়া আমার আর কে আছে!

স্বামীঃ হুমম! সেজন্যেই বুঝেছি…তুমিই আমার ব্যাড লাক!

 

১৪১)

ডেন্টিস্টের সাথে ইলিয়াস সাহেবের বউয়ের ভীষণ মাখামাখি চলছে। প্রায় প্রতি সপ্তাহেই মিসেস ইলিয়াস ডেন্টিস্টের চেম্বারে গিয়ে শারীরিক চাহিদা মিটিয়ে আসেন। একপর্যায়ে মিসেস ইলিয়াস আবগের আতিশয্যে বললেন, ওগো আমার প্রেমিক, আমি প্রতিদিনই তোমার কাছে আসতে চাই। ডাক্তার বললেন, হ্যাঁগো আমিও তোমায় চাই। কিন্তু তুমি যদি আর এখানে আস ইলিয়াস তো বুঝে ফেলবে।

মিসেস ইলিয়াস বললেন, আরে না…ব্যাটা গর্দভ একটা। এইযে দেখ এতবার তোমার কাছে এলাম, কিছুই বোঝেনি। ডাক্তার বললেন, কিন্তু হানি, তুমি আর আসবে কিভাবে, প্রতিদিন তোমার একটা করে দাঁত তুলতে তুলতে আজকে শেষ দাঁতটাও তুলে ফেললাম!

 

১৪২)

মিলিটারিদের সাহস পরীক্ষা করছে তাদের প্রধান। এক মিলিটারিকে দুরে দাঁড় করিয়ে রেখে মাথায় লেবু রেখে বন্দুক দিয়ে সেই লেবুটিকে গুলি করল। মিলিটারিটি একদম নড়ল না। লেবুটি ফেঁটে গিয়ে তার শার্টটিকে নষ্ট করে দিল।

তাদের প্রধান তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলছে- ‘সাবাস, এই টাকা দিয়ে সাবান কিনে শার্টটি ধুঁয়ে নিও’।

মিলিটারিটি বলল – ‘তাহলে আরোও ৫০ টাকা দিন, প্যান্টটিও ধুঁতে হবে।

 

১৪৩)

হাসপাতালে এক মেয়ের বাচ্চা হয়েছে। বাচ্চাকে মা থেকে পৃথক রুমে রেখে নার্স তাকে খবর দিলো, “আপনার ছেলে হয়েছে। আপনার স্বামীকে দেখছিনা যে?”

মেয়ে, “ইয়ে মানে, আমার বিয়ে হয় নি।”

নার্স, “তাহলে আপনার বয়ফেন্ড/পার্টনার কোথায়?”

মেয়ে, “আমি একা।”

নার্স, “ও আচ্ছা। আপনার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য দুঃখিত। কিন্তু আপনার জানা জরুরী যে আপনার ছেলেটি কিন্তু কালো হয়েছে!”

মেয়ে, “আসলে হয়েছে কি জানেন, গত বছর আমি খুব টাকার অভাবে ছিলাম। টিউশন ফি দিতে পরছিলাম না। তাই বাধ্য হয়ে একটি পর্ন মুভিতে কাজ করতে হয়েছিলো! আর ওখানে এক নিগ্রো ছিল!”

নার্স, “আমি আসলেই দুঃখিতো। আপনার মতো অবস্থায় পড়লে যে কেউ এই কাজ করতো। আরেকটি কথা হলো আপনার ছেলেটি ব্লন্ড চুল পেয়েছে!”

মেয়ে, “না মানে ঐ মুভিতে এক সুইডিস লোকও ছিলো!”

নার্স, “ও! আমি দুঃখিত যে আমার জন্য আপনাকে ঐ সব স্মৃতি মনে করতে হচ্ছে। তবে আপনার ছেলের চোখ কিন্তু খুব ছোট ছোট!”

মেয়ে, “ইয়ে মানে ওখানে একজন জাপানি লোকও ছিলো! আপনার কি আরো কিছু বলার আছে?”

নার্স, “না না আর কিছু না!”

মেয়ে, “আমি কি আমার ছেলেকে দেখতে পারি?”

নার্স, “জি অবশ্যই পারেন। আমি নিয়ে আসছি।”

নার্স ছেলেটিকে এনে মেয়েটির কোলে দিলো। মেয়েটি বাচ্চা টিকে কোলে নিয়েই গালে জোরে একটা চড় বসিয়ে দিলো এবং বাচ্চাটি চড় খেয়ে জোরে কেঁদে উঠলো!

নার্স হতবম্ভ হয়ে ছেলেটিকে মেয়ের কাছ থেকে নিয়ে নিলো এবং বললো, “এ আপনি কি করছেন?”

মেয়েটি তখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বললো, “উফফ! বাঁচা গেলো! আমি তো ভেবেছিলাম কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে উঠবে!!”

 

১৪৪)

অনেক আগে একবার পোপ হুকুম দিলেন, ইহুদিদের রোম ছেড়ে চলে যেতে হবে। ইহুদিরা আদেশ শুনে বিক্ষোভে ফেটে পড়ল। অবস্থা যখন খারাপের দিকে, তখন পোপ বললেন, ‘ঠিক আছে, ওদের একটা সুযোগ দেওয়া যেতে পারে। আমার সঙ্গে তাদের কোনও প্রতিনিধি ধর্ম নিয়ে বিতর্ক করুক। যদি আমি হেরে যাই, ইহুদিরা থাকতে পারবে। আর যদি আমি জিতে যাই, ব্যাটাদের পেঁদিয়ে বিদায় করা হবে।’

ইহুদিরা এ প্রস্তাবে রাজি হয়ে তাদের এক প্রবীণ র‌্যাবাই, মি. মোশেকে নির্বাচন করল বিতার্কিক হিশেবে। কিন্তু ঝামেলা হল, মোশে ল্যাটিন জানেন না, আর পোপ ইড্ডিশ বলতে পারেন না। কাজেই নির্বাক বিতর্ক করাই স্থির হল।নির্দিষ্ট দিনে দুজন মুখোমুখি বসলেন।

পোপ প্রথমে স্থির দৃষ্টিতে মোশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ তিনটি আঙুল তুলে দেখালেন। জবাবে মোশে খানিক ভেবে মধ্যমা তুলে পোপকে দেখালেন।

পোপ থতমত খেয়ে খানিক চিন্তা করে আঙুল তুলে মাথার চারপাশে ঘোরালেন। জবাবে মোশে একটা আঙুল তুলে দুজনের মাঝখানে মাটির দিকে ইঙ্গিত করলেন।

পোপ বিব্রত হয়ে এবার পবিত্র রুটি আর মদের বোতল বের করলেন। জবাবে মোশে হাসিমুখে বের করলেন একটি আপেল।

পোপ উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আমি হার স্বীকার করছি।’

সবাই পোপকে ঘিরে ধরল, ‘কী হল, মহামান্য পোপ? আমরা তো কিছুই বুঝতে পারলাম না!’

পোপ বললেন, ‘আমি প্রথমে পবিত্র ত্রিত্বর প্রতীক হিশেবে তিনটি আঙুল তুলে দেখালাম। তখন এই র‌্যাবাই একটি আঙুল তুলে দেখাতে চাইল যে অন্তত একক ঈশ্বরের প্রশ্নে খ্রিস্টান-ইহুদি একমত। তারপর আমি একটা আঙুল মাথার চারপাশে ঘুরিয়ে বলতে চাইলাম যে ঈশ্বর সর্বময়। জবাবে ইহুদি ব্যাটা আমাদের মাঝে আঙুল দেখিয়ে বলল, তিনি এই বিতর্কের স্থানেও আছেন। আমি তখন এই পবিত্র রুটি আর মদ বের করে বলতে চাইলাম যে ঈশ্বর আমাদের পাপ স্খালনের সুযোগ দেন। তখন ব্যাটা ফাজিল আপেল বের মনে করিয়ে দিল, আদমের সেই আদিম পাপের কথা। … তোমরাই বল, এর সঙ্গে তর্ক চালিয়ে যাওয়া যায়? সবকিছুর জন্যেই ওর কাছে জবাব আছে, তাই আরও নাকাল হওয়ার আগেই হার স্বীকার করে নিলাম।’

ওদিকে উল্লসিত ইহুদিরা ধরল মোশেকে। ‘কী হল? আমরা তো কিছুই বুঝলাম না … !’

মোশে বলল, ‘আমিও না। … প্রথমে ব্যাটা কিছুক্ষণ জুলজুল করে আমার দিকে তাকিয়ে থেকে ফট করে তিনটা আঙুল তুলে দেখাল, মানে হচ্ছে ইহুদিদের চলে যাওয়ার জন্যে তিনদিন সময় দিচ্ছে সে। আমার মেজাজ গেল খারাপ হয়ে, একটা আঙুল তুলে দেখালাম, যে তিনদিন সময় তোমার ইয়ে দিয়ে প্রবেশ করানো হবে। এরপর ব্যাটা আবার মাথার ওপর আঙুল তুলে ঘুরিয়ে বলতে চাইল, এই শহরের সব ইহুদিকে চলে যেতে হবে। তখন আমি মাটি দেখিয়ে বললাম, এইখানে, জনাব পোপ, আমরা এইখানে থাকব!’

‘তারপর?’

‘তারপর কী হল বুঝলাম না, ব্যাটা দুপুরের খাওয়ার বিরতি প্রস্তাব দিল!’

 

১৪৫)

এক বাংলাদেশী, এক ভারতীয় আর একজন পাকিস্তানী ঘুরতে বের হয়েছে আমাজনে।এরা ধরা পড়েছে জংলীদের হাতে। জংলীরা তিনজনকে একটা কুড়েঘরে আটকিয়ে রেখেছে। খুব চমৎকার একটা ফল খেতে দিচ্ছে তাদের। এই ফল খেয়ে তাদের চামড়া খুব মসৃন হয়ে যাচ্ছে। যেন তাদের যৌবন ফিরে আসছে। এরা তিনজনেই খুশী। এই সুখ অবশ্য বেশীদিন সইল না। একদিন সকালে জংলী সর্দার এল। এসে প্রথম ধরেছে পাকি-টাকে।

-তুমি কিভাবে মরতে চাও?

পাকিটা বলল তোমারা যে ফলটা খেতে দাও, সেই রকম মিষ্টি কোন ফল নিয়ে আস যেটা বিষাক্ত। ওটা খেয়েই আমি মরব। তার ইচ্ছা অনুযায়ী লাল একটা ফল নিয়ে আসা হল। পাকিটা “পাকিস্তান জিন্দাবাদ” বলে ফলটা খেয়ে ফেলল। তার এসে গেলো গভীর ঘুম যা আর ভাঙ্গে না। বাংগালী আর ভারতীয় দুইজন এরপর দেখল ভয়াবহ ব্যাপারগুলা।

জংলীরা পাকিটার মাথা আলাদা করে সেটাকে মমি করে রাখল । বাকি শরীরের চামড়া ছাড়াল। এরপর সেটা দিয়ে বানাল ছোট একটা ক্যানু(canoe)। এইসব দেখে ভারতীয় আর বাঙ্গালীর অবস্থা খারাপ। পনের দিন পর জংলী সর্দার আবার এল। এইবার ভারতীয়টার পালা। ভারতীয়টাও “জয় হিন্দ” বলে ফল খেয়ে মারা গেল। তার মাথার মমি করা হল, চামড়াটা দিয়ে বানানো হলো ক্যানু। কিছুদিন পরে বাঙ্গালীর পালা।

তাকে জিজ্ঞেস করা হলো কিভাবে মরবে? সে চাইলো একটা কাটা চামচ। এরপর কাটা চামচটা দিয়ে নিজের শরীরের নানা জায়গায় আঘাত করতে করতে বলল,”হারামজাদা! পারলে এইবার নৌকা বানা”

 

১৪৬)

একদা এক বিবাহিত রমনী হাটতে হাটতে ফাঁদে আটকানো এক ব্যাঙ কে দেখে উদ্ধার করল।ব্যাঙ খুশী হয়ে রমনীকে তিনটা ইচ্ছা প্রকাশ করতে বলল,যা সে পূরন করবে কিন্তু শর্ত হলো রমনীর পুরনকৃত ইচ্ছার চেয়ে ৫ গুন স্বামীকে প্রদান করবে।

রমনী খুশী হয়ে ১ম ইচ্ছা বলল,” আমি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী মহিলা হতে চাই”

ব্যাঙ,” চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন সুন্দর হবে”

রমনী,” সে আমার স্বামী,আমি তাকে সুন্দর দেখতে চাই”

ব্যাঙ রমনীর স্বামীর প্রতি প্রেম দেখে খুশী হয়ে ১ম ইচ্ছা পূরন করলো।

রমনী এবার তার ২য় ইচ্ছা বলল,” আমি বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মহিলা হতে চাই”

ব্যাঙ,” চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু তোমার ৫ গুন ধনী হবে”

রমনী,” সে আমার স্বামী,তার সম্পদ আমার,আমার সম্পদ তার”

ব্যাঙ খুশী হয়ে ২য় ইচ্ছা পূরন করলো।

রমনী এবার ভেবে-চিন্তে তার ৩য় ইচ্ছা বলল,” আমি চাই আমার মাঝারী ধরনের হার্ট এটাক হোক”

ব্যাঙ অবাক আর কষ্ট পেয়ে বলল,” চিন্তা করে দেখ, তোমার স্বামী কিন্তু মারা যাবে”

রমনী,”তা নিয়ে চিন্তা নাই, আরেকটা পাবো”

 

১৪৭)

এক ব্যাংকার ভদ্রলোকের এক হেবি সুন্দরী মাইয়া আছিল। ব্যাংকার ভাবল, মাইয়াডারে যদি কোন রাজার সাথে বিয়া দিয়া যাইতো, তাইলে টাকার চিন্তা আর থাকতো না।

কিছুদিন পরেই আফ্রিকান নিগরো এক রাজা আইল ব্যাংকারের কাছে, একাউন্ট খোলার জন্য। ব্যাংকার মাইয়ারে ডাইকা রাজার সাথে বেড়াতে পাঠাল, আর মাইয়ারে কইয়া দিল, যেকোন কায়দায় জামাই বানাইতে। মেয়ে তো মোটেই রাজি না, কিন্তু কি আর করা, বাপরে তো অসন্তুস্ট করা যায় না।

বেড়াইতে যাইয়া মাইয়া রাজারে কইল, আমি যার সাথে বিয়া করবো, তারে আমার তিনডা ইচ্ছা পুরোন করা লাগবো।

সাগ্রহে রাজা কইল কি?

নং ১ – ১২৪ ক্যারেট হিরা দিয়া আমারে আংটি দিতে হবে।

এইডা কোন ব্যাপার না, আমার আছে আমি দিব।

নং ২ – আমেরিকায় আমারে ১০০ কামরার একখান বাড়ী বানাইয়া দিতে হবে।

ঐডাও পারুম। আনন্দের সাথে কইয়া ফালাইল, রাজা।

চিন্তায় পড়ে গেল মাইয়া, তাইলে কি করা যায়, এই ব্যাডারেই কি বিয়া করতে হবে?

অনেক ভাইবা চিন্তা মেয়ে বলল, পুরা ১৪ ইঞ্চি থাকন লাগব।

শুনে রাজা রাজা কাঁদতে শুরু করল, অনেক্ষণ পরে কইল, কেটে ১৪ ইঞ্ঝি করতে যদিও কষ্টে বুকটা ফাইটা যাবে, তবুও আমি রাজি!

 

১৪৮)

– ডাক্তার, আমার ছেলের মনে হয় গনোরিয়া হয়েছে। ফোনে এক রোগী তার ডাক্তারকে ফোন করলো। বাড়ির কাজের মেয়ের সাথেই সে একমাত্র আকামটি করেছে।

– ঠিক আছে, ও তো একটা বাচ্চা। ওর সাথে খারাপ আচরণ কোরো না। ডাক্তার বললো। ওকে চেম্বারে নিয়ে এসো। সব ঠিক হয়ে যাবে।

– কিন্তু ডাক্তার। আমিও তো ওই কাজের মেয়ের সাথে উল্টাপাল্টা করেছি। আমারও মনে হয় গনোরিয়া হয়েছে।

– তাহলে তুমিও চলে এসো। দু’জনের চিকিৎসা এক সাথে করে দেই।

– ডাক্তার, আমার স্ত্রীর-ও যে গনোরিয়া আছে।

– শয়তানের বাচ্চা। আগে বলবি না। ডাক্তার চেঁচিয়ে উঠলো। তার মানে আমারও গনোরিয়া হয়েছে।

 

১৪৯)

সি. আই. এ অফিসে নতুন এজেন্ট দরকার। প্রার্থী দুইজন পুরুষ, একজন মহিলা।

এদের নার্ভ কেমন শক্ত তা পরীক্ষা করতে কর্তৃপক্ষ তাদের প্রত্যেককে একটি করে পিস্তল দিল। এদের কাজ হবে পাশের রুমে এদের একজন প্রিয় মানুষ আছে। তাকে গুলি করতে হবে। তবে এদের জানানো হয়নি পিস্তলে আসলে কোন গুলি নেই।

প্রথম প্রাথী রুমে প্রবেশ করে দেখল একটি চেয়ারে হাত মুখ বাধা অবস্থায় তার স্ত্রী। প্রিয় জনকে দেখে তার চোখ দিয়ে পানি পড়তে শুরু করে। গুলি করার বদলে ছুটে গিয়ে সে তার স্ত্রীকে মুক্ত করল । ফলে এই পরীক্ষায় সে ফেল মারল।

দ্বিতীয় প্রার্থীর বেলায়ও একই ব্যাপার ঘটল।

তৃতীয় মহিলা প্রার্থী ভেতরে প্রবেশ করে তার স্বামীকে হাত বাধা অবস্থায় পেল। অনেকক্ষণ পর সেই মেয়ে হাপাতে হাপাতে বেরিয়ে আসল। রেগে মেগে বলতে লাগল আপনারা কি পিস্তল দিয়েছেন গুলিই বের হয় না। শেষ পর্যন্ত পিস্তলের বাট দিয়ে পিটিয়ে আমার স্বামীকে মারতে হয়েছে।

 

১৫০)

রমিজের মেজাজ খুব খারাপ আজকাল। ডান হাতের ব্যথা আর সারেই না। রমিজের বন্ধু জমির বলল, “ডাক্তার দেখায়া কি করবি, অনেক তো দেখাইলি, হুদাই টাকা নষ্ট। সামনের একটা মার্কেট এ ১০ টাকা দিয়া একটা কম্পিউটারে পেশাব সেম্পল দিলে এক্কেবারে ঠিক ডায়াগনোসিস আর ঠিক ওষুধ দিয়া দেয়। আমার লগে ল।”

রমিজ ভাবলো, “ঠিক ই তো!” গেল ওই কম্পিউটারের কাছে। গিয়ে তার পেশাবের সেম্পল দিল। ৫ মিনিট পরে স্লিপ বের হয়ে এলো, যাতে লিখা আছে, “তোমার টেনিস এলবো হয়েছে , প্রতিদিন ডান হাতে গরম সেঁক দিলে ১০ দিনে ঠিক হয়ে যাবে।”

রমিজ তো তাজ্জব! যাই হোক, বাসায় গিয়ে ওই অনুযায়ী সেঁক দিয়ে দেখলো, ব্যথা কমছে।

হঠাৎ রমিজ ভাবল , কম্পিউটাররে তো বোকা বানানো যায়। তাই সে করলো কি, তার বীর্য, কুকুরের মল, তার স্ত্রীর আর তার মেয়ের পেশাব টয়লেটে গিয়ে কালেক্ট করে একটা মিক্সচার বানিয়ে ওই কম্পিউটারে জমা দিল আর অপেক্ষা করতে থাকলো রেসাল্টের জন্য। ৫ মিনিট পর স্লিপ আসল, তাতে লিখা আছে , “তোমার কুকুরের উকুন হয়েছে, এন্টি ফাঙ্গাল ওষুধ খাওয়াও; তোমার মেয়ে আবার প্রেগন্যান্ট, তোমার দারোয়ানকে বের করে দাও;  তোমার বউ গতকাল এবরশন করিয়েছে , বাচ্চাটা তোমার ছিলনা। আর তুমি যদি তোমার ডান হাতে হাত মারা বন্ধ না কর, তবে তোমার টেনিস এলবো কখনই ভালো হবেনা।” ধন্যবাদ।”

 

১৫১)
মানসিক রোগীদের হাসপাতাল।

জুমনের ঘরে ঢুকলো নার্স। জুমন খাটের ওপর শুয়ে হাত দুটো সামনে বাড়িয়ে গুনগুন শব্দ করছে।

“জুমন, কী হচ্ছে এসব?”

জুমন বললো, “আমি গাড়ি চালাচ্ছি, চট্টগ্রাম যাবো।”

পরদিন রাতে নার্স দেখলো, জুমন বসে বসে ঝিমোচ্ছে। “জুমন, কী হচ্ছে এসব?”

“মাত্র পৌঁছালাম চট্টগ্রামে, বিরক্ত কোরো না।” হেঁকে বললো জুমন।

এবার পাশের ঘরে সুমনের ঘরে গেলো নার্স। দেখলো, সেখানে সুমন বিছানায় শুয়ে আপত্তিকর অঙ্গভঙ্গি করছে।

“সুমন, কী হচ্ছে এসব?” প্রশ্ন করলো নার্স।

“আহ! জ্বালাতন কোরো না। দেখতে পাও না, জুমনের বউয়ের সাথে প্রেম করছি? ঐ শালা তো গেছে চট্টগ্রাম!”

 

১৫২)

ইংরেজ শাসন আমলের রাজস্থানের মরুভুমিতে একটা দুর্গ। সেইখানে সেনাপতি হয়ে এসেছে জাত্যাভিমানী এক ইংরেজ যুবক। এসেই শুরু করছে হম্বি-তম্বি। এরে ধমকায় ত ওরে মারে। কোনো কিছু তার পছন্দ হয় না। ইন্ডিয়ানদের রুচি নাই। চোর-বাটপার সব কয়টা। প্রথম দিনেই দুর্গ পরিদর্শনের সময় সেনাপতি দেখে একটা উট বাধা। ” ওই হারামজাদা। উট এইটা কিসের জন্য? ” একজন কাচুমাচুভাবে বলল ” আমরা তিন-চার মাস একটানা দুর্গে থাকি। এইখানে কোনো মেয়ে নাই। সৈনিকরা মাঝে মাঝে খুব একা বোধ করলে এই উট ব্যাবহার করে। ” সেনাপতি ত bloody indian দের কথা শুনে থ। শুয়োরের বাচ্চারা উটকে “কামে” লাগায়…ছি ছি ছি। সে কড়া নির্দেশ দিলো যে এরপর কোনো নেটিভ হারামজাদা উট ব্যাবহার করলে তাকে ঝুলিয়ে পিটানো হবে। যাই হোক তার কড়া শাসনে দুর্গে নিয়ম-শৃংখলা ফিরে আসলো। সবাই সোজা। সব কিছু ঠিকমত চলছে। মাসের পর মাস যাচ্ছে।

এক সময় সেনাপতির একা একা লাগা শুরু করল। শালার একটা মাইয়া দেখি নাই গত চার মাস। আরো এক মাস গেলো। একদিন সকালে সে হুকুম দিলো, শুয়োরের বাচ্চারা, উটটা নিয়ে আয় আমার তাবুতে। কিছুক্ষন ধস্তা-ধস্তি হল। উটের চিৎকার শুনা গেল। এরপর সেনাপতি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বের হয়ে আসল। বড় বড় চোখ করে bloody indian গুলো তাকিয়ে আছে। এদের দিকে তাকিয়ে সেনাপতি বলল, খারাপ না, তোরাও কি এইভাবেই ব্যাবহার করিস?

– না হুজুর। আমরা এইটাতে চড়ে মাইলদুয়েক দূরের একটা শহরে যাই।

 

১৫৩)

বব আর লিসার বিয়ের ত্রিশতম বার্ষিকী। দুইজনেরই বয়স হয়েছে। দীর্ঘ বিবাহিত জীবনে নানা ঝামেলা এসেছে, সেই ঝামেলা পাড়িও দিয়েছে। আজ তারা চারটি ছেলে সন্তানের বাবা-মা। সুখের জীবন।

অনুষ্টান শেষে, রাতের বেলা লিসা ববকে বলল, আজকে রাতে তুমি আমাকে একটা সত্য কথা বলবে?

বলব।

তুমি বিবাহিত জীবনে আমি ছাড়া আর কয়টা মেয়ের সাথে শুয়েছো?

বব উত্তর দিতে একটু দেরি করছে। লিসা তাই বলল, দেখো, আমরা এমন বয়সে চলে এসেছি যে একজনকে ছাড়া আরেকজন চলতে পারব না। সুতরাং সত্যি কথা বললেও সমস্যা হবে না।

বব মাথা ঝাকিয়ে বলল, শুয়েছি তিনজনের সাথে…

দুইজনেও চুপ-চাপ। গলা খাকাড়ি দিয়ে বব বলল, আমারো একটা প্রশ্ন ছিল।

কি?

দেখো, আমি আমার সবকয়টা ছেলেকেই সমান চোখে দেখেছি। কোনদিন অবিচার করিনি। আজকে তোমাকে বলি , আমার ভিতর সন্দেহ ছিল জনিকে নিয়ে। সে তার বড় তিনভাইয়ের মত না। তার শারীরিক গঠনও আলাদা। সে চিকন এবং বাকি ভাইদের তুলনায় অনেক বেশি মেধাবি। যে কেউ মাথা খাটালেই বুঝবে, জনির বাপ আর বাকিদের বাপ এক পুরুষ না। আমার খুব সন্দেহ তাকে নিয়ে। তুমি সত্যি করে বলো ত, জনির বাপ আর অন্যদের বাপ কি আলাদা ব্যক্তি?

হ্যাঁ।

জনির বাপ কে?

লিসা কিছুক্ষন মাথা নিচু করে থাকে, এরপর লাজুক মুখে বলে, তুমি।

 

১৫৪)

পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যবসায়ী, সুন্দরী এক কল গার্লের সেবা গ্রহণ করলেন এবং তাকে নগদ টাকা না দিয়ে তার অফিসে একটি বিল পাঠাতে বললেন। বিলতো আর গৃহিত সেবার নামে করা যাবে না তাই ব্যবসায়ী গার্লকে পরামর্শ দিলেন তুমি এমন একটা বিল আমার অফিসে পাঠাবে যেন আমি তোমার কাছ থেকে একটি এপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়েছিলাম। যথারীতি গার্ল পরের সপ্তাহে ব্যবসায়ীর অফিসে একটি বিল পাঠালেন – এপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ৫০০০ টাকা ।

ব্যবসায়ী স্বভাব সুলভ কারনে সেই বিলও কাটলেন। ২৫০০ টাকা কেটে বাকী আড়াই হাজার টাকা পাঠালেন গার্ল এর কাছে। বিল কাটার কারণ হিসেবে তিনি লিখলেন :

১) আমি ভেবেছিলাম এপার্টমেন্টটি (?) একদম নতুন আগে কেউ ব্যবহার করেনি, কিন্তু ভাড়া নেয়ার পর দেখলাম এটি আগেও ভাড়া হয়েছে।

২) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এপার্টমেন্টটি (?) অনেক ছোট এবং সুন্দর, কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম অনেকে এই এপার্টমেন্ট ব্যবহার করায় এর আকার অনেক বড়। এত বড় এপার্টমেন্ট আমার পছন্দ নয়।

৩) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এপার্টমেন্টটি (?) অনেক গরম হবে, কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম এটি একেবারেই ঠান্ডা।

কলগার্ল ব্যবসায়ীর এই কারণ সহ অর্ধেক পেমেন্ট পেয়ে রেগে গেলেন এবং আড়াই হাজার টাকা ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে পুরো ৫০০০ টাকা দেবার অনুরোধ করলেন এবং ব্যবসায়ীর কারণ গুলোর বিপরীতে লিখলেন:

১) তুমি কি করে ভাবলে এত সুন্দর এপার্টমেন্টটি (?) ভাড়া না হয়ে এতদিন পরে থাকবে?

২) এপার্টমেন্টটি (?) আসলে সুন্দর এবং ছোটই ছিল, কিন্তু তোমার যদি এই এপার্টমেন্টটি ভর্তি করার মত ফার্নিচার (??) না থাকে তাহলে আমার কি করার আছে?

৩) এপার্টমেন্টটিতে (??) আসলে অনেক গরমই ছিল কিন্তু তুমিতো জানই না এটা কি ভাবে অন করতে হয়।

তাই আমার পুরো পাওনা ৫০০০ টাকাই দিতে হবে।

 

১৫৫)

আরাম খান ফাদারের কাছে গিয়ে বলল, “ফাদার , আমার দুইটা মেয়ে তোতা আছে,কিন্তু ওরা একটা কথা ছাড়া আর কিছুই বলেনা।”

ফাদার বললেন, “কি বলে ওরা?”

আরাম খান বললেন, “ওরা খালি বলে, হেই, আমরা দুই নষ্টা, আসো, স্ফূর্তি করি।”

ফাদার বললেন, “খুব খারাপ কথা ….. তবে আমার আরো দুইটা পুরুষ তোতা আছে, ওরা সারাদিন প্রভুর নাম জপ করে … ওদের সাথে রাখলে তোমার মেয়ে তোতাগুলো আর খারাপ কথা বলবেনা, ভালো হয়ে যাবে।” এই বলে ফাদার ওই মেয়ে তোতা দুইটা কে পুরুষ তোতা দুইটার খাচায় ঢুকিয়ে দিলেন। তখনও পুরুষ তোতা দুইটা চোখ বন্ধ করে অন্যদিনের মতই জপ করছিল। ঢুকিয়ে দেওয়ার পরপরই অন্যদিনের মতই মেয়ে তোতা দুইটা পুরুষ তোতা দুইটার দিকে চোখ মেরে বলল, “হেই, আমরা দুই নষ্টা, আস স্ফূর্তি করি!”

সাথে সাথে একটা পুরুষ তোতা তার চোখ খুলে অন্য তোতা কে বলল, “দোস্ত , এইবার জপ করা বন্ধ করতে পারস , আমাগো দীর্ঘদিনের আশা পূর্ণ হইসে।”

 

১৫৬)

এক ভদ্রমহিলা প্রচণ্ড জোরে কাঁদছেন শুনে একজন জিজ্ঞেস করলো, ম্যাডাম আপনি কাঁদছেন কেন?

-কী বলবো! গতকাল ডাকাত পড়েছিল আমার ঘরে,সমস্ত গয়না ডাকাতি করে নিয়ে গেছে।

-যাক! ইজ্জতটা তো বেঁচেগেছে!

– ওটা বেচেইতো গয়না কিনেছিলাম!

 

১৫৭)

এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। কিন্তু একমাত্র বাচ্চা কার কাছে থাকবে এটা নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হলো তার।বিচারক প্রথমে মহিলাকে বলল, ” বাচ্চা আপনার কাছে রাখার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিন।”

স্ত্রী, “আমি ১০ মাস পেটে ধারণ করেছি এবং জন্ম দেবার সময় কষ্ট ভোগ করেছি, অতএব আমার সন্তান আমার প্রাপ্য!”

বিচারক এবার স্বামীর কাছে শুনতে চাইলেন তার যুক্তি।

স্বামী, “হুজুর আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। একটি কয়েন, কফি মেশিনে ফেলার পরে কফি বের হয়ে আসলো, এই কফির মালিক কে আমি না কফি মেশিন?”

 

১৫৮)

রাতে ঘুমানোর সময় বয়ফ্রেন্ড মেয়ের ঘাড়ে টোকা দিলো, মেয়ে বিরক্ত হয়ে বললো আজ না, কাল আমার গাইনোকলজিস্টের সাথে অপোইন্টমেন্ট আছে এবং আই ওয়ান্ট টু স্মেল নাইস অন্ড ফ্রেশ দেয়্যর। বয়ফ্রেন্ড মনঃক্ষুন্ন হয়ে ঘুড়ে শুলো। একটু পর আবার টোকা, এবার গার্লফ্রেন্ড বল, “বুঝেছি, কিন্তু আমার ডায়রিয়া!” মনক্ষুণ্ণ হয় বয়ফ্রেন্ড।

কিছুক্ষণ বয়ফ্রেন্ড বললো, “বাই দ্য ওয়ে, আশা করি কাল তোমার ডেন্টিস্টের সাথে অপোইন্টমেন্ট নেই, না কি?”

 

১৫৯)

বিয়ের পর মেয়ের হাত ছেলের হাতে দেওয়া হয় কারন ছেলেটি তার হাত ব্যবহার করতে করতে ক্লান্ত…

 

১৬০)

কোন এক সিনেমা হলের টিকেট চেকারের একটা মেয়ে টিয়া পাখি ছিল। টিয়াটা কথা বলতে পারতো। মুলত: চেকারকে সাহায্য করার জন্য টিয়াটি কথা বলতো। হলের প্রতিটি শো এর আগে দর্শকরা টিকেট কেটে যখন হলে ঢুকতো তখন টিয়াটি বলত –” একে একে আয়! লাইন ধরে আয়!”

তো একদিন হঠাৎ করে টিয়াটি হারিয়ে গেল। বেচারা টিকিট চেকার অনেক খুজেও টিয়ার সন্ধান না পেয়ে আশা ছেড়ে দিল।

একদিন সকাল বেলা হাসপাতাল থেকে টিয়ার খবর এলো। চেকার হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে গেলেন এবং টিয়াকে জিজ্ঞাস করলেন এতদিন তুই কোথায় ছিলি?? টিয়া বলল, আর বলিস না। তোর এখান থেকে গিয়েছিলাম জঙ্গলে। অনেক ছেলে টিয়া দেখে অভ্যাসবসত ওখানেও বলে ফেললাম “একে একে আয়! লাইন ধরে আয়”, তারপর আমি এখানে!!

 

১৬১)

এক পুলিশ হাইয়েতে যাচ্ছে। পথের মধ্যে দেখে এক লোককে ন্যাংটা করে কেউ গাছে সাথে বেধে রেখেছে। লোকটা কাদছে। পুলিশ গাড়ি থামাল। লোকটার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করল, আপনার কি হইছে?

আজকে আমার দিনটাই খারাপ।

সকালে বউয়ের সাথে ঝগড়া হল।

গাড়ি নিয়ে বের হলাম,ওভার স্পীডের জন্য জরিমানা দিলাম।

পথের মাঝে একলোককে লিফট দিলাম। অই ব্যাটা গাড়িতে উঠে আমার আমার বুকে বন্দুক ধরল। সে আমার সব টাকা পয়সা নিয়ে গেছে। আমার জামা কাপড় নিয়ে গেছে। আমার গাড়িটাও নিয়ে গিয়ে আমাকে গাছের সাথে বেধে রেখে গেছে।

পুলিস সব শুনে একটু চিন্তা করল। এরপর নিজের প্যান্ট খুলা শুরু করল। লোকটা বলল, কি করছেন আপনি?

পুলিশ মুচকি হেসে বলল, “ হ! আজকে আপনার দিনটাই খারাপ”

 

১৬২)

সেক্স এজুকেশন কোর্সে তিন পিচ্চি বাজে গ্রেড পেয়েছে। একজন সি, একজন ডি আর একজন এফ।

যে সি পেয়েছে, সে চটে গিয়ে বলছে, “ম্যাডাম এটা একটা কাজ করলো? চল বেটিকে শায়েস্তা করি!”

যে ডি পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, চল! স্কুল ছুটি হয়ে গেলে যখন কেউ থাকবে না, তখন বেটিকে পাকড়াও করবো …!”

যে এফ পেয়েছে, সে বলছে, “হ্যাঁ, তারপর পাকড়াও করে ম্যাডামের অন্ডকোষে অ্যায়সা জোরসে একটা লাত্থি মারবো না!”

 

১৬৩)

এক লোক ডাক্তার দেখাতে গেছে কারণ তার ইয়ে দাঁড়ায় না। ডাক্তার শুনে বললেন, বিয়ে করছেন?

: না।

: প্রেমিকা আছে ?

: না।

: পরকীয়া করেন ?

: না…

: টানবাজার যান ?

: না।

: মাস্টারবেট করেন?

: না।

ডাক্তার ক্ষেপে বললেন, “ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেন্ডার টাঙ্গাইবেন!!!”

 

১৬৪)

ক্লাস টু-তে এক পিচ্চি মেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে বলছে, ‘টিচার টিচার, আমার আম্মু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আম্মুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘চল্লিশ।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আম্মু প্রেগন্যান্ট হতে পারবেন।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমার আপু কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে?’

টিচার বললেন, ‘তোমার আপুর বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আঠারো।’

টিচার বললেন, ‘হ্যাঁ, তোমার আপু প্রেগন্যান্ট হতে পারবে।’

পিচ্চি এবার বললো, ‘আমি কি প্রেগন্যান্ট হতে পারবো?’

টিচার হেসে বললেন, ‘তোমার বয়স কত সোনা?’

পিচ্চি বললো, ‘আট।’

টিচার বললেন, ‘না সোনা, তুমি প্রেগন্যান্ট হতে পারবে না।’

এ কথা শোনার পর পেছন থেকে ছোট্ট বাবু পিচ্চিকে খোঁচা দিয়ে বললো, ‘শুনলে তো? আমি তো তখনই বলেছি, আমাদের চিন্তা করার কিছু নেই।’

 

১৬৫)

চার তরুণী নান এক কনভেন্টে যোগ দিতে চাইছে।

মাদার সুপিরিয়র বললেন, ‘তার আগে তোমাদের পরীক্ষা নেওয়া হবে। সবাই এক লাইনে দাঁড়াও।’

সবাই লাইনে দাঁড়ানোর পর তিনি প্রথম নানকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘বাছা, তুমি কি কখনও কোনও পুরুষের সেই প্রত্যঙ্গ স্পর্শ করেছ? করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে প্রথম নান বলল, ‘আঙুল দিয়ে, মাদার।’

মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির একটি বাটি এগিয়ে দিলেন। ‘তোমার আঙুল এ পানিতে ডোবাও, সব পাপ ধুয়ে ফেল, পবিত্র হয়ে এসো আমাদের কনভেন্টে।’

প্রথম নান আঙুল পানিতে ডুবিয়ে কনভেন্টে ঢুকে গেল।

এবার মাদার সুপিরিয়র দ্বিতীয় নানকে বললেন, ‘কি বাছা, তুমিও স্পর্শ করেছ নাকি? স্পর্শ করে থাকলে নিজের শরীরের কোন অঙ্গ দিয়ে স্পর্শ করেছ?’

লজ্জিত মুখে দ্বিতীয় নান বললো, ‘হাত দিয়ে, মাদার।’

যথারীতি মাদার সুপিরিয়র পবিত্র পানির বাটি এগিয়ে দিলেন, হাত ধুয়ে পাপমুক্ত হয়ে দ্বিতীয় নান কনভেন্টে প্রবেশ করল।

এমন সময় চতুর্থ নান তৃতীয় নানকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে সামনে এগিয়ে এল। মাদার অবাক হয়ে বললেন, ‘ও কি, বাছা, ঈশ্বরের পথে অত তাড়া কিসের?’

চতুর্থ নান বলল, ‘উঁহু, মাদার, ও এই পানিতে বসে পড়ার আগেই আমি কুলি করতে চাই।’

 

১৬৬)

আবুল: মফিজ, তোর জীবনটা খুব একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে সেটা কখন টের পাবি, বলতো?

মফিজ: কখন?

আবুল: যখন তুই তোর লিঙ্গের সাইজ মাপতে যাবি। আর এই একঘেয়েমির সাথে প্রতিবার নতুন একটা উপসর্গ যোগ হবে।

মফিজ: সেটা কী?

আবুল: হতাশা!

 

১৬৭)

আবুল: কাল রাতে ঘরে চোর এসেছিল।

মফিজ: বলিস কী!

আবুল: ঘুম ভেঙে গেলে তাকে জিজ্ঞেস করলাম, সে কী করছে? বলল, টাকা-পয়সা খুঁজছে।

মফিজ: তুই চোরটাকে ধরে পুলিশে দিস নাই?

আবুল: না…

মফিজ: তবে?

আবুল: আমিও তার সাথে টাকা-পয়সা খুঁজতে শুরু করছিলাম।

 

১৬৮)

মেয়েরা যখন বলে, সব পুরুষরাই সমান, তখন বুঝতে হবে মেয়েটির স্বামী বা বয়ফ্রেণ্ড চাইনীজ এবং চায়নাতে বেড়াতে যাওয়ার পর মেয়েটি তার স্বামী বা বয়ফ্রেণ্ডকে হারিয়ে ফেলে রাস্তায় রাস্তায় খুঁজে বেড়াচ্ছে।

 

১৬৯)

গ্রামে চাচার খামারে বেড়াতে গেছে ছোট্ট বাবু। কয়েকজন অতিথির সাথে চাচা গল্প করছে, এমন সময় সে ছুটতে ছুটতে এলো।

‘চাচা, চাচা, জলদি দেখে যাও! তোমার ষাঁড় একটা গরুকে লাগাচ্ছে !’

বিড়ম্বিত চাচা অতিথিদের কাছে ক্ষমা চেয়ে ছোট্ট বাবুকে কানে ধরে বাইরে নিয়ে এলেন। ‘শোন, এখন থেকে বলবে, “ষাঁড়টা গরুটাকে চমকে দিয়েছে”, বুঝলে? ‘

পরদিন আরো কয়েকজন অতিথির উপস্থিতিতে ছোট্ট বাবু ছুটতে ছুটতে এলো। ‘চাচা, চাচা, জলদি দেখে যাও! তোমার ষাঁড় গরুগুলোকে চমকে দিয়েছে!’

অতিথিরা সমঝদারের মতো মুচকি হাসলেন। চাচা বললেন, ‘ঠিক আছে, ছোট্ট বাবু। কিন্তু তুমি নিশ্চয়ই বলতে চাইছো যে ষাঁড়টা একটা গরুকে চমকে দিয়েছে, গরুগুলোকে নয়?’

ছোট্ট বাবু বললো, ‘না, সব গরুকেই ব্যাটা চমকে দিয়েছে, কারণ সে এখন মাদী ঘোড়াটাকে লাগাচ্ছে!’

 

১৭০)

ডন ঘরে ঢুকতেই দেখলো তার স্ত্রী জিমির সাথে শুয়ে আছে ।  সে জিমিকে বললো, বাস্টার্ড সাহস থাকে তো আয় দুটো পিস্তল নিয়ে ডুয়েল লড়ি ।  যে জিতবে লিন্ডা তার হবে ।  বলে জিমিকে নিয়ে পাশের ঘরে চলে গেল ।  পাশের ঘরে ডুয়েল যাবার সময় জিমি বললো, ডন কেন মিছিমিছি আমাদের মাঝে একজন মরবো, তারচেয়ে বরং দুজনেই মরার ভান করে শুয়ে থাকি, লিন্ডা যাকে নিয়ে কাদঁবে, লিন্ডা তার হবে ।  বলে দুজনে মটকা মেরে শুয়ে পরল এবং দুটি গুলির আওয়াজ করল ।  ডনের স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখল দুজনেই মরে পড়ে আছে ।  সে তখন খাটের তলা থেকে তার আরেক প্রেমিক মাইকেলকে ডেকে বললো মাইকেল চলো এসো, এরা দুজনেই মরেছে, আর কোনো বাঁধা নেই ।

 

১৭১)

গলফ খেলতে গেছে টিনা। সাঁই করে ব্যাট চালালো সে। তারপর দেখতে পেলো, তার টার্গেটের কিছুটা দূরে এক লোক হঠাৎ কোমরের নিচটা চেপে ধরে শুয়ে পড়লো।

‘নিশ্চয়ই আমার বলটা ওর ওখানটায় গিয়ে লেগেছে!’ আঁতকে উঠলো সে। তারপর ছুটে গেলো সেখানে। দেখা গেলো, লোকটা কোঁকাচ্ছে সমানে, কোমরের নিচটায় হাত চেপে রেখেছে সে। টিনা বললো, ‘ভয় পাবেন না, আমি জানি কী করতে হবে। খুব ব্যথা করছে?’

লোকটা কোনমতে বললো, ‘হ্যাঁ।’

টিনা তখন এগিয়ে গিয়ে, বেচারার প্যান্ট খুলে, মিনিট দশেক ম্যাসেজ করে দিলো। তারপর বললো, ‘এখন কেমন বোধ করছেন?’

লোকটা বললো, ‘দারুণ, কিন্তু বুড়ো আঙুলটায় এসে বল লেগেছে তো, সাংঘাতিক ব্যথা করছে।’

 

১৭২)

এক লোক বাজারে গেছে মুরগী কিনতে। সে মুরগিওয়ালাকে বলল একটা রাজশাহীর মুরগী দেও। মুরগিওয়ালা একটা মুরগি দিয়া বলল এই নেন রাজশাহীর মুরগি। লোকটা মুরগীর পাছা দেখে কইলো। অই মিয়া এইডা তো রাজশাহীর মুরগী না। এটা যশোর এর মুরগী।

মুরগিওয়ালা অনেক খুজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন রাজশাহীর মুরগি। লোকটা আবার মুরগীর পাছা দেখে কইলো, ধুর মিয়া এইডাও তো রাজশাহীর মুরগি না। এটা ফরিদপুরের এর মুরগী।

মুরগিওয়ালা এবার অনেকক্ষণ খুঁজে আরেকটা মুরগি দিয়া কইলো এই নেন এইটাতো রাজশাহীর মুরগি হইবোই।

লোকটা এবার রাইগা কইলো। কি মিয়া? কি ব্যবসা কর একটা মুরগিও চিনো না। তোমার বাড়ি কই?

এইবার মুরগিওয়ালা পিছন ফিরে লুঙ্গি উপরে তুইলা কইলো আপনেই দেইখা কয়া দেন আমার বাড়ী কই?

 

১৭৩)

পরীক্ষার আগে রাজিব ভাইয়ের পাশের বাড়ির মেয়ে সকিনা আইসা রাজিন ভাইকে বই থেকে কিছু প্রশ্ন করছে।

রাজিব ভাই মুখস্ত বিদ্ধ্যা তো, ফটা ফট উত্তর দিয়া দিছেন।

সকিনা বলছেঃ ওম্মা! তোমার তো দেখছি মাথায় মেলা জ্ঞান আছে। আমাকে একটু দিবে?

রাজিব ভাইঃ ঠিক আছে, ঠিক আছে! আমার পাশে এসে বসো।

মেয়ে পাশে এসে বসলো।

রাজিব ভাইঃ এতো দূরে কেন? আরো কাছে আসো।

মেয়ে আরেকটু কাছে আসলো।

রাজিব ভাইঃ আরে, আরো কাছে আসতে হবে।

মেয়েঃ না বাবা না! আমি আর কাছে আসতে পারব না।

রাজিব ভাইঃ ওম্মা তোমারও তো দেখছি ব্যাপক জ্ঞান আছে।

 

১৭৪)

এক হাসপাতালের করিডরে এক মহিলা আর এক পুরুষ দানকেন্দ্রের সামনে বসে অপেক্ষা করছিল। পুরুষটি মহিলা কে জিজ্ঞেস করলো, “আপনি কী দান করতে এসেছেন?”

মহিলা বলল, “আমি রক্ত দান করতে এসেছি, এর জন্য আমি ৫ ডলার পাব”

পুরুষটি বলল, “ওহ … আমি স্পার্ম দান করতে এসেছি, এর জন্য তারা আমাকে ২৫ ডলার দেবে”

মহিলাটিকে কিছুক্ষণের জন্য চিন্তিত মনে হলো, তারপর তারা খানিকক্ষণ গল্প করে নিজ নিজ বাসায় চলে গেল।

কয়েকমাস পর তাদের আবার ওই হাসপাতালের করিডরে দানকেন্দ্রের সামনে দেখা হলো। পুরুষটি মহিলাকে বলল, “এবার আমি রক্ত দিতে এসেছি, আপনি?”

মহিলাটির মুখ বন্ধ থাকায় কোনো মতে সে মাথা ঝাকিয়ে উত্তর দিল, “উমমমম মমম…”

 

১৭৫)

এক গৃহকর্মী তার মালিক গৃহকত্রীর কাছে বায়না ধরেছে তার বেতন বাড়াতে হবে।

গৃহকত্রীঃ তোমার বেতন বাড়ানো হয়েছে ছয় মাসও হয় নি। এখনি আবার বেতন বাড়ানোর আবদার কেন?

গৃহকর্মীঃ এই সময়ের মধ্যে আমি তিনটি সার্টিফিকেট পেয়েছি…। তাই বেতন বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছি।

গৃহকত্রীঃ কি কি সার্টিফিকেট?

গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল কাপড় আয়রন করতে পারি।

গৃহকত্রীঃ কে দিয়েছে এই সার্টিফিকেট?

গৃহকর্মীঃ জ্বী, স্যার মানে… আপনার স্বামী……

গৃহকর্মীঃ হুম, আর কি সার্টিফিকেট পেয়েছো……

গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে ভাল রান্না করতে পারি…

গৃহকত্রীঃ কে বলেছে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর? (বেশ রাগত স্বরে…)

গৃহকর্মীঃ জ্বী, আপনার স্বামী বলেছেন…

গৃহকত্রীঃ আচ্ছা ঠিক আছে, হতে পারে তুমি আমার চেয়ে ভাল রান্না কর……আমি কি চাকরানী নাকি যে ভাল রান্না জানতে হবে? বলো আরেকটি কি সার্টিফিকেট পেয়েছ?

গৃহকর্মীঃ আমি আপনার চেয়ে বিছানায় ভাল পারফর্ম করতে পারি।

কত্রী তো এবার রেগে আগুন। আমার স্বামী বলেছে এই কথা?? ওর সাথে তোমার তাহলে এইসবও হয়??

গৃহকর্মীঃ জ্বী না, আপনার স্বামী বলেনি……বলেছে আপনার গাড়ির ড্রাইভার!

গৃহকত্রীঃ (কত্রী এবার চুপ…) ঠিক আছে তোমার বেতন বাড়ায়ে দেয়া হবে…এসব নিয়ে কথা বলার দরকার নাই।

 

১৭৬)

এক তরুণী মেয়ে আর এক বুড়ো দাদু গিয়েছে ওজন মাপতে। প্রথমে মেয়েটা ওজন মাপাবার যন্ত্রে উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বেরিয়ে এল, ওজন ৬৪কেজি।

এবার মেয়েটা নামলো, কাধ থেকে ব্যাগটা নামাল, আবার যন্ত্রের উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বের হয়ে এল, ওজন ৬৩কেজি।

আবার মেয়েটা নামলো, জ্যাকেটটাকে খুলল, যন্ত্রের উপর উঠলো, যন্ত্রের ভিতরে কয়েন ফেলল, টিকেট বের হয়ে এল, ওজন ৬২কেজি।

আবার মেয়েটা নামলো, ট্রাউজার খুলল, যন্ত্রের উপরে উঠলো, কয়েন শেষ।

এতক্ষণ ধরে বুড়ো দাদু সবকিছু দেখছিল। এবার সে কেশে বলল, “খুকী, চালিয়ে যাও। কয়েন লাগলে আমি দেব।”

 

১৭৭)

শফিকের খুব মাথাব্যথা থাকে আজকাল। এর জন্য অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে … কিন্তু  কিছুই হয়নি। এর মাঝে কিছুদিন আগেই সে নতুন বিয়ে করেছে। কিন্তু ওই হারামজাদা মাথা ব্যথার জন্য সে ঠিক মত বাসরটাও উপভোগ করতে পারেনি। তাই সে এবার শেষ চিকিত্সা মনে করে এক কবিরাজের কাছে গেল।

কবিরাজ তাকে বলল, “বাবা, তোমার এই মাথা ব্যথার কারনটা আমি বের করতে পেরেছি … এটা খুব খারাপ কিন্তু বিরল একটা রোগ … … তোমার অন্ডকোষটা বড় হয়ে তোমার স্পাইনাল কর্ডের নিচে চাপ দিচ্ছে … তারই ফলস্বরূপ তোমার খুব খারাপ মাথাব্যথা হয় … যার জন্য তুমি অনেক সময় চোখে দেখতেও পাওনা!

শফিক দেখল, “তাই তো! ওই রকমই মাথাব্যথা হয় সে কবিরাজকে জিজ্ঞেস করলো, “আমার চিকিত্সা কি?”

কবিরাজ বলল, “এর একটাই চিকিত্সা … তোমার অন্ডকোষটা ফেলে দিতে হবে!”

শফিক ভাবলো, “শালার দুনিয়া, কিছুদিন আগেই বিয়া করলাম; এখন যদি অন্ডকোষ ফালায়া দিতে হয় …! হায়রে কপাল!!”

কিন্তু পরক্ষণে সে ঠিক করলো, “নাহ … এই মাথাব্যথার হাত থেকে মুক্তি চাই।”

অন্ডকোষটা ফেলে দেওয়ার পর শফিকের মনে হতে লাগলো, সে একটা নতুন মানুষ … তার মাথাব্যথাটাও আসলেই একবারেই নাই!! তাই সে একটা কাপড়ের দোকানে ঢুকলো … একটা শার্ট বানাবে। দোকানে ঢুকে শার্টের কথা বলতেই দর্জি তাকে বলল, “দেখি, … হুমমমম … কলার সাইজ ১৬”। দেখে বলে দিল দর্জি। তারপর একটা শার্ট পরালো শফিক কে। শফিক দেখল খুব সুন্দর ফিট হয়েছে। তাই সে দর্জিকে বলল, “কিভাবে নিখুঁতভাবে বললেন?” দর্জি বলল, “বাবা … ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা … এখন একটা প্যান্টও বানাবে?”

শফিক বলল “ঠিকাছে”

দর্জি বলল “হুমমম … তোমার কোমর হবে ৩২, লম্বায় হবে ৪০”

তারপর একটা প্যান্ট পড়তে দিল। শফিক দেখল, খুব সুন্দর ফিট করেছে। সে বলল, “কিভাবে নিখুঁতভাবে বললেন?”

দর্জি বলল, “বাবা, ৬০ বছরের অভিজ্ঞতা! তো, এখন একটা জাঙ্গিয়া নিবে না?”

শফিক বলল, “আপনি বলেন, কী সাইজ হবে?”

দর্জি বলল, “হুমমমম … সাইজ হবে ৩৪”

শফিক হাসতে হাসতে বলল, “নাহ, এবার হয়নাই … আমি ১৮ বছর বয়স থেকে ২৮ সাইজ পরি … ঐটাই আমার নিখুঁত ফিট হয়।”

দর্জি বলল, “অসম্ভব, ২৮ সাইজের জাঙ্গিয়া পড়লে তোমার অন্ডকোষটা তোমার স্পাইনাল কর্ডের নিচে চাপ দিবে, তখন তোমার খুব মাথাব্যথা হবে, যার জন্য তুমি অনেক সময় চোখে দেখতেও পাবেনা।”

 

১৭৮)

১ম বন্ধু: আরে দোস্ত, আমার বউ একদম আমার কথা শুনেনা। খালি উল্টা-পাল্টা করে। কি করা যায়?

২য় বন্ধু: এইরকম মেয়ে লোকের জন্য আমার কাছে একটা ফাস্টক্লাস তরিকা আছে।

১ম বন্ধু: কি সেইটা?

২য় বন্ধু: যেইদিন তোর কথা শুনবেনা সেইদিন সামনে থেকে দুইবার, পিছন থেকে দুইবার, দাড়িয়ে দুইবার লাগাবি দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।

১ম বন্ধু: এইটা কি আমার বউকে শাস্তি দেয়া না আমাকে শাস্তি দেয়া?

২য় বন্ধু: আরে না তুই এতবার করার পর এতো টায়ার্ড হয়ে যাবি যে বউয়ে উল্টা-পাল্টা করলে আর নজরে পরবেনা।

 

১৭৯)

দুই বন্ধু জমির আর নানক গলফ খেলছে। হঠাৎ নানকের একটা ফোন করার দরকার পড়ল, “কিরে জমির, তর কাছে ফোনে আছে? একটা ফোন করতাম।”

জমির বলল, “ঠিকাছে, এই নে ফোন” এই বলে সে ১২ ইঞ্চি লম্বা একটা ফোন বের করলো। ফোন দেখে তো নানক ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেলো। জমিরকে জিজ্ঞেস করলো, “কিরে, এই ফোন তুই পাইলি কই?”

জমির বলল, “আমার একটা দৈত্য আছে, ইচ্ছাপূরণকারী দৈত্য, ওই বেটা এই ফোন দিছে।”

নানক বলল, “দেখি তো তোর দৈত্যটা।” জমির গলফ ব্যাগ থেকে দৈত্যটা কে বের করলো। দৈত্যকে দেখেই নানক বলল, “তুমি তো ইচ্ছাপূরণকারী দৈত্য, আমি তোমার মনিবের বন্ধু, তো আমার একটা ইচ্ছা পূরণ কর।” দৈত্য বলল ,” হুকুম করেন জাহাপনা ”

নানক বলল, “আমাকে গাড়ি, বাড়ি আর নারী দাও।”

দৈত্য বলল, “জো হুকুম!” এই বলে সে ভ্যানিস হয়ে গেল। নানক তো অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করছে, কখন তার বাড়ি, গাড়ি আর নারী আসে। অপেক্ষা করতে করতে সে যখন মেজাজ খারাপের চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখন হঠাৎ করে আকাশ থেকে একটা চুড়ি, একটা হাঁড়ি আর একটা শাড়ি পড়ল! নানকের মেজাজ তো খুব খারাপ, বলল, “কিরে ব্যাটা! চাইলাম নারী গাড়ি বাড়ি … আর ও দিল কিনা চুড়ি হাড়ি আর শাড়ি !!!”

জমির নির্লিপ্ত কন্ঠে বলল, “দোস্ত, বলতে ভুইলা গেছিলাম … আমার দৈত্যটা কানে কম শুনে … … তোর কি মনে হয়, আমি কি ১২ ইঞ্চি লম্বা ফোন চাইছিলাম?”

 

১৮০)

এক ছেলে বাবাকে এসে বলছে, “আমি পাশের বাড়ির আলোর সাথে প্রেম করতে পারি?”

বাবাঃ “বাবা একটা গোপন কথা বলি, আলো আমার মেয়ে, সে তোমার বোন হয়, তুমি অন্য মেয়ে দেখ”

কয়েকদিন পর ছেলে আবার এসে বলল “আমি কি ওই পাড়ার আঁখির সাথে প্রেম করতে পারি?”

বাবা “সেও তোমার বোন, সুতরাং অসম্ভব”

এর কয়েকদিন পর ছেলে এসে আবার বলল, “তোমার বন্ধুর মেয়ে রাখীর সাথে প্রেম করলে কোন সমস্যা?”

বাবাঃ “দুঃখজনক হলেও সেও তোমার বোন হয়”

এরপর ছেলে রেগে গিয়ে মায়ের কাছে গিয়ে বলল, “আমি যে মেয়ের সাথে প্রেম করতে চাই, সেই নাকি আমার বোন হয়। আমি কী করবো?”

মা হেসে বলল, “বাবা, তুমি যে কারো সাথে প্রেম করতে পার, কারন উনি তোমার বাবা না”

 

১৮১)

এক জাপানি ভদ্রলোক এসেছেন বাংলাদেশ ভ্রমনে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে সামনে অপেক্ষারত একটা ট্যাক্সিতে চড়ে বসলেন হোটেলে যাওয়ার জন্য। একটু পরে একটা মোটরবাইক পাশ কাটাতেই জাপানিটা সোল্লাসে বলে উঠল, হোন্ডা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ড্রাইভার কিছু বলল না।

একটু পরে ওভারটেক করল একটা কার, আবার জাপানির চিৎকার, টয়োটা, হাহা, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ট্যাক্সি ড্রাইভার চুপচাপ শুনল, কিছু বলল না।

এরপর একটার পর একটা গাড়ি পেছন থেকে উঠে যাচ্ছে আর জাপানি লোকটার উৎসাহ বেড়ে যাচ্ছে, কখনও মিৎসুবিশি, কখনও হোন্ডা, কখনও টয়োটা বলে লাফাচ্ছে আর মনের আনন্দে গুনকীর্তন করছে, মেড ইন জাপান, ভেরী ফাস্ট!! ভেরী ফাস্ট!!

অবশেষে, হোটেলে পৌছল তারা। ক্যাব থেকে নেমে ভাড়া দিতে গিয়ে টাসকি, এইট হান্ড্রেড টাকা? হাউ কাম?

এতক্ষণ চুপ থাকার পর কথা বলার চান্স পেয়েছে ট্যাক্সি ড্রাইভার, হাহা, ইয়ে মিটার, মেড ইন বাংলাদেশ, ভেরী ফাস্ট! ভেরী ফাস্ট!!

 

১৮২)

বাবা: আমি চাই তুমি আমার পছন্দ মত মাইয়ারে বিয়া করবা!

পোলা: নাহ, আমি নিজে পছন্দ কইরা বিয়া করুম!

বাবা: মাইয়া কিন্তুক বিল গেটসের কন্যা, খিয়াল কইরা!

পোলা: তাইলে আমি রাজি!

পরের ঘটনা, বাবা বিল গেট্সরে প্রস্তাব করতেছে~

বাবা: আমি তোমার মাইয়ার লাইগা একটা ভালা রর খুইজা বাইর করছি!

বিল গেটস: কিন্তুক আমার মাইয়াত অনেক ছুড! বিয়ার বয়স হয় নাই!

বাবা: বুঝলাম, তয় এই যুবকে কিন্তুক ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট!

বিল গেটস: আহ! আগে কয়বা ত, তাইলে আমি রাজি!

শেষে বাবা গেল ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে।

বাবা: আমি একটা পুলারে রিকমেন্ড করতাসি হেরে তুমি তোমার ভাইস প্রেসিডেন্ট কইরা নাও!

প্রেসিডেন্ট: কিন্তুক আমার প্রয়োজনের থেইকা বেশী ভাইস প্রেসিডেন্ট আসে! আর লাগব না!

বাবা: বুজলাম! কিন্তুক এই পুলাডা বিল গেট্সের মাইয়ার বাগদত্তা!

প্রেসিডেন্ট: আহ! আগে কই বা তো, তাইলে আমি রাজি!

 

১৮৩)

আমেরিকায় তখন ভয়ানক মন্দা চলছে। একদিন এক বারে এক লোক ঢুকে বারটেন্ডারকে বললো, ‘আজকে এই বারের সবাইকে আমার তরফ থেকে এক পেগ।’

বারটেন্ডার বললো, ‘তা ঠিক আছে। কিন্তু এই মন্দার সময় তোমার কাছে এতো টাকা আছে তো…?’

লোকটি একতাড়া ডলার বের করে দেখালো। বারটেন্ডার অবাক হয়ে গেলো, ‘তুমি এতো টাকা কোথায় পেলে?’

লোকটি উত্তর দিলো, ‘বাজি ধরা আমার পেশা।’

বারটেন্ডার বললো, ‘ কিন্তু বাজি মানেই তো ৫০:৫০ চান্স। তাহলে?’

লোকটি বললো, ‘ঠিক আছে, চলো ৫০ ডলার বাজি ধরি, আমি আমার ডান চোখে কামড় দিবো।’

বারটেন্ডার রাজি হলো। বাজিকর তখন তার নকল ডান চোখ খুলো কামড়ে দিলো।

বারটেন্ডার বাজিতে হেরে ৫০ ডলার দিয়ে দিলো।

বাজিকর বললো, ‘হেরে তোমার মন খুব খারাপ হয়েছে বুঝতে পারছি। চলো তোমাকে আরেকটা চান্স দেই টাকা ফেরত নেবার। এসো বাজি ধরি, আমি আমার বাম চোখে কামড় দিবো।’

বারটেন্ডার খুশি হয়ে উঠলো, ‘তোমার ডান চোখ নকল, আবার বারে তুমি দেখে দেখেই ঢুকেছো, তোমার বাম চোখটা তাহলে নকল না। আমি বাজিতে রাজি।’

বাজিকর তখন তার নকল দাঁত খোলে বাম চোখে কামড় দিলো।

‘ধুত’ – বারটেন্ডার বিরক্ত হয়ে বললো।

‘দেখলে, এভাবেই আমি আমার বাজিগুলো জিতি। এবারের ৫০ ডলার আমি তোমার কাছ থেকে নিলাম না। তার বদলে এক বোতল হুইস্কি দাও।’

এক বোতল হুইস্কি নিয়ে বাজিকর চলে গেলো জুয়ার রুমে। প্রায় সারারাত ধরে সে জুয়া খেললো আর হুইস্কির বোতলটা প্রায় খালি করে ফেললো। ভোরের দিকে সে বারটেন্ডারের কাছে এগিয়ে এলো। সে নেশার কারণে ঠিকমতো পা ফেলতে পারছিলো না।

কোনমতে বারের উপর ভর রেখে বাজিকর জড়ানো কণ্ঠে বললো, ‘আমি তোমার সাথে শেষ বাজি ধরতে এসেছি। আমি তোমার এই টেবিলের উপর দাঁড়িয়ে তোমার পেছনের একটা খালি হুইস্কির বোতলে প্রস্রাব করে দেখাবো। বাজি ১,০০০ ডলার।’

বারটেন্ডার বাজিকরকে সারারাতই হুইস্কি খেতে দেখেছে। সে নিশ্চিত সে কোনভাবেই এই বাজিতে জিততে পারবে না। তাই সে খুশি মনে রাজি হয়ে গেলো।

বাজিকর টেবিলের উপর উঠে পেছনের একটা হুইস্কির খালি বোতলে পেশাব ফেলার অনেক চেষ্টা করলো কিন্তু সে এমনভাবে কাঁপছিলো যে সে বোতল বাদে আর সব জায়গাতেই পেশাব দিয়ে ভরিয়ে দিলো।

শেষমেষ লজ্জিত কণ্ঠে বললো, ‘বারটেন্ডার, আমি পারলাম না।’

বারটেন্ডার খুশিতে লাফ দিয়ে বললে, ‘ইয়েস, আমি ১,০০০ ডলার জিতেছি।’

বাজিকর খুশিমনে তাকে ১,০০০ ডলার দিয়ে দিলো। বারটেন্ডার অবাক হয়ে বললো, ‘কি ব্যাপার! তুমি এতো সহজে হার স্বীকার করে নিলে?’

বাজিকর বললো, ‘জুয়ার রুমের লোকগুলোর সাথে আমার বাজি রয়েছে যে আমি তোমার পুরো বারে প্রস্রাব করবো কিন্তু তুমি হাসবে আর আমাকে মারবে না। ওদের সাথে আমি ৫,০০০ ডলার জিতেছি।’

 

১৮৪)

এক লোক একটা লেডিস কাপড়ের দোকান দিলো। একদিন এক সুন্দরী আসলো। দেখে লোকটার খুশী যেনো আর ধরেনা। চিন্তা করলো যে ভাবে হোক মেয়েকে পটাতে হবে। সুন্দরী দুইটা কাপড় নিলো।

লোকটাকে বললো: আচ্ছা এই কামিজের দাম কতো।

লোকটা বিগলিত হাসি দিয়ে বলে: আপনার জন্য মাত্র ১০টা কিস। মানে আমাকে দশটা কিস দিলেই হবে।

সুন্দরী: তাহলে এই জিনসের দাম কতো?

লোকটা: এইটা? আমাকে জড়ায়ে ধরে একটু আদর কইরা দিলেই হবে।

সুন্দরী বলে: ঠিক আছে। এই দুইটা আমি নিলাম। গাড়িতে আমার কাজের বুয়া আছে, সে এসে দাম দিয়ে যাবে।

 

১৮৫)

দুই চাপাবাজ, একজন ঢাকাইয়া আরেকজন কোলকাতাইয়া। দীর্ঘদিন বাদে দেখা। ঢাকাইয়া জিজ্ঞেস করলো, কি দোস্ত কেমুন আছো?

কোলকাতাইয়া: আর দাদা বোলো না। আছি বেশ। দু’আঙুলে কোলকাতাকে নাচাচ্ছি।

ঢাকাইয়া: কউ কি দোস্ত! খাড়াও তোমার এউগা পরীক্ষা লই। পাশ করলে বুঝমু কেমুন তুমি শেঠ।

কোলকাতাইয়া: ঠিক আছে, হয়ে যাক। বলো কি করতে হবে?

ঢাকাইয়া দোস্ত: ওই যে দেখবার লাগছো কাউয়্যাঠুটির গাছ, এউগা কাউয়ার বাসা ভি দেহা যাইতাছে। ওইহানে এউগা কাউয়া বয়া রইছে, ওর পেটের নিচে আন্ডা ভি আছে। এউগা আন্ডা গাছে উইঠা লয়া আইবা মাগার কাউয়া উড়বো না, পারবা?

কোলকাতাইয়া দোস্ত তর তর করে গাছে উঠে গেলো এবং কাকের পেটের তলা থেকে কাকের ডিমও নিয়ে এলো অথচ কাক টেরও পেলো না।

নেমে তৃপ্তির স্বরে সে বললো: এই নাও বন্ধু, কাকের পেটের তলা থেকে ডিম নিয়ে এলুম অথচ কাক ঠিকই বসে আছে (বাহাদুরি দেখিয়ে)।

ঢাকাইয়া: হ, তুমি কোলকাতারে দুই আঙুলে ঘুরাও ঠিকই। গাছে উইঠা কাউয়া না উড়ায়া কাউয়ার পেটের তলা থেইকা আন্ডা ভি লিয়া আইছো ঠিকই। মগর উঠোনের টাইমে যে দুই আঙুলে তোর ধুতি আমি খুইলা রাইখা দিছি দাদা, তুমি হালায় টেরই পাইলা না। নিচে চায়া দেহো পুরা কোলকাতা দেহা যাইবার লাগছে।

 

১৮৬)

একগ্রামে বন্য হাতি ঢুকে সব লন্ড ভন্ড করে ঘর বাড়ি ভেঙ্গে তছনছ করে কলাগাছ সব খাওয়া শুরু করলো । গ্রামের সবাই হাতি তাড়াতে ব্যস্ত এই ফাকে এক কিশোরি বালিকা দৌড়ে চেয়ারম্যানের কাছে খবর দিতে গেল । কিন্তু বিপদের কথা হলো এই কিশোরী আগে কখনো হাতি দেখে নাই । সে গিয়ে চেয়ারম্যান কে উত্তেজিত গলায় বলছে –  চেয়ারম্যান সাব , সর্বনাশ হইছে !! বন থেকে এক অদ্ভুত ইয়া বড় জন্তু গ্রামে ঢুকে গেছে ।

– তাই নাকি !! কিরকম দেখতে জন্তুটা ?/

– ইয়া উঁচা … আর একটা ইয়া মোটা লেজ সেই লেজ দিয়ে সে সব কলা গাছ উপড়ে ফেলছে…

– তারপর !!!

কিশোরি এবার মুখ কান লাল করে লাজুক ভঙ্গিতে বললো –  যাহ !.. তারপর সেই কলাগাছ দিয়ে কি করছে সেটা বলতে আমার লজ্জা করছে !

 

১৮৭)

এক প্রচুর ধনী মহিলা সিদ্ধান্ত নিলেন যে বিয়ে করবেন। ভাল পাত্রের জন্য প্রত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিলেন এবং তিনটি শর্ত জুড়ে দিলেনঃ

১. মহিলার গায়ে হাত তোলা যাবে না।

২. মহিলাকে ফেলে কোথাও যেতে পারবে না।

৩. মহিলাকে বিছানায় সন্তুষ্ট রাখতে হবে।

নির্ধারিত দিনে অনেকেই ভাইভা দিতে আসলো। কেউ প্রথম দুটি শর্ত পূরন করতে পারে তো ৩য় টা পারে না, কেউ ৩য় টা পূরনে সক্ষম তো ২য় টি পূরনে সক্ষম নয়। এভাবে সারা দিন চলে গেল কিন্তু কেউ ই মহিলার মন মতো হল না। মহিলা হতাশ হয়ে বসে রইলেন। তার বুঝি আর বিয়ে করা হয় না। এমন সময় সন্ধ্যার দিকে হটাৎ কলিং বেল বেজে উঠলো। মহিলা নিজেই গিয়ে দরজা খুলে দিলেন। দরজা খুলে দেখেন হাত পা নেই এমন এক ভিক্ষুক দরজার সামনে শুয়ে আছে।

মহিলাঃ তুমি কি চাও?

ভিক্ষুকঃ আমি ভাইভা দিতে আইছি।

মহিলাঃ কিন্তু সেটা কি করে সম্ভব? তুমি কি পারবে আমার তিনটা শর্ত পূরণ করতে?

ভিক্ষুকঃ জে পারমু। দেখেন আমার একটাও হাত নাই, তাই আমি আপনার গায়ে হাত তুলতে পারুম না। আমার একটাও পা নাই। আমি আপনারে রাইখা কুথাও যাইতে পারুম না।

মহিলাঃ আচ্ছা বুঝলাম, কিন্তু তিন নম্বর শর্ত টা? সেটা কি ভাবে পূরণ করবে?

ভিক্ষুকঃ ক্যান? আপনে কি আমার দেয়া কলিং বেল এর আওয়াজ শুনেন নাই?

 

১৮৮)

মেয়েদের একজন পুরুষ সঙ্গীর যে সব গুন থাকা প্রয়োজন:

১. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে বাড়ির কাজে সাহায্য করে এবং কোন একটা জব করে।

২. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে হাসাতে পারে।

৩. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি নির্ভরযোগ্য এবং তোমাকে মিথ্যা বলে না।

৪. এটা জরুরি যে পুরুষ সঙ্গীটি তোমাকে ভালোবাসে এবং তোমাকে আদর করে।

৫. সবচেয়ে জরুরি হলো, এই চারজন ব্যক্তি যেন একজন আরেকজনকে না চেনে।

 

১৮৯)

এক অন্ধ লোক টেক্সাসে বেড়াতে গেছে। ট্রেনে সিটটাকে অনুভব করে পাশের যাত্রীকে সে বললো, ট্রেনের সিটটা তো নরমাল ট্রেনের চেয়ে বড়!

পাশেরজন জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়।

হোটেলে ওঠার পর লোকটি বারে গেলো কিছু পান করতে। অনুভব করে বুঝলো গ্লাসটা অনেক বড়। সে বললো, গ্লাস তো আসলেই বড়!

বারটেন্ডার জবাব দিলো, টেক্সাসে সবকিছুই বড়।

একটু পর লোকটির বাথরুমে যাবার প্রয়োজন হলো। বারটেন্ডারকে জিজ্ঞেস করতেই সে টয়লেটে যাবার দিকনির্দেশনা দিয়ে দিলো।

অন্ধ লোকটি কিছুদূর ঠিকমতো গিয়ে এক জায়গায় ভুল মোড় নিয়ে নিলো আর সোজা গিয়ে পড়লো হোটেলের সুইমিং পুলে। ভয়ে আতঙ্কে চেঁচিয়ে উঠলো সে, ‘কেউ ফ্লাশ কোরো না, ফ্লাশ কোরো না।’

 

১৯০)

এক ভদ্রলোকের স্ত্রী মারা গেলো। ভদ্রলোক খুব কাঁদছে। পাশের বাড়ির এক ভাবি এসে সান্ত্বনা দিচ্ছে – কাঁদবেন না ভাই। কেঁদে আর কী হবে। মানুষতো আর চিরদিন বেঁচে থাকে না।

ভদ্রলোক বললো: ভাবি, যখন আমার মা মারা গেলো, তখন আশেপাশের বয়স্ক মহিলা প্রতিবেশীরা এসে বললো, কেঁদো না, তোমার মা নেই তো কি হয়েছে আজ থেকে আমরাই তোমার মা।

যখন আমার বোন মারা গেলো, তখন আশেপাশের মধ্যবয়স্ক মহিলারা এসে সান্ত্বনা দিয়ে বললো, কেঁদো না, তোমার বোন নেই তো কি হয়েছে, আজ থেকে আমরা তোমার বোন।

কিন্তু আমার বৌ মারা যাবার পর কেউ তো ওরকম সান্ত্বনা দিতে এলো না।

 

১৯১)

ক্লাস সিক্সে অল্পবয়স্ক এক ম্যাডাম এসাইনমেন্ট দিচ্ছিলেন। এসাইনমেন্টের টাইটেলটা অনেক বড় হওয়ায় তিনি বোর্ডের অনেক উপর থেকে লেখা শুরু করলেন। এমন সময় পেছন থেকে এক ছেলের খিখি হাসি শোনা গেল। ফিরে তিনি দেখলেন রকিব হাসছে।

– তুমি কেন হাসলে?

– ম্যাডাম, আপনার অন্তর্বাস দেখা যাচ্ছিলো তাই।

– ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ দিন আমার সামনে আসবে না।

রকিব বেরিয়ে গেলো মাথা নিচু করে।

ম্যাডাম আবার লেখা শুরু করলেন। এবার কালাম এর কণ্ঠে আরো জোরে হাসি শোনা গেলো। ম্যাডাম রেগেমেগে জানতে চাইলেন, কেন হাসলে?

– ম্যাডাম আপনার অন্তর্বাস পুরোটাই দেখা যাচ্ছিলো তাই।

– ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাও। আগামী ৩ সপ্তাহ আমার সামনে আসবে না।

কালাম মাথা নিচু করে ক্লাস থেকে বেরিয়ে গেলো।

ম্যাডাম এবার লিখতে গিয়ে হাত থেকে মার্কার পড়ে গেলো। সেটা তুলতেই এক ছাত্রের হাসি শুনতে পেলেন। ফিরে তিনি দেখলেন বল্টু মিয়া ক্লাস থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

– তুমি কোথাও যাচ্ছো?

– ম্যাডাম, আমি যা দেখেছি তা যদি বলি তাহলে বাকি জীবন আমার আর ক্লাস করা হবে বলে মনে হয় না।

 

১৯২)

এক সিলেটি ভদ্রলোকের সাথে আরেক সিলেটি ভদ্রলোকের দেখা।

১ম জন: এবা গতবছর যে মারা গেছিলাইন, আফনে না আফনের বাই?

২য় জন: আমার বাই।

১ম জন: ইয়ার লেগাইতো খই। তেনারে দেখি, আফনারে দেখিনা খ্যান? ক্যামবাই মারা গেছিলাইন?

২য় জন: সাফে খামরাইছে।

১ম জন: খোনো?

২য় জন: খফালে।

১ম জন : আল্লায় ভাচাইছে। চক্ষু দুইটা ভাইচা গেছে। খনোৎ কবর দিছাইন?

২য় জন: ভাড়ির পেছন, ফুকুর ফাড়ে, গাছতলায়।

১ম জন: বালা খরচাইন, ছায়া ফাইবো, টান্ডা লাগবো। আল্লায় তেনারে বাঁচায়া রাখুক।

 

১৯৩)

এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি হাওড়া ষ্টেশান থেকে দক্ষিনভারতগামী একটি ট্রেনে উঠেছে। উদ্দেশ্য মধুচন্দ্রিমা। দুজনের চোখে-মুখেই খুশীর ঝিলিক। ট্রেন চলতে শুরু করলো। এমনিতেই এ সি টু টায়ার্স কামরা, তার উপর প্যাসেঞ্জার্সও অনেক কম। স্বামী-স্ত্রী দুজনে সন্ধ্যে নাগাদ রাতের খাবার খেয়ে নিয়ে নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো।

স্বামী: জান্, কালকে বাজারের ব্যাগটা …রাখতে গিয়ে হাতের কব্জীটায় একটা জোর মচকা লেগেছে, খুব ব্যাথা করছে!

স্ত্রী পাশেই বসা ছিল, স্বামীর হাতটা দু-হাতে আদর করে নিজের মুখের কাছে নিয়ে এসে চকাস করে একটা চুমু খেয়ে বললো এই নাও পেইন কীলার!

মেঘ না চাইতে জল পেয়ে স্বামী উত্তেজিত হয়ে পড়লো। মনে মনে একটা ফন্দি এঁটে বললো না না! ব্যাথাটা তো এখন আর কব্জীতে হচ্ছে না। এ কাঁধে হচ্ছে।

যেমনটা হবার ছিল তেমনই হল স্ত্রী স্বামীর আরো ঘনিষ্ঠ হয়ে বসে কাঁধে একটা চকাস, চুমু জি, এই নিন আপনার পেইন কীলার।

এরপর স্বামী নিজের ঠোঁট-এর দিকে ইঙ্গিত করতেই স্ত্রী ব্যাথা কমাতে তৎপর হয়ে উঠলো…..

এখন হয়েছে কি, আপার বার্থ-এ এক দাদু অনেক্ষণ ধরে যন্ত্রনায় ছটফট করছিলো, ঘুমোতে পারছিলো না। নীচে বারবার পেইন কীলার পেইন কীলার বলা হচ্ছে শুনে কাতর হয়ে বললেন মামনি, আমার পাইলস এর যন্ত্রনাটা বেড়েছে, একটা পেইন কীলার পাওয়া যাবে, প্লিজ্?

 

১৯৪)

একটি আন্তর্মহাদেশীয় ট্রেনে এক ব্যক্তি আর এক মহিলা একই কম্পার্টমেন্টে শোওয়ার জায়গা পেয়েছেন। প্রথমে কিছুক্ষণ উসখুস করলেও দুজনেই খুব ক্লান্ত থাকায় অল্পক্ষণের মধ্যেই তারা ঘুমিয়ে পড়লেন। ভদ্রলোক উপরের বার্থে আর ভদ্রমহিলা নীচের বার্থে।

মাঝরাতে হঠাৎ ভদ্রলোকের ঘুম ভাঙল। তিনি একটু ইতস্তত করে ভদ্রমহিলাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললেন দেখুন কিছু মনে করবেন না, “আমার এত ঠান্ডা লাগছে, আপনি কি দয়া করে আমার সুটকেস থেকে একটা কম্বল বার করে আমায় দেবেন?”

ভদ্রমহিলা উত্তরে বললেন “আমার আরো একটা ভালো আইডিয়া আছে। আজকের রাতের জন্য মনে করি না আমরা স্বামী আর স্ত্রী?”

ভদ্রলোক খুব অবাক আর মনে মনে খুব খুশি হয়ে বললেন “ওয়াও!!! দারুণ আইডিয়া!! তাহলে এখন আমার কি করা উচিত?”

“উঠে নিজের কম্বল নিজে নিয়া নাও, আর প্যানপ্যান কইরা আমার মাথা খারাপ কইর না তো!”

 

১৯৫)

টম আর জন, ২ বন্ধুর দেখা। ২ জনেই মোটা।

টমঃ কিরে দোস্ত ১ দিনেই তুই অমন স্লিম হলি কি করে?

জনঃ একটা স্লিমিং সেনটারে গিয়েছিলাম, তারা বলল, ১ ঘণ্টায় আমরা আপনার ৩ কে জি ওজন কমিয়ে দেব। তার জন্য আপনাকে পে করতে হবে ১০০ ডলার।

তো আমি পে করার পর তারা আমাকে উচু প্রাচির ঘেরা এক বাগানের মধ্যের এক ঘরে নিয়ে গেল। ঘরের দরজা খুলে ভিতরে গিয়ে দেখি অপূর্ব এক সুন্দরী খাটে বসে আছে । সুন্দরী আমাকে বলল ,তুমি যদি আমাকে দৌড়িয়ে ধরতে পার তাহলে আজ রাতের জন্য আমি তোমার। এই বলেই দিল দৌড়।

আমিও ছুটলাম তার পিছু পিছু। দৌড়াতে, দৌড়াতে ‌দৌড়াতে, কিছুতেই ধরতে পারলাম না।

একজন এসে বলল আপনার ১ ঘণ্টা সময় শেষ। আসুন ওয়েট মাপি।

দেখা গেল সত্যি আমার ওজন ৩ কে জি কমে গেছে ।

তবে আপসোস, মেয়েটাকে ধরতে পারলাম না।

জনের কাছ থেকে ঠিকানা নিয়ে পরের দিন ওই স্লিমিং সেন্টারে টম গিয়ে হাজির। এবং, ১০০ ডলারের প্যাকেজটি নিতে চাইলো ।

ম্যানেজার টমকে বলল, দেখুন আমাদের নতুন ১ টা প্যাকেজ এসেছে, ১ ঘণ্টায় ওজন কমবে ৬ কেজি। তার জন্য আপনাকে পে করতে হবে ২০০ ডলার।

টম ভাবল এই প্যাকেজ এর মেয়েটা নিশ্চয় আরও সুন্দরী হবে, সে ২০০ ডলার পে করল।

তাকে নিয়ে গাইড বাগানের দিকে রওয়ানা হল। টম ভাবছিল যেভাবেই হোক মেয়েটাকে আমি ধরে ফেলবোই।

নির্দিষ্ট ঘর দেখিয়ে গাইড চলে গেল।

টম দরজা ঠেলে দেখে সুন্দরী মেয়ের পরিবর্তে খাটে বসে আছে এক বিকট দর্শন নিগ্রো।

নিগ্রো বলল, যদি আমি তোমাকে দৌড়িয়ে ধরতে পারি তা হলে তোমাকে আমার সাথে আজকের রাত কাটাতে হবে এই ঘরে আর আমাকে সন্তুষ্ট করতে হবে।

 

১৯৬)

ছোট্ট জনি আর জেনি দু’জনের বয়সই ১০ বছর, কিন্তু তারা জানে তারা একে অপরকে ভালোবাসে। একদিন তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলো। জনি জেনির বাবার কাছে গেলো বিয়ের কথা বলতে।

সাহসের সাথে জনি জেনির বাবার কাছে গিয়ে বললো, মি. স্মিথ, আমি আর জেনি পরস্পরকে ভালোবাসি। এজন্য আপনার কাছে জেনিকে বিয়ে করার অনুমতি চাইতে এসেছি।

মি. স্মিথ বাচ্চার মুখে এমন কথা শুনে মজা পেলেন। বললেন, জনি, তোমার বয়স তো মাত্র ১০ বছর। তোমরা দু’জন কোথায় থাকবে?

জনি কোন রকম চিন্তা না করেই বললো, জেনির রুমে থাকবো। আমার রুমের চেয়ে ওরটা বড়। দু’জনের বেশ জায়গা হয়ে যাবে।

মি. স্মিথ তার কথায় আরো মজা পেলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তো অনেক ছোট। কোন কাজই তো করতে পারবে না। তাহলে জেনিকে খাওয়াবে কি?

জনি কোনরকম দ্বিধা না করে উত্তর দিলো, আমি প্রতি সপ্তাহে ১০ ডলার হাতখরচ পাই, জেনিও ৫ ডলার পায়। মাসে ৬০ ডলারে দু’জনের বেশ ভালোভাবেই চলে যাবে।

এবার মি. স্মিথ একটু অবাক হলেন। কারণ জনি সব উত্তর আগে থেকেই ভেবে রেখেছে। তাই তিনি এবার এমন প্রশ্ন করলেন যেটার উত্তর তৈরি করে রাখা জনির পক্ষে সম্ভব না।

মি. স্মিথ জানতে চাইলেন, তুমি তো সব বিষয়েই চিন্তা করে রেখেছো। আরেকটা উত্তর দাও তো। যদি তোমাদের ঘরে কোন বাচ্চা জন্ম নেয়, তোমরা তখন কি করবে?

জনি বললো, এখন পর্যন্ত আমরা ভাগ্যবান যে এমন কিছুই হয়নি…

 

১৯৭)

ছোট্ট বল্টু যোগ করতে শিখেছে। একদিন তার ছোট চাচু তাদের বাসায় বেড়াতে এলে বল্টু তার চাচুকে বলে, চাচু আমি না যোগ অংক করতে পারি। তুমি আমাকে ধরো তো?

: তাই নাকি ! বেশ ভাল। বলো তো দুই আর তিনে কত হয়?

বল্টু দুই হাতের আঙ্গুল গুনে বলল পাঁচ।

: আরে তুমি তো সত্যিই যোগ করতে শিখে গেছ। ভেরি গুড। কিন্তু চাচ্চু ওভাবে হাত বের করে গুনলে তো তোমার টিচার তোমাকে বকা দেবেন। এক কাজ কর তুমি তোমার দুই হাত প্যান্টের পকেটে ঢুকাও। তারপর বলো, চারে আর চারে কত হয়?

এবার বল্টু পকেটে দুই হাত নেড়েচেড়ে বলল, “নয়”।

 

১৯৮)

এক মহিলা তার ডাক্তার বন্ধুর সাথে প্রেম চালাচ্ছিল, কিন্তু বেশিদিন হওয়ার আগেই সে গর্ভবতী হয়ে গেল । তো, নয় মাসের সময় ডেলিভারির জন্য সে যখন হাসপাতালে ভর্তি হল অপারেশনের জন্য , তখনি এক পাদ্রিও তার প্রস্টেট (Prostate) অপারেশনের জন্য ভর্তি হলো। ডাক্তার তখন তার বান্ধবীকে বলল , ”আমরা পাদ্রীর অপারেশনের পর বলব যে এই বাচ্চাটা আপনার !! ‘

বান্ধবী বলল , ”কি বল এইসব , সে কি বিশ্বাস করবে ?? ”

ডাক্তার বলল , ”করতেই হবে, কারণ তাকে বলব , এটা একটা মিরাকল”

তো, নির্দিষ্ট দিনে পাদ্রীর প্রস্টেট অপারেশন হয়ে গেল … তার পরই বান্ধবীর ডেলিভারিও হলো, ডাক্তার বাচ্চাটা পাদ্রীর কাছে নিয়ে গিয়ে বলল , ”ফাদার , এই নিন আপনার বাচ্চা ”

পাদ্রী তো খুব আশ্চর্য হলেন, বললেন ”এ কিভাবে সম্ভব ?? ”

ডাক্তার বলল, ” ফাদার , আশ্চর্য আমরাও হয়েছি , এটা একটা মিরাকল … খুব কমই ঘটে ”

পাদ্রী আর কিছু বললেন না।

প্রায় ১৫ বছর হয়ে গিয়েছে এর মাঝেই , বাচ্চাটাও বড় হয়ে গেছে . একদিন পাদ্রী বাচ্চাটাকে ডাকলেন , বললেন ”তোমাকে কিছু গোপনীয় কথা বলার আছে …আমি আসলে তোমার বাবা নই ” !!

বাচ্চাটা খুব অবাক হয়ে বলল, ”মানে? তুমি আমার বাবা না ??? ”

পাদ্রী গম্ভীর স্বরে বললেন , “না। আমি তোমার মা , আর্চবিশপ তোমার আসল বাবা।

 

১৯৯)

এক দেশ এ এক রাজা ছিল। তার ছিল বিশাল বড় রাজ্য। তার হাতিশালে হাতি, ঘোড়াশালে ঘোড়া, ধন-সম্পদ কোন কিছুরই অভাব ছিল না। কিন্তু এত কিছুর পরেও রাজার মনে শান্তি ছিল না। তার কারন রাজ্যের জনসংখ্যা স্বল্পতা। তো রাজা উজির-নাজির সবাইকে খবর দিলেন জনসংখ্যা স্বল্পতার কারন বের করতে। তারা অনেক বিচার-বিশ্লেষণ করে রাজাকে বললেন এর কারন হচ্ছে রাজ্যের লোকেরা সেক্সের নিয়ম-কানুন জানে না এবং এটাতে তাদের প্রচন্ড অনিহা। রাজা পড়লেন আরেক দুঃশ্চিন্তায়, এখন রাজ্যের লোকদের তো আর ঢাক-ডোল পিটিয়ে সেক্স শেখানো যায় না। শেষে অনেক ভেবে-চিন্তে একটা উপায় বের করলেন যে, রাস্তার মোড়ে মোড়ে উলঙ্গ মেয়ের পুতুল বসানো হবে, যা দেখতে আসল মেয়ের মত। তো মেয়ে পুতুলটির সামনে দিয়ে যদি কেউ সেক্স করে পুতুলের পিছন দিয়ে চকলেট বের হবে আর পিছন দিয়ে কেউ সেক্স করলে সামনে দিয়ে আইসক্রীম বের হবে। তো রাজ্যের মানুষ চকলেট আর আইসক্রীমের লোভে পুতুলের সাথে সেক্স করতে করতে নিয়ম শিখে গেল।

কিছুদিন পরে ঘটল সমস্যাটা। লোকে এখন আর পুতুলের সাথে সেক্স করে মজা পায় না। তারা এখন সত্যিকার মেয়ে চায়। সেরকমই দুজন সৈনিক একটা মেয়েকে ধরার জন্য তার পিছন পিছন ছুটতে লাগল। একসময় মেয়েটি উপায় না দেখে জামাকাপড় খুলে মোড়ের মেয়ের পুতুলের পাশে দাড়িয়ে গেল। তো সৈনিক দুজন মেয়েটাকে আশেপাশে খুঁজে না পেয়ে ১ম সৈনিক ২য় সৈনিককে বলে, মেয়েটাকে তো পেলাম না, দৌড়াদৌড়ি করে পিপাসাও লেগেছে, আয় আইসক্রীম খেয়ে চলে যাই। তো তারা গিয়ে ঐ মেয়েটাকেই পুতুল মনে করে পিছন থেকে সেক্স করতে লাগল।

আইসক্রীম এর জন্য অপেক্ষা করতে করতে ২য় সৈনিক ১ম সৈনিককে বলল, কি ব্যপার বলত। সামনে দিয়ে আইসক্রিম বের না হয়ে এসব কি বেড় হচ্ছে?

২য় সৈনিক, গাধা এটাও বুঝস নাই? গরমে আইসক্রীম গলে গেছে।

 

২০০)

একজন ব্যাক্তি সেক্স এ ব্যাস্ত, সাথে পরে আছেন প্রোটেকশন। বহুক্ষণ পরে শুক্রাণুরা হাজির হল। হাজির হয়েই মহা বিরক্ত।

শুক্রাণুদের নেতা বলল, “দেখো বন্ধুরা, আমাদের বস কিভাবে মজা পাচ্ছে, আর আমাদের বেলুনে আটকে রেখেছে, আমাদের ডিম্বানুর সাথে মিলিত হতে দিচ্ছেনা, এইটা কি ঠিক? এসো আমরাও ডিম্বানুর কাছে যাই।”

সব শুক্রাণু চিৎকার করে বলল, “চল যাই, চল যাই!”

তারা সবাই মিলে কন্ডমের গায়ে জোরে ধাক্কা দিতে শুরু করলো, কয়েকবার ধাক্কা দিতেই, ফুটো হয়ে গেলো, নেতা চিৎকার করে বলল, “আগাও! আগাও!”

সবাই হুড়োহুড়ি করে এগুতে লাগল।

হঠাৎ দেখলো, তাদের নেতা উলটো পালাচ্ছে বলছে, “পিছাও, পিছাও!”

সবাই শুধালো, “কেনো, কেনো?”

নেতা বলল, “সামনে হাগু, সামনে হাগু!!!”

০০০০০০০

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ০ থেকে ১০০(১৮+)

বাংলা কৌতুক সমগ্রঃ ২০১ থেকে ৩৩০(১৮+)